ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ফের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন তাইজুলের আলো ছড়ানো দিনেও জিম্বাবুয়ের বিশাল লিড এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ব্রাজিলের শুরুর একাদশে নেই নেইমার ৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে পরিচালিত দুই চুনা কারখানা উচ্ছেদ এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় বেঙ্গল টাইগার্সের অভিনন্দন ভেনেজুয়েলায় জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, তল্লাশি অব্যাহত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় চসিকের নওগাঁয় কর্মবিরতিতে ডাক কর্মচারীরা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষার্থী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিট পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট চেয়ারম্যান

ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ হাজার ৪২২ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার বাজেট উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বাজেটে অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে। এদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে গবেষণায় রাখা হয়েছে, ২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা শতকরা হারে মোট প্রস্তাবিত বাজেটের ২ দশমিক ০৪ শতাংশ। 

তবে বাজেটে গবেষণা খাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পক্ষ থেকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বার্ষিক সিনেট অধিবেশনের সূচনা অধিবেশনে বাজেট উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

এবারের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ন্যূনতম পর্যায়ে পরিচালনার জন্য ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে আর্থিক ঘাটতি থাকবে কমপক্ষে ৮৩ কোটি ৮৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

বাজেট উপস্থাপনকালে ইউজিসি থেকে গবেষণার জন্য বরাদ্দ না পাওয়া প্রসঙ্গে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘যোগ্য মানবসম্পদ ধরে রাখতে শিক্ষকদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ বেতন, প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা ভাতা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন হতে কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দুঃখজনক।’

গবেষণা ও মানবসম্পদ খাতে বিশেষ অনুদানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির এই সন্ধিক্ষণে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বিনিয়োগ জাতিকে দীর্ঘ মেয়াদে বহুগুণ প্রতিদান দেবে। আমি বিনীতভাবে আহ্বান জানাই, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে নিছক ব্যয় হিসেবে নয়, বরং জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও মানব সম্পদ খাতে বিশেষ অনুদান প্রদান করা হোক।’

অভিভাষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ, প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। এ কথা অনস্বীকার্য যে, কেবল পরিকল্পনা নয়, প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ঐক্যবদ্ধ অঙ্গীকার এবং সঠিক বাস্তবায়ন। আমরা বিশ্বাস করি, এই ভিশন ও মিশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন ও নৈতিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত করবে। এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের জ্ঞান, উদ্ভাবন ও মানবিক নেতৃত্বের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।’

আরিফ জাওয়াদ/রিফাত/

সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

হাসপাতাল দ্রুত চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত করা এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের (সুমেক) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অষ্টম দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।

এ দাবিতে সোমবার (২৯ জুন) শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

শিক্ষার্থীরা প্রথমে ক্লাস বর্জন করে শহরের আলফাত স্কয়ারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি ইয়াকুব বখত বহলুল, বিএনপি নেতা মুনাজ্জির হোসেন সুজন, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি পঙ্কজ কান্তি দে, আইনজীবী খলিলুর রহমান, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলন এবং সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী পিয়াস চন্দ্র দাস, নুরী রায়হান, তানভীর আহমেদ ও ফয়সাল বাদশাসহ আরও অনেকে।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মুস্তাক আহমেদ ভূঁইয়া জানান, মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষকদের  শূন্যপদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। হাসপাতাল চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এজন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রায় দুই বছর পর, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। জেলা শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে মদনপুর এলাকায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটির অবস্থান।

ডিজিসি/অমিয়/

বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় ট্রফি উন্মোচন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

টুর্নামেন্টে বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। 

প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় নবম শ্রেণির ড্রিমার্স গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং দশম শ্রেণির রেঞ্জার্স গ্রুপ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুলশান থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অমিদুর রহমান। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন সংঘ প্রধান সিস্টার মেরী শুভ্রা (এসএমআরএ) এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ফাদার জয়ন্ত গমেজ। 

এ ছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্ট উপভোগ করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিস্টার মেরী সুপ্রীতি (এসএমআরএ) স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘খেলাধুলা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি বাড়ায়। খেলার আসল সৌন্দর্য শুধু জয়ে নয়, বরং নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ নিহিত। খেলাধুলা আমাদের শৃঙ্খলা, পরিশ্রম ও দলগত মানসিকতার শিক্ষা দেয়, যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।’

সভাপতির বক্তব্যে ফাদার জয়ন্ত গমেজ বলেন, ‘বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই উচ্ছ্বাসের ছোঁয়া আজ বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও লেগেছে। খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ, উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’

সুস্থ প্রতিযোগিতা, খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব এবং শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি ঘটে।

অমিয়/

বেরোবিতে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
বেরোবিতে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা
অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা। ছবি: খবরের কাগজ
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকে ‘প্রতারণার’ শামিল উল্লেখ করে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা।
 
সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
 
এর আগে, গতকাল রবিবার পদোন্নতি বোর্ড অনুষ্ঠিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা।
 
অবস্থান কর্মসূচিতে কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বারবার পদোন্নতি বোর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এতে তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। উপাচার্যের বারবার দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা এটিকে ‘প্রতারণার’ শামিল বলেও অভিযোগ করেন।
 
একাডেমিক শাখার সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার মনজুরুল ইসলাম বলেন, ’আমরা এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ বার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। যথাযথ নিয়মে আবেদন করেছি। কিন্তু দীর্ঘদিনেও আমাদের পদোন্নতির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার বোর্ড বসানোর ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এর আগে আমরা কর্মবিরতি পালন করেছিলাম। তখন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করি। ২৮ জুন বোর্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সেটি হয়নি।
 
তিনি আরও বলেন, ’বর্তমানে ভিসি একটি বলয়ের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে গেছে। আমরা চাই ভিসি সেই বলয়ের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসুক। শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিষ্ঠাভাবে কাজ করুক।’ 
 
গণিত বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন বলেন, ’সবশেষ কর্মবিরতির পর ৯ জুন আমাদের বোর্ড অনুষ্ঠিত হবে বলে খুদেবার্তার মাধ্যমে জানানো হয়। পরে ১৬ জুন বোর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও উপাচার্যের বিদেশ সফরের কারণে তা স্থগিত করা হয়। এরপর বলা হয়, তিনি বিদেশ থেকে ফিরে ২৮ জুন বোর্ড করবেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন হয়নি। এভাবে আমাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ও হয়রানি করা হচ্ছে। এটি প্রতারণার শামিল।’
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে একটি সভায় রয়েছেন। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ’এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শুধু নিয়োগ নয়, পদোন্নতির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।’
 
তবে রেজিস্ট্রারের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন কর্মবিরতি পালনকারী কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, পদোন্নতির ক্ষেত্রে নয়।
 
তারা বলেন, ’যদি পদোন্নতির ওপরও নিষেধাজ্ঞা থেকে থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার পদোন্নতি বোর্ডের তারিখ নির্ধারণ করে আমাদের আশ্বাস দিয়েছে কেন? বারবার তারিখ দিয়ে তা বাস্তবায়ন না করায় আমরা প্রতারিত হয়েছি।’
 
গাজী আজম/আজহার/

রাবিপ্রবিতে নতুন ৩ মিনিবাস

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
রাবিপ্রবিতে নতুন ৩ মিনিবাস
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন তিনটি মিনিবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রতিটি ৩০ সিটের তিনটি বাস রাবিপ্রবি পরিবহন পুলে সংযুক্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের সংখ্যা এখন সাত।

এর ফলে রাঙামাটি শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল-সংলগ্ন রাস্তায় এর উদ্বোধন করেন রাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।

শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে তিনটি মিনিবাস কেনা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে রাঙামাটি শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাতায়াত করতে পারবেন। 

কর্তৃপক্ষ বলছেন- এর ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক মানোন্নয়নে ও শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বর্তমান ভাইস-চ্যান্সেলর ও তার নেতৃত্বে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ নতুন বাস সংযোজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট কিছুটা হলেও নিরসন হওয়ায় স্বস্তি মিলবে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. তৌহিদুল আলম দোয়া পরিচালনা করেন।

এ সময় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর, শিক্ষার্থী, হলের প্রভোস্ট, পরিচালক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

এ ছাড়াও পরিবহন দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল অ্যান্ড মেইনট্যানেন্স) মো. জনিসহ বাসচালক ও হেলপাররা উপস্থিত ছিলেন।

জিয়াউর জুয়েল/খাদিজা রুমি/

রাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সিট দখলের অভিযোগ, শিবিরের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
রাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সিট দখলের অভিযোগ, শিবিরের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলগুলোতে শাখা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সিট দখলের অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে শাখা ছাত্রশিবির। 

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা ‘প্রভোস্ট ও ছাত্রদলের যৌথ প্রযোজনার সিট দখল রুখে দাও’, ‘দলীয় বিবেচনায় সিট বণ্টন বন্ধ করো’, ‘আদু ভাইয়েরা হল ছাড়বে কবে?’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত বিভিন্ন প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন।

কর্মসূচিতে আবাসিক হলের সিট বণ্টন নিয়ে প্রশাসনের কাছে তিনটি দাবি জানায় সংগঠনটি। দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে যেসব শিক্ষার্থী অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারীদের সিট বাতিল করা, পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিদ্যমান নিয়ম অনুসারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিট প্রদান করা। হলের সিট বণ্টন নিয়ে একটি স্বচ্ছ ওয়েবসাইট তৈরি করা যাতে কোন হলে কতজন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং ফাঁকা সিটের সংখ্যা শিক্ষার্থীদের জানানো হয়।

মানববন্ধনে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ২৪ পরবর্তী সময়ে হল দখল ও সিট বাণিজ্যের কবর রচিত হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রদল আবারও হলগুলো দখলের পাঁয়তারা করছে। শুধুমাত্র দলীয় বিবেচনায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে সিট দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই হল দখলের পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় চব্বিশ পরবর্তী সময়ে যে লাঞ্ছনার মাধ্যমে পূর্বের প্রশাসনকে বিতাড়িত করা হয়েছিল তার জন্য আপনারা প্রস্তুত থাকুন।’

শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব ছাত্রদলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ’আপনারা রাজনীতির নামে ছাত্রলীগের কায়দায় সিট বাণিজ্যের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন না। ছাত্রশিবির যতদিন আছে হলগুলোতে সিট দখলের রাজনীতি ফিরতে দিবে না।’

মানবন্ধন কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন হল ও অনুষদের নেতাকর্মীরা।

শাকিবুল/খাদিজা রুমি/