ঢাকার রমনা পার্কের উন্নতি যা হওয়া উচিত ছিল তেমন উন্নতি না দেখে নগরবাসী এতটাই হতাশ যে, এই সেদিন চীনের চাংচুং শহরের একটি পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং এর আধুনিকতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে তখনই রমনা পার্ককে চাংচুং শহরের মতো পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করি। রমনা পার্কটি বেসরকারি উদ্যোগে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পত্রপত্রিকায় বহু লেখালেখি হয়েছে। চাংচুং শহরের সাউথ লেক হোটেলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত এই লেকটি যে কেউ দেখলে মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের পরিবেশ উদ্যোগে এ পার্কের লেকে আছে শিশুদের ছোট ছোট মাছ ধরার কায়দা, ঘুড়ে বেড়ানো, বিশ্রাম নেওয়ার চমৎকার ব্যবস্থা, যথেষ্ট গাছ পালা ও ফুলের সমারোহ, পার্কের লেকগুলোর পার বাধানো চমৎকার, হাঁটার প্রশস্ত জায়গা, পানির বোতল বা নোংরা জিনিসপত্র নির্দিষ্ট স্থানে ফেলানোর ব্যবস্থাও সুন্দর। জানিনা গণপূর্ত অধিদপ্তর রমনা পার্ক হতে কোন রাজস্ব পায় কিনা জানি না।
যাই হোক, যেকোনো মূল্যে রমনা পার্কটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিন আর যদি সম্ভব হয় নগরীতে একটি পরিবেশ সৌন্দর্য পার্ক হিসেবে রমনা পার্কটিকে নগরবাসীর স্বার্থে এর আধুনিকতা, উন্নয়ন এবং বিদেশি পার্কের সমতুল্য হিসেবে নগরবাসীর স্বার্থে গড়ে তোলা বা উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক, সচেতন নাগরিক সমাজ
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]
