ছবি: সংগৃহীত
কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। দলের হয়ে অন্য গোলটি এসেছে ব্র্যাডলি বারকোলার পা থেকে। একাধিক সুযোগ নষ্টের হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ নষ্ট ও গোলপোস্টে বল লেগে ফিরে আসায় তারা গোল পেতে সময় নেয়।
ম্যাচের ২১ মিনিটে প্রথমবার সুইডেনের জাল কাঁপালেও তা বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। মাইকেল ওলিসের দারুণ থ্রু পাসে এমবাপ্পে গোল করলেও সহকারী রেফারি পতাকা তুলে দেন।
এরপর ২৮ মিনিটে সুইডেনের আক্রমণে আলেকজান্ডার ইসাক সুযোগ পেলেও শট নিতে ব্যর্থ হন। ফ্রান্সও চাপ অব্যাহত রাখে। ৩৩ মিনিটে ওলিসের কাট-ব্যাক থেকে এমবাপ্পের শট লাগে পোস্টে, আর ৩৬ মিনিটে তার অসাধারণ বাইসাইকেল কিক ফিরে আসে পোস্টে লেগে।
অবশেষে ৪৫ মিনিটে ভাঙে গোলের অপেক্ষা। কর্নার থেকে দ্রুত পাসিং মুভে বল পেয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে ডান পায়ের বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান। একাধিক সুযোগ নষ্টের পর স্বস্তির লিড পায় ফ্রান্স।
বিরতির পর দ্রুতই ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। ওলিসের পাস থেকে বক্সে বল পেয়ে শক্তিশালী শটে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ৬৫ মিনিটে আবারও আক্রমণে যায় ফ্রান্স, তবে ওলিসের শট ডিফ্লেকশনে বাইরে চলে যায়। ৭১ মিনিটে এমবাপ্পে সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন ওলিসে।
ওলিসে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলেও এমবাপ্পে তা করেননি। ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৩-০। যদিও গোলে অবদান ছিল ওলিসের। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ওলিসের রক্ষণভেদী পাস বক্সে খুঁজে নেয় এমবাপ্পেকে। এরপর শান্ত মাথায় বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। তাতে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান তিনি।
ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ভিক্টর গাইকারেসের শটটি ঠেকিয়ে দেন ম্যাগনান। শেষ দিকে সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি কোনো দল। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলে জয় নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল দিদিয়ের দেশমের দল।
এসজি/