কুমিল্লায় এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ১ লাখ ২২ হাজার ৪১১ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯৫ হাজার ৬৮ জন। ফলে বিভিন্ন কারণে ২৭ হাজার ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার আগেই ঝরে পড়েছে, যা শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ বলেন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার বিষয়টি বেশ উদ্বেগের। তবে শিক্ষক হিসেবে বিগত দিনে যে বিষয়টি দেখিছি- এই সময়টাতে এতে অনেক শিক্ষার্থীর চাকরি হয়ে যায়, কেউ পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে পেশায় ঢুকে পড়েন। আবার কিছু কিছু শিক্ষার্থী অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ফরম পূরণ করতে পারেন না। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা নিয়ে কেউ আমাদের কাছে আসলে বিষয়টি ভেবে দেখতাম। তারপরও যারা ঝরে পড়েছে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওেয়া হবে।
তিনি বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ সব বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরীক্ষার্থীদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে জেলা পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানানো হয়।
সারা দেশের মতো কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শুরু হয় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।
জহির শান্ত/আজহার/