ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস পদবিটা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই গুণীজনের একটাই অপরাধ, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক ছিলেন। তিনি তার চিকিৎসক হয়ে কী মহা-অপরাধটাই না করে ফেলেছেন। শুধু তার পদবিটা কেড়ে নিলেও হতো। তিনি সরকার থেকে যৎসামান্য যা ভাতা গ্রহণ করেছেন তাও ফেরত চাওয়া হয়েছে। একটি রাষ্ট্রে এমন জঘন্যতম কর্মকাণ্ড যদি চলতে থাকে, তাহলে তার অদূর ভবিষ্যৎ কারও জন্যই মঙ্গলজনক হয়ে ওঠে না। তবে এমন ঘটনার পেছনে কেউ কেউ মবিন খানের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তাকে আওয়ামী সরকার বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক হওয়ায় রাজনৈতিক তকমা দিয়ে তার সঙ্গে অন্যায় করেছিল। তাকেও অবসরে যাওয়ার পর তার প্রাপ্যটুকু কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমি কারও প্রাপ্য কেড়ে নেওয়ারই পক্ষে নই। মবিন খানের বিষয়টি যেমন ন্যক্কারজনক ছিল তেমনি ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনাটিও হৃদয়বিদারক এবং অপমানজনক। মবিন খানের সঙ্গে যারা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছিল রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় তাদের কী ধরনের নাজেহাল হতে হয়েছিল তা একটু উপলব্ধি করার দরকার ছিল। তারা যেমন কুকুর ছিল তেমন মুগর পেয়েছে। তাদের কাছ থেকে বর্তমান শাসকরা কেন শিক্ষা নিচ্ছে না? তারা আগের দলের প্রতিশোধ গ্রহণ করে হাসিনা সরকারের মতো দুর্দশাগ্রস্ত হবে? নাকি তাদের উচিত তারা ন্যক্কারজনক কাজগুলোকে পরিহার করবে। সারা দেশের মানুষ ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করছেন। অনেকেই ধিক্কার জানাচ্ছেন। তারপরও সরকার তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে না। যা এ সরকারের জন্য একটি ঘৃণিত উদাহরণ হয়ে থাকবে, যা আওয়ামী লীগ সরকার মবিন খানের সঙ্গে করেছিল।
হাজি মো. রাসেল খান
খলিফবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]