ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টাইব্রেকার হলে শুটার বাছবেন জাপান কোচ লালমনিরহাটে পানিবন্দি হাজারো মানুষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত মরক্কো সাবেক এমপি আশিকা আবারও রিমান্ডে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নবী নেওয়াজ শিক্ষা খাতে বাজেট: বিনিয়োগ নাকি দুর্নীতির নতুন সুযোগ? জাপান ম্যাচের আগে ভিনির চোখে জল সিংগাইরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আরও তিনজন আটক সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন: মহাবিপর্যয়ের হাতছানি নির্মাতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি চট্টগ্রামে শরিয়াহভিত্তিক ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের স্মারকলিপি চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিত্যপণ্যে ছাড় উত্তরায় ইবিয়ানদের প্রথম মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে দোকান থেকে অজগর সাপ উদ্ধার জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে শিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে গোলাগুলি, নিহত ১ বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা: মির্জা ফখরুল ফুলগাজীতে গৃহবধূ কাজল হত্যা মামলার প্রধান আসামি  গ্রেপ্তার আরাকান আর্মির হাতে আটক ৫ রোহিঙ্গা মাঝিমাল্লা বটমলী হোম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বেরোবিতে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা স্যুটকেসে কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক গ্রেপ্তার কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন খাতে সংশোধনী প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতেই ভরসা জাপান কোচ মোরিয়াসুর ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র রাবিপ্রবিতে নতুন ৩ মিনিবাস

স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং নিজ নিজ ক্যাম্পাসকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অপো জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন এবং তাঁদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণদের নিয়ে একটি গতিশীল কমিউনিটি তৈরি করা হবে, যারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচিত ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মাসিক সম্মানী, আকর্ষণীয় উপহার ও অপোর নতুন ডিভাইসগুলো সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়া এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ইভেন্টে আমন্ত্রণ, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং এবং অপো-তে ক্যারিয়ার ও ইন্টার্নশিপের সুযোগও থাকছে।

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল স্টোরিটেলিং এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সহায়ক হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর উদ্ভাবন ও সামাজিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। এই উদ্যোগ কেবল ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরবর্তী প্রজন্মের লিডারদের অনুপ্রাণিত ও ক্ষমতাবান করার একটি প্রয়াস।’

অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে আবেদনের লিংকটি ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এই গুগল ফরম লিংকের (https://forms.gle/sthZVVgg1SCEGndM6) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচন করবে অপো।

স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর’ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং নিজ নিজ ক্যাম্পাসকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অপো জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন এবং তাঁদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণদের নিয়ে একটি গতিশীল কমিউনিটি তৈরি করা হবে, যারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচিত ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মাসিক সম্মানী, আকর্ষণীয় উপহার ও অপোর নতুন ডিভাইসগুলো সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়া এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ইভেন্টে আমন্ত্রণ, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং এবং অপো-তে ক্যারিয়ার ও ইন্টার্নশিপের সুযোগও থাকছে।

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল স্টোরিটেলিং এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সহায়ক হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর উদ্ভাবন ও সামাজিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। এই উদ্যোগ কেবল ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরবর্তী প্রজন্মের লিডারদের অনুপ্রাণিত ও ক্ষমতাবান করার একটি প্রয়াস।’

অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে আবেদনের লিংকটি ইতিমধ্যেই উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এই গুগল ফরম লিংকের (https://forms.gle/sthZVVgg1SCEGndM6) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচন করবে অপো।

সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
সাধারণ এলইডির চেয়ে স্মার্ট বাল্ব কি ব্যয়বহুল?
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে স্মার্ট হোমের যুগে স্মার্ট বাল্বের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো ব্যবহার করা সহজ এবং ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, সাধারণ এলইডি বাল্বের চেয়ে স্মার্ট বাল্বে কি বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়।

এর উত্তর হলো হ্যাঁ। সাধারণ এলইডি ও স্মার্ট বাল্ব আলো দেওয়ার সময় একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কিন্তু সাধারণ বাল্ব বন্ধ থাকলে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও ওয়াই-ফাই বা হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকতে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়। ২০১৯ সালে সায়েন্সডিরেক্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাল্ব বন্ধ থাকলেও এটি ক্রমাগত বিদ্যুৎ খরচ করে। তবে পরীক্ষিত ৩০টি বাল্বের মধ্যে ২১টি বাল্বের স্ট্যান্ডবাই বিদ্যুৎ খরচ শূন্য দশমিক ৫ ওয়াটের নিচে ছিল।

স্ট্যান্ডবাই মোডে স্মার্ট বাল্ব খুব কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফিলিপস বা টিপি-লিংকের মতো ব্র্যান্ডের বাল্বগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৫ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফলে বছরে প্রতিটি বাল্বের জন্য ৩৫ সেন্ট থেকে ১ দশমিক ৩০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। এই সামান্য খরচ গ্রাহকদের স্মার্ট বাল্ব ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়। মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের মতে, বাসাবাড়িতে মোট বিদ্যুৎ খরচের ৫ থেকে ১০ শতাংশই হয় স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা যন্ত্রপাতির কারণে।

স্ট্যান্ডবাই মোডে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে স্মার্ট বাল্ব অর্থ সাশ্রয় করতে পারে। স্মার্টফোন অ্যাপ বা স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে যেকোনো সময় এটি চালু বা বন্ধ করা যায়। এতে নির্দিষ্ট সময়ে চালু বা বন্ধ করার জন্য শিডিউল করার সুবিধাও রয়েছে। ফলে বাল্ব ব্যবহারের সময় অনেকটই কমে যায়। আলো কমানো বা বাড়ানোর সুবিধাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।

স্মার্ট বাল্বের বড় একটি খরচ হলো এর দাম। সাধারণ এলইডি বাল্বের দাম যেখানে দেড় থেকে চার ডলারের মধ্যে, সেখানে স্মার্ট বাল্বের দাম গড়ে আট থেকে পনেরো ডলার হতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ এলইডি বাল্ব বিশ থেকে চল্লিশ বছর টিকতে পারে। অন্যদিকে স্মার্ট বাল্বের ভেতরের অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এগুলো সাধারণত পনেরো থেকে পঁচিশ বছর টেকে। তবে ব্যবহারের সময় কমে যাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী প্রমাণিত হতে পারে।

স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের খরচ বাড়াচ্ছে স্যামসাং
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের স্মার্ট হোম বা স্বয়ংক্রিয় গৃহব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘স্মার্টথিংস’-এর এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ব্যবহারের জন্য এবার ফি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। এই সিদ্ধান্তের ফলে মূলত সফটওয়্যার নির্মাতা ও বাণিজ্যিক অংশীদাররা প্রভাবিত হবেন। তবে পরোক্ষভাবে সাধারণ গ্রাহকদের পকেটেও এর কিছুটা টান পড়তে পারে।

চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ‘অবাণিজ্যিক ব্যক্তিগত ডেভেলপার’ বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা এটি ব্যবহার করেন, তাদের জন্য মাসে প্রায় ৪ দশমিক ৯৯ ডলার (প্রায় ৬০০ টাকা) ফি নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহক ও ডেভেলপাররা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্মার্টথিংস এপিআই ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যারা নিজেদের স্যামসাং ডিভাইস ও অন্যান্য গ্যাজেট নিয়ন্ত্রণের জন্য সাধারণ ‘স্মার্টথিংস অ্যাপ’ ব্যবহার করেন, তাদের কোনো টাকা দিতে হবে না।

যারা নিজেদের ঘরের স্যামসাং ডিভাইসগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘হোম অ্যাসিস্ট্যান্ট’-এর মতো থার্ড পার্টির কোনো ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, মূলত তাদেরই এই ফি দিতে হবে। এর ফলে যারা নিজেদের মতো করে ঘরের স্মার্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি মাসে খরচের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন একটি সাবস্ক্রিপশন ফি। এই সিদ্ধান্তকে স্মার্ট হোমভিত্তিক ওপেন সোর্স প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় স্মার্ট হোম প্ল্যাটফর্ম হোম অ্যাসিস্ট্যান্টের প্রতিষ্ঠাতা পাউলাস স্কাউটসেন এক ব্লগ পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমরা যেকোনো প্রযুক্তির স্বাধীন ব্যবহারের পক্ষে। তবে ব্যবহারকারীদের ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন আর্থিক দেয়ালের মুখোমুখি হতে হবে দেখে আমরা খুবই হতাশ।’

এই বাড়তি টাকা নেওয়ার বিনিময়ে ব্যবহারকারীরা নতুন কী সুবিধা পাবেন, স্যামসাং এখনো সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। তবে দক্ষিণ কোরীয় এই প্রযুক্তি জায়ান্টের দাবি, বাড়তি অর্থ দিয়ে তারা বড় বড় অংশীদার ও গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক স্তরের উন্নত প্রযুক্তির পেছনে বড় বিনিয়োগ করতে পারবে। নতুন কোনো সুনির্দিষ্ট ফিচারের কথা না জানিয়ে স্যামসাং শুধু বলেছে, তারা নতুন কিছু ইন্টিগ্রেশন এবং কার্যক্ষমতা বাড়ানোর ওপর কাজ করছে। এর পাশাপাশি ডেভেলপারদের কোড আরও উন্নত করতে ডেটা ও ব্যবহারের তথ্য দেওয়ার জন্য একটি নতুন ‘ডেভেলপার সেন্টার হাব’ চালু করা হচ্ছে।

ফিনিক্স সামিট ২০২৬-এর সমাপনী দিনে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বারোপ

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ফিনিক্স সামিট ২০২৬-এর সমাপনী দিনে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বারোপ
ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল সহনশীলতা বৃদ্ধি, সাইবার সক্ষমতা জোরদার ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আয়োজিত দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’ শেষ হয়েছে। ‘ক্লোজিং দ্য সাইবার গ্যাপ ইন ইমার্জিং ইকোনোমিকস’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এতে সরকারি নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। সামিটের মূল কনফারেন্সে সাইবার নিরাপত্তা, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং বৈশ্বিক সাইবার হুমকি মোকাবিলা নিয়ে প্যানেল আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সম্প্রতি চীন সফরে তাদের নীতিনির্ধারকদের সাথে প্রযুক্তি বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। কীভাবে তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সফট পাওয়ার কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী চিন্তা করছেন। আমাদের দেশের জনসংখ্যার বড় অংশই নবীন। এই ডেমোগ্রাফিক বাস্তবতা আমাদের জন্য বড় সুবিধা হতে পারে, যদি আমরা তা পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারি। এই আয়োজন থেকে বোঝা যাচ্ছে আমাদের তরুণদের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই আয়োজনের উদ্যোক্তাদের আমি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই।’

আয়োজক প্রতিষ্ঠান দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপের (টিটিপিজি) প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ অব রিসার্চ এএসএম শামীম রেজা বলেন, ‘ফিনিক্স সামিট ঢাকা ২০২৬ বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করার একটি যৌথ উদ্যোগ। গত কয়েকদিনে দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রযুক্তি পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সামিটে যে জ্ঞান-বিনিময়, সহযোগিতার সুযোগ এবং নতুন ধারণার সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী দিনে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি, এখান থেকে তৈরি হওয়া সংযোগ ও উদ্যোগগুলো ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথকে সুদৃঢ় করবে।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা শিল্পে আজীবন নেতৃত্ব ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (সিআইও) সুমন আহমেদ সাবিরকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ ছাড়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারীদের অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক (ডোমেইন) জয়ীতা সেন রিম্পীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন থেকে শুরু হওয়া সামিটের প্রথম তিন দিনে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন টেকনিক্যাল কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির (এনসিএসএ) সহযোগিতায় ‘প্র্যাক্টিক্যাল সাইবার ইনভেস্টিগেশন’ কর্মশালা বিশেষভাবে অংশগ্রহণকারীদের আকর্ষণ করে। এছাড়া ‘ডেভসেকঅপস ফর প্র্যাকটিশনার্স’, ‘মাস্টার অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি: ভালনারেবিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পেনিট্রেশন টেস্টিং’ এবং ‘র‍্যানসামওয়্যার মেকানিক্স’ শীর্ষক কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির পৃষ্ঠপোষকতায় (পাওয়ার্ড বাই) আয়োজিত এই সামিটে ১০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সেশন, কর্মশালা, প্রদর্শনী ও নেটওয়ার্কিং কার্যক্রমে যুক্ত হন। সামিটে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৭৩টি স্টল অংশ নেয়। এতে, ক্লাব পার্টনার হিসেবে ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও নলেজ পার্টনার হিসেবে দেশি-বিদেশি ৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। 

সামিটটি সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং এনসিএসএ। আয়োজনের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ও ইন অ্যাসোসিয়েশন উইথ স্পন্সর হিসেবে রয়েছে এক্সেনটেক পিএলসি। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল), ম্যাগনাস কর্পোরেশন, সান্স ইনস্টিটিউট, এমজিএইচ, মোহাম্মদ অ্যান্ড সন্স ও মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে সিটি ব্যাংক পিএলসি ও ম্যাক্সক্রিট। এছাড়াও, ব্রোঞ্জ স্পন্সর হিসেবে রয়েছে এগ্রোশিফট, গোল্ড কিনেন, এপনিক, বিজিআই, সাইহাম নিট কম্পোজিট লিমিটেড, সিটিজেনস ব্যাংক, বেঙ্গল ইনফোসেক লিমিটেড ও অরেঞ্জ সল্যুশন লিমিটেড। সাইবার সিকিউরিটি নলেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে এপনিক, সান্স ইনস্টিটিউট ও রিসিকিউরিটি। পাশাপাশি, ফেলোশিপ পার্টনার হিসেবে ফ্ল্যাক্সঅপ্টিক্স জিএমবিএইচ ও স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে এসসিআইটিপি ও আইএসপিএবি রয়েছে।

সুপার কম্পিউটিংয়ের লড়াইয়ে শীর্ষে চীন

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
সুপার কম্পিউটিংয়ের লড়াইয়ে শীর্ষে চীন
ছবি: সংগৃহীত

২০১৭ সালের পর এই প্রথম বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে চীন। দেশটির ‘লাইনশাইন’ নামের একটি নতুন সুপার কম্পিউটার এই গৌরব অর্জন করেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ‘এল ক্যাপিটান’ সুপার কম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে।

আন্তর্জাতিক সুপার কম্পিউটার র‍্যাংকিং ‘টপ৫০০’-এর তথ্য অনুযায়ী, লাইনশাইন সুপার কম্পিউটারটি সেকেন্ডে ২ দশমিক ১৯৮ এক্সাফ্লপস গতিতে কাজ করতে পারে। এর আগে শীর্ষে থাকা এল ক্যাপিটানের গতি ছিল ১ দশমিক ৮০৯ এক্সাফ্লপস। শুধু সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) ব্যবহার করে ২ এক্সাফ্লপসের বেশি গতি অর্জন করা বিশ্বের প্রথম সুপার কম্পিউটার এটি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন এই সাফল্য পেয়েছে। কারণ, অন্যান্য শীর্ষ মডেলের মতো এটি জিপিইউর (গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট) ওপর নির্ভরশীল নয়। এতে একটি বিশেষ ধরনের ৩০৪-কোর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এর মোট কোর সংখ্যা ১৩ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন, যা ১ দশমিক ৫৫ গিগাহার্টজ গতিতে চলে। এই কম্পিউটারটি চালাতে ৪২ দশমিক ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়।

টপ৫০০-এর অন্যতম আয়োজক ড. জ্যাক ডনগ্যারা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘এটি একটি চমৎকার সিস্টেম। জিপিইউর ওপর নির্ভর না করে তারা এই ব্যবস্থা তৈরি করে আমাদের ছাড়িয়ে গেছে।’

নতুন এই তালিকায় বিশ্বের পাঁচটি সুপার কম্পিউটার ‘এক্সাস্কেল’ বা অতি উচ্চগতির স্তর অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে একটি চীনের, তিনটি যুক্তরাষ্ট্রের এবং একটি জার্মানির। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ‘ফ্রন্টিয়ার’ (১ দশমিক ৩৫৩ এক্সাফ্লপস)। চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রেরই ‘অরোরা’ (১ দশমিক ০১২ এক্সাফ্লপস)। আর জার্মানির জ্যুলিশ সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের ‘জুপিটার বুস্টার’ রয়েছে পঞ্চম স্থানে।

টপ৫০০ জানিয়েছে, এবারের তালিকায় প্রযুক্তির বৈচিত্র্য দেখা গেছে। বিভিন্ন সুপার কম্পিউটারে ইনটেল, এএমডি এবং এনভিডিয়ার মতো ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। শীর্ষ স্তরের কম্পিউটিংয়ের জন্য এখন কোনো একক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করা হচ্ছে না। নির্মাতারা বিভিন্ন ধরনের সিপিইউ, জিপিইউ ও নিজস্ব প্রযুক্তির প্রসেসর ব্যবহার করছেন।

সাধারণত সরকারি বিধিনিষেধের কারণে চীন তাদের সুপার কম্পিউটারের নকশা গোপন রাখে। তবে লাইনশাইন সুপার কম্পিউটারটি কোনো সরকারি অনুদান ছাড়া ব্যক্তিগত অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে। তাই এর নির্মাতারা এটি পরীক্ষার জন্য টপ৫০০-এর কাছে জমা দিতে পেরেছেন। তবে প্রসেসরটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে বা এতে কী ধরনের চিপ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।