ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় বেঙ্গল টাইগার্সের অভিনন্দন ভেনেজুয়েলায় জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, তল্লাশি অব্যাহত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় চসিকের নওগাঁয় কর্মবিরতিতে ডাক কর্মচারীরা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষার্থী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিট পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট চেয়ারম্যান একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১২৪ হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার টাইব্রেকার হলে শুটার বাছবেন জাপান কোচ লালমনিরহাটে পানিবন্দি হাজারো মানুষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত মরক্কো সাবেক এমপি আশিকা আবারও রিমান্ডে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নবী নেওয়াজ শিক্ষা খাতে বাজেট: বিনিয়োগ নাকি দুর্নীতির নতুন সুযোগ? জাপান ম্যাচের আগে ভিনির চোখে জল সিংগাইরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আরও তিনজন আটক সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন: মহাবিপর্যয়ের হাতছানি নির্মাতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা

কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ

সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও অন্যান্য দেশের পতাকা টাঙানোর পাশাপাশি কালিমাখচিত সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে এমন পতাকা টাঙানো এবং পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তা অপসারণের খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব পতাকা নিয়ে মিছিলের ঘটনাও দেখা গেছে। কালিমা মুসলমানদের ঈমানের মূল ঘোষণা এবং ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত সম্মানিত। তবে বাস্তবতা হলো, অতীতে আইএস, আল-কায়েদা ও অন্যান্য উগ্রবাদী সংগঠনও কালিমাখচিত সাদা-কালো পতাকা ব্যবহার করেছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ধরনের পতাকার রাজনৈতিক বা আদর্শিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান রেখেই বলতে হয়, কোনো প্রতীক ব্যবহার করে বিভ্রান্তি, বিভাজন বা উগ্র মতাদর্শের প্রচার যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। রাষ্ট্র, আলেম সমাজ, নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া এবং তরুণদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখা। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। তাই এমন কোনো কর্মকাণ্ড যাতে দেশকে পুনরায় উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদের ঝুঁকির দিকে ঠেলে না দেয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।

খান ইয়ামিন
আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার
২ নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর
[email protected]

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস পদবিটা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই গুণীজনের একটাই অপরাধ, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক ছিলেন। তিনি তার চিকিৎসক হয়ে কী মহা-অপরাধটাই না করে ফেলেছেন। শুধু তার পদবিটা কেড়ে নিলেও হতো। তিনি সরকার থেকে যৎসামান্য যা ভাতা গ্রহণ করেছেন তাও ফেরত চাওয়া হয়েছে। একটি রাষ্ট্রে এমন জঘন্যতম কর্মকাণ্ড যদি চলতে থাকে, তাহলে তার অদূর ভবিষ্যৎ কারও জন্যই মঙ্গলজনক হয়ে ওঠে না। তবে এমন ঘটনার পেছনে কেউ কেউ মবিন খানের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তাকে আওয়ামী সরকার বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক হওয়ায় রাজনৈতিক তকমা দিয়ে তার সঙ্গে অন্যায় করেছিল। তাকেও অবসরে যাওয়ার পর তার প্রাপ্যটুকু কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমি কারও প্রাপ্য কেড়ে নেওয়ারই পক্ষে নই। মবিন খানের বিষয়টি যেমন ন্যক্কারজনক ছিল তেমনি ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনাটিও হৃদয়বিদারক এবং অপমানজনক। মবিন খানের সঙ্গে যারা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছিল রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় তাদের কী ধরনের নাজেহাল হতে হয়েছিল তা একটু উপলব্ধি করার দরকার ছিল। তারা যেমন কুকুর ছিল তেমন মুগর পেয়েছে। তাদের কাছ থেকে বর্তমান শাসকরা কেন শিক্ষা নিচ্ছে না? তারা আগের দলের প্রতিশোধ গ্রহণ করে হাসিনা সরকারের মতো দুর্দশাগ্রস্ত হবে? নাকি তাদের উচিত তারা ন্যক্কারজনক কাজগুলোকে পরিহার করবে। সারা দেশের মানুষ ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করছেন। অনেকেই ধিক্কার জানাচ্ছেন। তারপরও সরকার তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে না। যা এ সরকারের জন্য একটি ঘৃণিত উদাহরণ হয়ে থাকবে, যা আওয়ামী লীগ সরকার মবিন খানের সঙ্গে করেছিল।

হাজি মো. রাসেল খান
খলিফবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

রমনা পার্কটি বাঁচান

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
রমনা পার্কটি বাঁচান

ঢাকার রমনা পার্কের উন্নতি যা হওয়া উচিত ছিল তেমন উন্নতি না দেখে নগরবাসী এতটাই হতাশ যে, এই সেদিন চীনের চাংচুং শহরের একটি পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং এর আধুনিকতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে তখনই রমনা পার্ককে চাংচুং শহরের মতো পার্ক হিসেবে  গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করি। রমনা পার্কটি  বেসরকারি  উদ্যোগে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পত্রপত্রিকায় বহু লেখালেখি হয়েছে। চাংচুং শহরের সাউথ লেক হোটেলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত এই লেকটি যে কেউ দেখলে মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের পরিবেশ উদ্যোগে এ পার্কের লেকে আছে শিশুদের ছোট ছোট মাছ ধরার কায়দা, ঘুড়ে বেড়ানো, বিশ্রাম নেওয়ার  চমৎকার ব্যবস্থা, যথেষ্ট গাছ পালা ও ফুলের সমারোহ, পার্কের লেকগুলোর  পার বাধানো চমৎকার, হাঁটার প্রশস্ত  জায়গা, পানির বোতল বা নোংরা জিনিসপত্র  নির্দিষ্ট স্থানে ফেলানোর ব্যবস্থাও সুন্দর। জানিনা গণপূর্ত অধিদপ্তর রমনা পার্ক হতে কোন রাজস্ব পায় কিনা জানি না।

যাই হোক, যেকোনো মূল্যে রমনা পার্কটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিন আর যদি  সম্ভব হয় নগরীতে একটি পরিবেশ সৌন্দর্য পার্ক হিসেবে রমনা পার্কটিকে নগরবাসীর স্বার্থে এর আধুনিকতা, উন্নয়ন এবং বিদেশি পার্কের সমতুল্য হিসেবে নগরবাসীর স্বার্থে গড়ে তোলা বা উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
 
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক, সচেতন নাগরিক সমাজ
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]

সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
সাংবাদিকতার রূপ ও রূপান্তর

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সংবাদমাধ্যমের যেমন বিকাশ ঘটেছে, তেমনি সাংবাদিকতার ধরনেও এসেছে হরেকরকম বৈচিত্র্য। এক সময় সাংবাদিক বলতে কেবল খবরের কাগজ কিংবা টেলিভিশনের চশমা পরা, গম্ভীর স্বভাবের পেশাদার মানুষদের বোঝাত। কিন্তু এখন সেই চেনা রূপের বাইরেও নানা পদের সাংবাদিকের দেখা মেলে। মূলধারার পেশাদার সাংবাদিকদের অনেকেই রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মাঠপর্যায়ে ঘুরে সত্য উন্মোচনে ব্যস্ত থাকেন। আবার কেউ কেউ কেবল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে টেবিল টক বা কলাম লিখেই নিজেদের দায়িত্ব সারেন। মফস্বল বা গ্রামীণ সাংবাদিকরা স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ আর অধিকারের কথা তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত লড়াই করেন, যাদের অনেকেরই কষ্টের তুলনায় পারিশ্রমিক সামান্য।

এদিকে ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে ‘স্মার্টফোন সাংবাদিকতা’র প্রসার ঘটেছে। এখন একটি স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ ঘটনাস্থল থেকে লাইভ বা ভিডিও প্রচার করতে পারেন। এতে যেমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে, তেমনি কিছু ‘ইউটিউব’ ও ‘ফেসবুক সাংবাদিক’ ভিউ-লাইকের আশায় ভিত্তিহীন বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। আবার কিছু ভুঁইফোড় কার্ডধারী সাংবাদিকও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। তাই প্রকৃত ও সৎ সাংবাদিকদের চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে রূপ বা মাধ্যম যাই হোক, শেষ পর্যন্ত সমাজ ও দেশের কল্যাণে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরাই হোক সব ধরনের সাংবাদিকের মূল লক্ষ্য।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট, কুমিল্লা 
[email protected]

পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম
পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাক ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সরকারের সময়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাক, লোগোসহ কিছু বিষয় পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও পুলিশসহ কয়েকটি বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়েও বিভিন্ন মহলে মতভিন্নতা দেখা যায়। এখন আবার নতুন সরকারের সময়ে পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এসেছে।

এভাবে বারবার পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পরিচয় কি শুধুই পোশাকে, নাকি তাদের কাজ, আচরণ ও পেশাদারত্বে? কারণ একটি বাহিনীর মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা মূলত নির্ভর করে তাদের দায়িত্ব পালন, জনসেবার মান, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার ওপর। পোশাক গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি নয়। বারবার পোশাক পরিবর্তনের সঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় জড়িত। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যদি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পোশাক ও অন্যান্য প্রতীকী বিষয় পরিবর্তনের ধারায় চলে, তাহলে সেই ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত জনগণের অর্থ থেকেই বহন করতে হয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনগণের স্বার্থ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পুলিশের প্রয়োজন আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ, জবাবদিহি ও জনবান্ধব পেশাদারি কাজ। পোশাকের পরিবর্তনের চেয়ে বেশি জরুরি হলো, পুলিশ যেন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি নিরপেক্ষ ও দক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বদলে রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার ও কার্যকর সংস্কারের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

এম মহাসিন মিয়া
লেখক ও গবেষক
[email protected]

নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রত্যেক দেশ অপরাধ নির্মূলে তার নিজস্ব আইনের সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। সংবিধান কখনো অপরাধ দমন করতে পারে না, যতক্ষণ না সঠিক প্রয়োগ করা হয়। যে দেশের আইনের প্রয়োগ যত বেশি কার্যকর, সে দেশ তত বেশি নিরাপদ ও সুন্দর। দেশে শত শত অপরাধ হচ্ছে, যা মূলত একই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং রয়েছে অপরাধের ধরন ও প্রকার। তাই কিছু অপরাধ আছে যা কেবল জরিমানার মাধ্যমে দমন করা সম্ভব নয়। এমন অপরাধের মধ্যে ইয়াবা ও মাদক অন্যতম। এই অপরাধগুলো দমন করতে হলে ইয়াবা এবং মাদকের উৎপাদন স্থান ও ইম্পোর্ট-এক্সপোর্টের মূল কেন্দ্র উৎখাত করতে হবে। বর্তমান দেশে দেখা যায় জরিমানা করা হয়। কিন্তু মূল কেন্দ্র ঠিকই থেকে যায়। অতএব, নেশাজাত দ্রব্যের মূল উৎপাটনে প্রশাসনের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]