২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে ডিআর কঙ্গো। দলটির কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাবের মনে করেন, শেষ ৩২-এর ম্যাচে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার দলের হারানোর কিছু নেই। বরং এটি নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের দারুণ সুযোগ।
১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে ডিআর কঙ্গো। প্রথম আসরে তিন ম্যাচেই হারলেও এবার সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দল হিসেবে নকআউটে উঠে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। গ্রুপ পর্বে পর্তুগালের বিপক্ষে ড্র, কলম্বিয়ার কাছে ১-০ ব্যবধানে হার এবং শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে তারা।
দেসাবের বলেন, ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আসা, প্রথম পয়েন্ট অর্জন, প্রথম গোল এবং প্রথম জয়—প্রতিটি ধাপই তাদের জন্য বড় সাফল্য। তাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তার দলের ওপর বাড়তি চাপ নেই। তার ভাষায়, এই পর্যায়ে ওঠাই প্রমাণ করে যে তারা নিজেদের যোগ্যতায় এখানে এসেছে।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে ইংল্যান্ডকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট উল্লেখ করে দেসাবের বলেন, আসল চাপ থাকবে ইংল্যান্ডের ওপর, কারণ তাদের লক্ষ্য অনেক বড় এবং টুর্নামেন্টে টিকে থাকার প্রত্যাশাও বেশি।
তিনি আরও জানান, তার দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেই মাঠে নামবে। খেলোয়াড়দের তিনি বিশ্বাস রাখতে বলেছেন যে তারা আরও একবার নিজেদের প্রমাণ করতে পারে। দেসাবেরের মতে, শুধু বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াই নয়, বরং বড় দলের বিপক্ষে লড়ে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগই তাদের সবচেয়ে বড় প্রেরণা।
পাপ্পু/অন্তরা/