ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফয়’স লেকের প্রবেশমুখে গ্যাস পাইপলাইনে আগুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী রূপচর্চায় পাকা আম মেটলাইফ বাংলাদেশ-এর আবারও ‘গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ স্বীকৃতি অর্জন গোপালগঞ্জে ১৩০০ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার শিশুকে নিরাপদ রাখতে অভিভাবকের করণীয় ৩ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন আয়নাতে ওই ঘর দেখবে যখন সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী ক্লিন ক্যাম্পাস গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন ইবি ভিসি রাজশাহীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রমনা পার্কটি বাঁচান বিকাশ ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারত্বে দেশে রেমিট্যান্স আসবে আরও সহজে ও দ্রুত সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের করণীয় হাম উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ রিমান্ডে এনসিটি-সিসিটি ইস্যুতে বন্দর রক্ষা কমিটির সমাবেশ ১ জুলাই ফরিদপুরে মিলছে না উৎপাদন খরচ,পানিতে পেঁয়াজ ফেলছেন কৃষকরা স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা দেখানোর অভিযোগে চাঁন বাদশা আটক নাটোরে আম পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের ঢাকায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী ‘গ্রিন মার্কেট ফেয়ার’ পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বাস্তবমুখী বাজেটে ব্যয়ের দক্ষতা থাকতে হবে সিলেটের নতুন ডিসি মু. রেজা হাসান

রমনা পার্কটি বাঁচান

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
রমনা পার্কটি বাঁচান

ঢাকার রমনা পার্কের উন্নতি যা হওয়া উচিত ছিল তেমন উন্নতি না দেখে নগরবাসী এতটাই হতাশ যে, এই সেদিন চীনের চাংচুং শহরের একটি পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং এর আধুনিকতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে তখনই রমনা পার্ককে চাংচুং শহরের মতো পার্ক হিসেবে  গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করি। রমনা পার্কটি  বেসরকারি  উদ্যোগে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পত্রপত্রিকায় বহু লেখালেখি হয়েছে। চাংচুং শহরের সাউথ লেক হোটেলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত এই লেকটি যে কেউ দেখলে মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের পরিবেশ উদ্যোগে এ পার্কের লেকে আছে শিশুদের ছোট ছোট মাছ ধরার কায়দা, ঘুড়ে বেড়ানো, বিশ্রাম নেওয়ার  চমৎকার ব্যবস্থা, যথেষ্ট গাছ পালা ও ফুলের সমারোহ, পার্কের লেকগুলোর  পার বাধানো চমৎকার, হাঁটার প্রশস্ত  জায়গা, পানির বোতল বা নোংরা জিনিসপত্র  নির্দিষ্ট স্থানে ফেলানোর ব্যবস্থাও সুন্দর। জানিনা গণপূর্ত অধিদপ্তর রমনা পার্ক হতে কোন রাজস্ব পায় কিনা জানি না।

যাই হোক, যেকোনো মূল্যে রমনা পার্কটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিন আর যদি  সম্ভব হয় নগরীতে একটি পরিবেশ সৌন্দর্য পার্ক হিসেবে রমনা পার্কটিকে নগরবাসীর স্বার্থে এর আধুনিকতা, উন্নয়ন এবং বিদেশি পার্কের সমতুল্য হিসেবে নগরবাসীর স্বার্থে গড়ে তোলা বা উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
 
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক, সচেতন নাগরিক সমাজ
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]

রমনা পার্কটি বাঁচান

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
রমনা পার্কটি বাঁচান

ঢাকার রমনা পার্কের উন্নতি যা হওয়া উচিত ছিল তেমন উন্নতি না দেখে নগরবাসী এতটাই হতাশ যে, এই সেদিন চীনের চাংচুং শহরের একটি পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং এর আধুনিকতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে তখনই রমনা পার্ককে চাংচুং শহরের মতো পার্ক হিসেবে  গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করি। রমনা পার্কটি  বেসরকারি  উদ্যোগে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পত্রপত্রিকায় বহু লেখালেখি হয়েছে। চাংচুং শহরের সাউথ লেক হোটেলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত এই লেকটি যে কেউ দেখলে মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের পরিবেশ উদ্যোগে এ পার্কের লেকে আছে শিশুদের ছোট ছোট মাছ ধরার কায়দা, ঘুড়ে বেড়ানো, বিশ্রাম নেওয়ার  চমৎকার ব্যবস্থা, যথেষ্ট গাছ পালা ও ফুলের সমারোহ, পার্কের লেকগুলোর  পার বাধানো চমৎকার, হাঁটার প্রশস্ত  জায়গা, পানির বোতল বা নোংরা জিনিসপত্র  নির্দিষ্ট স্থানে ফেলানোর ব্যবস্থাও সুন্দর। জানিনা গণপূর্ত অধিদপ্তর রমনা পার্ক হতে কোন রাজস্ব পায় কিনা জানি না।

যাই হোক, যেকোনো মূল্যে রমনা পার্কটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিন আর যদি  সম্ভব হয় নগরীতে একটি পরিবেশ সৌন্দর্য পার্ক হিসেবে রমনা পার্কটিকে নগরবাসীর স্বার্থে এর আধুনিকতা, উন্নয়ন এবং বিদেশি পার্কের সমতুল্য হিসেবে নগরবাসীর স্বার্থে গড়ে তোলা বা উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
 
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক, সচেতন নাগরিক সমাজ
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]

সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সংবাদমাধ্যমের যেমন বিকাশ ঘটেছে, তেমনি সাংবাদিকতার ধরনেও এসেছে হরেকরকম বৈচিত্র্য। এক সময় সাংবাদিক বলতে কেবল খবরের কাগজ কিংবা টেলিভিশনের চশমা পরা, গম্ভীর স্বভাবের পেশাদার মানুষদের বোঝাত। কিন্তু এখন সেই চেনা রূপের বাইরেও নানা পদের সাংবাদিকের দেখা মেলে। মূলধারার পেশাদার সাংবাদিকদের অনেকেই রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মাঠপর্যায়ে ঘুরে সত্য উন্মোচনে ব্যস্ত থাকেন। আবার কেউ কেউ কেবল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে টেবিল টক বা কলাম লিখেই নিজেদের দায়িত্ব সারেন। মফস্বল বা গ্রামীণ সাংবাদিকরা স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ আর অধিকারের কথা তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত লড়াই করেন, যাদের অনেকেরই কষ্টের তুলনায় পারিশ্রমিক সামান্য।

এদিকে ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে ‘স্মার্টফোন সাংবাদিকতা’র প্রসার ঘটেছে। এখন একটি স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ ঘটনাস্থল থেকে লাইভ বা ভিডিও প্রচার করতে পারেন। এতে যেমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে, তেমনি কিছু ‘ইউটিউব’ ও ‘ফেসবুক সাংবাদিক’ ভিউ-লাইকের আশায় ভিত্তিহীন বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। আবার কিছু ভুঁইফোড় কার্ডধারী সাংবাদিকও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। তাই প্রকৃত ও সৎ সাংবাদিকদের চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে রূপ বা মাধ্যম যাই হোক, শেষ পর্যন্ত সমাজ ও দেশের কল্যাণে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরাই হোক সব ধরনের সাংবাদিকের মূল লক্ষ্য।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট, কুমিল্লা 
[email protected]

পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম
পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাক ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সরকারের সময়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাক, লোগোসহ কিছু বিষয় পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও পুলিশসহ কয়েকটি বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়েও বিভিন্ন মহলে মতভিন্নতা দেখা যায়। এখন আবার নতুন সরকারের সময়ে পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এসেছে।

এভাবে বারবার পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পরিচয় কি শুধুই পোশাকে, নাকি তাদের কাজ, আচরণ ও পেশাদারত্বে? কারণ একটি বাহিনীর মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা মূলত নির্ভর করে তাদের দায়িত্ব পালন, জনসেবার মান, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার ওপর। পোশাক গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি নয়। বারবার পোশাক পরিবর্তনের সঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় জড়িত। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যদি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পোশাক ও অন্যান্য প্রতীকী বিষয় পরিবর্তনের ধারায় চলে, তাহলে সেই ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত জনগণের অর্থ থেকেই বহন করতে হয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনগণের স্বার্থ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পুলিশের প্রয়োজন আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ, জবাবদিহি ও জনবান্ধব পেশাদারি কাজ। পোশাকের পরিবর্তনের চেয়ে বেশি জরুরি হলো, পুলিশ যেন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি নিরপেক্ষ ও দক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বদলে রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার ও কার্যকর সংস্কারের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

এম মহাসিন মিয়া
লেখক ও গবেষক
[email protected]

নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রত্যেক দেশ অপরাধ নির্মূলে তার নিজস্ব আইনের সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। সংবিধান কখনো অপরাধ দমন করতে পারে না, যতক্ষণ না সঠিক প্রয়োগ করা হয়। যে দেশের আইনের প্রয়োগ যত বেশি কার্যকর, সে দেশ তত বেশি নিরাপদ ও সুন্দর। দেশে শত শত অপরাধ হচ্ছে, যা মূলত একই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং রয়েছে অপরাধের ধরন ও প্রকার। তাই কিছু অপরাধ আছে যা কেবল জরিমানার মাধ্যমে দমন করা সম্ভব নয়। এমন অপরাধের মধ্যে ইয়াবা ও মাদক অন্যতম। এই অপরাধগুলো দমন করতে হলে ইয়াবা এবং মাদকের উৎপাদন স্থান ও ইম্পোর্ট-এক্সপোর্টের মূল কেন্দ্র উৎখাত করতে হবে। বর্তমান দেশে দেখা যায় জরিমানা করা হয়। কিন্তু মূল কেন্দ্র ঠিকই থেকে যায়। অতএব, নেশাজাত দ্রব্যের মূল উৎপাটনে প্রশাসনের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

রোহিঙ্গাদের সম্পদে পরিণত করুন

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গাদের সম্পদে পরিণত করুন

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে সম্পাদকীয়টি চমৎকার হয়েছে। দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের কাউকে বর্তমান বা প্রতিবছর ২২ লাখ করে বর্ধমান জনসংখ্যাকে দায় হিসেবে বলতে দেখছি না। সবাই বলেন, জনসংখ্যা জনসম্পদ। এর শীর্ষে ড. আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী অবস্থান করছেন। খবরের কাগজের পাতায় এই পণ্ডিত ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় জাতীয় মনীষী উপ-সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ের ওপর এক সুললিত লেখা লিখে উপসংহার টানতে গিয়ে জোরালোভাবে লিখলেন–‘পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত যাই হোক, কোনো দেশের জনসংখ্যা দায় হতে পারে না, তা সম্পদ’। চিত্তহরণকারী কথা বটে। তাহলে সম্পাদক সাহেব ২২ জুন যে লিখেছেন–রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের পরিবেশ, জলবায়ু, সংস্কৃতি ও আইনশৃঙ্খলায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব ফেলছে। কথাগুলো ঠিক নয়। জনসংখ্যা তো জনসম্পদ। রোহিঙ্গারাও আমাদের জনসম্পদ। তারা ছিল ১০ লাখ, সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদক্রমে তারা এখন ১৩ লাখ, আগামীতে তা হবে ১৫ লাখ। আমাদের উচিত এদের লালিত করে সম্পদ বৃদ্ধি করা। তার বদলে ভুল বুঝে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিউইয়র্কে নিয়োজিত সালাহউদ্দীন রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ওকালতি করে আমাদের দুর্লভ কষ্টার্জিত সম্পদ কমানোর চেষ্টা করছেন কেন? দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা আজ জনসম্পদ চাচ্ছে, কারণ দিগন্তজোড়া মাঠগুলো খাঁ খাঁ করছে। শিশু, তরুণ, নারী ও কর্মীর বড়ই অভাব। দেশে জনসংখার বৃদ্ধি খুব হতাশাজনক। তা ইউরোপের চেয়ে কম। লাখ লাখ পদ খালি অথচ লোকের অভাব। এত বড় দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ১৯ কোটি। আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরীকে জনসম্পদ কমিশনার পদে নিয়োজিত করে আমাদের উচিত জনসম্পদে দেশকে ভরপুর করা। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অবশ্যই একজন আমলার চেয়ে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। তাকে জাতি অনুসরণ করবে, এটাই কামনা করি।

মাসুদ আহমেদ
সাবেক সিনিয়র সচিব ও প্রজাতন্ত্রের সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল
[email protected]