ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে পরিচালিত দুই চুনা কারখানা উচ্ছেদ এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় বেঙ্গল টাইগার্সের অভিনন্দন ভেনেজুয়েলায় জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, তল্লাশি অব্যাহত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় চসিকের নওগাঁয় কর্মবিরতিতে ডাক কর্মচারীরা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষার্থী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিট পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট চেয়ারম্যান একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১২৪ হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার টাইব্রেকার হলে শুটার বাছবেন জাপান কোচ লালমনিরহাটে পানিবন্দি হাজারো মানুষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত মরক্কো সাবেক এমপি আশিকা আবারও রিমান্ডে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নবী নেওয়াজ

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। 

সংশোধনীর মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারসহ একাধিক কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেট আলোচনার সময় দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী করমুক্ত আয়ের সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রস্তাব জনমতের ভিত্তিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলা ও জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও বাতিল করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু প্রস্তাব নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সরকার তা পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার করেছে। পাস হওয়া অর্থ বিলে বিভিন্ন খাতে কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব উল্লেখযোগ্য।
পার্বত্য তিন জেলা ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত থাকবে। চিংড়ি খাত, ওষুধ শিল্প, পিভিসি ও পিইটি রেজিনসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট হ্রাস বা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থপ্রদান কমে এবং কর পরিপালন বাড়ে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া দেশীয় মোটরগাড়ি শিল্পে ব্যবহৃত ডাবল কেবিন পিকআপ ও মাইক্রোবাসের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। সোনা, রুপা ও হীরার গহনার ওপর নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি ও শিল্প খাতে কাঁচামাল আমদানি, ভ্যাট অব্যাহতি এবং কো-ইফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার মতো উদ্যোগকে ব্যবসাবান্ধব সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব সংশোধনী কর কাঠামোকে আরও বাস্তবসম্মত করবে এবং শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে গতি আনবে।

এলিস/রিফাত/

বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে শান্তি, সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে তার দেশের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে।’

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রোটারি শান্তি সম্মেলন-২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ নরওয়ের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে গত মার্চে নরওয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংস্কারের লক্ষ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ এবং নরওয়ে একে অপরের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী। বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত গুলব্রান্ডসেন।’

সম্মেলনে বাংলাদেশে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ইশতিয়াক এ জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ৬ হাজার রোটারিয়ান রয়েছেন। তারা দেশের জরুরি ভ্যাকসিনেশন, খাদ্য, চিকিৎসার মত কাজে ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুদ্ধের কারণে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়াতে পারে। এছাড়া রোটারি ক্লাবের কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত করার সুযোগ আছে বলে জানান তিনি।’ 

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. মো. জুলফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সেনাবাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেখানে রোটারি ক্লাবের কিছু কাজ করার সুযোগ আছে।’ 

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর একেএম শামসুল হুদা বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রের পিছনে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়। এই অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যেসব দেশ বাণিজ্য করে তাদের কারণে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এই যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ অমানবিক ভোগান্তিতে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তেমন অর্থ খরচ করা হয় না। এসব যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং আহত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় রোটারিয়ানরা।’ 

রোটারি শান্তি সম্মেলনে বাংলাদেশ রোটারি ক্লাবের নেতা ও সদস্যরা অংশ নেন। সম্মেলনে তারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে যৌথভাবে অঙ্গীকার করেন।

রবিউল/রিফাত/

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। 

সংশোধনীর মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারসহ একাধিক কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেট আলোচনার সময় দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী করমুক্ত আয়ের সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রস্তাব জনমতের ভিত্তিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলা ও জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও বাতিল করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু প্রস্তাব নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সরকার তা পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার করেছে। পাস হওয়া অর্থ বিলে বিভিন্ন খাতে কর ও শুল্ক সুবিধা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব উল্লেখযোগ্য।
পার্বত্য তিন জেলা ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত থাকবে। চিংড়ি খাত, ওষুধ শিল্প, পিভিসি ও পিইটি রেজিনসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট হ্রাস বা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থপ্রদান কমে এবং কর পরিপালন বাড়ে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া দেশীয় মোটরগাড়ি শিল্পে ব্যবহৃত ডাবল কেবিন পিকআপ ও মাইক্রোবাসের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। সোনা, রুপা ও হীরার গহনার ওপর নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি ও শিল্প খাতে কাঁচামাল আমদানি, ভ্যাট অব্যাহতি এবং কো-ইফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার মতো উদ্যোগকে ব্যবসাবান্ধব সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব সংশোধনী কর কাঠামোকে আরও বাস্তবসম্মত করবে এবং শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে গতি আনবে।

এলিস/রিফাত/

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র পুনরায় চালু হওয়ায় লোডশেডিং অনেকটাই কমে এসেছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তবে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে এখনও সামান্য ঘাটতি থাকায় কিছু এলাকায় সীমিত আকারে লোডশেডিং অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৮তম দিনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগের দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হয়েছিল। তবে দ্রুত মেরামত শেষে কেন্দ্র দুটি পুনরায় চালু হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যেখানে মোট চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে বিদ্যুতের ঘাটতি কমে ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অবশিষ্ট ঘাটতিও দ্রুত কমিয়ে আনতে কাজ করছে। কিছু এলাকায় এখনও সীমিত আকারে লোডশেডিং থাকতে পারে, তবে তা সম্পূর্ণভাবে দূর করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রবিবারের তুলনায় পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’

বিদ্যুৎমন্ত্রী আরও জানান, সম্প্রতি একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বয়লারের টিউবে লিকেজ দেখা দেওয়ায় সেটি জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে হয়েছিল। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরের বৈরী আবহাওয়ার কারণে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা খালাস ব্যাহত হওয়ায় ওই কেন্দ্রের একটি ইউনিটও উৎপাদন বন্ধ রাখে। এসব কারণেই সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি অবশিষ্ট লোডশেডিংও দ্রুত কমিয়ে আনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

এলিস/রিফাত/

চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাংলাদেশ কোনো ঋণের আশ্বাস বা নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘প্রতি বছর বাজেটে বড় বড় প্রত্যাশা তৈরি হলেও পরে তার বাস্তবতার ভার জনগণকেই বহন করতে হয়।’

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৮তম দিনে অর্থবিলের সংশোধনীর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিপরীতে আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে ঘোষিত বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাস্তবে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় প্রকৃত ঘাটতি আরও বাড়ে এবং দেশকে দেশি-বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করতে হয়।’

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানতে চান, ওই সফরে চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ কোনো ঋণের আশ্বাস পেয়েছে কি না। পেয়ে থাকলে তার পরিমাণ কত এবং নতুন কোনো বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এসেছে কি না, তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করার আহ্বান জানান তিনি।

রুমিন বলেন, ‘এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি উত্তর না দিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কি কেবল ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে গেছি?’ এমন মন্তব্য কেউ প্রত্যাশা করে না। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার আলোকে ঋণ ও বিনিয়োগ নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত চার বছর ধরে দেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থর গতি, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজস্ব আহরণে ঘাটতি, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং জ্বালানি সরবরাহের সীমাবদ্ধতার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে। এসব সংকট মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।’

এলিস/রিফাত/

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৪৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৪১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ৪ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২১১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১১ হাজার ৮৫১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৩ হাজার ৮০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮০ হাজার ১৯৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

রিফাত/