ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েইন রুনি মনে করেন, ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ-৩২ পর্বের ম্যাচে কোবি মাইনোকে মূল একাদশে সুযোগ দেওয়া উচিত। তার মতে, মাইনোর বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং দক্ষতা ইংল্যান্ডের মাঝমাঠে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর জাতীয় দলের হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেননি তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নতুন কোচ মাইকেল ক্যারিকের অধীনে দলে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন এই মিডফিল্ডার। জাতীয় দলের শেষ চারটি প্রীতি ম্যাচে খেললেও চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাকে বেঞ্চেই থাকতে হয়েছে।
অন্যদিকে, নটিংহ্যাম ফরেস্ট ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা অ্যান্ডারসন গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই ইংল্যান্ডের মূল একাদশে খেলেছেন।
নিজের টকশো দ্য ওয়েইন রুনি শো-তে ইংল্যান্ডের আদর্শ মিডফিল্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রুনি বলেন, ‘আমি রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডে ডেকলান রাইসকে রাখব। তার সামনে খেলবে কোবি মাইনো ও জুড বেলিংহাম।’
মাইনোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই সে কার্যকর। তবে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সংকীর্ণ জায়গায় বল নিয়ন্ত্রণে রাখা। তার পায়ের কাজ ও পাসিং অসাধারণ। বর্তমান স্কোয়াডে এমন কঠিন পরিস্থিতিতে খেলার মতো খেলোয়াড় খুব কমই আছে।’
রুনির সঙ্গে একমত পোষণ করেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার এমিল হেসকি। তিনি বলেন, পানামার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অবস্থায় ম্যাচের শেষ দিকে মাইনোকে সুযোগ না দিয়ে ৩৬ বছর বয়সী জর্ডান হেন্ডারসনকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্তে তিনি বিস্মিত হয়েছেন।
হেসকির ভাষ্য, ‘মাইনোর সামনে আরও কয়েকটি বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাকে সুযোগ দিলে ভবিষ্যতের জন্যও লাভ হতো। তার জায়গায় আমি থাকলে অবশ্যই হতাশ হতাম।’
নাঈম/