ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্বর্ণের দাম আরও ৩৩২৪ টাকা কমল টাইব্রেকারে মরক্কোর রেকর্ড মক্কা-মদিনায় স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ নেইমারের খোঁচার পরই ভেস্তে গেল ভবিষ্যদ্বাণী ইউক্রেনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১০ নাটোরে আইনজীবীর ওপর হামলা, যুবক গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের মধুশিয়া গর্জন বন রক্ষায় জাবিতে মানববন্ধন ও পাপেট শো ব্রাজিলের কাছে হারলেও শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে ব্যবধান কমছে জাপানের: মোরিয়াসু চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না মাকে দেখতে বের হয়ে নিখোঁজ এক মাদরাসাশিক্ষার্থী ফরিদপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার জার্মানিতে এলোপাতাড়ি গুলিতে ৬ জন নিহত, গ্রেপ্তার ২ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নজিরবিহীনভাবে ক্ষমতা বাড়ল ট্রাম্পের শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কে? জার্মানিকে হারানোয় প্যারাগুয়েতে ছুটির ঘোষণা নরসিংদীতে নিখোঁজের ৩ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার সালথায় প্রবাসী স্বামীর অর্থ আত্মসাৎ, স্ত্রী গ্রেপ্তার ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত সাতকানিয়ায় ব্রাজিলের খেলা দেখে ফেরার পথে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে জখম মাদারীপুর পৌরসভার ১১০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা টাইব্রেকার রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ১৬-তে মরক্কো কেমন ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জুতা মোবারক রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ঘাটতি নতুন তিন উপজেলা, ১ থানা ও  ঢাকার সীমানা পুনর্গঠন প্রস্তাব ফেনীতে জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান ফেলিক্সের ‘গলদে ভরা’ প্রকল্প ভিএআর বিতর্ক: জার্মানির বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের নেপথ্য কাহিনী দুই লেনে আটকে পদ্মা সেতুর সুফল শিল্প ও টেলিভিশনের এক অনন্য কারিগর মুস্তাফা মনোয়ার

ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার (লাইসেন্সি: জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড) সহযোগিতায় গত রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।

বিশেষায়িত অস্ত্রোপচার ও ক্যানসার বিষয়ক শীর্ষ স্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে দুইটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়: ‘নিউ ইনোভেশনস অ্যান্ড বিয়ন্ড ইন থোরাসিক সার্জারি’ এবং ‘প্রিসিশন রেডিয়েশন অনকোলজি ইন ২০২৬: এক্সপ্যান্ডিং দ্য রোল অব এসবিআরটি, এসআরএস অ্যান্ড প্রোটন থেরাপি অ্যাক্রস অর্গান সাইটস।’

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ। এদের মধ্যে ডা. খাদের হুসেইন (কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ও রোবোটিক সার্জন) এবং ডা. শামসুদ্দীন সি. (রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট) (p. 1)। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির সিইও ডা. তামজিদ আলম।

অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যার মধ্যে ছিলেন— জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এম. শামসুল আলম; রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও প্যালিয়েটিভ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. এহতেশামুল হক এবং রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আরিফুর রহমান।

এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ১৩,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ১,২০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ৭৫০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম।

ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার (লাইসেন্সি: জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড) সহযোগিতায় গত রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।

বিশেষায়িত অস্ত্রোপচার ও ক্যানসার বিষয়ক শীর্ষ স্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে দুইটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়: ‘নিউ ইনোভেশনস অ্যান্ড বিয়ন্ড ইন থোরাসিক সার্জারি’ এবং ‘প্রিসিশন রেডিয়েশন অনকোলজি ইন ২০২৬: এক্সপ্যান্ডিং দ্য রোল অব এসবিআরটি, এসআরএস অ্যান্ড প্রোটন থেরাপি অ্যাক্রস অর্গান সাইটস।’

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ। এদের মধ্যে ডা. খাদের হুসেইন (কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ও রোবোটিক সার্জন) এবং ডা. শামসুদ্দীন সি. (রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট) (p. 1)। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির সিইও ডা. তামজিদ আলম।

অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যার মধ্যে ছিলেন— জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এম. শামসুল আলম; রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও প্যালিয়েটিভ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. এহতেশামুল হক এবং রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আরিফুর রহমান।

এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ১৩,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ১,২০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ৭৫০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম।

বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা।

আজ সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেশের ডিজিটাল ও আর্থিক বৈষম্য কমাতে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রুপান্তরের যাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

ফাবেলার নেতৃত্বে ভিওনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ভিওন-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মিশিয়েল সোয়েটিং, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে এবং চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান।

বৈঠকে বাংলাদেশে একটি সমন্বিত ডিজিটাল আর্থিক সেবাব্যবস্থা (ডিজিটাল ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেম) গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরে ভিওন। বৈশ্বিক ফিনটেক খাতে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবাবঞ্চিত কোটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ডিজিটাল ব্যাংকিং, ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রোফাইন্যান্স) ও ক্ষুদ্র বিমা (মাইক্রো-ইনস্যুরেন্স) সেবা পৌঁছে দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

দেশে ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সবার জন্য আরও সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

এ ছাড়া বৈঠকে নিজেদের ‘ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ নাউ’ উদ্যোগের রূপরেখা তুলে ধরে নাসডাক-তালিকাভুক্ত বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওন। বাংলাদেশ সরকার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে এটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্টে সহায়তার অঙ্গীকার করা হয়। এ ক্ষেত্রে ভিওন প্রধান বিনিয়োগকারী (অ্যাংকর ইনভেস্টর) হিসেবে শুরুতেই ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মূল ক্ষেত্র হবে পরবর্তী প্রজন্মের ডিজিটাল অবকাঠামো, ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্নত সংযোগ প্রযুক্তি। নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে নিজেদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগাবে ভিওন।

ভিওন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের যাত্রায় আমরা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার। " ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ নাউ " উদ্যোগের মাধ্যমে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া কর্মসূচিতে প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত ভিওন।

নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদেরও বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করব। সরকারের ডিজিটাল ও আর্থিক রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এ যাত্রায় পাশে থাকতে প্রস্তুত।’

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্ব ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে দেশের ডিজিটাল ও আর্থিক রূপান্তরের যাত্রায় সরকারের অংশীদার হতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোবাইল ফোনসেবা সাধারণ মানুষের নাগালের আওতায় আনার মাধ্যমে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করেছিলাম। এখন ধারাবাহিক বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে কার্যকর ডিজিটাল ও আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে চাই। এর মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সবার জন্য আরও সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে অবদান রাখা সম্ভব হবে।’

আগামী দিনে বাংলাদেশে নিজেদের ডিজিটাল কার্যক্রমের পরিসর আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী ভিওন ও বাংলালিংক। এ জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, রাইড শেয়ারিং, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং স্টারলিংকের ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির মতো উন্নত সংযোগসেবাসহ বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনা যাচাই করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিজ্ঞপ্তি/

এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার
ছবি: সংগৃহীত

FLAXA ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’ (BPC)-এর যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি ঢাকার গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে ‘Traceability to Transparency: Roadmap to Digital Product Passport in the FLG Sector’ শীর্ষক একটি সেমিনারের সফল আয়োজন করা হয়।

এই সেমিনারে বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস (FLG) খাতের ট্রেসেবিলিটি (পণ্যের উৎস ও গতিপথ শনাক্তকরণ), টেকসই উন্নয়ন এবং ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স বা নীতিমালার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে প্রস্তুতকারক, সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হন।

অনুষ্ঠানে ‘বিল্ড’ (BUILD)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) জনাবা ফেরদৌস আরা বেগম ‘Traceability Towards Transparency for Sustainability’ (টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বচ্ছতার পথে ট্রেসেবিলিটি) শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তাঁর উপস্থাপনায় বিশ্ববাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সব প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে এবং জোর দিয়ে বলা হয় যে, বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি একটি প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠছে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল আলোচনা, যেখানে অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. আব্দুর রহিম খান; র‍্যাপিড (RAPID)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক; বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট জনাবা হোসনা ফেরদৌস সুমি এবং FLAXA-এর পরিচালক জনাব ইবনুল ওয়ারা।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন FLAXA-এর সভাপতি জনাব সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। এই আলোচনায় পুরো খাতজুড়ে ট্রেসেবিলিটি এবং ‘ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট’ কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও দুটি উপস্থাপনা ছিল- ‘E-Traceability for Sustainable Leather: Lessons from the LeatherTrace Bangladesh Pilot Program’ এবং ‘Road to Digital Product Passport (DPP)’।

FLAXA সব বক্তা, প্যানেলিস্ট, সহযোগী এবং অংশগ্রহণকারীদের তাদের মূল্যবান অবদান ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানায়। সংস্থাটি এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অব্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর-ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন ব্যাংকের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুর রহমান এবং মো. রীদওয়ানুল হক।

পদোন্নতির আগে মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিটেইল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে মো. রীদওয়ানুল হক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি ডিভিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ২৭ বছরেরও বেশি ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ১৯৯৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালের মে মাসে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের মাধ্যমে তার ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু হয়। পরবর্তীকালে ব্যাংকটির একীভূত হওয়ার পর ২০০১ সালে তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে যোগ দেন এবং সেখানে তিনি করপোরেট শাখার প্রধান, পারসোনাল অ্যান্ড প্রয়োরিটি ক্লায়েন্ট একুইজিশনের পরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। ২০২২ সালের অক্টোবরে তিনি ইউসিবির রিটেইল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি সার্ভিস কোয়ালিটি ও ইম্পেরিয়াল ব্যাংকিংয়ের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি ব্যাংকের রিটেইল ব্যবসায়িক কৌশল বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে ইউসিবির রিটেইল বিজনেস ডিভিশন ব্যবসায়িক কাঠামো শক্তিশালীকরণ, কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াগত উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতা-ভিত্তিক সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

শাখা ব্যাংকিং, রিটেইল ব্যাংকিং ও গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কার্যকর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে তিনি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মজীবনে তিনি ইউরোপ, আমেরিকাসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন নেতৃত্ব উন্নয়ন ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

মো. রীদওয়ানুল হক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যাংকিং খাতে তার ২৪ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এইচএসবিসি, ব্যাংক আলফালাসহ দেশীয় ও বহুজাতিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং খাতে দক্ষ নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

ইউসিবিতে যোগদানের আগে তিনি এনসিসি ব্যাংক পিএলসির রিটেইল ও এসএমই ব্যবসা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি ব্যবসা সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বর্তমানে ইউসিবিতে তিনি সব শাখা, উপশাখা নেটওয়ার্ক, এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশন এবং অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল ডিভিশনের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছেন। তার নেতৃত্বে এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি আরও জোরদার করেছে। কর্মজীবনে তিনি ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, ভারত, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব-আমিরাতসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, দক্ষ নেতৃত্ব এবং পেশাগত উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হককে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি প্রদান করেছে।

গত দুই বছরে ইউসিবির ধারাবাহিক আমানত বৃদ্ধি, নতুন গ্রাহক ও নতুন হিসাব সংযোজন, ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে এই দুই কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, নতুন দায়িত্বে তারা তাদের অভিজ্ঞতা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে ইউসিবির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং গ্রাহকসেবার উৎকর্ষ অর্জনে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

বিজ্ঞপ্তি/

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সম্প্রতি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এবং র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের গ্রাহকেরা দেশজুড়ে অবস্থিত সনি-র‍্যাংগস শোরুম থেকে টিভি, ফ্রিজ, এসি এবং অন্যান্য হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনার ক্ষেত্রে সনি-র‍্যাংগসের চলমান অফারমূল্যের ওপর অতিরিক্ত ১০% পর্যন্ত বিশেষ ছাড় পাবেন।

১ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ভ্রমণকারী গ্রাহকদের বোর্ডিং পাসের সঙ্গে ডিসকাউন্ট কুপন প্রদান করা হবে। প্রাপ্ত কুপন ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ব্যবহার করে এই বিশেষ ছাড়ের সুবিধা উপভোগ করা যাবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস জনাব এম. শফিকুল ইসলাম। র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মো. জানে আলম এবং জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব রিটেইল সেলস জনাব কে. এম. মোসাদ্দেক উল্লাহ (মুন্না)। এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাহকদের জন্য ভবিষ্যতেও বিভিন্ন খাতে নতুন নতুন অংশীদারত্বের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় অফার ও বিশেষ সুবিধা চালু করবে বলে জানিয়েছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞপ্তি/