বিশ্বকাপ ফুটবল না থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে হইচই পড়ে যেতো! জিম্বাবুয়ের মতো দলের কাছে বাংলাদেশ ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে ২১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে গেছে। ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের রান অল্পের জন্য টপকে যেতে পারেনি। ১ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান করে তারা প্রথম দিনের খেলা শেষ করে। ওপেনার বেন কারেন ৪২ রান করে খালেদ আহমেদের বলে আউট হলেও সেঞ্চুরির পথে আছেন আরেক ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া। তিনি ৭৬ রানে অপরাজিত। তার সঙ্গে ১৭ রানে অপরাজিত অভিজ্ঞ ব্রান্ডন টেলর।
হারারেতে টস জিতে অধিনায়ক রিচার্ড এনগ্রাভা বোলারদের হাতে বল তুলে দেওয়ার পুরো ফায়দা আদায় করে নেন। তবে শুরুতে তার বোলাররা সফল ছিলেন না। ২ উইকেট হারিয়ই বাংলাদেশ শতরান পার হয়ে গিয়েছিল। এটি হয়েছিল মুমিনুলের ব্যাটে ভর করে। ৩৬ রানে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (২) ও সাদমান ইসলাম (২০) আউট হওয়ার পর বলা যায় মুমিনুল একাই খেলছিলেন। অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্তকে নিয়ে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৭৭ রান যোগ হয়। যেখানে মুমিনুলের অবদানই ছিল ৪৭ রানের। নাজমুল জুটি গড়ার সময় তার রান ছিল ১৩। দলীয় ১১৩ রানে মুমিনুল আউট হন ৬০ রান করে। তানর ৮১ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি বাউন্ডারি। তিনি ক্যারিয়ারের ২৮তম হাফ সেঞ্চুরি করেন ৬৪ বলে ১১ চারে। সর্বশেষ ৬ ইনিংসে তার ছিল এটি ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি। মুমিনুল আউট হওয়ার পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামে। দলীয় ১১৯ ও ব্যক্তিগত ১৯ রানে নাজমুল আউট হওয়ার পর বাকি ব্যাটাররা সবাই আসা-যাওয়ায় শামিল হন। এরা কেউই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। ১০.৫ ওভারে ২১ রানে পড়ে শেষ ৭ উইকেট। ১৪০ রানে পড়ে শেষ ৩ উইকেট। অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তাওহিদ হৃদয় ৩ ও অমিত হাসান ৪ রান করে আউট হন।
এই দুই জন আউট হওয়ার আগে মুশফিকুর রহিম আউট হন ৯ রান করে। বাংলাদেশের ইনিংসের স্থায়িত্ব হয় মাত্র ৪৭.৩ ওভার। চা বিরতির আগেই তারা অলাআউট হয়ে যায়। জিম্বাবুয়ের চার পেসার রিচার্ড এনগারাভা (২/১৮), ব্লেসিং মুজারাবানি (২/১৯), নিউম্যান নায়ামুরি (৪/৬১) ও ব্রাড ইভান্স (২/৩০) মিলেই গতি আর বাউন্স দিয়েই বাংলাদেশের ইনিংস শেষ করে দেন।
পলাশ/