ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
‘গলদে ভরা’ প্রকল্প ভিএআর বিতর্ক: জার্মানির বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের নেপথ্য কাহিনী দুই লেনে আটকে পদ্মা সেতুর সুফল শিল্প ও টেলিভিশনের এক অনন্য কারিগর মুস্তাফা মনোয়ার আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ: অনিশ্চয়তায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমার তো বিশ্বকাপেই থাকার কথা ছিল না: লুকাকু চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রী ছাউনির অভাবে ভোগান্তি তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তৃতীয় পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়: ভারতকে উদ্দেশ্য করে চীন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার আমাদের জন্মই হয়েছে ডিফেন্স করার জন্য: আলফারো চীন-রাশিয়ার যৌথ বিমান টহল রংপুরে এমপির প্রকল্পের সভাপতি ভাগনে-ভগ্নিপতি! অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি অনুসন্ধানে প্রস্তুত দুদক নড়াইলে অনুদানের তালিকায় এমপির ৮ আত্মীয়! পাল্টাপাল্টি হামলায় পুনরায় আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান এক পাশে দানব, অপর পাশে দ্য এলিফ্যান্ট ৩০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল বিআরটিসিতে লোকসান-চুরির লঙ্কাকাণ্ড ৩০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্সের সামনে আত্মবিশ্বাসী সুইডেন গ্রুপপর্বেই ৪৬ লাখ দর্শক, গ্যালারিতে বিশ্বকাপ জ্বর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের খবরদারি চান না বিএনপির প্রার্থীরা ৩০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি সিমেওনের অবিশ্বাস্য ফিরে আসা জার্মানির বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে টাইব্রেকারে গড়াল জার্মানি–প্যারাগুয়ে ম্যাচ মেসিদের সামনে কেপ ভার্দে ‘আন্ডারডগ’ সমতায় ফিরল জার্মানি ৪১ মিনিটে গোল দিয়ে এগিয়ে আছে প্যারাগুয়ে

গ্রুপপর্বেই ৪৬ লাখ দর্শক, গ্যালারিতে বিশ্বকাপ জ্বর

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:১০ এএম
গ্রুপপর্বেই ৪৬ লাখ দর্শক, গ্যালারিতে বিশ্বকাপ জ্বর
ছবি: সংগৃহীত

শেষ হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপপর্ব। নানা রোমাঞ্চ, নাটকীয়তা আর অগণিত আবেগের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে প্রথম পর্বের ম্যাচগুলো। মাঠে যেমন ছিল গোল, অঘটন আর তারকাদের ঝলক, তেমনি গ্যালারিতেও ছিল এক অনন্য উৎসব। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি ভেন্যুজুড়ে যেন প্রতিদিন বসেছিল ফুটবল মহাযজ্ঞ। দর্শক উপস্থিতিতে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপপর্বের ৭২টি ম্যাচে মোট ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৯ জন দর্শক মাঠে বসে খেলা উপভোগ করেছেন। ম্যাচপ্রতি গড় দর্শক ৬৪,৫০৮ জন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে গ্রুপপর্বের সর্বোচ্চ গড় উপস্থিতিগুলোর একটি এটি। স্টেডিয়ামের আসন পূরণের হার ছিল অবিশ্বাস্য ৯৯.৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় প্রতিটি ম্যাচই ছিল কার্যত দর্শকঠাসা।  গ্রুপপর্বেই মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেছে ৪৬ লাখেরও বেশি দর্শক অথচ ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্টে মোট দর্শক ছিল প্রায় ৩৫.৮ লাখ।  ২০২৬ সংস্করণে শুধু গ্রুপপর্বেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেছে।

গ্রুপপর্বে সবচেয়ে বেশি দর্শক উপস্থিত ছিল উদ্বোধনী ম্যাচে। স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হয়েছিল এ ম্যাচে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ম্যাচটি দেখতে হাজির হয় ৮০,৮২৪ জন দর্শক। শুরু থেকেই এই বিশ্বকাপ যে দর্শক উন্মাদনার নতুন মাত্রা ছুঁতে যাচ্ছে, সেই বার্তাই দিয়েছিল এই ম্যাচ। আসলে প্রতিটি ম্যাচই গ্যালারিতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচেও ৮০,৬৬৩ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। আবার ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৮০,৫৪৫। আটটি ম্যাচে ৮০ হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিতি রেকর্ড হয়েছে।

সব ম্যাচ যে সমান দর্শক টেনেছে, তা নয়। গ্রুপপর্বে সবচেয়ে কম দর্শক ছিল ঘানা-পানামা ম্যাচে। ৪২,৯৪২ জন দর্শক এ ম্যাচটি উপভোগ করেন। টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডা-বসনিয়া ম্যাচটি দেখতে এসেছিলেন ৪৩,০০২ জন দর্শক। সংখ্যাটি তুলনামূলক কম হলেও বিশ্বকাপের মানদণ্ডে এটিও যথেষ্ট বড় উপস্থিতি। তুলনামূলক কম দর্শক টানা ম্যাচগুলোর মধ্যে ছিল কিছু অপেক্ষাকৃত কম জনপ্রিয় ফুটবল জাতির ম্যাচ। তবে সেখানেও গ্যালারি কখনো পুরোপুরি ফাঁকা দেখা যায়নি– এটাই এবারের বিশ্বকাপের বড় বৈশিষ্ট্য।

৪৮ দলের বিশ্বকাপ হওয়ায় অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে নতুন নতুন দেশের সমর্থকরা সরাসরি স্টেডিয়ামে এসে দলকে সমর্থন দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আয়োজক দেশও একটি বড় ভূমিকা রেখেছে। এবার একসঙ্গে তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ হচ্ছে। বড় আকারের স্টেডিয়াম ও উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা দর্শক টানতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তা ছাড়া তারকাদের উপস্থিতিও কম ভূমিকা রাখেনি। লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, আর্লিং হালান্ড, কিলিয়ান এমবাপ্পের ভূমিকা কম নয়।

আমার তো বিশ্বকাপেই থাকার কথা ছিল না: লুকাকু

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
আমার তো বিশ্বকাপেই থাকার কথা ছিল না: লুকাকু
ছবি: সংগৃহীত

চোটজর্জরিত একটি মৌসুম পার করার পর রোমেলু লুকাকু ভাবতেই পারেনি যে তিনি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকবেন। তবে সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বেলজিয়ামের এই রেকর্ড গোলদাতা এখন রেড ডেভিলসদের জন্য ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, পালন করছেন ‘সুপার-সাব’ বা বিকল্প খেলোয়াড়ের এক নতুন ও কার্যকরী ভূমিকা।

ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলির হয়ে পুরো মৌসুমে এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময় মাঠে কাটানো এই ৩৩ বছর বয়সি স্ট্রাইকার বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতোমধ্যেই দলের জন্য তুরুপের তাস হয়ে উঠেছেন। গ্রুপ পর্বে বেলজিয়ামকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন করে শেষ ৩২ এ তুলতে তিনি অনবদ্য অবদান রেখেছেন, যেখানে আগামী বুধবার তাদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে শক্তিশালী সেনেগাল।

সোমবার (২৯ জুন) সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে লুকাকু নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি এখানে আসতে পেরেই ভীষণ খুশি। আমার গত মৌসুমটি যেভাবে কেটেছে, তাতে স্বাভাবিকভাবে এই বিশ্বকাপে আমার থাকারই কথা ছিল না। তাই এখানে আসতে পারা, মাঠে নেমে দলকে সাহায্য করা এবং ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারাটা আমার জন্য দারুণ এক অনুভূতি।’

চোটের ধাক্কা ও কোচের কৌশল

লুকাকু এখনও পুরোপুরি ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাননি, যা তার খেলায় স্পষ্ট বোঝা যায়। তবে প্রধান কোচ রুডি গার্সিয়ার মাস্টারপ্ল্যানে তিনি হয়ে উঠেছেন দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। পূর্ণ ৯০ মিনিট খেলার শক্তি না থাকায় ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন লুকাকুকে মাঠে নামানো হচ্ছে।

২৬ এর বিশ্বকাপে মাত্র ১২১ মিনিট মাঠে থেকেই তিনি একটি গোল করেছেন এবং একটি অ্যাসিস্ট করেছেন। মিশরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বেলজিয়াম যখন ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে খেই হারিয়ে ফেলছিল, তখন বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২২ সেকেন্ডের মাথায় লুকাকুর তীব্র উপস্থিতিতে প্রতিপক্ষ আত্মঘাতী গোল করতে বাধ্য হয়। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও বদলি নেমে মাত্র কয়েক মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক গোল করে দলের ৫-১ ব্যবধানের বড় জয় ও গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেন তিনি।

বেঞ্চ থেকে ম্যাচ বিশ্লেষণ

নিজের এই নতুন ভূমিকা নিয়ে লুকাকু জানান, বেঞ্চে বসে থাকা সময়টাকে তিনি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা খোঁজার জন্য কাজে লাগান।

তিনি বলেন, ‘বদলি খেলোয়াড় হিসেবে যখন আপনি বেঞ্চে বসে থাকবেন, তখন মাঠের ফাঁকা জায়গাগুলো খুব ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। আমি এবং আমার সাথে বেঞ্চে থাকা বাকিরা সবসময় খেয়াল রাখি কীভাবে মাঠে নেমে দ্রুত পার্থক্য গড়ে দেওয়া যায়।’

সামনে সেনেগাল চ্যালেঞ্জ

বেলজিয়ামের 'স্বর্ণালী প্রজন্ম' এর অন্যতম শেষ প্রতিনিধি হিসেবে লুকাকু তার সতীর্থদের বাইরের আলোচনা বাদ দিয়ে মাঠের খেলায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নকআউট পর্বে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচটি নিয়ে তিনি বলেন, ’কৌশলগত ও শারীরিকভাবে সেনেগাল অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দল। তীব্রতার দিক থেকে এটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। আমি ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের বলেছি, এই ম্যাচে জেতার সম্ভাবনা ৫০-৫০। দেখা যাক মাঠের লড়াইয়ে কী হয়।’

থিওটোনিয়াস/

আমাদের জন্মই হয়েছে ডিফেন্স করার জন্য: আলফারো

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
আমাদের জন্মই হয়েছে ডিফেন্স করার জন্য: আলফারো
জার্মানির বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে জয়ের পর প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন প্রধান কোচ গুস্তাভো আলফারোর উল্লাস। | ছবি: এএফপি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের নকআউট পর্বে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন ঘটিয়েছে প্যারাগুয়ে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে গুস্তাভো আলফারোর শিষ্যরা। নির্ধারিত এবং অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় নিশ্চিত করে লাতিন আমেরিকার এই দলটি।

খেলার প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে ৪২তম মিনিটে হুলিও এনসিসোর গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। তবে বিরতির পর ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে সমতায় ফেরে জার্মানি। এরপর থেকেই শুরু হয় প্যারাগুয়ের কোচ গুস্তাভো আলফারোর সেই চেনা 'অভেদ্য দেয়াল' রক্ষণাত্মক কৌশল।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ এবং অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির একের পর এক আক্রমণ প্যারাগুয়ের সুসংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে এসে থমকে যায়। ফ্লোরিয়ান উইর্টজ এবং জামাল মুসিয়ালার মতো প্রতিভাবান মিডফিল্ডাররাও প্যারাগুয়ের ডিফেন্সিভ ব্লকের লক ভাঙতে ব্যর্থ হন। আলফারোর এই নিখুঁত ও সাহসী পরিকল্পনা জার্মানদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলার ছন্দ পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়।

ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের কোচ গুস্তাভো আলফারো তার খেলোয়াড়দের নির্ভীক মানসিকতার প্রশংসা করে বলেন, 'ছেলেরা মাঠে যা পরিকল্পনা ছিল ঠিক সেভাবেই খেলেছে এবং জার্মানিকে তাদের নিজস্ব স্টাইলে খেলতে দেয়নি। এটি আমাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় একটি মুহূর্ত।'

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর থেকে বিশ্বমঞ্চে জার্মানির নকআউট পর্বের খরা যেন কাটছেই না। ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর, এবার শেষ বত্রিশেই তাদের দৌড় থামিয়ে দিল আলফারোর 'ইম্পসিবল ইউটোপিয়া' মিশন। অপরদিকে, ২০১০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পা রাখল প্যারাগুয়ে।

আজহার/

জার্মানির বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৮ এএম
জার্মানির বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে
ছবি: সংগৃহীত

টাইব্রেকারে জার্মানিকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে। নাটকীয় টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে জার্মানি।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জার্মানি-প্যারাগুয়ে ম্যাচের ফলাফল ছিল ১-১। এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে ৪–৩ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

নাঈম/

টাইব্রেকারে গড়াল জার্মানি–প্যারাগুয়ে ম্যাচ

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:২০ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৮ এএম
টাইব্রেকারে গড়াল জার্মানি–প্যারাগুয়ে ম্যাচ
ছবি: সংগৃহীত

৯০ মিনিটেও দুই দলের গোল সমান থাকায় আরও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পায় জার্মান ও প্যারাগুয়ে দল, কিন্তু তাতেও ফলাফল হয় ১-১ গোল। তাই শেষ পর্যন্ত  টাইব্রেকারে গড়িয়েছে জার্মান-প্যারাগুয়ে ম্যাচ। এখন দেখার পালা কোন দল জিতে ও কারা বাদ পরে এখানেই। 

দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও কৌতহলে মুখর পুরো গ্যালারি। 

জার্মানির প্রথম শট: মিস। হাভার্টজের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দিয়েছেন প্যারাগুয়ে কোচ।

প্যারাগুয়ের প্রথম শট: গোল। প্রাদোর শটে ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন জার্মান গোলকিপার। নাগাল পাননি। প্যারাগুয়ে ১–০ জার্মানি।

জার্মানির দ্বিতীয় শট: গোল। কিমিখের শট জালে। জার্মানি ১:১ প্যারাগুয়ে।

প্যারাগুয়ের দ্বিতীয় শট: গোল। গোমেজ জালে পাঠিয়েছেন। জার্মানি ১:২ প্যারাগুয়ে।

জার্মানির তৃতীয় শট: গোল। জার্মানি ২ : ২ প্যারাগুয়ে।

প্যারাগুয়ের তৃতীয় শট: গোল। জার্মানি ২ : ৩ প্যারাগুয়ে।

জার্মানির চতুর্থ শট: মিস। জার্মানি ২ : ৩ প্যারাগুয়ে।

প্যারাগুয়ের চতুর্থ শট: মিস। জার্মানি ২ : ৩ প্যারাগুয়ে।

জার্মানির পঞ্চম শট: গোল। জার্মানি ৩ : ৩ প্যারাগুয়ে।

প্যারাগুয়ের পঞ্চম শট: মিস। জার্মানি ৩ : ৩ প্যারাগুয়ে।

জার্মানির ষষ্ঠ শট: মিস।

প্যারাগুয়ের ষষ্ঠ শট: গোল।

নাঈম/

সমতায় ফিরল জার্মানি

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৯ এএম
সমতায় ফিরল জার্মানি
কাই হাভার্টজ। ছবি: সংগৃহীত

জার্মানিকে সমতায় ফেরালেন কাই হাভার্টজ। ৫৪ মিনিটে দারুণ এক হেডে গোলটি করেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধের খেলা শেষে এক গোলে পিছিয়ে ছিল জার্মানি। ৪৫ মিনিটের খেলায় ৭৯ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছে দলটি। শটও নিয়েছে পাঁচটি। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। উল্টো ৪২ মিনিটে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দিয়েছিলেন এনসিসো।

নাঈম/