ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সাতকানিয়ায় ব্রাজিলের খেলা দেখে ফেরার পথে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে জখম মাদারীপুর পৌরসভার ১১০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা টাইব্রেকার রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ১৬-তে মরক্কো কেমন ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জুতার মোবারক রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ঘাটতি নতুন তিন উপজেলা, ১ থানা ও  ঢাকার সীমানা পুনর্গঠন প্রস্তাব ফেনীতে জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান ফেলিক্সের ‘গলদে ভরা’ প্রকল্প ভিএআর বিতর্ক: জার্মানির বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের নেপথ্য কাহিনী দুই লেনে আটকে পদ্মা সেতুর সুফল শিল্প ও টেলিভিশনের এক অনন্য কারিগর মুস্তাফা মনোয়ার আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ: অনিশ্চয়তায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমার তো বিশ্বকাপেই থাকার কথা ছিল না: লুকাকু চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রী ছাউনির অভাবে ভোগান্তি তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তৃতীয় পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়: ভারতকে উদ্দেশ্য করে চীন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার আমাদের জন্মই হয়েছে ডিফেন্স করার জন্য: আলফারো চীন-রাশিয়ার যৌথ বিমান টহল রংপুরে এমপির প্রকল্পের সভাপতি ভাগনে-ভগ্নিপতি! অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি অনুসন্ধানে প্রস্তুত দুদক নড়াইলে অনুদানের তালিকায় এমপির ৮ আত্মীয়! পাল্টাপাল্টি হামলায় পুনরায় আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান এক পাশে দানব, অপর পাশে দ্য এলিফ্যান্ট ৩০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল বিআরটিসিতে লোকসান-চুরির লঙ্কাকাণ্ড ৩০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্সের সামনে আত্মবিশ্বাসী সুইডেন গ্রুপপর্বেই ৪৬ লাখ দর্শক, গ্যালারিতে বিশ্বকাপ জ্বর

রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মাস ধরে মন্দির পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভক্তদের দেওয়া কয়েক মিলিয়ন ডলারের অনুদান আত্মসাতের অভিযোগে দেশজুড়ে ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়। এর জেরে গত শুক্রবার ট্রাস্টের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়সহ একাধিক শীর্ষ ট্রাস্টি পদত্যাগ করেন। এর আগে চাপের মুখে বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়। কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিলেও তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে রাজ্য পুলিশ ফৌজদারি মামলা দায়ের করে মন্দিরের নগদ অর্থ ও মূল্যবান পূজার সামগ্রী গণনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিসহ অন্তত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রাম মন্দিরটি দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে এক সময় ষোড়শ শতাব্দীর বাবরি মসজিদ ছিল। কিন্তু ১৯৯২ সালে হিন্দু জনতা সেটি ভেঙে ফেলে। যার ফলে দেশজুড়ে ধর্মীয় দাঙ্গায় প্রায় ২,০০০ মানুষ নিহত হয়। যাদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলমান। আড়াই বছর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাধুমধামে মন্দিরটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে রাম মন্দির ভারতের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। আর এই তীর্থস্থানটি পরিচালনা করেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট নামে একটি স্বাধীন ট্রাস্ট। যদিও এটি সরকারের আওতার বাইরে। এর কার্যনির্বাহী সদস্যরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপির আদর্শিক উৎস রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য। ট্রাস্টের হিসাবরক্ষণ দলের সাবেক সুপারভাইজার মহিপাল সিং প্রকাশ্যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলার পর চলতি মাসে বিষয়টি প্রথম আলোচনায় আসে। এর পর দেশজুড়ে ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হয়। যা নিয়ে উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব সরব হন। তিনি অভিযোগ করেন, ভক্তদের দেওয়া অনুদানের কোটি কোটি রুপি রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে গেছে। একাধিক শীর্ষ ট্রাস্টি পদত্যাগ, মামলা, গ্রেপ্তারের পরও উত্তেজনা কমেনি। বরং এ নিয়ে কিছু বিজেপি সমর্থকসহ হাজার হাজার ভক্ত নিজেদের প্রতারিত বোধ করছেন।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে বিচার হয়েছিল, সন্তোষ দুবে ছিলেন তাদের অন্যতম। রাম মন্দিরে ভক্তদের অনুদান আত্মসাতের অভিযোগ তাকে ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি বলেন, ‘এই দুর্নীতি আমাকে গভীর যন্ত্রণা দেয়, এমন এক বেদনা যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড ছাড়া আর কিছুই যথেষ্ট হবে না।’ 

এদিকে মন্দিরের ভক্ত ও সরকারবিরোধী সমালোচকদের অভিযোগ, পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতা ও উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব তদন্তের প্রাথমিক ধাপকে ‘সন্দেহজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সরকার শুধু অর্থ গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে, অথচ এই কথিত দুর্নীতির মূল হোতাদের আড়াল করছে।’
রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হিন্দু সাধু কারপাত্রী মহারাজও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রকৃত দায়ীদের রক্ষা করতে সরকার নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বলির পাঁঠা বানাচ্ছে।’

রাম মন্দিরের দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিকভাবেও বিজেপির জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে এ বিতর্ক দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।সূত্র:আল জাজিরা 

 

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তৃতীয় পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়: ভারতকে উদ্দেশ্য করে চীন

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তৃতীয় পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়: ভারতকে উদ্দেশ্য করে চীন
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ভূকৌশলগত উদ্বেগ উপেক্ষা করেই বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যাপকভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) নিজেদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে বেইজিং জোর দিয়ে জানিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের এই দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্পূর্ণভাবে তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত। এ প্রকল্প নিয়ে তৃতীয় পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়।

তৃতীয় পক্ষ বলতে মূলত ভারতকেই ইঙ্গিত করেছে চীন। ভারতের শিলিগুড়ি করিডরের নিকটবর্তী এই সংবেদনশীল প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে নয়াদিল্লি ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিন্তু সেই উদ্বেগকে উপেক্ষা করেই এরই মধ্যে প্রকল্পটির যৌথ কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও বেইজিং।

সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। তাই এই সহযোগিতা যেকোনো ধরনের তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা উচিত।’

তিস্তা নদী অববাহিকা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় ঢাকা ও বেইজিংয়ের এই যৌথ উদ্যোগ নিয়ে নয়াদিল্লির মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে চীন এই প্রকল্পটিকে মূলত বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখছে।

গুও জিয়াকুন বলেন, ‘তিস্তা নদীর ব্যাপকভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার হলো একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, যা বাংলাদেশ সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সাধ্যমতো সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।’ 

তিনি আরও জানান, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে আরও সুদৃঢ় সমন্বয় সাধন করতে চায়। এর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিনিময় আরও বাড়াতে বেইজিং প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা প্রথমবারের মতো একটি যৌথ কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাই (টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি স্টাডি) পরিচালনা করবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘উভয় পক্ষই এই বিষয়ে একমত হয়েছে, যা গতবার এই পর্যায়ে ছিল না। চীন স্পষ্ট জানিয়েছে, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তারা এই প্রকল্পে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।’

বাংলাদেশ ও চীন তিস্তাসহ অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে পৌঁছেছে। ফলে তিস্তা পরিকল্পনা নিয়ে যে কোনো ধরনের নতুন ঘোষণার দিকে ভারত এখন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাউবো) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘পাওয়ার চায়না’র মধ্যে আগের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি সম্পন্ন হয়, যা মূলত তিস্তা প্রকল্পটিকে আরও একধাপ এগিয়ে নেয়।

ভারতের মূল উদ্বেগ মূলত কৌশলগত কারণে। তিস্তা নদী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডরের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত। ‘চিকেনস নেক’ বা মুরগির গলা নামে পরিচিত এই করিডরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে সংযুক্ত করেছে। এই কৌশলগত ও সংবেদনশীল এলাকায় চীনের মতো কোনো বহিরাগত শক্তির উপস্থিতি বা প্রভাব বৃদ্ধি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। আর এই কারণেই বাংলাদেশ-চীন যৌথ তিস্তা প্রকল্পকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। সূত্র: এনডিটিভি

চীন-রাশিয়ার যৌথ বিমান টহল

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:১০ এএম
চীন-রাশিয়ার যৌথ বিমান টহল
ছবি: সংগৃহীত

জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে একটি যৌথ কৌশলগত বিমান টহল পরিচালনা করেছে চীন ও রাশিয়ার বিমানবাহিনী গত শনিবার (২৭ জুন) চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষিত এ টহলটি চীন-রাশিয়ার ১১তম যৌথ বিমান টহল; যা আঞ্চলিক শান্তি স্থিতিশীলতা রক্ষার্থে তাদের সংকল্প সক্ষমতার প্রদর্শন

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সেস এবং চানিজ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এয়ারফোর্স এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি যৌথ ঘণ্টার টহল পরিচালনা করেছে এই অভিযানের সময় উভয় দেশের বিমান কঠোরভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনেই পরিচালিত হয়েছে এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিদেশি আকাশসীমার কোনো লঙ্ঘন হয়নি চীনা গণমাধ্যম সিসিটিভির এক ভিডিওতে দেখা গেছে, যৌথ টহলের সময় চীনা পক্ষ এইচ-৬কে বোমারু বিমান এবং জে-১৬, জে-১০সি জে-১১বি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে

এই যৌথ টহলের প্রতিক্রিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাপান শনিবার জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করে, চীন রাশিয়ার বোমারু বিমানগুলো জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে তাই জাপান যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেসূত্র: গ্লোবাল টাইমস

পাল্টাপাল্টি হামলায় পুনরায় আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
পাল্টাপাল্টি হামলায় পুনরায় আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সংঘাত বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে পুনরায় আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। গত রবিবার (২৮ জুন) এক মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, এতে পাল্টাপাল্টি হামলায় হুমকিতে থাকা অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি টিকিয়ে রাখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আপাতত উভয় পক্ষ সামরিক তৎপরতা স্থগিত রাখবে এবং হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
 
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, উভয় পক্ষের মধ্যে শত্রুতা বন্ধে সমঝোতা হয়েছে। এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, আজ মঙ্গলবার কাতারে নতুন দফার বৈঠক শুরু হবে।
 
গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর থেকে উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে ধারাবাহিক হামলা চালায়। রবিবার ভোরে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতির সমঝোতা না মানলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। 

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা আবারও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। গত শুক্রবার লেবাননের সঙ্গে নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর শনিবারও একই ধরনের হামলা চালানো হয়। ইরান বলেছে, বৃহত্তর সমঝোতা কার্যকর রাখতে হলে লেবাননেও সংঘাত বন্ধ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তারা আবারও ইরানে আঘাত হেনেছে। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি যুদ্ধের বেশির ভাগ সময়ই কার্যত বন্ধ ছিল। 

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘এমন সময় আসতে পারে যখন আমাদের আর সংযম দেখানো সম্ভব হবে না। তখন আমরা যে সামরিক অভিযান সফলভাবে শুরু করেছি, তা সম্পূর্ণ করতে বাধ্য হব।’ 

গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত ১৪ দফার অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতার উদ্দেশ্য ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। 

শান্তিচুক্তি সত্ত্বেও থামেনি সহিংসতা

এক সপ্তাহ আগে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে। তা সত্ত্বেও আবারও সংঘর্ষ শুরু হয় এবং তা তীব্র আকার ধারণ করে। 

ট্রাম্পের বার্তার প্রায় এক ঘণ্টা পর কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে। একই সময়ে বাহরাইনেও সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। 

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের নৌ ও বিমান ইউনিট কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ওই হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং এর ফলে সব ধরনের কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। 

ইরানের নৌ কমান্ড হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো আগামী দিনগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে। এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা হতাহত হননি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল। কয়েক ঘণ্টা পর বাহরাইনে দ্বিতীয় দফায় আবারও সতর্কসংকেত বাজে। 

দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ইরানের একটি হামলায় মুহাররাক প্রদেশের একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বাহরাইন এ ঘটনায় ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানায়। 

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, তারা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কাতার জানিয়েছে, সামরিক অভিযানের মধ্যে নিখোঁজ হওয়া একটি জাহাজে থাকা তাদের এক নাগরিক ছিটকে আসা ধাতব টুকরার আঘাতে আহত হয়ে মারা গেছেন। একই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। তবে ঘটনাস্থল কোথায় এবং এর জন্য কে দায়ী, সে বিষয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো তথ্য দেয়নি। সূত্র: রয়টার্স

রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
রাম মন্দির ঘিরে দুর্নীতি, ভারতে তীব্র বিতর্ক
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মাস ধরে মন্দির পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভক্তদের দেওয়া কয়েক মিলিয়ন ডলারের অনুদান আত্মসাতের অভিযোগে দেশজুড়ে ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়। এর জেরে গত শুক্রবার ট্রাস্টের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়সহ একাধিক শীর্ষ ট্রাস্টি পদত্যাগ করেন। এর আগে চাপের মুখে বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়। কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিলেও তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে রাজ্য পুলিশ ফৌজদারি মামলা দায়ের করে মন্দিরের নগদ অর্থ ও মূল্যবান পূজার সামগ্রী গণনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিসহ অন্তত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রাম মন্দিরটি দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে এক সময় ষোড়শ শতাব্দীর বাবরি মসজিদ ছিল। কিন্তু ১৯৯২ সালে হিন্দু জনতা সেটি ভেঙে ফেলে। যার ফলে দেশজুড়ে ধর্মীয় দাঙ্গায় প্রায় ২,০০০ মানুষ নিহত হয়। যাদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলমান। আড়াই বছর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাধুমধামে মন্দিরটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে রাম মন্দির ভারতের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। আর এই তীর্থস্থানটি পরিচালনা করেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট নামে একটি স্বাধীন ট্রাস্ট। যদিও এটি সরকারের আওতার বাইরে। এর কার্যনির্বাহী সদস্যরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপির আদর্শিক উৎস রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য। ট্রাস্টের হিসাবরক্ষণ দলের সাবেক সুপারভাইজার মহিপাল সিং প্রকাশ্যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলার পর চলতি মাসে বিষয়টি প্রথম আলোচনায় আসে। এর পর দেশজুড়ে ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হয়। যা নিয়ে উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব সরব হন। তিনি অভিযোগ করেন, ভক্তদের দেওয়া অনুদানের কোটি কোটি রুপি রহস্যজনকভাবে গায়েব হয়ে গেছে। একাধিক শীর্ষ ট্রাস্টি পদত্যাগ, মামলা, গ্রেপ্তারের পরও উত্তেজনা কমেনি। বরং এ নিয়ে কিছু বিজেপি সমর্থকসহ হাজার হাজার ভক্ত নিজেদের প্রতারিত বোধ করছেন।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে বিচার হয়েছিল, সন্তোষ দুবে ছিলেন তাদের অন্যতম। রাম মন্দিরে ভক্তদের অনুদান আত্মসাতের অভিযোগ তাকে ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি বলেন, ‘এই দুর্নীতি আমাকে গভীর যন্ত্রণা দেয়, এমন এক বেদনা যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড ছাড়া আর কিছুই যথেষ্ট হবে না।’ 

এদিকে মন্দিরের ভক্ত ও সরকারবিরোধী সমালোচকদের অভিযোগ, পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতা ও উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব তদন্তের প্রাথমিক ধাপকে ‘সন্দেহজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সরকার শুধু অর্থ গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে, অথচ এই কথিত দুর্নীতির মূল হোতাদের আড়াল করছে।’
রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হিন্দু সাধু কারপাত্রী মহারাজও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রকৃত দায়ীদের রক্ষা করতে সরকার নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বলির পাঁঠা বানাচ্ছে।’

রাম মন্দিরের দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিকভাবেও বিজেপির জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে এ বিতর্ক দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।সূত্র:আল জাজিরা 

 

ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১০:২২ পিএম
ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন
ছবি: সংগৃহীত

শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় ১ হাজার ৪৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির পর দেশটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ইউয়ান (১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের দুর্যোগ ত্রাণ সহায়তা পাঠাবে চীন।

সোমবার(২৯ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে সমর্থন দিতে ভেনেজুয়েলাকে ‘জরুরি ভিত্তিতে বিনামূল্যে ত্রাণসামগ্রী’ দেবে চীন সরকার।

জিয়াকুন বলেন, এসব ত্রাণসামগ্রী ‘যত দ্রুত সম্ভব’ পাঠানো হবে। পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার স্যাটেলাইট চিত্রও কারাকাসকে দিচ্ছে বেইজিং।

গুও বলেন, ‘পরিস্থিতির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ভেনেজুয়েলাকে আরও সহায়তা দিতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।’

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং শুক্রবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজের কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় জানান, দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে চীন সহায়তা দেবে।

সোমবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত চীনের আট জন নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

এএফ/