কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতির প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অতিমাত্রা পাওয়া গেছে। যা মানুষের জন্য এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি আমাদের এখন না ভাবিয়ে পাড়ে না। হালদার কার্পজাতীয় মাছে যেমন প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি মিলছে, সেই সঙ্গে বেলে সিলন ও অন্যান্য মাছে পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। তবে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে সিলন মাছে। হালদা নদীর সঙ্গে ১৯টি খাল দূষণের শিকার হয়ে তার বর্জ্য এসে পড়ছে এ নদীতে। সে বর্জ্যের সঙ্গেই প্লাস্টিক এসে নদীর পানিতে পড়ে তা ভেঙে ভেঙে তৈরি হচ্ছে মাছের খাবার উপযোগী কণা। নদীর মাছ তা খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে দেদার। তাতে তাদের পরিপাকতন্ত্র এবং মাছের মাংসে প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণার ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের কার্প জাতীয় এমন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন হালদা নদী এভাবেই দূষণের শিকার হয়ে উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী আক্রান্ত হয়ে অনেক সময় মরে ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির এমন নদীতে মনুষ্য দূষণের শিকার হবে আর রাষ্ট্র তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কাম্য হতে পারে না। প্রাকৃতির ফুসফুসখ্যাত এ নদী রক্ষায় শুধু রাষ্ট্র একা এগিয়ে এলেই রক্ষা করা সম্ভবপর হবে না। মানুষেরও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে হালদা রক্ষায়। তাদের সচেতনাবোধই হালদা রক্ষা পেতে পারে।
হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]