ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় পড়া চলছে রায় শুনতে আদালতে রামিসার বাবা মেসিকে ছাড়াই হন্ডুরাসকে হারাল আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ সাংবাদিক দল বদলের উৎসব, ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনায় যোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২১ কক্সবাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করল ব্রাজিল শরীয়তপুরে উচ্ছ্বাসে মাতলেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই নতুন উপ-উপাচার্য নিয়োগ দুই দিনেও সিদ্ধান্ত হলো না শূন্যরেখায় আটকে থাকা ১০ জনের পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঘিরে উত্তেজনা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রাসুল (সা.) যেভাবে চুল রাখতেন রামিসা হত্যাকাণ্ড: আদালতে আনা হলো আসামি সোহেল-স্বপ্নাকে যুক্তরাষ্ট্রে উৎসবের কাছে গোলাগুলি, আহত ১২ মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে আজ থেকে সোনারগাঁয় ফয়জুলের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিতে মানববন্ধন সক্ষমতা বাড়াতে সুপরিকল্পিত বাজেটের তাগিদ টেকনাফ দিয়ে মাছ ধরা নৌকায় মানবপাচার প্রাকৃতিকভাবেই এইচআইভি দমনে সক্ষম দুই নারীর গল্প ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক নিশ্চিহ্নের পথে শেরেবাংলার জন্মভিটা শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ আম পাড়া নিয়ে ব্যস্ত মৌসুমি শ্রমিকরা মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০ জয়পুরহাটে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা
Nagad desktop

পোস্টার ও ব্যানারে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
পোস্টার ও ব্যানারে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে

বর্তমানে রাজশাহী শহরের বিভিন্ন সড়ক, দেয়াল, ফুটওভার ব্রিজ, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে অসংখ্য পোস্টার ও ব্যানার লাগানোর প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি, ব্যবসায়িক প্রচারণা কিংবা ব্যক্তিগত শুভেচ্ছাবার্তার নামে যত্রতত্র পোস্টার লাগিয়ে শহরের সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে নষ্ট করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নানা ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনমূলক পোস্টার শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত ছেয়ে ফেলছে। ফলে শহর অপরিচ্ছন্ন দেখায় এবং নাগরিকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সাইনবোর্ড বা ট্রাফিক নির্দেশনাও এসব পোস্টারের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়, যা জনসাধারণের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে হলে এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অতএব, এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নুশরাত জাহান অনন্যা
শিক্ষার্থী, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ

বাংলাদেশ–কেবল একটি মানচিত্র বা ভূখণ্ডের নাম নয়, এটি কোটি প্রাণের স্পন্দন, অজস্র ত্যাগের মহাকাব্য। যে মাটির প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে ৩০ লাখ শহিদের রক্ত আর লাখো মায়ের সম্ভ্রমের মূল্য, সেই মাটির সন্তান হতে পারা পরম সৌভাগ্যের। এ দেশের সবুজ শস্যখেত, আঁকাবাঁকা নদী আর ভোরের দোয়েলের শিস আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কতটা সমৃদ্ধ এক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। বাঙালি আবেগপ্রবণ জাতি, আর এই আবেগের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ ঘটে দেশপ্রেমে। সংকটে ও সংগ্রামে আমরা বারবার প্রমাণ করেছি, বুক পেতে বুলেট নেওয়া বুকগুলো কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে জানে না। একাত্তরের সেই অবিনশ্বর চেতনা আজও আমাদের ধমনিতে প্রবাহিত। তবে আজকের দিনে এসে বুকটা তীব্র অভিমানেও ভরে ওঠে। যখন দেখি আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলায় হানাহানি, দুর্নীতি আর বৈষম্যের কালো ছায়া পড়ে, তখন মনে হয়–এটাই কি চেয়েছিলেন আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা? বাংলাদেশ আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের অহংকার। শত প্রতিকূলতার মাঝেও এ দেশের মেহনতি মানুষ যেভাবে হাসিমুখে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়, তা বিশ্বের বুকে এক অনন্য নজির। আসুন, ভেদাভেদ ভুলে আমরা সবাই মিলে এই প্রিয় মাতৃভূমিকে সত্যি এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাই। আমাদের ক্ষুদ্র স্বার্থ যেন দেশের চেয়ে বড় না হয়। কারণ, বাংলাদেশ ভালো থাকলেই, ভালো থাকব আমরা সবাই।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট 
[email protected]

 

রামিসার  মামলার  দ্রুত রায়

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
রামিসার  মামলার  দ্রুত রায়

নারী ও শিশুর সম্ভ্রম ও অন্যান্য অধিকার রক্ষার জন্য নানাবিধ আইন-আদালত এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পরও পর্যবেক্ষকদের মতে এ ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি সাধিত হয়নি। বিশেষ করে নারীর সম্ভ্রমহানি মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনদাবি উঠেছে এগুলো কঠোরভাবে দমন করতে হবে। কয়েক দশক ধরে জনসাধারণের দাবি, এসব ঘটনায় শাস্তি হতে হবে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক। রামিসার সম্ভ্রমহানি ও খুনের ঘটনার পর এ দাবি আরও উচ্চকিত হয়ে উঠেছে। দোষীর মৃত্যুদণ্ড চাই। তার মানে বিচারকের রায় দেওয়ার কষ্টসাধ্য কাজটি সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরাই করে দিচ্ছেন অর্থাৎ অপরাধের বিষয়টি তাদের জানা। ফলে তারা এও জানেন যে, এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলা, নোয়াখালীর নুসরাত হত্যা মামলা, মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলাসহ জেলা জজ পর্যায়ের কয়েক হাজার মামলার রায় আপিল হিসেবে বিবেচনার জন্য উচ্চতর আদালতের বিচারকদের কাছে ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে অপেক্ষমান। উল্লেখ্য, ছগিরা মোর্শেদ খুনের মামলার চূড়ান্ত রায় হতে ২৬ বছর সময় লেগেছে। ইয়াসমিন খুনের মামলার রায় কার্যকর হতে ১৮ বছর এবং আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ড মামলার রায় কার্যকর হতে ১২ বছর সময় লেগেছিল। এ প্রেক্ষাপটে যত আন্তরিক আশ্বাসই দেওয়া হোক উচ্চতর পর্যায়ে আপিলের শুনানি নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকর হতে রামিসার পরিবার কত বছরে সুষ্ঠু বিচার পাবে তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েঁছে। অভিযুক্তদের স্বপক্ষে উকিল দেওয়া যাবে না, এমন দাবির বিরুদ্ধে একদল দাঁড়িয়ে গেছে, উকিল দেওয়া হয়েছে সরকারের দিক থেকে। বিষয়টি লঘু হওয়ার পথে।

মাসুদ আহমেদ
সাবেক সিনিয়র সচিব ও প্রজাতন্ত্রের সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল
[email protected]

অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সোনারগাঁও উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হাঁড়িধোয়া নদীটি মেঘনার অববাহিকার অংশ। একসময় এর স্বচ্ছ মিঠাপানিতে মাছসহ নানা জলজ প্রাণীর সমৃদ্ধ আবাস গড়ে উঠেছিল। কৃষিকাজ ও নৌপথে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নদীটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি হাঁড়িধোয়া নদীতে ফেলার ফলে নদীটি মারাত্মক দূষণের শিকার হয়েছে। পানির রং কালো হয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ এবং বিলীন হতে বসেছে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী। দূষণের কারণে নদীর পানি কৃষিকাজের জন্যও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি কচুরিপানার কারণে নৌ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত এই নদীকে রক্ষায় শিল্পকারখানাগুলোতে কার্যকর ইটিপি স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

মোহাম্মদ নাছাত
শিক্ষার্থী, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

এ বছর যারা কোরবানি দিয়েছেন তাদের চামড়া নিয়ে বড় ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়ার ক্রেতা এবং বিভিন্ন এতিম খানার জন্য যারা চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন তাদের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু না কেউ চামড়া নিতে আসেনি। এদিকে চামড়া পচে গেলে দুর্গন্ধ শুরু হবে। অবশেষে অনেককে লোক ভাড়া করে চামড়া নদীতে ফেলতে হয়েছে, কেউ কেউ আবার মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে চামড়া খাত আজ গভীর সংকটে। পাইকাররা বছরের পর বছর লোকসানের কারণে গ্রামে চামড়া কিনতে যাননি। ট্যানারি মালিকদের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মের প্রভাব পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়েছে। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত চামড়াশিল্প। একসময় যে চামড়া ৩-৪ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৬০০-৭০০ টাকাতেও বিক্রি করা কঠিন। ফলে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যা এখন এক সামাজিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন খবরের কাগজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসে কোনো না কোনো শিশুর আর্তনাদ। ধর্ষণের পর হত্যা, লাশ গুমের চেষ্টা–প্রতিটি ঘটনাই সাময়িকভাবে আমাদের বিবেক নাড়া দেয়, রাজপথে মানববন্ধন হয়, প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ। কিন্তু সময়ের নিয়মে একসময় সবকিছু স্তব্ধ হয়ে যায়। কেবল থামে না স্বজনদের কান্না আর বিচারহীনতার দীর্ঘ অপেক্ষা।

‎২০২৫ সালের মার্চে আট বছরের শিশু আছিয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। আদালত মূল আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও এক বছরেও সেই রায় কার্যকর হয়নি। আইনি জটিলতা ও আপিলের দীর্ঘসূত্রতায় ন্যায়বিচার আজ বন্দি। আছিয়ার ঘটনার পর গত এক বছরে আরও ঘটেছে শত শত  নির্যাতনের ঘটনা। সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার ধর্ষণ ও বর্বর হত্যার ঘটনা দেশকে আবারও শোকাহত করেছে। একটি শিশুর মাথা খণ্ডিত করে হত্যা–এমন নৃশংসতা কেবল কোনো অপরাধ নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ আঘাত। ‎এখনই সময় এই মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করার। তদন্তে গাফিলতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আছিয়া কিংবা রামিসা কেবল দুটি নাম নয়, এরা আমাদের সমাজব্যবস্থার ব্যর্থতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ কঠোরতায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেন আর কোনো নিষ্পাপ শিশুর জীবন এভাবে ঝরে না যায়।

‎‎নুসরাত জাহান অর্পিতা
‎গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]