ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রজাপতির অভিমান মেসির গল্প এখনো শেষ হয়নি: কার্লোস তেভেজ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু শ্রীপুরে ট্রাকচাপায় দুই বন্ধু নিহত পড়াশোনা ও শখের চমৎকার ভারসাম্য মাত্র ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় খুন, অবশেষে ধরা মূল আসামি পক্ষপাতিত্বের প্রশ্নের আর্জেন্টিনা কোচের কড়া জবাব নিয়োগ দেবে মীনা বাজার ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরু আগস্টে মাতামুহুরীতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদরের মৃত্যু জাপানে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ ‘প্রাকৃতিক সুস্থতার জন্য হিজামা একটি অনন্য সুন্নত’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক নিয়োগ দেবে এসএমসি, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা মতলবে ছেলের হাতে মা খুন প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা বহিষ্কার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মাহরেজ জার্মানি-নাগেলসম্যানের বিচ্ছেদ! থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ সাদাপাথরে নিখোঁজ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু র‌্যাগিংয়ের দায়ে হাবিপ্রবির ৭২ শিক্ষার্থীকে শোকজ ফুটবলের উৎপত্তি প্রসঙ্গে আলাস্কার পাগল স্ল্যাকে১ ফুটবল খেলা চলছে

চট্টগ্রামে পানিতে পড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৪১ পিএম
চট্টগ্রামে পানিতে পড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলায় পানিতে পড়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

বাঁশখালীর পাইরাং এলাকায় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন আদিল নামে ৩ বছর বয়সি শিশু পানিতে পড়ে মারা গেছে। নিহত শিশু আবদুল্লাহ মামুন আদিল পাইরাং এলাকার আমির মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, শিশু আবদুল্লাহ আল মামুন আদিল বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে পরিবারের অগোচরে পুকুরে পড়ে যায়। আত্মীয় স্বজনরা অনেক খোঁজাখোঁজির পর পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে শিশুর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে দ্রুত বাঁশখালী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

বাঁশখালী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটি প্রাণ হারায়।

এদিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ঈদ উপলক্ষে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি শাইরা পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই ভাইবোন হলেন, লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি কামার দিঘীর পাড়ের নতুন পাড়ার প্রবাসী মো. পারভেজের কন্যা তাবাচ্ছুম বিনতে তানজুম (৮) ও পুত্র তানজিমুল ইসলাম রাফি (৭)। তারা দুজনই মায়ের সঙ্গে দুইদিন আগে সুখছড়ি শায়ের পাড়ায় অবস্থিত তাদের নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

জানা যায়, নিহত দুই ভাইবোন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তাদের মায়ের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে মা মনে করেছে তার বাচ্চারা গোসল করে পুকুর থেকে নানার বাড়িতে চলে গেছে। মা গোসল শেষ করে বাড়ি ফিরে বাচ্চাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুরে বাচ্চাদের ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাচ্চা দুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাহফুজ/

 

শ্রীপুরে ট্রাকচাপায় দুই বন্ধু নিহত

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
শ্রীপুরে ট্রাকচাপায় দুই বন্ধু নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু মারা গেছেন। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত দুইটার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সোলেমান সিকদার (২২) কেরানীগঞ্জে ব্যবসা করতেন এবং কাওসার হোসেন (২৮) চাকরি করত। ফলে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

নিহত কাওসার হোসেনের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলী শান্ত জানায়, চার বন্ধু সাজ্জাদ, আরিফ, সোলেমান সিকদার ও কাওসার দুই মোটরসাইকেলে করে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহের ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তারা মোটরসাইকেলে গাজীপুরের শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকায় পৌঁছলে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক কাওসার ও সোলেমানের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান খবরের কাগজকে জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তবে ট্রাকচালক পালিয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পলাশ প্রধান/থিওটোনিয়াস/রিফাত/

মাত্র ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় খুন, অবশেষে ধরা মূল আসামি

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
মাত্র ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় খুন, অবশেষে ধরা মূল আসামি
হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহিন মিয়া। ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মুমিনুল মিয়া নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দীর্ঘ দেড় মাস পর শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোরে মেঘনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শাহিন মিয়া দড়িকান্দি এলাকার নসর আলমের ছেলে। শুক্রবার তাকে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন বাদি হয়ে শাহিন মিয়াকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা করেন। 

জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি বাস ট্যান্ড এলাকায় শাহিন মিয়া একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন অটোরিকশা ও সিএনজি থেকে ১০ টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করেন। গত ১৭ মে রবিবার বিকেলে অটোরিকশাচালক মমিনুল মিয়া তার অটোরিকশা নিয়ে দড়িকান্দি বাস স্ট্যান্ডে গেলে শাহিন মিয়া তার কাছে ১০ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় মমিনুল মিয়া তাকে এক দফা টাকা দিয়েছেন বলে জানায় এবং এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। 

পরে শাহিন মিয়া তার লোকজনদের নিয়ে অটোরিকশাচালক মুমিনুল মিয়াকে বেধড়ক মারধর করেন। এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে অটোচালককে মাথায় আঘাত করে। এতে মমিনুল অসুস্থ হয়ে পড়লে তার স্বজনরা ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ২০ মে বুধবার ভোর সাড়ে ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

অটোরিকশাচালক মুমিনুল মারা যাওয়ার পর থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত শাহিন মিয়া এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দীর্ঘ দেড় মাস পর শুক্রবার ভোরে মেঘনা এলাকা থেকে প্রধান আসামি শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। 

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.গোলাম সারোয়ার বলেন, চাঁদার দাবিতে অটোরিকশাচালক মুমিনুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। 

ইমরান/নাঈম

মাতামুহুরীতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদরের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
মাতামুহুরীতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদরের মৃত্যু
মারা যাওয়া সহোদর ভাই। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের আজমনগর এলাকায় মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার, স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১ জুলাই) বড় ভাই মিজানুর রহমান হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

এদিকে বড় ভাইয়ের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে ছোট ভাই মুজিবুর রহমান গভীরভাবে মর্মাহত হন। পরদিন বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান। পরিবারের সদস্যরা তখন তার দাফন-কাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরই মধ্যে একই দিন রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বড় ভাই মিজানুর রহমানও শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

একই দিনে মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক তৈরি হয়। 

স্থানীয় সামাজিক নেতা মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, “একই পরিবারের দুই সহোদর ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের সবাইকে শোকাহত করেছে। বিকেলে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরেই আমরা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু রাতেই বড় ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ আরও বেশি হৃদয়বিদারক। এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে দেখিনি। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং মহান আল্লাহর কাছে দুই ভাইয়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।”

তারেকুর রহমান/নাঈম

স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা
ছবি: খবরের কাগজ

স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ এখন অপতথ্য, গুজব ও অপপ্রচার। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৎ, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা আরও জোরদার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের একটি হোটেলে তথ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন ভাবনায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কক্সবাজার স্থানীয় ২৫ জন সাংবাদিক এবং তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন, তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান খান।

কর্মশালায় উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হাছিনা আক্তার বলেন, 'সরকারের নীতি, সিদ্ধান্ত ও উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের কাছে সঠিক ও সময়োপযোগীভাবে পৌঁছে দিতে জনসংযোগ কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দুর্যোগ ও সংকটকালে গুজব প্রতিরোধ এবং নির্ভুল তথ্য প্রচারেও তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য যাচাই ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, এআইভিত্তিক মিডিয়া মনিটরিং, আধুনিক ডিজিটাল নিউজরুম এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।'

গুজব ও অপপ্রচার মোকাবিলা বিষয়ে উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, 'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় বিভ্রান্তি বাড়ছে। অপতথ্য শুধু জনমনে বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই তথ্য যাচাই করে প্রচারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।'

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা তথ্যপ্রবাহ আরও সহজ করা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন এবং মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, 'সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে দায়িত্বশীল, তথ্যভিত্তিক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের সঙ্গে সরকারের সমন্বয় আরও জোরদার হয়েছে। তৃণমূলের সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত করে উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, "চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা আরও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে কক্সবাজারের সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

কর্মশালায় বক্তব্য দেন, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। 

তারেকুর রহমান/তামান্না রুপা/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এআই দিয়ে ভুয়া প্রবেশপত্র বানিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক ভুয়া পরীক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে কসবার তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কসবা মহিলা ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) এবং তার ফুফাতো ভাই ইনজামামুল হক (১৯)। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানজিল কবির।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কসবা মহিলা ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। কিন্তু জান্নাত তার ফুফাতো ভাই ইনজামামুল হকের সহযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ছবি দিয়ে এআই ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য একটি ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবং কেন্দ্র সচিব এ. কে. আজাদের বিষয়টি সন্দেহ হলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা উপ-নিয়ন্ত্রককে অবগত করা হয়। পরে যাচাই শেষে প্রবেশপত্রটি ভুয়া প্রমাণিত হলে জান্নাত ও তার ফুফাতো ভাই ইনজামামুলকে আটক করা হয়। 

পরে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুইজনকে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের ভবিষ্যতে আর এমন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

আজিজুল সঞ্চয়/অন্তরা/