ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতে ইসলামী সবসময় ‘সুবিধাবাদী’, একাত্তরে তারা স্বাধীনতা চায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অধিবেশনের শেষ সময়ে ওয়াকআউট বিরোধী দলের কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্পের কম্পন ৭১-এর ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল জার্মানি-প্যারাগুয়ে ম্যাচ কে জিতবে, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০ এনসিটি পরিচালনায় বিশ্বমানের অপারেটর 'ডিপি ওয়ার্ল্ড': কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন সমীকরণ তাপপ্রবাহে ইউরোপে অতিরিক্ত ১৩০০ জনের বেশি মৃত্যুর রেকর্ড : ডব্লিউএইচও আফ্রিকার জয়জয়কার, হতাশ এশিয়া খবরের কাগজের মহিউদ্দিন পলাশ রানারআপ ঘুষ ছাড়া মিলছে না ধান বিক্রির সুযোগ, বিপাকে কৃষকরা স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের তুলনার সুযোগ নেই: ত্রাণমন্ত্রী নক্ষত্রের পতন হয়নি জিম্বাবুয়েতে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিধ্বস্ত রোনালদোকে নিয়ে বেশি ঝুঁকি নিচ্ছে পর্তুগাল? নাঈম হাসানকে থানায় হেনস্তা: তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: পানিসম্পদ মন্ত্রী হোন্ডার নতুন সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক হ্যাচব্যাক গাড়ি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে উন্নত সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদ্বোধন প্রাণী কি মৃত্যু বুঝতে পারে? যেভাবে তৈরি হয়েছিল গিজার গ্রেট পিরামিড ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ আঁতুড়ঘর থেকে বিশ্বমঞ্চে তরুণ ফুটবলার গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে লক্ষ্য পূরণ হলো না জ্যোতিদের অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি ও এসপিসহ ২১ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব ডেইলি স্টার হামলা মামলায় এনসিপির আনোয়ার রিমান্ডে প্রাথমিক শিক্ষকদের পদমর্যাদা বাড়ানোর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের তুলনার সুযোগ নেই: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:২০ পিএম
স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের তুলনার সুযোগ নেই: ত্রাণমন্ত্রী
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে এক কাতারে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। 

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল একটি রাষ্ট্র অর্জনের সংগ্রাম, আর জুলাই আন্দোলন ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কঠোর আইন প্রয়োগ করে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদক, জুয়া ও ধর্ষণসহ সামাজিক অপরাধ মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। তিনি জানান, লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনি’ নামে পাঁচটি সামাজিক অপরাধবিরোধী আন্দোলন শুরু হচ্ছে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ৪ জুলাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি একজন শহিদের সন্তান; তার বাবা স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জুলাই আন্দোলনের অবদানও স্বীকার করেন। তবে গত ১৭ বছরে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানান তিনি।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছে। জুলাই আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হলেও এটিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়। তবে এ আন্দোলনের প্রতি সম্মান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ের আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, যাতে কোনো বৈষম্য না থাকে। পাশাপাশি আন্দোলন-পরবর্তী সময়ের শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।’

এলিস/রিফাত/

কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্পের কম্পন

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম
কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্পের কম্পন
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এ কম্পন অনুভূত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় (অবস্থান: ২১.৫৭° উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২.৫৯° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে এর উপকেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৩৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

এসএন/

৭১-এর ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
৭১-এর ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল
সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি নবগঠিত রাজনৈতিক দল ‘এনসিপি’কে অতীতের কোনো ‘কলঙ্ক’ বা স্টিগমা থেকে মুক্ত থেকে রাজনীতিতে আরও স্বচ্ছ অবস্থান তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন।

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সংসদের বিরোধী পক্ষের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ৭১ সালের ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে অতীতকে অস্বীকার করা ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, ’এখনো সময় আছে, আপনারা ভুল স্বীকার করলে রাজনীতি অনেক সহজ হবে।’

নতুন প্রজন্মের দল এনসিপির পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তরুণরা ভালো ভূমিকা রাখছে, তবে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট ও কলঙ্কমুক্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ কোনো অতীত তাদের সঙ্গে যুক্ত না থাকে।

বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ১৫ বছরের শাসনে দেশের অর্থনীতি প্রায় ধ্বংসের মুখে চলে গিয়েছিল এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। তিনি বর্তমান বাজেটকে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’-এর ভিত্তিতে প্রণীত একটি রূপান্তরমুখী বাজেট হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো এক বছরের মধ্যে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, তিন বছরের মধ্যে কাঠামোগত সংস্কার এবং পাঁচ বছরের মধ্যে পূর্ণ অর্থনৈতিক রূপান্তর নিশ্চিত করা। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেটকে তিনি সাহসী ও দিকনির্দেশনামূলক উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের পতাকা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এ যাত্রা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে।

তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ছাত্র ও যুবসমাজের গণঅভ্যুত্থান দেশের রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, যা সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

এলিস/এসএন

স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের তুলনার সুযোগ নেই: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:২০ পিএম
স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের তুলনার সুযোগ নেই: ত্রাণমন্ত্রী
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে এক কাতারে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। 

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল একটি রাষ্ট্র অর্জনের সংগ্রাম, আর জুলাই আন্দোলন ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কঠোর আইন প্রয়োগ করে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদক, জুয়া ও ধর্ষণসহ সামাজিক অপরাধ মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। তিনি জানান, লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনি’ নামে পাঁচটি সামাজিক অপরাধবিরোধী আন্দোলন শুরু হচ্ছে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ৪ জুলাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি একজন শহিদের সন্তান; তার বাবা স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জুলাই আন্দোলনের অবদানও স্বীকার করেন। তবে গত ১৭ বছরে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানান তিনি।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছে। জুলাই আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হলেও এটিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়। তবে এ আন্দোলনের প্রতি সম্মান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ের আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, যাতে কোনো বৈষম্য না থাকে। পাশাপাশি আন্দোলন-পরবর্তী সময়ের শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।’

এলিস/রিফাত/

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: পানিসম্পদ মন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের পানি সংকট, নদীভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের পূর্ণ কারিগরি সহযোগিতা ও সমর্থন পাওয়া গেছে এবং চলতি অর্থবছরেই এর বাস্তবায়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদীভাঙন, পানির সংকট ও বন্যার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছে দেশের লাখো মানুষ। তিস্তা, পদ্মা, যমুনা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ প্রায় চার হাজার কিলোমিটার নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে তিস্তা প্রকল্প সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। চীন প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে এবং সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তও সরকার নিয়েছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দূর হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং সংশ্লিষ্ট নদী-খালগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে।

তিনি আরও জানান, গত চার মাসে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যা প্রয়োজন হলে ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, পদ্মা ব্যারেজ, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কৃষি, সেচ, নৌ-যোগাযোগ এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এলিসা/এসএন

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যমুনার অন্দরে আর কিনারে হওয়া ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি প্রতিবেদনে বর্তমান সময়েও উচ্চমাত্রার দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়কালে কোথায়, কীভাবে এবং কারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, তা দুদকের মাধ্যমে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ভিত্তি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। ফলে যেকোনো অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।’ 

বক্তব্যে তিনি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, ‘ওই সময়ে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির অভাবে দেশে ‘লুটেরা অর্থনীতি’ ও ‘ক্রনি ক্যাপিটালিজম’ গড়ে ওঠে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রণীত শ্বেতপত্রের তথ্য উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, ওই সময়ে প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ঋণ কেলেঙ্কারি, রাজনৈতিক প্রভাবে ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ, মেগা প্রকল্পে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং আইনের মাধ্যমে দুর্নীতিকে বৈধতা দেওয়ার সংস্কৃতি দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে।’ 

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নানা সংকটের মধ্যেও জাতীয় স্বার্থ ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সমঝোতার ভিত্তিতে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উপস্থাপিত ৯ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট একটি ‘নিউ ইকোনমিক অর্ডার’-এর বাজেট। রাষ্ট্র সংস্কার, বৈষম্যহীন উন্নয়ন, ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’ 

রিফাত/