ঢাকা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে কঠোর শাস্তির বিধানসহ সংসদে আইন পাস আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা রূপগঞ্জ ইউএনওর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন সংগীতশিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের স্মরণ সংগীত সন্ধ্যা মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্যারোলে মুক্তি পাওয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শৈশবের সেই প্রথম মিছিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট সংসদে পাস, ঘাটতি প্রায় আড়াই লাখ কোটি কঙ্গোর বিপক্ষে মাইনোকে একাদশে চান রুনি টেকসই প্যাকেজিং ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক খাদ্যশিল্প কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে মামলা কাজের প্রলোভনে অপহরণ, টেকনাফের পাহাড়ি আস্তানা থেকে চার যুবক উদ্ধার গত ১৫ বছরের তুলনায় দেশে খুন, ডাকাতিসহ সার্বিক অপরাধ কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষায় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ চেয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের বিক্ষোভ বিশ্বের প্রথম ১৬ মেগাওয়াট টিএলপি ভাসমান বায়ু বিদ্যুৎ প্ল্যাটফর্ম দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে ছাত্রশক্তির কর্মসূচি ধর্ম পরিবর্তন বিষয়ে যা বললেন উর্ফি জাভেদ ইকুয়েডরের বিপক্ষে নিখুঁত ফুটবল খেলতে হবে: আগুইরে বগুড়ায় কুকুরকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার রাজস্ব আদায়ের বাস্তবভিত্তিক টার্গেট নির্ধারণ জরুরি ডিবিএইচের সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন দুই পা নেই, তবুও স্বপ্নের পথে অদম্য জান্নাতুল বাজেটে ঘাটতি ঘাটতির বাজেট বিশ্বকাপের আসল হিরো ২০ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইডকলের জয়জয়কার বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন সন হিয়াং-মিন রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতে চট্টগ্রাম বোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী এক লাখ তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ

দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১১টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে ঢাকায় গলফ গার্ডেনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, ব্যাংকের উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার ও চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হোসেন, পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, পরিচালক ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন, পরিচালক শেখ মোর্শেদ জাহান (অধ্যাপক, আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান এম নুরুল আলম এফসিএস।

আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ এবং ব্যাংকের কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, এফসিএস সহ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারগণ, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে কোম্পানি সচিব সভার নোটিশ উপস্থাপন করেন। চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান শেয়ারহোল্ডারদের স্বাগত জানিয়ে ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, “অতীতের অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে আমরা সততা ও স্বচ্ছতার পথে প্রিমিয়ার ব্যাংককে এগিয়ে নিচ্ছি। আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করে, পুনর্গঠন ও সুশাসনের মাধ্যমে ব্যাংককে দেশের শীর্ষ পাঁচে নিয়ে যাওয়াই আমাদের অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, সততা ও দূরদর্শী এই পথই আমাদেরকে ‘Onward & Upward’ নিয়ে যাবে।”

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ বলেন, “সততা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের ভিত্তিতে আমরা আমানতকারীদের আস্থা এবং শেয়ারহোল্ডারদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা করে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ভবিষ্যতের পথে অগ্রসর হচ্ছি।”

সভায় ব্যাংকের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য অ্যাজেন্ডা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা মতামত প্রদান করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

সভায় জানানো হয়, ‘সার্ভিস ফার্স্ট’ অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করা দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। বর্তমানে ব্যাংকটির রয়েছে ১৩৬টি শাখা, ৬৭টি উপশাখা, ১৩০টি এটিএম এবং ২১৪টি এজেন্ট আউটলেট। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা প্রদানে ব্যাংকটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ডিবিএইচের সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
ডিবিএইচের সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি কর্তৃক ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেছেন। সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা এ প্রস্তাব অনুমোদন করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, কোম্পানির চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ। সভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরিচালকদের মধ্যে অধ্যাপক ইমরান রহমান, নাজির রহিম চৌধুরী, খন্দকার মনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক নওশিন রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নাসিমুল বাতেন, কোম্পানি সচিব জসিম উদ্দিন, এফসিএস এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ অংশগ্রহণ করেন।

সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্নের জবাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিমুল বাতেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালন দক্ষতা তুলে ধরেন এবং খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স এর সাফল্য উল্লেখ করে বলেন, “ডিবিএইচ এর খেলাপি ঋণ মোট ঋণের মাত্র ০.৮৪ শতাংশ, যা দেশের আর্থিক খাতের মধ্যে সর্বনিম্ন। এটি প্রতিষ্ঠানটিকে টানা ২১ বছর সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং AAA (ট্রিপল-এ) ভূমিকা পালোণ করেছে।”

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান জনাব সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ পরিচালকবৃন্দের প্রতিবেদন এবং নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

তিনি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার প্রতিকূল পরিস্থিতির সত্ত্বেও কোম্পানির আয় নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে সব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তা কোম্পানির আয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।”

তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত, কোম্পানিটি মোট ৬২, ৮৬৯টি পরিবারের আবাসনের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করেছে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইডকলের জয়জয়কার

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইডকলের জয়জয়কার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ফাইন্যান্স এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ টানা চতুর্থবারের মতো বেস্ট সাসটেইনেবল ব্যাংক ইন বাংলাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হংকংয়ের কনরাড হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ইডকলের পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের কোম্পানি সচিব জনাব এম. মাফতুন আহমেদ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি সাশ্রয় এবং জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো খাতে অর্থায়নে ইডকলের দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক নেতৃত্ব ও সাফল্যেরই প্রতিফলন এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

ইডকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আলমগীর মোরসেদ বলেন, টানা চতুর্থবারের মতো এই অর্জন বাংলাদেশের জলবায়ু অর্থায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আমাদের ভূমিকাকে আরও দৃঢ় করল। এটি প্রমাণ করে যে, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশ-বান্ধব অর্থায়ন বড় পরিসরে সফল করা সম্ভব—তা ইউটিলিটি-স্কেল, সৌরবিদ্যুৎ হোক কিংবা শিল্পখাতের কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং গ্রামীণ কৃষকদের কাছে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি পৌঁছে দেওয়াই হোক। এই সম্মাননা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।

টেকসই উন্নয়নে ইডকলের মূল অর্জনসমূহ:
গ্রিড ডিকার্বনাইজেশন, শিল্পখাতের গ্রিন ট্রান্সমিশন এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি খাতে ইডকলের অবদান দৃশ্যমান:
 শিল্প রুফটপ সোলার: এ পর্যন্ত ২০০ মেগাওয়াট পিকের (MWp) বেশি অর্থায়ন করা হয়েছে; ২০২৬ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ৩০০ মেগাওয়াট।

 বিসিআরইসিএল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র (পাবনা): ৬৪.৫৫ মেগাওয়াট ধারণক্ষমতার এই প্রকল্পের জন্য ৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সিন্ডিকেটেড ঋণসুবিধা নিশ্চিতকরণ।

 টেক্সটাইল খাতে জ্বালানি সাশ্রয়: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (GCF) সঙ্গে যৌথভাবে বস্ত্র খাতের জন্য ১৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসুবিধা প্রদান।

 সোলার সেচ পাম্প কর্মসূচি: ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ সিস্টেম স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, যার মধ্যে ১, ৪৯৫টি সিস্টেমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০,০০০ কৃষক সুবিধা পাচ্ছেন।

 ফাইন্যান্সএশিয়ার এই পুরস্কারের পাশাপাশি ২০২৬ সালে ইডকল আরও বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করেছে। মর্যাদাপূর্ণ দ্য অ্যাসেট ট্রিপল-এ সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ প্রতিষ্ঠানটি প্রজেক্ট ফাইন্যান্স হাউস অব দ্য ইয়ার এবং পাবনার বিসিআরইসিএল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য রিনিউয়েবল এনার্জি ডিল অব দ্য ইয়ার হিসেবে ভূষিত হয়।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
ঢাকায় অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার (লাইসেন্সি: জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড) সহযোগিতায় গত রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।

বিশেষায়িত অস্ত্রোপচার ও ক্যানসার বিষয়ক শীর্ষ স্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে দুইটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়: ‘নিউ ইনোভেশনস অ্যান্ড বিয়ন্ড ইন থোরাসিক সার্জারি’ এবং ‘প্রিসিশন রেডিয়েশন অনকোলজি ইন ২০২৬: এক্সপ্যান্ডিং দ্য রোল অব এসবিআরটি, এসআরএস অ্যান্ড প্রোটন থেরাপি অ্যাক্রস অর্গান সাইটস।’

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ। এদের মধ্যে ডা. খাদের হুসেইন (কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ও রোবোটিক সার্জন) এবং ডা. শামসুদ্দীন সি. (রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট) (p. 1)। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির সিইও ডা. তামজিদ আলম।

অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যার মধ্যে ছিলেন— জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এম. শামসুল আলম; রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও প্যালিয়েটিভ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. এহতেশামুল হক এবং রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আরিফুর রহমান।

এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ১৩,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ১,২০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ৭৫০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম।

বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা।

আজ সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেশের ডিজিটাল ও আর্থিক বৈষম্য কমাতে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রুপান্তরের যাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

ফাবেলার নেতৃত্বে ভিওনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ভিওন-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মিশিয়েল সোয়েটিং, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে এবং চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান।

বৈঠকে বাংলাদেশে একটি সমন্বিত ডিজিটাল আর্থিক সেবাব্যবস্থা (ডিজিটাল ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেম) গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরে ভিওন। বৈশ্বিক ফিনটেক খাতে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবাবঞ্চিত কোটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ডিজিটাল ব্যাংকিং, ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রোফাইন্যান্স) ও ক্ষুদ্র বিমা (মাইক্রো-ইনস্যুরেন্স) সেবা পৌঁছে দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

দেশে ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সবার জন্য আরও সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

এ ছাড়া বৈঠকে নিজেদের ‘ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ নাউ’ উদ্যোগের রূপরেখা তুলে ধরে নাসডাক-তালিকাভুক্ত বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওন। বাংলাদেশ সরকার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে এটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্টে সহায়তার অঙ্গীকার করা হয়। এ ক্ষেত্রে ভিওন প্রধান বিনিয়োগকারী (অ্যাংকর ইনভেস্টর) হিসেবে শুরুতেই ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মূল ক্ষেত্র হবে পরবর্তী প্রজন্মের ডিজিটাল অবকাঠামো, ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্নত সংযোগ প্রযুক্তি। নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে নিজেদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগাবে ভিওন।

ভিওন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের যাত্রায় আমরা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার। " ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ নাউ " উদ্যোগের মাধ্যমে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া কর্মসূচিতে প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত ভিওন।

নিজেদের বিনিয়োগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদেরও বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করব। সরকারের ডিজিটাল ও আর্থিক রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এ যাত্রায় পাশে থাকতে প্রস্তুত।’

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্ব ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে দেশের ডিজিটাল ও আর্থিক রূপান্তরের যাত্রায় সরকারের অংশীদার হতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোবাইল ফোনসেবা সাধারণ মানুষের নাগালের আওতায় আনার মাধ্যমে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করেছিলাম। এখন ধারাবাহিক বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে কার্যকর ডিজিটাল ও আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে চাই। এর মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সবার জন্য আরও সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে অবদান রাখা সম্ভব হবে।’

আগামী দিনে বাংলাদেশে নিজেদের ডিজিটাল কার্যক্রমের পরিসর আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী ভিওন ও বাংলালিংক। এ জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, রাইড শেয়ারিং, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং স্টারলিংকের ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির মতো উন্নত সংযোগসেবাসহ বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনা যাচাই করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিজ্ঞপ্তি/

এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার
ছবি: সংগৃহীত

FLAXA ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’ (BPC)-এর যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি ঢাকার গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে ‘Traceability to Transparency: Roadmap to Digital Product Passport in the FLG Sector’ শীর্ষক একটি সেমিনারের সফল আয়োজন করা হয়।

এই সেমিনারে বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস (FLG) খাতের ট্রেসেবিলিটি (পণ্যের উৎস ও গতিপথ শনাক্তকরণ), টেকসই উন্নয়ন এবং ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স বা নীতিমালার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে প্রস্তুতকারক, সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হন।

অনুষ্ঠানে ‘বিল্ড’ (BUILD)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) জনাবা ফেরদৌস আরা বেগম ‘Traceability Towards Transparency for Sustainability’ (টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বচ্ছতার পথে ট্রেসেবিলিটি) শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তাঁর উপস্থাপনায় বিশ্ববাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সব প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে এবং জোর দিয়ে বলা হয় যে, বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি একটি প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠছে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল আলোচনা, যেখানে অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. আব্দুর রহিম খান; র‍্যাপিড (RAPID)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক; বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট জনাবা হোসনা ফেরদৌস সুমি এবং FLAXA-এর পরিচালক জনাব ইবনুল ওয়ারা।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন FLAXA-এর সভাপতি জনাব সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। এই আলোচনায় পুরো খাতজুড়ে ট্রেসেবিলিটি এবং ‘ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট’ কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও দুটি উপস্থাপনা ছিল- ‘E-Traceability for Sustainable Leather: Lessons from the LeatherTrace Bangladesh Pilot Program’ এবং ‘Road to Digital Product Passport (DPP)’।

FLAXA সব বক্তা, প্যানেলিস্ট, সহযোগী এবং অংশগ্রহণকারীদের তাদের মূল্যবান অবদান ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানায়। সংস্থাটি এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অব্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/