পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সমান তালে লড়ে বিদায় নিতে হয়েছে জাপানকে। তবুও এই পরাজয়কে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। তার মতে, ম্যাচটি প্রমাণ করেছে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে জাপানের ব্যবধান ক্রমেই কমে আসছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর নকআউট ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হারে জাপান। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে ইনজুরি টাইমে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির ফার-পোস্টে নেওয়া নিখুঁত শটে জয় নিশ্চিত করে সেলেকাওরা।
এই হারে টুর্নামেন্টের ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে পরিচিত জাপানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। তবে পুরো ম্যাচে ব্রাজিলকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট মোরিয়াসু।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যকার ব্যবধান এখন অনেকটাই কমে এসেছে। নিঃসন্দেহে ব্রাজিল বিশ্বমানের একটি দল, তবে আমরাও সেই পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি।’
তবে ফলাফলে হতাশাও লুকাননি জাপানের কোচ। তার ভাষ্যে, ‘এই পরাজয় আমাদের হতাশ করেছে। আমাদের দক্ষতার জায়গায় এখনও কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। সেই জায়গাগুলোতে উন্নতি করতে হবে। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাই আমাদের লক্ষ্য।’
মোরিয়াসুর বিশ্বাস, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতিতেও বাকিদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে দলের জন্য বড় সম্পদ হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, ‘এটাই আমাদের দলের অন্যতম শক্তি। আরও বেশি খেলোয়াড় এমন বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা অর্জন করছে, যা জাপানি ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
দলের উন্নতির জায়গাও তুলে ধরেন জাপান কোচ। বিশেষ করে রক্ষণ থেকে দ্রুত আক্রমণে রূপান্তর এবং বল দখলে পারদর্শী দলের বিপক্ষে আরও কার্যকর ফুটবল খেলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পাশাপাশি পুরো ম্যাচে শিষ্যদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে মোরিয়াসু বলেন, জাপান যে কাউন্টার অ্যাটাকে বিশ্বের যেকোনো বড় দলের জন্যই হুমকি হয়ে উঠতে পারে, সেটি এই ম্যাচেই প্রমাণ হয়েছে।
পাপ্পু/অন্তরা