ঢাকা ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ মিলল পাটখেতে নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন, পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত ইউআইইউ স্কুল অফ বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন যেভাবে চিনবেন একজন অহংকারী মানুষকে বখাটেদের ছত্রভঙ্গ ও ফুটপাত দখলমুক্তে ডিএসসিসির অভিযান মন্ত্রীত্ব হারিয়েও উষ্ণ অভ্যর্থনায় দীপেন দুর্নীতির মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন ছয়জন সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নৈতিক মান বজায় রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কেঁচো: মাটির নীরব শ্রমিক, কৃষির অদৃশ্য নায়ক চট্টগ্রামে যুবককে গুলি করে হত্যা রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ফাইন্যান্স এশিয়ার তিন পুরস্কার পেল আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস বালুর নিচে মিলল বিদেশি মদের মজুত, আটক বাড়ির মালিক Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের খতিবের মরদেহ উদ্ধার জন্মদিনে ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় সিক্ত জয়া আহসান ধামরাইয়ে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে ভাগ্য বদল কৃষকের প্রয়াত নাট্যজগতের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা পুশইনের পর শূন্যরেখা থেকেই নিখোঁজ তিন যুবক পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে সিইও হওয়ার গল্প শোনালেন শরণ রাস্তার সংস্কার চাই শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র দরজায় কাফনের কাপড়, চিরকুটে হুমকির বার্তা! রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা এল নিনো: জলবায়ুর অস্থিরতা ও বাংলাদেশের ঝুঁকি মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও জিপের যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু এমআইএসটিতে দেশের প্রথম ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট

ফাইন্যান্স এশিয়ার তিন পুরস্কার পেল আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
ফাইন্যান্স এশিয়ার তিন পুরস্কার পেল আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ফাইন্যান্স এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের বেস্ট ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, বেস্ট ইকুইটি ক্যাপিটাল মার্কেটস (ইসিএম) হাউস এবং বেস্ট ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস (ডিসিএম) হাউস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান।

ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংয়ের মূল তিন ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের শক্তিশালী অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ইকুইটি ক্যাপিটাল মার্কেটস, ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস, স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স, সিন্ডিকেশন, অ্যাডভাইজরি, আন্ডাররাইটিং ও ট্রাস্টি সেবায় প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত সক্ষমতার প্রতিফলন এই অর্জন।

তারল্য সংকট, উচ্চ সুদের হার এবং পাবলিক ইক্যুইটি ইস্যুর সীমিত সুযোগ নানা কারণে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য বিগত অর্থবছরটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস এই বছরের একমাত্র পাবলিক ইক্যুইটি ইস্যুর নেতৃত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি স্ট্রাকচার্ড ডেট সলিউশন সম্প্রসারণ, রেগুলেটরি ক্যাপিটাল গঠনে সহায়তা এবং শীর্ষস্থানীয় করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রিন, শরিয়াহসম্মত, সিন্ডিকেটেড ও অ্যাডভাইজরি সমাধানও দিয়েছে।

হংকং-এ আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ছোট বাজার হলেও এটি এশিয়ার অন্যতম স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির গল্প। এই প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে আরও গভীর ইকুইটি মার্কেট, শক্তিশালী ডেট ক্যাপিটাল মার্কেট, টেকসই অর্থায়ন এবং বেশি প্রাতিষ্ঠানিক মূলধন প্রয়োজন। ফাইন্যান্সএশিয়ার এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, বিনিয়োগকারী, শেয়ারহোল্ডারগণ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতি উৎসর্গ করছি।’

এ বিষয়ে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ফাইন্যান্স এশিয়ার কাছ থেকে এই তিনটি স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই অর্জন আমাদের সমন্বিত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং গুণগত মান, উদ্ভাবন ও উৎকর্ষপূর্ণ বাস্তবায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’

আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির একটি সাবসিডিয়ারি এবং বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় মার্চেন্ট ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি ইস্যু ম্যানেজমেন্ট, আন্ডাররাইটিং, পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট, করপোরেট অ্যাডভাইজরি, স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স, সিন্ডিকেশন ও ট্রাস্টি সেবাসহ বিভিন্ন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজার সেবা দিয়ে থাকে। 

বিজ্ঞপ্তি/

মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও জিপের যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও জিপের যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

মাস্টারকার্ড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড (জিপে) যৌথভাবে কো-ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালু করেছে। ডিজিটাল ওয়ালেটের সুবিধার সঙ্গে কার্ডের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করে এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য আর্থিক সেবায় আরও সুবিধা তৈরি করবে।

নতুন এই কার্ডটি জিপে ওয়ালেটের সুবিধাকে দৈনন্দিন লেনদেনে আরও সহজলভ্য করে তুলবে। ওয়ালেটের ব্যালেন্সের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে সংযুক্ত থাকায় কার্ডহোল্ডাররা একই ব্যালেন্স ব্যবহার করে ডিজিটাল ও সরাসরি—উভয় ধরনের লেনদেন নির্বিঘ্নে করতে পারবেন। এর ফলে দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে।

বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে তৈরি করা এই কার্ডের মাধ্যমে ই-কমার্স লেনদেন, দোকান থেকে কেনাকাটা, কিউআর পেমেন্ট, এটিএম থেকে নগদ উত্তোলন এবং কন্ট্যাক্টলেস ট্যাপ অ্যান্ড গো পেমেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের লেনদেন করা যাবে। পাশাপাশি, প্রতিটি লেনদেনের রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন ও তাৎক্ষণিক ব্যালেন্স আপডেটের সুবিধা থাকায় কার্ডহোল্ডাররা তাদের আর্থিক লেনদেন আরও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “এমটিবিতে উদ্ভাবন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাই আমাদের প্রতিটি উদ্যোগের মূল ভিত্তি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এমন একটি আধুনিক প্রিপেইড সল্যুশন চালু করতে চাই, যা ব্যাংকিং সেবা ও ডিজিটাল ওয়ালেটকে একত্রিত করে গ্রাহকদের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তিনটি প্রতিষ্ঠান একটি সহজ ও কার্যকর পেমেন্ট সল্যুশন নিশ্চিত করতে কাজ করবে, যা ডিজিটাল ও সরাসরি লেনদেনের অভিজ্ঞতার মধ্যে সংযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবার আরও বিস্তৃত সুযোগ নিশ্চিত করবে।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা বলেন, “বর্তমানে গ্রাহকরা এমন পেমেন্ট অভিজ্ঞতা প্রত্যাশা করেন, যা তাদের ডিজিটাল জীবনধারার সঙ্গে সহজেই সমন্বিত হয়। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ডিজিটাল ওয়ালেটের সুবিধার সঙ্গে মাস্টারকার্ড নেটওয়ার্কের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা ও নিরাপত্তা একত্রিত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা আরও সহজে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের অর্থ ব্যবস্থাপনা করতে পারেন।”

সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের চিফ এক্সেকিউটিভ অফিসার ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী বলেন, “এই কো- ব্র্যান্ডেড প্রিপেইড কার্ড চালুর মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক সেবাকে আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করাই সমাধানের অঙ্গীকার । জিপে ওয়ালেটের সঙ্গে এই প্রিপেইড কার্ড সংযুক্ত করার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের জন্য একটি সমন্বিত পেমেন্ট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে তারা রিয়েল-টাইমে অর্থ ব্যবহারের সুবিধা এবং আরও স্বাধীনভাবে লেনদেন করার সুযোগ পান।”

বিজ্ঞপ্তি/

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট
ছবি: বিজ্ঞপ্তি
দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ড ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ডিসকাউন্ট ফেস্ট ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’। শুধুমাত্র ‘আকর্ষণীয়’ ছাড়ে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে দেশে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে এই আয়োজন হতে যাচ্ছে।
 
এতে অংশ নেবে দেশি-বিদেশি ২৫০টি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ উপলক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন ক্রেতারা। এছাড়াও, নির্বাচিত কিছু পণ্য ও সেবার ওপর এক্সাইটিং অফার, ফ্ল্যাশ সেল ও সীমিত সময়ের বিশেষ মূল্যছাড় থাকবে।
 
বুধবার (০১ জুলাই) রাজধানী ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
 
ইভেন্টকমের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় সহযোগী হিসেবে আছে ভ্যানটোরা কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। মেলার পিআর পার্টনার হিসেবে রয়েছে ওপাস কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তাসলিম আমিন শোভন, হেড অব অপারেশনস শফিকুল ইসলাম এবং চিফ ফ্যাসিলিয়েটর, উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট জিন্নাত আরা বারী।
 
সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, এ বছরের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী এই মেলা রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকাসহ এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত ও জনপ্রিয় সব ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
 
এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে, দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। ক্রেতারা যেন একই ছাদের নিচ থেকে নামকরা সব ব্র্যান্ডের পণ্য আকর্ষণীয় মূল্যে কিনতে পারেন, সেই সুযোগ সৃষ্টি করা। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ একইসাথে স্থানীয় রাইজিং ব্র্যান্ডগুলোকেও পরিচিত করবে। পাশাপাশি, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি করবে। অন্যদিকে, মেলায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের জন্য থাকছে বিশেষ সুযোগ; আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আর্লি বার্ড স্টল বুকিং করলেই ফ্ল্যাট ৫০% ডিসকাউন্ট পাবেন তারা।
 
এ বিষয়ে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তাসলিম আমিন শোভন বলেন, “ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬ দেশিয় ও বিদেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের মধ্যে অর্থবহ যোগাযোগ তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন খুচরা বাজার, ক্রেতাদের সাথে ব্র্যান্ড-প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক বৃদ্ধি ও ব্র্যান্ড ইকোসিস্টেমকে আরও গতিশীল করবে।”
 
‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ এর হেড অব অপারেশনস শফিকুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’। আকর্ষণীয় ছাড়ে ক্রেতাদের কাছে মানসম্মত পণ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। দেশিয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ড এখানে অংশগ্রহণ করবে। জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সেরা অফারগুলো এখানে পাবেন। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ বাংলাদেশের রিটেইল, ব্র্যান্ড মার্কেটিং এবং কনজ্যুমার এনগেজমেন্টে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে নতুন বাজার, নতুন গ্রাহক এবং সম্ভাবনার নতুন দ্বার।”
 
মেলায় নারীদের অংশগ্রহন নিয়ে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’-এর চিফ ফ্যাসিলিয়েটর, উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট জিন্নাত আরা বারী বলেন, “বর্তমানে দেশের হাজারো নারী উদ্যোক্তা অত্যন্ত মানসম্মত পণ্য তৈরি করছেন। কিন্তু তাদের অনেকের জন্য বৃহৎ পরিসরে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো, ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি করা এবং নতুন ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে পাওয়া এখনও বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’ সেই সীমাবদ্ধতাকে দূর করবে। ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট ২০২৬’-এ নারী উদ্যোক্তারা পণ্য বিক্রির পাশাপাশি হাজার হাজার সম্ভাব্য ক্রেতা, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউটর, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের ব্র্যান্ডকে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন।”   
 
এখন থেকে প্রতিবছরই ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার আয়োজনটি সফল করার পর দেশের প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোতেও প্রতিবছর এই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। এরই ধারাবাহিকতায়, আগামী বছর ১১-১৩ মার্চ চট্টগ্রামে, ১৩-১৫ মে রাজশাহীতে, ১০-১৩ জুন সিলেটে ও ৯-১১ সেপ্টেম্বর খুলনায় বর্ণাঢ্য এই ‘ডিসকাউন্ট ফেস্ট’ অনুষ্ঠিত হবে। একইসাথে, আগামীতে দেশের বাইরেও এই মেলা আয়োজনের আগ্রহ জানান তারা। তবে কবে এবং প্রথম কোন দেশে এটি অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
 
বিজ্ঞপ্তি/

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী, পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) ভার্চুয়াল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এজিএমে কোম্পানির চেয়ারম্যান এইচ.টি.এম. কাদের নেওয়াজ সভাপতিত্ব করেন। সভায় পরিচালক মাহমুদা বেগম, হোসনে আরা বেগম, তাস্মিয়া রহমান, ফারিয়া রহমান, হাসনাত মোশাররফ, হাসিব মোশাররফ, ফাহিম মোশাররফ, মোহাম্মদ আলী, হুমায়ুন কবীর, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন সরকার এবং কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ কাউছার মুন্সী উপস্থিত ছিলেন।

এজিএমে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশগ্রহণ করেন। সভায় ২০২৫ সালের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়।

সভায় কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম, আর্থিক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কোম্পানির ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

বিজ্ঞপ্তি/

বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের হুয়াওয়েতে সরাসরি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। এমসিকিউভিত্তিক পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদেরকে হুয়াওয়েতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে।

হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার কৌশিক আহমেদ রেজা এবং এইচআর ম্যানেজার ইফতেখার রহমান। বুয়েটের অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ের ডেলিভারি অ্যান্ড সার্ভিস (ডিঅ্যান্ডএস) ভাইস প্রেসিডেন্ট শিয়েরেন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, চুয়েটের অনুষ্ঠানে অংশ নেন হুয়াওয়ের এইচআর ডেপুটি ডিরেক্টর মো. ফারা নেওয়াজ।

বিজ্ঞপ্তি/

ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট সম্পর্কে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাবেন বলেন, ‘আমরা নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনবল নিয়োগ করে থাকি, যার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশই তরুণ গ্র্যাজুয়েট। আমরা ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচির মাধ্যমে মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের হুয়াওয়ের আন্তর্জাতিক মানের কর্মপরিবেশে তাদের জ্ঞান প্রয়োগ ও শিল্প খাতের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, চলমান ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা এমন দক্ষ জনবল পাবো, যারা বাংলাদেশের আইসিটি খাতের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

বুয়েটের অধ্যাপক এ বি এম আলিম আল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে হুয়াওয়ের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা এবং প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। এ ধরনের উদ্যোগ একাডেমিক শিক্ষা ও শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কর্মপরিবেশ, শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়। আমরা আশা করি, এ ধরনের সহযোগিতা আরও বেশি শিক্ষার্থীকে দক্ষ হতে অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে অবদান রাখতে উৎসাহিত করবে।’

চুয়েটের অধ্যাপক মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, ‘এই ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ নতুন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য কর্মজীবনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার পাশাপাশি তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ায় ও শিল্পখাতের জন্য উপযোগী হতে উৎসাহিত করে। তরুণদের মেধা বিকাশ এবং বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সহায়তা করার ক্ষেত্রে হুয়াওয়ের এই প্রতিশ্রুতি সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বাংলাদেশে হুয়াওয়ের অধিকাংশ কর্মীই স্থানীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা শুধু বাংলাদেশে হুয়াওয়ের কার্যক্রমেই নয়, বরং প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

প্রান্তিক পর্যায়ে রেমিট্যান্স পৌঁছাতে নগদ ও রূপালী ব্যাংকের চুক্তি

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
প্রান্তিক পর্যায়ে রেমিট্যান্স পৌঁছাতে নগদ ও রূপালী ব্যাংকের চুক্তি
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ ও রূপালী ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীতে রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি হয়। 

এ চুক্তির আওতায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন। রূপালী ব্যাংকের পক্ষে নগদ সরাসরি সেই অর্থ সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দিবে। ফলে দেশের যে কোনো স্থান থেকে তারা ২৪ ঘণ্টা রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নগদ নিয়মিত বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। রেমিট্যান্স গ্রহণে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে সচেতনতামূলক ও পুরস্কারভিত্তিক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। 

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপব‍্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ, মহাব‍্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মো. ইসমাইল হোসেন শেখ, মো. মঈন উদ্দিন মাসুদ, সালামুন নেছা ও রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান এ কে এম জাকির হোসেনসহ ব্যাংকটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ‌‘প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রতিটি পয়সা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রতিটি পরিবার দ্রুত, নিরাপদ এবং ঝামেলাহীনভাবে সরাসরি নগদ ওয়ালেটে রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো প্রান্তে এই অর্থ সহজে ব্যবহার কিংবা সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট করতে পারবেন। যা দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করবে।’ 

এ সময় রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে রেমিট্যান্স নিরাপদ ও দ্রুত সময়ে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা সবসময়ই বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও রেমিট্যান্স পৌঁছে দেওয়া আরও সহজ হবে।’

উল্লেখ্য, নগদ সম্প্রতি ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) পেমেন্ট সেবা এবং ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) সুবিধা চালু করেছে। ফলে দেশের প্রায় ১০ লাখ বাংলা কিউআর মার্চেন্টের কাছে এখন নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই ক্যাশলেস পেমেন্ট করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে যেকোনো ব্যাংক থেকে তাৎক্ষণিক নগদ ওয়ালেটে অর্থ গ্রহণ এবং নগদ থেকে ব্যাংকে অর্থ পাঠানোর সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তি/