ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন চামড়া নিয়ে দুর্ভোগ আর দুর্গতির শেষ কোথায়
Nagad desktop

নতুন বছরের খুশি, আতশবাজিতে বিপন্ন শিশু ও বয়স্করা!

প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
নতুন বছরের খুশি, আতশবাজিতে বিপন্ন শিশু ও বয়স্করা!

নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর আনন্দঘন উদ্‌যাপন। পুরোনো ক্লান্তি ঝেড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক উজ্জ্বল উপলক্ষ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ আনন্দ উদ্‌যাপনের নামে আতশবাজির অবাধ ও নির্বিচার ব্যবহার সমাজের একটি বড় অংশের জন্য আনন্দ নয় বরং আতঙ্ক ও ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি হয়ে উঠছে মারাত্মক উদ্বেগের বিষয়। আতশবাজির বিকট শব্দ, ঘন ধোঁয়া আর আগুনের ঝলকানি শুধু পরিবেশ দূষণই বাড়ায় না, সৃষ্টি করে গুরুতর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকি। শিশুদের কোমল মন ও শ্রবণশক্তি এ তীব্র শব্দ সহ্য করতে পারে না। অনেক শিশু ভয়ে কেঁপে ওঠে, কানব্যথা, মাথাধরা বা অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটে। নতুন বছরের আনন্দ তাদের কাছে অনেক সময় রূপ নেয় ভয়ের অভিজ্ঞতায়।

নতুন বছর উদ্‌যাপন হোক আনন্দের সঙ্গে, তবে অবশ্যই মানবিক ও নিরাপদ উপায়ে। উৎসবের নামে এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়, যা কারও শান্তি, সুস্থতা ও নিরাপত্তা নষ্ট করে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের স্বস্তি ও সুরক্ষাই হওয়া উচিত আমাদের উদ্‌যাপনের প্রথম শর্ত। প্রশাসনের কঠোর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও সংযমই পারে একটি সত্যিকারের আনন্দময় নতুন বছর নিশ্চিত করতে। নতুন বছর আসুক হাসি ও শান্তির বার্তা নিয়ে আতঙ্ক নয়। মানবিক আনন্দই হোক আমাদের উদ্‌যাপনের প্রকৃত পরিচয়।

আসমা খাতুন 
শিক্ষার্থী, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ,
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ

বাংলাদেশ–কেবল একটি মানচিত্র বা ভূখণ্ডের নাম নয়, এটি কোটি প্রাণের স্পন্দন, অজস্র ত্যাগের মহাকাব্য। যে মাটির প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে ৩০ লাখ শহিদের রক্ত আর লাখো মায়ের সম্ভ্রমের মূল্য, সেই মাটির সন্তান হতে পারা পরম সৌভাগ্যের। এ দেশের সবুজ শস্যখেত, আঁকাবাঁকা নদী আর ভোরের দোয়েলের শিস আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কতটা সমৃদ্ধ এক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। বাঙালি আবেগপ্রবণ জাতি, আর এই আবেগের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ ঘটে দেশপ্রেমে। সংকটে ও সংগ্রামে আমরা বারবার প্রমাণ করেছি, বুক পেতে বুলেট নেওয়া বুকগুলো কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে জানে না। একাত্তরের সেই অবিনশ্বর চেতনা আজও আমাদের ধমনিতে প্রবাহিত। তবে আজকের দিনে এসে বুকটা তীব্র অভিমানেও ভরে ওঠে। যখন দেখি আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলায় হানাহানি, দুর্নীতি আর বৈষম্যের কালো ছায়া পড়ে, তখন মনে হয়–এটাই কি চেয়েছিলেন আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা? বাংলাদেশ আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের অহংকার। শত প্রতিকূলতার মাঝেও এ দেশের মেহনতি মানুষ যেভাবে হাসিমুখে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়, তা বিশ্বের বুকে এক অনন্য নজির। আসুন, ভেদাভেদ ভুলে আমরা সবাই মিলে এই প্রিয় মাতৃভূমিকে সত্যি এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাই। আমাদের ক্ষুদ্র স্বার্থ যেন দেশের চেয়ে বড় না হয়। কারণ, বাংলাদেশ ভালো থাকলেই, ভালো থাকব আমরা সবাই।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট 
[email protected]

 

রামিসার  মামলার  দ্রুত রায়

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
রামিসার  মামলার  দ্রুত রায়

নারী ও শিশুর সম্ভ্রম ও অন্যান্য অধিকার রক্ষার জন্য নানাবিধ আইন-আদালত এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পরও পর্যবেক্ষকদের মতে এ ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি সাধিত হয়নি। বিশেষ করে নারীর সম্ভ্রমহানি মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনদাবি উঠেছে এগুলো কঠোরভাবে দমন করতে হবে। কয়েক দশক ধরে জনসাধারণের দাবি, এসব ঘটনায় শাস্তি হতে হবে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক। রামিসার সম্ভ্রমহানি ও খুনের ঘটনার পর এ দাবি আরও উচ্চকিত হয়ে উঠেছে। দোষীর মৃত্যুদণ্ড চাই। তার মানে বিচারকের রায় দেওয়ার কষ্টসাধ্য কাজটি সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরাই করে দিচ্ছেন অর্থাৎ অপরাধের বিষয়টি তাদের জানা। ফলে তারা এও জানেন যে, এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলা, নোয়াখালীর নুসরাত হত্যা মামলা, মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলাসহ জেলা জজ পর্যায়ের কয়েক হাজার মামলার রায় আপিল হিসেবে বিবেচনার জন্য উচ্চতর আদালতের বিচারকদের কাছে ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে অপেক্ষমান। উল্লেখ্য, ছগিরা মোর্শেদ খুনের মামলার চূড়ান্ত রায় হতে ২৬ বছর সময় লেগেছে। ইয়াসমিন খুনের মামলার রায় কার্যকর হতে ১৮ বছর এবং আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ড মামলার রায় কার্যকর হতে ১২ বছর সময় লেগেছিল। এ প্রেক্ষাপটে যত আন্তরিক আশ্বাসই দেওয়া হোক উচ্চতর পর্যায়ে আপিলের শুনানি নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকর হতে রামিসার পরিবার কত বছরে সুষ্ঠু বিচার পাবে তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েঁছে। অভিযুক্তদের স্বপক্ষে উকিল দেওয়া যাবে না, এমন দাবির বিরুদ্ধে একদল দাঁড়িয়ে গেছে, উকিল দেওয়া হয়েছে সরকারের দিক থেকে। বিষয়টি লঘু হওয়ার পথে।

মাসুদ আহমেদ
সাবেক সিনিয়র সচিব ও প্রজাতন্ত্রের সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল
[email protected]

অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সোনারগাঁও উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হাঁড়িধোয়া নদীটি মেঘনার অববাহিকার অংশ। একসময় এর স্বচ্ছ মিঠাপানিতে মাছসহ নানা জলজ প্রাণীর সমৃদ্ধ আবাস গড়ে উঠেছিল। কৃষিকাজ ও নৌপথে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নদীটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি হাঁড়িধোয়া নদীতে ফেলার ফলে নদীটি মারাত্মক দূষণের শিকার হয়েছে। পানির রং কালো হয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ এবং বিলীন হতে বসেছে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী। দূষণের কারণে নদীর পানি কৃষিকাজের জন্যও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি কচুরিপানার কারণে নৌ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত এই নদীকে রক্ষায় শিল্পকারখানাগুলোতে কার্যকর ইটিপি স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

মোহাম্মদ নাছাত
শিক্ষার্থী, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক

উত্তরবঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা ও শিল্পায়নের বড়ই অভাব। নেই কোনো বড় কলকারখানা। নেই বড় কোনো ফ্যাক্টরি। এক সরকারের পর আরেক সরকার আসে কিন্তু উত্তরবঙ্গে কোনো কলকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় না। এদিকের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কলকারখানার ভূমিকা অনেক। মানুষের নানামুখী কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। বেকারত্ব হ্রাস পায়। নিজেকে স্বাবলম্বী করার সুযোগ হয়। উত্তরবঙ্গে এই সুযোগ না থাকায় সাধারণ দরিদ্র পরিবারের সবাই ঢাকামুখী। কেননা দেশের সব কলকারখানা ঢাকা-চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নওগাঁ, সিলেট জেলায়। গাজীপুর জেলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন বিদ্যমান। গাজীপুরে প্রায় ৭৫ শতাংশ গার্মেন্ট কারখানা বিদ্যমান রয়েছে। সাধারণ মানুষ ঢাকায় গিয়ে কেউ ১০, কেউ ১২, কেউ ১৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনে বিভিন্ন কলকারখানা বা ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। এই টাকা দিয়ে ঢাকায় নিজের জীবনযাপন আবার গ্রামে পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ কুলিয়ে উঠতে হাঁপিয়ে উঠতে হয় বারবার। কিন্তু কোনো উপায় থাকে না হাতে। এই কাজের সুযোগ যদি নিজের অঞ্চলে হয়, তাহলে নিজেকে স্বাবলম্বী করার সুযোগ পাবে। এ জন্য সরকারের উচিত উত্তরবঙ্গে কলকারখানা বা ফ্যাক্টরি স্থাপন জোরদার করা। অন্যথায় জীবন মানর উন্নয়ন সম্ভব না।

মোজাহিদ হোসেন 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

এ বছর যারা কোরবানি দিয়েছেন তাদের চামড়া নিয়ে বড় ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়ার ক্রেতা এবং বিভিন্ন এতিম খানার জন্য যারা চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন তাদের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু না কেউ চামড়া নিতে আসেনি। এদিকে চামড়া পচে গেলে দুর্গন্ধ শুরু হবে। অবশেষে অনেককে লোক ভাড়া করে চামড়া নদীতে ফেলতে হয়েছে, কেউ কেউ আবার মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে চামড়া খাত আজ গভীর সংকটে। পাইকাররা বছরের পর বছর লোকসানের কারণে গ্রামে চামড়া কিনতে যাননি। ট্যানারি মালিকদের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মের প্রভাব পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়েছে। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত চামড়াশিল্প। একসময় যে চামড়া ৩-৪ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৬০০-৭০০ টাকাতেও বিক্রি করা কঠিন। ফলে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]