ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ ১০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিলেটে নামকরণ-নামহরণ চলছেই! ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম ১০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মানববন্ধন পটিয়া প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
Nagad desktop

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৭ এএম
ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এই দুর্যোগে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত প্রায় ৩০০ জন। 

গত শনিবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ান্তো সকালের দিকে এই মৃত্যুর সংখ্যা ১৭৪ ছিল  বলে জানায়।

গত এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে টানা প্রবল বর্ষণে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের বিশাল অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর মাঝেই মালাক্কা প্রণালিতে বিরল এক ক্রান্তীয় ঝড়ও তৈরি হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান জানান, এখনও অন্তত ২৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তাছাড়া,ইন্দোনেশিয়ার সর্বপশ্চিমে অবস্থিত সুমাত্রা দ্বীপের তিনটি প্রদেশে শত শত মানুষ এখনও আটকা আছেন।

বন্যা-বৃষ্টি-ভূমিধসে উত্তর সুমাত্রায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই এলাকায় সড়ক ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখানে উড়োজাহাজে করে ত্রাণ ও অন্যান্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। 

এদিকে, মালাক্কা প্রণালির ওপারে থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে পৌঁছেছে। গত শনিবার সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত জানান, আগে এই সংখ্যা ছিল ১৪৫।

সুলতানা দিনা/

ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত
ছবি:সগৃহীত

লেবাননে ইসরায়েলের সর্বশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। ১০০তম দিনেও গতকাল ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের উপকূলীয় শহর টায়ারে বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত আটজন নিহত হন। টায়ার শহরের বাসিন্দাদের নতুন করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে শহরের খ্রিষ্টান অধ্যুষিত বন্দরসংলগ্ন এলাকাও রয়েছে, যা আগে এমন নির্দেশনার বাইরে ছিল।

এই ১০০ দিনে দক্ষিণ লেবাননের বহু গ্রাম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলি হামলায় ৩ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪৫ জন শিশু। এ ছাড়া ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রায় শিশু ৯০০ জন।

নিহতদের বড় একটি অংশ বেসামরিক নাগরিক। কমপক্ষে ১৩১ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। তাদের কেউ কেউ একই স্থানে পরপর দুই বা তিন দফা হামলার শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া ১৭টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনটি হাসপাতাল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১০০ দিনে সাংবাদিকদেরও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বর্তমানে সংঘাত বন্ধে নানা পর্যায়ে চেষ্টা চলছে। কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও লেবানন সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনায় বসেছে। ইসরায়েল ও লেবাননের সরাসরি আলোচনার পাশাপাশি ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে তারা লেবাননের সংঘাতের বিষয়টিকেও যুক্ত করবে।

কিন্তু হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিরোধী। সম্প্রতি সংগঠনটি যুদ্ধ ক্ষেত্রে ফাইবার-অপটিক প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে, যা সংঘর্ষের ধরন বদলে দিয়েছে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের গবেষক ও হিজবুল্লাহবিষয়ক বইয়ের লেখক নিকোলাস ব্লানফোর্ড বলেন, ‘তারা আবার গেরিলা যুদ্ধের শিকড়ে ফিরে গেছে। নব্বইয়ের দশকের মতো এখন তাদের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি বাহিনীকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেওয়া। ইসরায়েল যেসব নতুন প্রতিরক্ষা বা আক্রমণাত্মক ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেগুলো অতিক্রম করে তারা ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

ইসরায়েলের এই সামরিক অভিযান শুরু হয় ২ মার্চ। হিজবুল্লাহ ইসরায়েলকে টার্গেট করে ছয়টি রকেট নিক্ষেপ করলে এই সংঘাত শুরু হয়। এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে এটিই ছিল ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর প্রথম সরাসরি প্রতিক্রিয়া।

হিজবুল্লাহর দাবি, ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ শুরুর সময় ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনাও তাদের প্রতিক্রিয়ার কারণ ছিল।

অন্যদিকে লেবানন সরকার দেশজুড়ে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চাপও বাড়ছে।

গত ২ মার্চ লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর সামরিক কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ঘোষণা করে। তবে এখন পর্যন্ত সংগঠনটির সামরিক সক্ষমতার ওপর এর উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি। হিজবুল্লাহর প্রধান সমর্থক ইরানও লেবাননের পরিস্থিতিকে নিজেদের যুদ্ধবিরতি আলোচনার অংশ করার চেষ্টা করছে। লেবানন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার ওপর আস্থা রেখে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।  সূত্র: আল-জাজিরা

ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ এএম
ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন
ছবি: সংগৃহীত

মুহাম্মদ আল-বাকরি তার ধর্ষণের তারিখটি স্পষ্টভাবে মনে রেখেছেন। ২০২৪ সালের ১০ এপ্রিল। পবিত্র রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতরের ছুটি চলছিল। গাজার সরকারি এই কর্মচারীকে এর এক মাস আগে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি সেনারা। তাকে মারধর, নির্যাতন, বেঁধে রাখা এবং অপমানজনক অবস্থায় থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল।

সেদিন তার চারপাশে ঘিরে ছিল ইসরায়েলি সেনারা এবং তাদের প্রশিক্ষিত কুকুর। তিনি বলেন, ‘ডান পাশে ছয়জন সৈন্য, বাম পাশে ছয়জন সৈন্য ছিল। তারা নাম জিজ্ঞেস করত। যদি বলতাম ‘মুহাম্মদ’, তারা বলত, ‘না, বল তোমার নাম হারামজাদা।’

আল-বাকরি জানান, তার সঙ্গে আরও সাতজন বন্দি ছিলেন। সবাইকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে চোখ বেঁধে হাতকড়া পরানো হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমাদের পোশাক খুলে নেওয়ার পর ধর্ষণ করা হয়। আমরা চিৎকার করে বলছিলাম, ‘হে আল্লাহ, হে সৃষ্টিকর্তা’, কিন্তু তারা শুধু হাসছিল এবং ভিডিও ধারণ করছিল।”

আল-বাকরি আরও বলেন, কারারক্ষীরা যৌন নির্যাতনের সময় কুকুরও ব্যবহার করত। তিনি বলেন, ‘কুকুরগুলো কর্মকর্তাদের নির্দেশ মেনে আমাদের ওপর হামলা করে। কোনো দয়া ছিল না। প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট আমরা এই যৌন নির্যাতন ও মারধরের শিকার হয়েছিলাম। পরে তারা আমাদের কাপড় পরতে বলে আবার কারাগারে নিয়ে যায়।’

আল-বাকরি সেই সব বন্দির মধ্যে একজন, যারা ‘বডিজ অব এভিডেন্স: ইসরায়েলস ডার্কেস্ট ওয়েপন’ অনুষ্ঠানের জন্য আল-জাজিরাকে বিস্তারিত সাক্ষ্য দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকরা, জাতিসংঘ এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রানচেস্কা আলবানেজে বলেন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ব্যবহার ব্যাপক এবং সুসংগঠিত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন প্যালেসটাইনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআপর) এবং ইউরো-মেড মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থাও এমন বহু সাক্ষ্য নথিভুক্ত করেছে, যেখানে বন্দিরা ইসরায়েলি সেনাদের কুকুর দিয়ে যৌন নির্যাতনের কথা জানিয়েছেন।

ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়; এর ইতিহাস কয়েক দশকের পুরোনো। আল-জাজিরার অনুসন্ধান এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর গাজায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর থেকে ধর্ষণকে উল্লেখযোগ্যভাবে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে ইসরায়েল। 

২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েল পদ্ধতিগতভাবে যৌন, প্রজননসংক্রান্ত এবং অন্যান্য লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ব করেছে।

মে মাসে ইসরায়েলকে জাতিসংঘের ‘সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার কালো তালিকা’য় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, ইসরায়েলি মানবাধিকার সংগঠন বিৎসেলেম এবং ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কেন্দ্র—সবাই ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যৌন সহিংসতার বিস্তৃত সংস্কৃতির কথা উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি বন্দিদের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ বেশি।

এদের অনেককে ইসরায়েলের প্রশাসনিক আটকব্যবস্থার আওতায় কোনো অভিযোগ ছাড়াই আটক রাখা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত কোনো ইসরায়েলি সৈন্য বা কারারক্ষীকে ফিলিস্তিনিদের যৌন নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে নেগেভ মরুভূমির স্দে তেইমান আটক শিবিরে এক বন্দিকে ধর্ষণের ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর ইসরায়েল ১০ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে আটক করেছিল। কিন্তু ডানপন্থি বিক্ষোভকারীরা, যাদের মধ্যে সংসদ সদস্যও ছিলেন, অভিযুক্তদের মুক্ত করার জন্য আটক কেন্দ্রটিতে হামলা চালানোর চেষ্টা করে।

গত জুলাইয়ে ইসরায়েল ওই রক্ষীদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। ভিডিওটি ফাঁস করার অভিযোগে নারী কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইফাত তোমের-ইয়েরুশালমিকেও পরে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সৈন্যদের ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশ করাকে দেশের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘সবচেয়ে গুরুতর জনসংযোগ আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেন।

জাতিসংঘের রিপোর্টার ফ্রানচেস্কা আলবানেজ বলেন, ফিলিস্তিনি বন্দিদের যৌন নির্যাতনের উদ্দেশ্য শুধু শারীরিক কষ্ট দেওয়া নয়, বরং তাদের ব্যক্তিসত্তা ও আত্মমর্যাদাবোধকে ধ্বংস করা।

তিনি বলেন, ‘নির্যাতনের মধ্যে, বিশেষ করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন মানুষের মানসিক জগৎকে ধ্বংস করে দেয়। এতে একজন মানুষের নিজের জীবন পুনর্গঠন করা এবং স্বাভাবিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উপভোগ করার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

গণহত্যা ও ধর্ষণের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকা
মজুর হিসেবে কাজ করা আইয়ুব (ছদ্মনাম) আল-জাজিরা বলেন, কখনো ভাবেননি যে তার জীবন অন্যদের কাছে বিশেষ কিছু। আল-বাকরির মতো তিনিও ছিলেন গাজার এক সাধারণ মধ্যবয়সী পারিবারিক মানুষ। নিজের চেয়ে সন্তানদের ভবিষ্যৎকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর পরিবারের নিরাপত্তাই ছিল তার প্রধান চিন্তা।

কিন্তু গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের জীবন বদলে যায়। আল-বাকরির মতো আইয়ুবও স্পষ্টভাবে নিজের ধর্ষণের স্মৃতি মনে করে বলেন, ‘নারী সৈন্যরা আমার কক্ষে প্রবেশ করে আমার দুই হাত পেছনে নিয়ে লোহার হাতকড়া পরাল। তারপর পায়ের হাতকড়া খুলে অন্য হাতকড়া পরাল। এরপর আমার সব কাপড় খুলে নেয়। সৈন্যরা তার ঘাড় ও পিঠের ওপর বুট চেপে ধরে রেখেছিল। এরপর নারী সৈন্যরা বিভিন্ন কৃত্রিম বস্তু ব্যবহার করে তাকে ধর্ষণ করে। চারপাশে থাকা সৈন্যরা হাততালি দিচ্ছিল এবং ভিডিও ধারণ করছিল।

প্রতিশোধের উন্মত্ততা
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত এবং প্রায় ২৫০ জন অপহৃত হওয়ার ঘটনা ইসরায়েলি সমাজকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। আইয়ুব বলেন, গ্রেপ্তারের সময় তাকে চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল, মারধর করা হয়েছিল এবং পদদলিত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তাকে ৭ অক্টোবরের ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল।

মানবিক মর্যাদা কেড়ে নেওয়া
পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব ইসরায়েলি সৈন্যের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে, তাদের অনেকেই এমন একটি সামাজিক পরিবেশে বড় হয়েছে, যেখানে ফিলিস্তিনিদের সমমর্যাদাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে দেখার সংস্কৃতি দুর্বল।

দায়মুক্তির সংস্কৃতি
বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের একটি সুস্পষ্ট ধারা থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল এখন পর্যন্ত কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কার্যকর আইনি শাস্তি কিংবা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়নি।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে জাতিসংঘ যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করতে চাইলে ইসরায়েল তাতে বাধা দেয়। জাতিসংঘের মতে, জোরপূর্বক নগ্ন করা, ধর্ষণের হুমকি দেওয়া এবং যৌনাঙ্গ লক্ষ্য করে হামলা চালানো- এসব কর্মকাণ্ড ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে প্রায় নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম
‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় টিম বনাম ডিপ্লোম্যাটিক কোর টিমের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ‍জুন) অনুষ্ঠিত এই বিশেষ ম্যাচে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক নিজে মাঠে নেমে খেলায় অংশগ্রহণ করেন। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। প্রীতি ম্যাচটিতে বাংলাদেশে কর্মরত তিউনিশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইটালি, সুইডেন ও ইরানের কূটনীতিকরা অংশ নেন। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে লড়েন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকারা ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

খেলা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমানে সামাজিক মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতা ও সচেতনতামূলক বিষয়গুলো আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ ফুটবল দরজায় কড়া নাড়ছে। আমরা বিশ্বের কাছে জানান দিতে চাই যে, আমরা একটি ফুটবলপ্রেমী জাতি। স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির (ক্রীড়া কূটনীতি) মাধ্যমে আমরা বিশ্বমঞ্চে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চাই।’

আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ না নিলেও দেশের মানুষের মাঝে ফুটবল নিয়ে উন্মাদনার কোনো কমতি নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে না, তবুও আমাদের উদ্দীপনার কোনো ঘাটতি নেই। বর্তমান সরকার ক্রীড়া খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে শূন্য থেকে শুরু করতে চাই। আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। রাতারাতি বড় পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে সকলের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা দেশের খেলাধুলার সার্বিক উন্নয়ন করব।’

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়া কূটনীতিকে আরও বেগবান করতে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে মো: আমিনুল হক বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে  একটি ডেডিকেটেড ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি উইং’ খোলা হয়েছে এবং এর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। এই উইংয়ের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ক্রীড়া বিনিময় কর্মসূচি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’

তোফায়েল/এসএন

পাকিস্তানে টিটিপি’র হামলায় ৬ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
পাকিস্তানে টিটিপি’র হামলায় ৬ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি চেকপোস্টে হামলা চালিয়ে ছয়জন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যকে হত্যা এবং আরও আট জনকে অপহরণ করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সোমবার সংগঠনটির  বেশ কয়েকজন সদস্য পেশোয়ার শহরের একটি চেকপোস্টে হামলা চালায়। এতে তারা আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও মর্টার শেল ব্যবহার করে।

আরেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘সশস্ত্র জঙ্গিদের হামলায় ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারির (এফসি) ছয় সদস্য শহিদ ও চার জন আহত হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোওয়া প্রদেশে সামনের সারির নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত আধাসামরিক বাহিনীটির সদস্যদের ওপর এই হামলা চালানো হয়।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘জঙ্গিরা এফসি’র আট সদস্যকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে।’

টিটিপি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চ্যানেলে অপহৃত ব্যক্তিদের একটি ছবি প্রকাশ করেছে এবং এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী পশ্চিমাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সশস্ত্র বিদ্রোহ মোকাবিলা করছে। 

ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগানিস্তান জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুলের তালেবান সরকার বারবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

গত মাসে খাইবার পাখতুনখোওয়ায় একাধিক হামলায় ২৬ জন নিহত হয়।

জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কাবুল ও ইসলামাবাদের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক
ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, নিরাপত্তা বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। এতে গত কয়েক দিনে অন্তত ৩০ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি তাদের। তবে প্রশাসনের দাবি, নিহতের সংখ্যা ১১ এবং আহত হয়েছেন ৭০ জন।

আর্থিক দুরবস্থা ও প্রশাসনিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিল স্থানীয় নাগরিক সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)। সম্প্রতি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় রাওয়ালকোটে। সেখানে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রতিবাদীদের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই ব্যবসায়ী নিহত হন। এর পর গত শুক্রবার জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রশাসন।

কর্তৃপক্ষের দাবি, অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিষেধাজ্ঞার পরও রবিবার একটি হাসপাতালের মর্গের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েকজন প্রতিবাদী। ওই মর্গে পুলিশের গুলিতে নিহত আরেক বিক্ষোভকারীর মরদেহ রাখা ছিল।

অঞ্চলটির পুঞ্চ সেক্টরের কমিশনার সর্দার ওয়াহিদ খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। এতে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হন। 

পুলিশের দাবি, প্রতিবাদীরাও স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি চালায় এবং বোমা নিক্ষেপ করে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের সহিংসতায় অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৭০ জন আহত হয়েছেন। তবে জেএএসি ও বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৩০ এবং আহত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাওয়ালকোটসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে তল্লাশি অভিযান। কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জনঅসন্তোষ বাড়ছিল। বাসিন্দারা প্রশাসনের বিভিন্ন নীতিরও সমালোচনা করে আসছিলেন। এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তবে সেই আহ্বানের মধ্যেই গত ৫ জুন থেকে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে অঞ্চলটি। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/