গোলের পর ব্রায়ান সিপেঙ্গার উদ্যাপন। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে প্রথমার্ধজুড়ে দারুণ লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে ডিআর কঙ্গো। শুরুতেই গোল করার পর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি ইংল্যান্ডের একের পর এক আক্রমণ রুখে দেয়। তাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আফ্রিকার দলটি।
বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। শ্যান্সেল মবেম্বার হেড থেকে বল বক্সের মাঝখানে পৌঁছালে দারুণভাবে সুযোগ কাজে লাগান ব্রায়ান সিপেঙ্গা। কাছ থেকে নেওয়া শটে তিনি বল জালে জড়ান। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ঝাঁপিয়েও বল ঠেকাতে ব্যর্থ হন।
১৭তম মিনিটে সমতায় ফেরার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। মার্কাস রাশফোর্ডের বাম প্রান্তের ক্রসে জুড বেলিংহ্যাম হেড করতে গেলেও তার আগেই দ্রুত এগিয়ে এসে বল পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক।
এর কিছুক্ষণ পর রক্ষণভাগের ভুলে বল হারায় ইংল্যান্ড। হতাশা থেকে নাথানায়েল এমবুকুর ওপর বেপরোয়া ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেন জুড বেলিংহ্যাম। পরে বাজে ফাউলের কারণে হলুদ কার্ড দেখেন ডিআর কঙ্গোর নোয়া সাদিকিও।
৩০তম মিনিটে ইংল্যান্ডের সামনে আসে বড় সুযোগ। ডেকলান রাইসের নিখুঁত ক্রসে ডাইভিং হেড করেন বেলিংহাম। তবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় এক হাতে বল ফিরিয়ে দিয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান এমপাসি।
এরপর ডিআর কঙ্গোর বক্সে চাপ বাড়ায় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের স্লাইডিং শট আটকে দেওয়া হয়। ফিরতি আক্রমণে রাশফোর্ডের নিচু শট গোললাইনের সামনে থেকে ব্লক করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা।
অন্যদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও পেয়েছিল ডিআর কঙ্গো। ডান প্রান্তে ওয়ান-বিসাকার দারুণ দৌড়ের পর ইয়োয়ানে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৪৩তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ডিআর কঙ্গোর বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির সংস্পর্শে এসে পড়ে যান হ্যারি কেইন। সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানান ইংলিশ অধিনায়ক। তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+২) আবারও হতাশ হয় ইংল্যান্ড। রাশফোর্ডের ক্রসে বেলিংহামের দারুণ হেড গোলমুখে যাচ্ছিল, কিন্তু আবারও দুর্দান্ত সেভ করেন এমপাসি। এরপর কর্নার থেকে কেইনের নেওয়া শটও রুখে দেন তিনি।
প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক অসাধারণ সেভে ইংল্যান্ডকে রুখে দেন লিওনেল এমপাসি। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় ডিআর কঙ্গো।
এসজি/