ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিট পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট চেয়ারম্যান একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১২৪ হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার টাইব্রেকার হলে শুটার বাছবেন জাপান কোচ লালমনিরহাটে পানিবন্দি হাজারো মানুষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত মরক্কো সাবেক এমপি আশিকা আবারও রিমান্ডে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নবী নেওয়াজ শিক্ষা খাতে বাজেট: বিনিয়োগ নাকি দুর্নীতির নতুন সুযোগ? জাপান ম্যাচের আগে ভিনির চোখে জল সিংগাইরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আরও তিনজন আটক সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন: মহাবিপর্যয়ের হাতছানি নির্মাতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি চট্টগ্রামে শরিয়াহভিত্তিক ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের স্মারকলিপি চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিত্যপণ্যে ছাড় উত্তরায় ইবিয়ানদের প্রথম মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে দোকান থেকে অজগর সাপ উদ্ধার জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে শিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে গোলাগুলি, নিহত ১ বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা: মির্জা ফখরুল ফুলগাজীতে গৃহবধূ কাজল হত্যা মামলার প্রধান আসামি  গ্রেপ্তার আরাকান আর্মির হাতে আটক ৫ রোহিঙ্গা মাঝিমাল্লা বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বেরোবিতে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন খাতে সংশোধনী প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের পাতায়ায় এক কিশোরীর (১৭) মরদেহ স্যুটকেস থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এক অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে থাই পুলিশ। 

থাই পুলিশ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সেই অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।

থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন নগরী পাতায়ার একটি আবাসিক এলাকার ঝোপের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি পরিত্যক্ত সুটকেস দেখতে পান। পরবর্তীতে পুলিশ এসে সুটকেসটি খুললে তার ভেতর থেকে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত কিশোরীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে পুলিশ।

থাই গণমাধ্যম জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাতায়া পুলিশ বিভাগের প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক আলামত অনুযায়ী আমরা এটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছি।

ব্যাংককে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাস জানায়, তারা থাইল্যান্ডে তাদের এক নাগরিকের গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা করছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আইনি জটিলতার কারণে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম বা বিস্তারিত পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হয়নি।

এ ঘটনাটি পাতায়ায় বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

থাই পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল মোটিভ কী ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

থিওটোনিয়াস/

স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের পাতায়ায় এক কিশোরীর (১৭) মরদেহ স্যুটকেস থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এক অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে থাই পুলিশ। 

থাই পুলিশ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সেই অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।

থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন নগরী পাতায়ার একটি আবাসিক এলাকার ঝোপের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি পরিত্যক্ত সুটকেস দেখতে পান। পরবর্তীতে পুলিশ এসে সুটকেসটি খুললে তার ভেতর থেকে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত কিশোরীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে পুলিশ।

থাই গণমাধ্যম জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাতায়া পুলিশ বিভাগের প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক আলামত অনুযায়ী আমরা এটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছি।

ব্যাংককে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাস জানায়, তারা থাইল্যান্ডে তাদের এক নাগরিকের গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা করছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আইনি জটিলতার কারণে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম বা বিস্তারিত পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হয়নি।

এ ঘটনাটি পাতায়ায় বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

থাই পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল মোটিভ কী ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

থিওটোনিয়াস/

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৪ দিন পর জীবিত উদ্ধার বাবা-ছেলে

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:২০ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৪ দিন পর জীবিত উদ্ধার বাবা-ছেলে
ভেনেজুয়েলার লা গুয়াইরা রাজ্যে একটি ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে লাশের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে আর্জেন্টিনার সন্ধান ও উদ্ধারকারী দল। ছবি: রয়টার্স

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের পর এক আবেগঘন উদ্ধার অভিযানের সাক্ষী হলো বিশ্ব। ধসে পড়া একটি ভবনের নিচে দীর্ঘ চার দিন আটকে থাকার পর অবশেষে এক বাবা ও তার ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষের সন্ধানে যখন উদ্ধারকারীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন, তখন এই উদ্ধার অভিযান আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর মধ্যে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়াইরার ধ্বংসাবশেষের মধ্য থেকে ওই বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করেন ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার এক নিবিড় ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের পর তাদের বের করে আনতে সক্ষম হন তারা।

উদ্ধারকারীরা যখন স্ট্রেচারে করে জীর্ণ ও রক্তাক্ত বাবা-ছেলেকে ধূলিমলিন রাস্তা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত আবেগাপ্লুত স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমে যায়।

উদ্ধারকারী দলগুলো জানায়, ধসে পড়া ভবনের বিপজ্জনক ও নড়বড়ে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবনের সন্ধান পেতে তারা বিশেষ সার্চ ক্যামেরা এবং অত্যাধুনিক শনাক্তকরণ সরঞ্জাম ব্যবহার করেছিলেন। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কংক্রিটের চাঁই সরিয়ে চার দিন ধরে আটকে থাকা এই দুই ভুক্তভোগীর কাছে পৌঁছান তারা।

ফরাসি সিভিল সিকিউরিটির এক সদস্য জানান, 'চার দিন ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার কারণে তারা প্রচণ্ড দুর্বল এবং পানিশূন্যতায় ভুগছিলেন। উদ্ধার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরগতির ছিল। আমরা তাদের বের করে আনার সময়েই শরীর রিহাইড্রেট করার জন্য স্যালাইন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করি।'

এই যৌথ উদ্ধারকারী দলটিতে ফরাসি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ‘ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি আরবান সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম’-এর সদস্যরাও যুক্ত ছিলেন।

এর আগেরদিন একই দল আরেকটি ধসেপড়া ভবন থেকে এক মা এবং তার ৯ মাস বয়সী শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে।

বুধবার (২৪ জুন) ভেনেজুয়েলার উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৪৫০ জন নিহত এবং তিন হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ বা আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যদিও সরকারি হিসাব অনুযায়ী সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে শিশুসহ অন্তত ৩৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ভূমিকম্পের ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে কাউকে জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে কমে যায়। সেই 'ক্রিটিক্যাল উইন্ডো' পার হওয়ার পরও বাবা-ছেলের এই বেঁচে ফেরা দুর্যোগকবলিত ভেনেজুয়েলায় এখন সবচেয়ে বড় আশার প্রতীক। সূত্র: রয়টার্স

আজহার/অমিয়/

ইউক্রেনের কস্তিয়ানতিনিভকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ সেনা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম
ইউক্রেনের কস্তিয়ানতিনিভকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ সেনা
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বলয়ের অন্যতম প্রধান শহর কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখলের লক্ষ্যে রুশ বাহিনী তাদের অভিযান আরও জোরদার করেছে। ইউক্রেনীয় সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, রুশ সেনাদের ছোট ছোট দল ইতোমধ্যে শহরের উপকণ্ঠে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এতে শহরটিতে নিকটবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

দোনেৎস্ক অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক শহরের একটি কোস্তিয়ান্তিনিভকা। কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখল করতে পারলে রুশ বাহিনীর জন্য উত্তর দিকে স্লোভিয়ানস্ক ও ক্রামাতোরস্ক অভিমুখে অগ্রসরে পথ আরও সহজ হবে।

যদিও ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলছে, শহরের ভেতরে ঢুকে পড়া রুশ সেনাদের প্রতিহত করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শহরটি দখলের দাবি অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী।

ইউক্রেনীয় বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অপারেশন কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল ভিক্টর নিকোলিউক বলেছেন, বর্তমান জনবল ও রসদের ভিত্তিতে কোস্তিয়ান্তিনিভকা এখনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার এর মূল্যায়নে বলা হয়, রুশ অনুপ্রবেশ বাড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্যের সম্ভাবনা এখনও সীমিত।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, শহরটিকে ঘিরে রাশিয়ার ধীরগতির অগ্রযাত্রা ইউক্রেনের ওপর প্রতিরক্ষা বজায় রাখার চাপ বাড়িয়ে তুলছে।

ইউক্রেনীয় বিশ্লেষক রুসলান মাইকুলার বলেন, ‘কিয়েভকে শিগগিরই প্রতিরক্ষা জোরদার করা অথবা কৌশলগতভাবে পিছু হটার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’

কোস্তিয়ান্তিনিভকার সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান সড়কগুলোতে রুশ ড্রোন, আর্টিলারি হামলা ও নির্দেশিত বোমা হামলা অব্যাহত রয়েছে। ড্রোনের ঝুঁকি এড়াতে খাদ্য, পানি ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহে এখন স্থলচালিত রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আশেপাশের এলাকাগুলো থেকেও সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

অন্যদিকে ইউক্রেনের দূরপাল্লার হামলায় রাশিয়ার সরবরাহ ব্যবস্থা ও জ্বালানি খাতে চাপ বাড়লেও, ক্রেমলিন জানায়, দোনেৎস্ক অঞ্চলে আরও এলাকা দখলের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সূত্র: রয়টার্স

খাদিজা রুমি/অমিয়/

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের ডাবল ট্যাপ হামলা, শিশুসহ নিহত বেড়ে ৩৫

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১২:০২ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের ডাবল ট্যাপ হামলা, শিশুসহ নিহত বেড়ে ৩৫
তালেবান সরকারের দাবি, এই বিমান হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানের সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জামাতুল আহরার ও ফিতনা আল খাওয়ারিজের আস্তানা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল লক্ষ্য করে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ডাবল-ট্যাপ (একই স্থানে পরপর দুবার) বিমান হামলায় শিশুসহ ৩৫ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথম দফার হামলার পর যখন স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন, ঠিক তখনই দ্বিতীয় দফায় বোমাবর্ষণে উদ্ধারকারীদের শরীর ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আফগানিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে একটি ‘নৃশংস যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, কোনো স্থানে প্রথম হামলার পর সেখানে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত বেসামরিক নাগরিক বা চিকিৎসাকর্মীদের লক্ষ্য করে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি গুরুতর অপরাধ।

ঘরের ভেতর ও মসজিদে নির্মম আঘাত

আফগানিস্তানের স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান থেকে আবাসিক বাড়িঘর এবং একটি মসজিদ লক্ষ্য করে এই আকস্মিক হামলা চালানো হয়। প্রথম বোমাবর্ষণে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ধসে পড়ে এবং ভেতরে থাকা নারী ও শিশুসহ অসংখ্য মানুষ আটকা পড়েন।

ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের শব্দে প্রতিবেশী ও স্থানীয় উদ্ধারকারীরা যখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্তাক্ত মানুষদের টেনে বের করছিলেন, ঠিক তার কয়েক মিনিটের ব্যবধানে একই স্থানে দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার এই বিস্ফোরণটি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী, যার ফলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকারীদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

তীব্র নিন্দা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

আফগান সরকারের মুখপাত্র এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা জানান, পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক স্থাপনা, হাসপাতাল ও মসজিদগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, যার মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই সুনির্দিষ্ট হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সীমান্ত অঞ্চলের উত্তেজনা এবং দফায় দফায় চলা আকাশপথের এই লড়াই সামগ্রিক দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এ ধরনের ডাবল-ট্যাপ কৌশল ব্যবহারের ফলে চিকিৎসাকর্মী এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোও এখন উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাতে আতঙ্ক বোধ করছে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযানে ২৯ জঙ্গি নিহত

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযানে ২৯ জঙ্গি নিহত
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এক সুপরিকল্পিত স্থল অভিযান ও বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ২৯ জন সশস্ত্র জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। নিহতরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (টিটিপি), যার সরকারি নাম ‘ফিতনা আল খারিজি’ এবং ‘জামায়াতুল আহরার’ এর সদস্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

রবিবার (২৮ জুন) রাতে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ অভিযানের কথা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান এবং করাচির সিন্ধ রেঞ্জার্স ক্যাম্পে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই ‘ইন্টেলিজেন্স বেসড’ (গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক) অভিযান চালানো হয়।

শনিবার রাতে করাচির গুলিস্থান-ই-জহুর এলাকায় পাকিস্তান রেঞ্জার্সের স্থানীয় সদর দপ্তরে এক আত্মঘাতী হামলায় তিন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, হামলাটি ভারতের মদদপুষ্ট প্রক্সি সংগঠন ‘জামায়াতুল আহরার’ চালিয়েছিল। পাল্টা জবাবে তিন সন্ত্রাসী নিহত এবং উসমান আলী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে উসমান জানান, সে মাত্র এক সপ্তাহ আগে আফগানিস্তানের জালালাবাদ থেকে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারা এক্সে জানান, ২৮ জুন খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজোড় জেলায় আফগান সীমান্তের কাছে স্থল অভিযানে জামায়াতুল আহরারের হাই-ভ্যালু কমান্ডার খান ফারোশ ওরফে জাবলসহ তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ও ২৯ জুনের মধ্যবর্তী রাতে ‘অপারেশন গজব লিল-হক’ এর অধীনে আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন পাক্তিয়া, পাক্তিকা এবং কুনার অঞ্চলের তিনটি সন্ত্রাসী আস্তানায় বিমান হামলা চালানো হয়। এতে আরও ২৫ সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং তাদের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযানে ২৬ সন্ত্রাসীকে হত্যার দাবি করেছিল পাকিস্তান।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/