ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
২৯ মিনিটে জাপানের প্রথম গোল হেক্সা মিশনের নকআউট পর্ব শুরু: জাপানি প্রাচীর ভাঙতে পারবে তো ব্রাজিল? চাঁদপুরে দীর্ঘ ৩৯ বছরের শিক্ষাসেবা শেষে সম্মানজনক বিদায় শিক্ষকের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ফের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন তাইজুলের আলো ছড়ানো দিনেও জিম্বাবুয়ের বিশাল লিড এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ব্রাজিলের শুরুর একাদশে নেই নেইমার ৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে পরিচালিত দুই চুনা কারখানা উচ্ছেদ এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় বেঙ্গল টাইগার্সের অভিনন্দন ভেনেজুয়েলায় জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, তল্লাশি অব্যাহত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় চসিকের নওগাঁয় কর্মবিরতিতে ডাক কর্মচারীরা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষার্থী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব। বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। 

সোমবার (২৯ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ পদে বসানোর তথ্য দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে তাকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়নের কথাও বলা হয়েছে।

১৫তম বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের কর্মকর্তা আহসান হাবিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ১৫তম বিসিএস পরীক্ষায়ও নিজ ক্যাডারে প্রথম স্থান লাভ করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে আহসান হাবিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক, কর অঞ্চল-১৫-এর কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে, সিআইসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কর ফাঁকি, অর্থ পাচার ও আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আলোচিত অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রশংসা অর্জন করেন।

অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম উল্কাগেমসের বিপুল পরিমাণ বকেয়া কর আদায়ের উদ্যোগেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর প্রশাসনে দক্ষতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও রাজস্ব আহরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি পরিচিত। বর্তমানে তিনি বিসিএস ট্যাক্সেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এএফ/

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব। বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। 

সোমবার (২৯ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ পদে বসানোর তথ্য দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে তাকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়নের কথাও বলা হয়েছে।

১৫তম বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের কর্মকর্তা আহসান হাবিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ১৫তম বিসিএস পরীক্ষায়ও নিজ ক্যাডারে প্রথম স্থান লাভ করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে আহসান হাবিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক, কর অঞ্চল-১৫-এর কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে, সিআইসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কর ফাঁকি, অর্থ পাচার ও আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আলোচিত অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রশংসা অর্জন করেন।

অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম উল্কাগেমসের বিপুল পরিমাণ বকেয়া কর আদায়ের উদ্যোগেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর প্রশাসনে দক্ষতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও রাজস্ব আহরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি পরিচিত। বর্তমানে তিনি বিসিএস ট্যাক্সেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এএফ/

৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় চার বছর পর আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

সোমবার (২৯ জুন) দিন শেষে রিজার্ভ উঠেছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪৮০ বিলিয়ন (৩২,৪৭৯.৮৮ মিলিয়ন) ডলার।

দীর্ঘ দিন পর বুধবার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছিল।

এর আগে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে–কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।

গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সাথে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে।

এএফ/

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:১০ পিএম
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সরকার ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদেশে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে কঠোর ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার (২৯ জুন) সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের ‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের’ কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। 

তিনি বলেন, ’ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল ও স্বচ্ছ করতে যেসব সংস্কার প্রয়োজন, তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

অর্থপাচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স রিকোয়েস্ট (MLAR) পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে থাকা সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫টিরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টিরও বেশি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (NDA) স্বাক্ষর করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের অর্থ ফেরত আনা সরকারের অঙ্গীকার। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হব।’

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নীতিমালা ও নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। 

এলিস/রিফাত/

বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে শান্তি, সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে তার দেশের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে।’

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রোটারি শান্তি সম্মেলন-২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ নরওয়ের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে গত মার্চে নরওয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংস্কারের লক্ষ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ এবং নরওয়ে একে অপরের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী। বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত গুলব্রান্ডসেন।’

সম্মেলনে বাংলাদেশে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ইশতিয়াক এ জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ৬ হাজার রোটারিয়ান রয়েছেন। তারা দেশের জরুরি ভ্যাকসিনেশন, খাদ্য, চিকিৎসার মত কাজে ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুদ্ধের কারণে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়াতে পারে। এছাড়া রোটারি ক্লাবের কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত করার সুযোগ আছে বলে জানান তিনি।’ 

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. মো. জুলফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সেনাবাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেখানে রোটারি ক্লাবের কিছু কাজ করার সুযোগ আছে।’ 

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর একেএম শামসুল হুদা বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রের পিছনে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়। এই অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যেসব দেশ বাণিজ্য করে তাদের কারণে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এই যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ অমানবিক ভোগান্তিতে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তেমন অর্থ খরচ করা হয় না। এসব যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং আহত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় রোটারিয়ানরা।’ 

রোটারি শান্তি সম্মেলনে বাংলাদেশ রোটারি ক্লাবের নেতা ও সদস্যরা অংশ নেন। সম্মেলনে তারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে যৌথভাবে অঙ্গীকার করেন।

রবিউল/রিফাত/

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। 

সংশোধনীর মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারসহ একাধিক কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেট আলোচনার সময় দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী করমুক্ত আয়ের সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রস্তাব জনমতের ভিত্তিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলা ও জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও বাতিল করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু প্রস্তাব নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সরকার তা পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার করেছে। পাস হওয়া অর্থ বিলে বিভিন্ন খাতে কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব উল্লেখযোগ্য।
পার্বত্য তিন জেলা ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত থাকবে। চিংড়ি খাত, ওষুধ শিল্প, পিভিসি ও পিইটি রেজিনসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট হ্রাস বা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থপ্রদান কমে এবং কর পরিপালন বাড়ে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া দেশীয় মোটরগাড়ি শিল্পে ব্যবহৃত ডাবল কেবিন পিকআপ ও মাইক্রোবাসের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। সোনা, রুপা ও হীরার গহনার ওপর নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি ও শিল্প খাতে কাঁচামাল আমদানি, ভ্যাট অব্যাহতি এবং কো-ইফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার মতো উদ্যোগকে ব্যবসাবান্ধব সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব সংশোধনী কর কাঠামোকে আরও বাস্তবসম্মত করবে এবং শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে গতি আনবে।

এলিস/রিফাত/