ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপের নেতাদের সঙ্গে বুধবার ( ১৩ আগস্ট) ভার্চুয়াল কলে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামীকাল শুক্রবার ( ১৫ আগস্ট) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের আলাস্কায় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগ দিয়েই এল এ খবর।
এদিকে এক অনলাইন কলে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ ইউরোপের নেতৃস্থানীয়রা যুক্ত হয়েছিলেন। সেখানে ইউক্রেনকে ছাড়া তাদের সীমান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের মধ্যে ২৬টি এক বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত জোরপূর্বক পরিবর্তন করা যাবে না।
ওই বিবৃতিতে শুধু হাঙ্গেরির নেতা ভিক্টর অরবান স্বাক্ষর করেননি। তিনি রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং একাধিকবার ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থন ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, ইউরোপের দেশগুলোর যুদ্ধের মাধ্যমে সীমান্ত পরিবর্তনের ইতিহাস রয়েছে। ফলে তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন যে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের ক্ষেত্রেও তেমনটা হতে দিচ্ছে। রাশিয়া জোরপূর্বক যে ভূখণ্ডগুলো দখলে নিয়েছে, সেগুলোকে আইনত স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিকে মার্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি সেখানে মার্জকে বলেছেন, ন্যায্য শান্তির জন্য রাশিয়ার ওপর অবশ্যই চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এদিকে গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের– দুই পক্ষের ভালোর জন্যই কিছু এলাকা বিনিময় করতে হবে। রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের ২০ শতাংশ অঞ্চল দখলে রেখেছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন কী কী দাবি করতে পারেন, সে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক ফোনকলে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে কথা বলেছেন। ওই ফোনকলে কিম ও পুতিন একে অপরের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সূত্র: বিবিসি