ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নৈতিক মান বজায় রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কেঁচো: মাটির নীরব শ্রমিক, কৃষির অদৃশ্য নায়ক চট্টগ্রামে যুবককে গুলি করে হত্যা রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ফাইন্যান্স এশিয়ার তিন পুরস্কার পেল আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস বালুর নিচে মিলল বিদেশি মদের মজুত, আটক বাড়ির মালিক Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের খতিবের মরদেহ উদ্ধার জন্মদিনে ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় সিক্ত জয়া আহসান ধামরাইয়ে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে ভাগ্য বদল কৃষকের প্রয়াত নাট্যজগতের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা পুশইনের পর শূন্যরেখা থেকেই নিখোঁজ তিন যুবক পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে সিইও হওয়ার গল্প শোনালেন শরণ রাস্তার সংস্কার চাই শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র দরজায় কাফনের কাপড়, চিরকুটে হুমকির বার্তা! রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা এল নিনো: জলবায়ুর অস্থিরতা ও বাংলাদেশের ঝুঁকি মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও জিপের যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু এমআইএসটিতে দেশের প্রথম ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট ঐতিহাসিক সোনাহাট সেতুতে ফাটল, থেমে গেল ভারী যান চলাচল হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা না দেওয়ার জন্য মানববন্ধন ও সমাবেশ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের তাৎপর্য সেনেগাল ম্যাচের আগে সতর্ক বেলজিয়াম চমেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীরা পেল হাইজিন কিট ও আর্থিক অনুদান

রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশোনা, গবেষণা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ক্যাম্পাসের অধিকাংশ খাবারের দোকান ও ক্যান্টিনে ভাজাপোড়া, তেলযুক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের আধিক্য দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার যেমন-তাজা ফল, সবজি, কম তেলযুক্ত খাবার বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা সীমিত। এ ছাড়া অনেক সময় খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ততার কারণে সহজলভ্য খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান নিয়মিত তদারকি করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

হুমায়রা কবির হেমা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

রাস্তার সংস্কার চাই

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
রাস্তার সংস্কার চাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন রাস্তাটি বর্তমানে বেহাল। এ রাস্তা দিয়ে এলাকার শতাধিক মানুষ হাসপাতালে, বাজারে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাস্তাটি ভেঙেচুরে গেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তাটির দুই পাশে ল্যাম্প লাইটের ব্যবহার থাকলেও তার অধিকাংশ লাইট আজ নষ্ট, ফলে এ রাস্তায় রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাটি এখন স্বস্তির পরিবর্তে এলাকাবাসীর জন্য ভোগান্তির কারণ। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, রাস্তাটি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

উম্মে সাদিয়া জাহান নিশা
শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের কার্যক্রম। এনবিআর রিটার্ন দাখিলের সময়কালকে এবার চারটি ধাপে ভাগ করে দিয়েছে। সময়কাল-সংক্রান্ত সারণি দেখে যা বোঝা যায় তা সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি:

প্রথম ধাপে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন আয়কর আইনের ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা–এ দুটির মধ্যে যেটা কম হবে, সেই পরিমাণ টাকা কর প্রণোদনা বা ছাড় পাবেন। দ্রুত রিটার্ন সাবমিটের জন্য এ তিন মাসকে আমরা প্রণোদনাকালীন সময়সীমা বলতে পারি।

দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তারা বাড়তি কোনো প্রণোদনা পাবেন না, আবার তাদের অতিরিক্ত কোনো জরিমানারও দিতে হবে না। এই তিন মাসকে আমরা নিয়মিত বা স্বাভাবিক সময়সীমা বলতে পারি।

স্পষ্টভাবে বলা যায়, সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকায় যে কোনো মুহূর্তে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে পুরো করবর্ষজুড়ে। তবে আগেভাগে রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন করদাতা প্রণোদনা পাবে অন্যদিকে তেমনি নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না বলে প্রত্যাশা সবার।

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী, এনবিআর তালিকাভুক্ত 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন 
[email protected]

শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

১৯৫৮ সাল। তখন আমি প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণির এক ছোট্ট বালক। বয়স সবে সাত ছুঁই ছুঁই। চারদিকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তখন থমথমে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তার দলের রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। পরাধীনতার শৃঙ্খলে তখন পিষ্ট হচ্ছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

এমনই এক চরম দুঃসময়ে পিরোজপুরের রাজপথে নেমে এসেছিল ছাত্রদের ঢল। আইয়ুব সরকারের এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় ছাত্রনেতারা এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু সেদিনের সেই প্রতিবাদী মিছিলে সবাইকে অবাক করে দিয়ে আমাকে রাখা হয়েছিল একেবারে সম্মুখে, প্রথম কাতারে। কেন আমাকে একেবারে সামনে দেওয়া হয়েছিল? কারণ, তখন নাকি আমি দেখতে অসাধারণ সুদর্শন ছিলাম। কচি মুখের সেই নিষ্পাপ সৌন্দর্য আর চোখের দীপ্তি দেখে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মনে হয়েছিল–এই ছোট্ট শিশুই যেন নিপীড়িত মানুষের প্রতিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতীক!

আজ এত বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, সেদিন পিরোজপুরের রাজপথে শুধু একজন প্রথম শ্রেণির ছাত্র হাঁটেনি, হেঁটেছিল গণতন্ত্রের প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছোটবেলার সেই দিনটিই আমার ভেতরে বুনে দিয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রথম বীজ। সেই ছোট্ট বয়সে না বুঝেই স্বৈরাচারবিরোধী যে মিছিলে হেঁটেছিলাম, জীবনের প্রতিটি বাঁকে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হয়ে আছে। শৈশবের সেই মিছিল, সেই স্লোগান আর পিরোজপুরের ধুলোমাখা রাজপথ আজও আমার হৃদয়ে এক জ্বলন্ত ইতিহাস হয়ে জ্বলজ্বল করছে।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ

সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও অন্যান্য দেশের পতাকা টাঙানোর পাশাপাশি কালিমাখচিত সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে এমন পতাকা টাঙানো এবং পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তা অপসারণের খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব পতাকা নিয়ে মিছিলের ঘটনাও দেখা গেছে। কালিমা মুসলমানদের ঈমানের মূল ঘোষণা এবং ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত সম্মানিত। তবে বাস্তবতা হলো, অতীতে আইএস, আল-কায়েদা ও অন্যান্য উগ্রবাদী সংগঠনও কালিমাখচিত সাদা-কালো পতাকা ব্যবহার করেছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ধরনের পতাকার রাজনৈতিক বা আদর্শিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান রেখেই বলতে হয়, কোনো প্রতীক ব্যবহার করে বিভ্রান্তি, বিভাজন বা উগ্র মতাদর্শের প্রচার যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। রাষ্ট্র, আলেম সমাজ, নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া এবং তরুণদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখা। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। তাই এমন কোনো কর্মকাণ্ড যাতে দেশকে পুনরায় উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদের ঝুঁকির দিকে ঠেলে না দেয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।

খান ইয়ামিন
আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার
২ নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর
[email protected]

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস পদবিটা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই গুণীজনের একটাই অপরাধ, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক ছিলেন। তিনি তার চিকিৎসক হয়ে কী মহা-অপরাধটাই না করে ফেলেছেন। শুধু তার পদবিটা কেড়ে নিলেও হতো। তিনি সরকার থেকে যৎসামান্য যা ভাতা গ্রহণ করেছেন তাও ফেরত চাওয়া হয়েছে। একটি রাষ্ট্রে এমন জঘন্যতম কর্মকাণ্ড যদি চলতে থাকে, তাহলে তার অদূর ভবিষ্যৎ কারও জন্যই মঙ্গলজনক হয়ে ওঠে না। তবে এমন ঘটনার পেছনে কেউ কেউ মবিন খানের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তাকে আওয়ামী সরকার বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক হওয়ায় রাজনৈতিক তকমা দিয়ে তার সঙ্গে অন্যায় করেছিল। তাকেও অবসরে যাওয়ার পর তার প্রাপ্যটুকু কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমি কারও প্রাপ্য কেড়ে নেওয়ারই পক্ষে নই। মবিন খানের বিষয়টি যেমন ন্যক্কারজনক ছিল তেমনি ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনাটিও হৃদয়বিদারক এবং অপমানজনক। মবিন খানের সঙ্গে যারা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছিল রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় তাদের কী ধরনের নাজেহাল হতে হয়েছিল তা একটু উপলব্ধি করার দরকার ছিল। তারা যেমন কুকুর ছিল তেমন মুগর পেয়েছে। তাদের কাছ থেকে বর্তমান শাসকরা কেন শিক্ষা নিচ্ছে না? তারা আগের দলের প্রতিশোধ গ্রহণ করে হাসিনা সরকারের মতো দুর্দশাগ্রস্ত হবে? নাকি তাদের উচিত তারা ন্যক্কারজনক কাজগুলোকে পরিহার করবে। সারা দেশের মানুষ ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করছেন। অনেকেই ধিক্কার জানাচ্ছেন। তারপরও সরকার তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে না। যা এ সরকারের জন্য একটি ঘৃণিত উদাহরণ হয়ে থাকবে, যা আওয়ামী লীগ সরকার মবিন খানের সঙ্গে করেছিল।

হাজি মো. রাসেল খান
খলিফবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]