আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা দর বহাল রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জ্বালানি তেলের জুলাই মাসে দরের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সর্বশেষ ৩১ মে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখে কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেন লিটার প্রতি ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।
আর ১৯ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বড় আকারে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়।
ইরান যুদ্ধের কারনে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সংকট চলছে। ব্যারেল প্রতি ৭২ ডলারের ব্রেন্ট ক্রুড ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রেন্ট ক্রুডের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ২০২২ সালের ৮ মার্চ ব্যারেল প্রতি ১৩৭.৬৪ ডলার। আর সর্বোনিম্ন দামের রেকর্ড করা হয় করোনার সময় ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি ৫০.৩৩ ডলার। যা গত সপ্তাহে ৭২ ডলারে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ “জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা” প্রজ্ঞাপন ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। ওই ফর্মুলা অনুযায়ী প্রতিমাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয় করার কথা।গেজেট অনুযায়ী বিপিসি ও অন্যদের কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে শুধু আমদানি মূল্যের তারতম্য প্রতিমাসে কমবেশি হবে। যদিও বিএনপি সরকার এপ্রিলে বাজার ঊর্ধমুখী থাকলেও পুর্বের দর বহাল রেখেছিল।যা মাসের ১৯ তারিখে গিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এখন আবার কমলেও সে হারে কমাতে দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে বিপিসির বক্তব্য হচ্ছে গত কয়েকমাসে অনেক লোকসান হয়েছে। সেই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। দাম কমতির দিকে থাকলে পর্রবর্তীতে বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এসএন/