ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মাহরেজ জার্মানি-নাগেলসম্যানের বিচ্ছেদ! পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু র‌্যাগিংয়ের দায়ে হাবিপ্রবির ৭২ শিক্ষার্থীকে শোকজ ফুটবলের উৎপত্তি প্রসঙ্গে আলাস্কার পাগল স্ল্যাকে১ ফুটবল খেলা চলছে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী টেড হিউজ ও মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা কৌতুকপ্রিয়তা আর সমাজ-নিরীক্ষণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গ্রামে আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদ্মার নৌকাভ্রমণ খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি ‘আত্মতুষ্টি আপনাকে শেষ করে দিতে পারে’, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ রস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, দুই জনের মৃত্যু ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, আশায় দীপ্যমান শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে? হাতিয়ায় নারীসহ যুবদল নেতা আটক, পদ থেকে বহিষ্কার ৮৮ বছরের খরা কাটিয়ে শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র একদিনের ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম মাদারীপুরে শিক্ষকের ওপর হামলা, পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস বিশ্বকাপের মঞ্চেই বিদায় বলবেন রোনালদো!

গাছ রোপণের শর্তে জামিন

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৪৮ এএম
আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:১৩ এএম
গাছ রোপণের শর্তে জামিন
কক্সবাজারে বন মমালায় বিচারের সাজা হিসেবে লাগানো হয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। ছবি-খবরের কাগজ

কক্সবাজারে গত কয়েক বছরে জেলা সদর, রামু, ঈদগাঁও, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার সরকারি বনভূমিতে হয়েছে ব্যাপক বৃক্ষ নিধন। বনের লাখ লাখ গাছ কাটার অভিযোগের ঘটনার কমতি ছিল না। একই সঙ্গে বিনষ্ট করা হয়েছে সরকারি শত শত পাহাড়। বন বিভাগ মামলা দিয়েও ভূমিদস্যুদের কাছে এক রকম নিরুপায় ছিল। কারণ মামলা দিয়েও তাদের দমিয়ে রাখা যায়নি। এমন বিপর্যয়ে গঠন হয় আলাদা বন আদালত। বন মামলার কার্যক্রম শুরু করলেন বিচারক। প্রথমে আসামিদের মনে হলো, এ যেন বন মামলার বিচার হচ্ছে হত্যা মামলার মতো। আসতে থাকে বনভূমি দখলমুক্ত, জামিন শর্তে গাছ রোপণ, সামাজিকতা রক্ষার মতো ব্যতিক্রমী আদেশ। থমকে গেল ভূমিদস্যুদের কার্যক্রম। সচেতন মহলে প্রশংসিত হলেন বিচারক। তিনি হলেন বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ।

আদালতপাড়ায় অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন ও বন মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড গড়ে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। দেশের বেশির ভাগ আদালতে মামলার যেখানে জট রয়েছে, সেখানে দ্রুত সময়ের মধ্যে অধিকসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করে রেকর্ডে গড়েছেন তিনি। এর ফলে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। বিচারক কঠোর পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও কর্তব্য-নিষ্ঠার মাধ্যমে মামলাগুলো নিষ্পত্তি করেছেন বলে জানিয়ে ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী। ইতোমধ্য আদালত সূত্রে এমন সফলতার তথ্য উঠে এসেছে। জেলায় এই প্রথম বন আইনে বহু মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড করলেন বিচার বিভাগ। এ ছাড়া প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বৃক্ষরোপণের শর্তে আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নং বন আদালতের বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ যোগদান করেন ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। পরে ১ বছর ৯ মাসে ৯ দিনে ১ হাজার ১২৩টি বন মামলা নিষ্পত্তি করেন তিনি। এতে ৭১১টি রায় ঘোষণা, ৪১১টি মামলা খালাস, ১২৮টি মামলার সাজা। একই সঙ্গে ১৩১টি বন মামলায় জামিন শর্তে ২০ হাজার ৮৫০টি বৃক্ষরোপণ ও বিস্তীর্ণ ঝাউবীথি এলাকায় ২৭টি মামলায় জামিন শর্তে ২ হাজার ৮২৫টি বৃক্ষরোপণ করে রেকর্ড করেছেন তিনি। এ ছাড়া জামিন শর্তে ১৫টি প্রবেশন মামলায়ও বৃক্ষরোপণসহ মসজিদ-মন্দিরের এতিম শিশুদের খাবার খাওয়ানোর আদেশ দেন। এ সময়ে বিচারকের প্রায় ১ হাজার ৩১৯ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্য নিতে হয়েছে।

আদালতের প্রবেশন মামলা ও জামিন শর্তে চারাগাছ রোপণের কয়েকটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিজ্ঞ আদালত বন মামলার ক্ষেত্রে বন বিভাগের নির্ধারিত জমিতে ৫০, ১০০, ২০০ এমন বিভিন্ন সংখ্যায় ফলদ, ঔষধি ধরনের চারাগাছ রোপণ করেছেন কি না, সেই বিষয়ে স্থিরচিত্র ও ভিডিওসহ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। একইভাবে সমাজসেবা কর্মকর্তার বরাবরে মসজিদ-মন্দিরের এতিম শিশুদের খাবার খাওয়ানো বা দরিদ্র শিশুদের সাহায্য করা হচ্ছে কি না, সেগুলো প্রমাণসহ দাখিল করতে বলা হয়।

এ বিষয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নং আদালতের সে সময়ের বেঞ্চ সহকারী মো. শফিউল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারিতে ৫টি উপজেলা নিয়ে বন আদালত গঠনের পর বন ও বন্য প্রাণীর বিচারকাজ শুরু করেন বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ। ১ বছর ৯ মাসে ৯ দিনে তিনি ১ হাজার ১২৩টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। এ ছাড়া জামিন ও প্রবেশন শর্তে পৃথক ১৫৮ মামলায় ২৩ হাজার ৬৭৫টি বৃক্ষরোপণ করিয়েছেন। 

কক্সবাজার পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এনভায়রমেন্ট পিপল’-এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘জেলার বনভূমি দখল-বেদখল, বন্য প্রাণী রক্ষায় বহু বন মামলা নিষ্পত্তিতে বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ প্রসংশনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। পরিবেশ রক্ষায় এমন বিচারক অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সরোয়ার আলম বলেন, ‘বনভূমি দখল-বেদখল বন নিধনের অভিযোগে মামলা করা হয়। আদালত এবারে অধিকসংখ্যক মামলায় বনভূমিতে চারাগাছ রোপণের প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের তথ্যে পাঠানো হয়।  এর কারণে এখন বনভূমি দখল বা গাছ কাটা অনেক কমে গেছে।’

জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট শফিউল্লাহ মঞ্জুর ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামের বলেন, ‘বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ পরিবেশ রক্ষায় একজন আন্তরিক বিচারক। মামলাজট নিরসনে তিনি বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়ে দ্রুত অধিক মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। কক্সবাজারে এর আগে আলাদা বন আদালত গঠন করা হয়নি। তিনি কক্সবাজারে আসার পর মামলা নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার পাচ্ছেন। আশা করছি, এ ধারাবাহিকতা পরবর্তী বিচারকরা অব্যাহত রাখবেন।’

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তারেক বলেন, ‘আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। এতে একদিকে যেমন বিচার প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি হয়েছে, অন্যদিকে মামলার চাপ থাকার সত্ত্বেও দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে বিচার প্রার্থীদের আস্থা বড়ছে। এমনকি বৃক্ষরোপণের আদেশ দিয়ে পরিবেশ রক্ষা করেছেন। 

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (এফসিসিও) আলী নেওয়াজ বলেন, ‘বিচারক আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ আন্তরিকতা ও কর্তব্য-নিষ্ঠার মাধ্যমে বন ও বন্য প্রাণী, বনভূমি রক্ষায় কাজ করেছেন। বনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করেছেন। তিনি আদালতে পাহাড় কাটার মাটিসহ জব্দ করা ডাম্পার জামিন দেননি। আসামিরাও বন দখল ও বনের পাহাড় কাটা থেকে অনেকটা বিরত রয়েছে। এটি বাদী, বিবাদী, আইনজীবী ও রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক।’

বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ এএম
বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম
মুদি দোকানের ছবি। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ঘোষিত শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রাথমিক প্রভাবে রাজধানীর খুচরা বাজারে ইতোমধ্যে খোলা সয়াবিন তেল, দেশি পেঁয়াজ ও ব্রয়লার মুরগিসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমেছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সর্বশেষ দৈনিক বাজারদর প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে অথবা স্থিতিশীল রয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব ও সরবরাহসংক্রান্ত উদ্যোগে বাজারে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউ মার্কেট, রামপুরা ও মহাখালী এলাকার খুচরা বাজারের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত টিসিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩৫-৪৫ টাকায় নেমেছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৮৬-১৯২ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৬০-১৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১২০-২১০ টাকা, দেশি আদা ১৩০-১৬০ টাকা এবং শসা ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কয়েকটি পণ্যের দাম সামান্য বেড়েছে। দেশি রসুন কেজিপ্রতি ৯০-১৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০-১৪০ টাকা এবং বেগুন ৭০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সরু চাল (নাজির/মিনিকেট) কেজিপ্রতি ৭২-৮৫ টাকা, মাঝারি চাল (পাইজাম/আটাশ) ৫৫-৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ছোট মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ১৫০-১৬০ টাকা এবং বড় মসুর ডালের দাম ৯০-১০৫ টাকা। গরুর মাংস ৭৮০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০-১ হাজার ৩৫০ টাকা, চিনি ১০৫-১১০ টাকা এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ ৩৮-৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাজার বিশ্লেষকরা বলেছেন, প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে উৎসে কর প্রত্যাহার এবং কয়েকটি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের অগ্রিম কর কমানোর মতো বাজেটের পদক্ষেপের ফলে আমদানি ব্যয় কমতে শুরু করেছে এবং বাজারে আস্থা বাড়ছে।

এই কর-সুবিধার আওতায় চাল, গম, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, লবণ, মাছ, পোলট্রি পণ্য, আলু ও বীজসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর লক্ষ্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মসলা, খেজুর, শিশুখাদ্য, সার, পশুখাদ্য, কীটনাশক এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণের ওপর শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ছাড় দেওয়া হয়েছে, যাতে উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয় কমে।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম সম্প্রতি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায়নি। তিনি এর কৃতিত্ব সরকারের জনবান্ধব রাজস্বনীতিকে দেন।

তিনি বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেট জনকল্যাণকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে।’

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অধিকাংশ পণ্যের দাম স্থিতিশীল রেখেছেন। তাদের মতে, পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং নতুন অর্থবছরের রাজস্ব-সুবিধা পুরোপুরি কার্যকর হলে আমদানি ব্যয় আরও কমবে এমন প্রত্যাশাও বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, সরকার বাজার তদারকি অব্যাহত রাখবে, যাতে পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে।’

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, কর হ্রাসের পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন আমদানি, দক্ষ সরবরাহব্যবস্থা এবং কার্যকর বাজার তদারকি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভোক্তারা সরকারের দেওয়া রাজস্ব-সুবিধার পূর্ণ সুফল পান।

তারা আরও বলেন, নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমে মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির প্রবণতা রোধ করাও জরুরি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ (ওএসএল) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান বলেন, সরবরাহব্যবস্থা কার্যকর থাকলে সরকারের শুল্ক ও কর যৌক্তিকীকরণের পদক্ষেপ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, কেবল আমদানি ব্যয় কমলেই খুচরা বাজারে দাম কমবে না। পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সেই সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মূল্য কারসাজির যেকোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে কার্যকর বাজার তদারকি অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আমদানি ও নির্বিঘ্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য থাকে।’

রাশেদুর রহমান বলেন, এসব সহায়ক ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ঘোষিত রাজস্ব-উদ্যোগগুলো আগামী মাসগুলোতে মূল্যস্থিতিশীলতা জোরদার করবে এবং ভোক্তা কল্যাণ বাড়াতে সহায়তা করবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুল্ক ও কর হ্রাসের সুফল খুচরা পর্যায়ে পৌঁছানো এবং পুরো অর্থবছরজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার বাজার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে।

বিশ্লেষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলে এবং দেশের সরবরাহব্যবস্থা নির্বিঘ্ন থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।

তারা এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে অর্থ, বাণিজ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

তামান্না রুপা/

রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত
নিহত নির্মল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায়। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাদের সঙ্গে থাকা নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় গুরুতর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকার । প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছেন। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সেলিম সরকার/তামান্না রুপা/

ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, দুই জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, দুই জনের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে পাঁচটি নবজাতক সন্তান প্রসাব করেছেন এক মা। জন্মের পর দুটি শিশু মারা গেছে। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকাল ৫ টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে শিশুগুলোর জন্ম হয়। শিশুগুলোর মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে সন্তান ছিল। এর মধ্যে একটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান মারা গেছে। 

শিশুদের বাবার নাম মাহামুদুল হাসান ডলার। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার ভবুকদিয়া গ্রামের আবুল বেপারীর ছেলে।

হাসপাতাল ও শিশুগুলোর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের চাদনী বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় মাহামুদুল হাসান ডলারের। তাদের বিয়ের পরই চাঁদনী বেগম সন্তান সম্ভাব্য হলে এই দম্পতির মুখে হাসি ফুটেছিল। এক পর্যায়ে জানতে পারেন চাঁদনীর গর্ভে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। পরে চিকিৎসকের দ্বারস্ত হলেও নির্ধারিত সময়ের ১২ সপ্তাহ আগে বাঁচ্চাগুলো প্রসাব করায় দুঃশ্চিতায় রয়েছে পরিবারটি।  

বাচ্চাগুলোর চাচা, ইদ্রিস আলী জানান, আমি বাচ্চাগুলোর চাচা। পাঁচ জনের মধ্যে দুইজন মারা গেছে। তিন জন জীবিত আছে। এর মধ্যে দুই ছেলে এক মেয়ে এখন পর্যন্ত জীবিত আছে। 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের সিনিয়র নার্স মিনতি সরকার বলেন, বিকাল ৪ টা ১০ মিনিটে ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনেরা। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৫ টা ২০ মিনিটে প্রথম বাচ্চা প্রসাব করেন। এরপর ৩০ মিনিটের মধ্যে বাকি ৪টি বাচ্চা প্রসব করেন। 

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাগুলো ২৮ সপ্তাহের সময়ে অস্ত্রোপচার ছাড়াই জন্ম গ্রহণ করেছে কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ৪০ সপ্তাহে হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করায় বাঁচ্চাগুলোর ওজন ৫'শ গ্রাম থেকে ৭'শ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। আবার কারও চোখ ফোটেনি, সবকিছু মিলে বাঁচ্চাগুলো অস্বাভাবিক বলা যায়। এছাড়া মায়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে, তারও রক্তের প্রয়োজন। 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ণ) চিকিৎসক প্বীতিরাজ পাল চৌধুরী বলেন, এখানে ৫ টা বাঁচ্চার মধ্যে দুটি বাচ্চা আগেই মারা গেছে। বাচ্চাগুলো সংকটাপন্ন রয়েছে। জীবিত বাচ্চা তিনটির জন্য এনআইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন কিন্তু আমাদের এখানে এনআইসিইউ নেই। আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা জানিয়েছি কিন্তু পরিবার সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে। এছাড়া আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। 

এন কে বি নয়ন/অন্তরা/

হাতিয়ায় নারীসহ যুবদল নেতা আটক, পদ থেকে বহিষ্কার

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ এএম
হাতিয়ায় নারীসহ যুবদল নেতা আটক, পদ থেকে বহিষ্কার
অভিযুক্ত যুবদল নেতা ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার ঘটনায় আশরাফ উদ্দিন নামে যুবদল নেতাকে দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা যুবদল।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় নোয়াখালী জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক রাইসুল হায়দার বাবুর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা যুবদলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় আশরাফ উদ্দিনকে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায়ভার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বহন করবে না বলেও জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তা দ্রুত ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে রাত ১১টার দিকে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির নিষ্পত্তি করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, 'খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। 

হানিফ সাকিব/তামান্না রুপা

মাদারীপুরে শিক্ষকের ওপর হামলা, পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ এএম
মাদারীপুরে শিক্ষকের ওপর হামলা, পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি
আহত শিক্ষক। ছবি: খবরের কাগজ

মাদারীপুরের কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই শিক্ষককে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় কালকিনি উপজেলার পশ্চিম আলীপুর এলাকার আড়িয়াল খাঁ নদের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও স্বজনরা জানায়, ১৫৮নং চর আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিপি বেগমের সঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রাজন শিকদারের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে টিফিন বিতরণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। এ নিয়ে প্রায়ই দুই শিক্ষকের মধ্যে তর্কবির্তক হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লিপি বেগম তার বাড়িতে শিক্ষার্থীদের টিফিন নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে আপত্তি জানান অপর শিক্ষক রাজন। বিষয়টি নিয়ে দুইজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে বিদ্যালয় ছুটি শেষে ফেরার পথে পশ্চিম আলীপুরের খেয়াঘাট এলাকায় রাজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে লিপি বেগমের ভাই মিলন মোল্লার বিরুদ্ধে। তাকে পিটিয়ে ডান পা ভেঙ্গে দেওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।

রাজনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে গুরুতর অবস্থায় ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে প্রথমে ভর্তি করা হয় কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। অবস্থার অবনতি হলে রাত ১২টার দিকে পাঠানো হয় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত লিপি বেগম।

ভুক্তভোগী শিক্ষক রাজন শিকদারের অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায়ই শিক্ষার্থীদের টিফিনের প্যাকেট বাড়িতে নিয়ে যায় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক লিপি বেগম। এর প্রতিবাদ করায় আমার ওপর হামলা করে লিপির ভাই মিলন মোল্লা ও তার লোকজন। আমার এক পা ভেঙ্গে দিয়েছে। আরেক পা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ। আমি এই ঘটনার কঠিন বিচার চাই।’

অভিযুক্ত লিপি বেগম বলেন, 'রাজন শিকদার আমার সঙ্গে প্রায়ই খারাপ আচরণ করে। তিনি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করে বারান্দায় গিয়ে বসে থাকেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে তিনি আমার ওপর চড়াও হন। তার ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে আমার জানা নেই।’

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, ‘শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া  হবে।’

রফিকুল ইসলাম/তামান্না রুপা/