বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব শেষে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ বাছাই করেছে অপটা অ্যানালিস্ট। নকআউট পর্ব শুরুর আগে ঘোষিত এই দলে প্রত্যাশিতভাবেই জায়গা পেয়েছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ড ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো বিশ্বসেরা তারকারা। চমক হিসেবে আছেন কেপ ভার্দের দুই ফুটবলার।
গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ ভোজিনহা। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ও দুটি ক্লিন শিটের হাত ধরে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি।
রক্ষণভাগে রয়েছেন ঘানার মারভিন সেনায়া, কেপ ভার্দের ডিনি বোর্হেস, স্পেনের তরুণ পাও কুবারসি এবং জাপানের কেইতো নাকামুরা। সেনায়া পুরো গ্রুপপর্বে সবচেয়ে বেশি ট্যাকলের চেষ্টা করে নজর কেড়েছেন। বোর্হেস ছিলেন কেপ ভার্দের রক্ষণপ্রাচীর, কুবারসি নিখুঁত পাসিং ও বল পুনরুদ্ধারে ছিলেন অনন্য, আর নাকামুরা এক গোল ও এক অ্যাসিস্টের পাশাপাশি আক্রমণে ধারাবাহিক প্রভাব রেখেছেন।
মধ্যমাঠে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টন ম্যাককেনি ও ইকুয়েডরের পেদ্রো ভিতে জায়গা পেয়েছেন। ম্যাককেনি ওপেন প্লে থেকে সাতটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন, আর ভিতে একদিকে যেমন আক্রমণে সৃজনশীল ছিলেন, তেমনি ট্যাকল, বল পুনরুদ্ধার ও পাসিংয়েও দারুণ ছাপ রেখেছেন।
আক্রমণভাগে রয়েছেন চার তারকা। তিন ম্যাচে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। পাশাপাশি টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার ইতিহাসও গড়েছেন তিনি। ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচেই গোল করে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতার পরিচয় দিয়েছেন। নরওয়ের আর্লিং হালান্ড মাত্র দুই ম্যাচ খেলেই চার গোল করেছেন, আর ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে চার গোলের সঙ্গে দুটি অ্যাসিস্ট করে দলের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
গ্রুপপর্বের সেরা একাদশ (৪-২-৪): ভোজিনহা (কেপ ভার্দে), মারভিন সেনায়া (ঘানা), ডিনি বোর্হেস (কেপ ভার্দে), পাও কুবারসি (স্পেন), কেইতো নাকামুরা (জাপান), ওয়েস্টন ম্যাককেনি (যুক্তরাষ্ট্র), পেদ্রো ভিতে (ইকুয়েডর), লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।
এসজি/