ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফয়’স লেকের প্রবেশমুখে গ্যাস পাইপলাইনে আগুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী রূপচর্চায় পাকা আম মেটলাইফ বাংলাদেশ-এর আবারও ‘গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ স্বীকৃতি অর্জন গোপালগঞ্জে ১৩০০ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার শিশুকে নিরাপদ রাখতে অভিভাবকের করণীয় ৩ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন আয়নাতে ওই ঘর দেখবে যখন সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী ক্লিন ক্যাম্পাস গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন ইবি ভিসি রাজশাহীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রমনা পার্কটি বাঁচান বিকাশ ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারত্বে দেশে রেমিট্যান্স আসবে আরও সহজে ও দ্রুত সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের করণীয় হাম উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ রিমান্ডে এনসিটি-সিসিটি ইস্যুতে বন্দর রক্ষা কমিটির সমাবেশ ১ জুলাই ফরিদপুরে মিলছে না উৎপাদন খরচ,পানিতে পেঁয়াজ ফেলছেন কৃষকরা স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা দেখানোর অভিযোগে চাঁন বাদশা আটক নাটোরে আম পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের ঢাকায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী ‘গ্রিন মার্কেট ফেয়ার’ পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বাস্তবমুখী বাজেটে ব্যয়ের দক্ষতা থাকতে হবে সিলেটের নতুন ডিসি মু. রেজা হাসান

ফরিদপুরে মিলছে না উৎপাদন খরচ,পানিতে পেঁয়াজ ফেলছেন কৃষকরা

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
ফরিদপুরে মিলছে না উৎপাদন খরচ,পানিতে পেঁয়াজ ফেলছেন কৃষকরা
ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন একজন কৃষক/ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরে বাজারে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন পেঁয়াজ চাষিরা। বর্তমান বাজারদরে উৎপাদন খরচের অর্ধেকও উঠছে না বলে অভিযোগ তাদের। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ ও হতাশায় উৎপাদিত পেঁয়াজ খাল, পুকুর ও ডোবার পানিতে ফেলে দিচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সম্প্রতি সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামের একটি ডোবার পানিতে কৃষকদের পেঁয়াজ ফেলে দিতে দেখা যায়। বাজারে বর্তমান দামে পেঁয়াজ বিক্রি করার চেয়ে ফেলে দেওয়াই যেন কম কষ্টের বলে মনে করছেন কৃষকরা।

সালথার পেঁয়াজ চাষি মো. দাউদ হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মণ পেঁয়াজ উৎপাদন করতে সার, বীজ, সেচ, ডিজেল, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রায় ১৭০০ টাকা। তারপর মৌসুম শেষে ঘরের চাঙ বা মাচায় সংরক্ষণ করতে হয়। সংরক্ষণে কমে যায় ওজন তাতেও লোকসান আমাদের।

কৃষক আবুল মাতুব্বর বলেন, কৃষকের এমন দুর্দশা দেখেও সরকারের তেমন কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে একসময় মানুষ চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

সালথা ছাড়াও জেলার নগরকান্দা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা, সদরপুর ও মধুখালী উপজেলার পেঁয়াজ চাষিরাও একই সংকটে রয়েছেন। উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে দাম না থাকায় অধিকাংশ কৃষক লোকসান গুনছেন। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। এখন সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

সালথার কৃষক আহম্মদ মাতুব্বর বলেন, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয়। এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এখন এক কেজি গরুর মাংসও কেনা যায় না। এভাবে চলতে থাকলে আর পেঁয়াজ চাষ করা হবে না।

ফরিদপুর শহরের পাইকারি ব্যবসায়ী শাহজাহান বেপারি বলেন, এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকেও প্রচুর পেঁয়াজ বাজারে আসছে। ফলে দাম কমেছে। তবে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, পেঁয়াজের দাম না থাকায় কৃষক কষ্টে আছেন, এটি সত্য। তারা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না বলে অবগত হয়েছি।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ হাজার ৫০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এ বছর উপজেলায় মোট প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ১২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। আমাদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষকের গড়ে প্রায় ২৪ টাকা খরচ হয়, অর্থাৎ প্রতি মণের উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৯৬০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। কৃষকদের সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বাজারমূল্য নির্ধারণ কৃষি বিভাগের হাতে নেই।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান জানান, পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের সহায়তা দিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলায় ১ হাজার ৪৩০টি এয়ারফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। চলতি বছর ইতোমধ্যে ৭০০টি বিতরণ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় আড়াই হাজার মেশিন সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এন কে বি নয়ন/এএফ

গোপালগঞ্জে ১৩০০ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
গোপালগঞ্জে ১৩০০ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় এক হাজার ৩০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেল ৩টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাকচী ও উপজেলা কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং উপকারভোগী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে বিনামূল্যে বীজ, সার, ফলজ ও ঔষধি চারা এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। কৃষকরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বিএডিসি ও হর্টিকালচার সেন্টার কর্তৃক সরবরাহকৃত কৃষি উপকরণ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত অগ্রাধিকার তালিকার ভিত্তিতে বিতরণ করা হয়। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৭০০ জন কৃষককে জনপ্রতি ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ এবং ২০ কেজি রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়।

এছাড়া ৬০০ জন কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২ হাজার চার’শটি ফলজ ও ঔষধি চারা, রাসায়নিক সার, জৈব সার (গোবর সার) এবং সবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁশের খুঁটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, সরকারের কৃষিবান্ধব এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক কারিগরি সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির লক্ষ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি কৃষকদের সঠিকভাবে বিতরণকৃত উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বাদল/এএফ

নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বহ্মপুর পূর্বপাড়া এলাকার ৮২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন। প্রায় ৪ ঘন্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

ওই বৃদ্ধার নাম  জমেলা খাতুন। তিনি ওই এলাকার হাসেন প্রামাণিকের স্ত্রী।

নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম এবং নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় অধিবাসী ও নিহতর স্বজনদের দাবী, রবিবার (২৮ জুন)  দুপুরে স্থানীয় বারনই নদীতে গোসল করতে নদী ঘাটে যান ওই বৃদ্ধা। কিছুক্ষণ পরই তিনি পানিতে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও ডুবুরী দল উদ্ধার অভিযানে নামেন।

নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, তাদের সঙ্গে ওই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন রাজশাহীর একদল ডুবুরী। সকলের প্রচেষ্টায় নদী ঘাটের পাশ থেকে বিকাল পৌনে ৫ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

কামাল মৃধা/এসএন

মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন
দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে উপজেলার হাওয়াই ব্রিজ এলাকায় ‘মেলান্দহ-মাদারগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন, ‘মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত হলে জামালপুর, বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সব জেলার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। এতে মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষি, বাণিজ্য, শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হবে এবং এ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় মাদারগঞ্জ থেকে সারিয়াকান্দির দূরত্ব নদীপথে অত্যন্ত কম, যা সেতু নির্মাণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। দ্রুত এ দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও তারা ঘোষণা দেন।’

মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ আব্দুল গফুর, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ মজনু ফকির, বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুসা এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, মাদারগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

রিফাত/

সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে নগরীর বিনোদিনী নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ সময় সিসিক প্রশাসক ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন এবং অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিশুর সুস্থ বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তাই কোনো শিশু যেন এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় এ বছর মোট ৭৬ হাজার ৩৯০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন উদ্বোধনকালে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে দেশে নিয়মিতভাবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়ে থাকে। সাধারণত বছরে দুইবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিসিক এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কোনো শিশু নির্ধারিত দিনে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরবর্তী এক সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে তা গ্রহণ করতে পারবে। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের ৪২টি ওয়ার্ডে ৮৪ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে মোট ৩৬৮টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ২৫৯টি অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ৮৩টি ভিটামিন ‘এ’ অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ২৫টি অতিরিক্ত কেন্দ্র। এ কার্যক্রমে মোট ৭৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন। লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ১১৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬৮ হাজার ২৭৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৭৬ হাজার ৩৩০ জন সাধারণ শিশু এবং ৬০ জন প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে।

শাকিলা ববি/এসএন

রাজশাহীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
রাজশাহীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগরীতে ৬৬ হাজার ৩৯৫ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে নগর ভবনে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

রাসিক সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে মহানগরীর ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯ হাজার ১১৩ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৭ হাজার ২৮২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, শিশুদের সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু যেন এ কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাসিক সচিব সোহেল রানা।

এ সময় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের এবং স্বাস্থ্য বিভাগসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাসিক জানিয়েছে, মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ৩৮৪টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পেইনের দিন ওয়ার্ড কার্যালয়গুলোতে রাত ৮টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

এ কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ক্যাম্পেইন সফলভাবে পরিচালনার জন্য ৩৮৪টি কেন্দ্রে দুইজন করে মোট ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

এনায়েত/এএফ