ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

মির্জা আব্বাসের মামলার রায় পিছিয়েছে

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:০০ পিএম
মির্জা আব্বাসের মামলার রায় পিছিয়েছে
ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার রায়ের তারিখ পিছিয়েছেন আদালত। সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১৬ বছর আগে দায়ের করা এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করে এই আদেশ দেন।

মির্জা আব্বাসের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৩ বছরের কারাদণ্ড ও সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রত্যাশা করছেন দুদকের আইনজীবী। মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে দাবি করে এই প্রত্যাশা প্রকাশ করে সংস্থাটি। আর মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরীর দাবি, দুদকের আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট। দুদক অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে রায়ে মির্জা আব্বাস খালাস পাবেন বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় তৎকালীন মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে দুদক। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. শফিউল আলম এই মামলা করেন।

এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সংগতিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ২০০৮ সালের ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হুদা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ওই বছরের ১৬ জুন আদালত মামলায় আব্বাস ছাড়া আরও চারজন সাক্ষ্য দেন। তারা হলেন অ্যাডভোকেট এ কে এম শাহজাহান ও এনআরবি ব্যাংকের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নুরুল হোসেন খান, শাহজাহান মিয়া ও কাজী শিফাউর রহমান হিমেল।

প্রসঙ্গত, মির্জা আব্বাস বর্তমানে অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন।

বায়তুল মোকাররম এলাকায় সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
বায়তুল মোকাররম এলাকায় সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ-সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ।  

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, সাধারণ মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গত ৭ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন আবদুল্লাহ আল মামুন কৌশিক নামের এক ব্যক্তি। আবেদন নিষ্পত্তি না করায় পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি নিয়ে বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ চেয়ে করা আবেদন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন।

যৌন নির্যাতনের মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক রিমান্ডে

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:২৩ পিএম
যৌন নির্যাতনের মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক রিমান্ডে

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় তার বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী-আল-ফারাবীর আদালত এ আদেশ দেন। 

রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে রিমান্ডে চেয়ে আদালতে আবেদন করে। তাকে ৭ দিন রিমান্ডে চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে প্রত্যাহার করে গত শনিবার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরে গতকাল সোমবার রাতে কলেজের পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় এই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনা তদন্তে গঠিত হয় তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি। তদন্ত কমিটি এরই মধ্যে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা গত রবিবার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের ফটকে বিক্ষোভ করে। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরীর আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা। তবে ওই দিন বিকেলে একই দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কয়েকজন অভিভাবক। 

সাগর-রুনী হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১০৬ বার

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৬:৫২ পিএম
সাগর-রুনী হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১০৬ বার

১০৬ বারের মতো পেছাল সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালত আগামী ২ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এই আদেশ দেন আদালত।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার উপপরিচালক (এসআই) আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এদিন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এই তারিখেও আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন দিন ধার্য করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন। ঘটনার সময় সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং রুনী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। ওই ঘটনায় রুনীর ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর এ মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। এর চার দিন পর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

এরপর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত র‌্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। তখন থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে আছে র‌্যাব। 

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি নিয়ে শুনানি আজ

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫১ এএম
সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি নিয়ে শুনানি আজ

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আদেশ দিতে পারেন হাইকোর্ট। বিষয়টি হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের বেঞ্চের দিনের কার্যতালিকায় রয়েছে। 

এর আগে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ধার্য দিনে মালিকানার ক্রমধারা (চেইন অব টাইটেল) ও বাড়ির মানচিত্রসহ যাবতীয় নথিপত্র হাইকোর্টে জমা দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই দিন শুনানি শেষে আদেশের জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি (আজ) ধার্য করেন আদালত। 

তার আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন ও মামলার এফআইআর হাইকোর্টে জমা করা হয়। তবে আদালত তদন্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে বাড়িটির যাবতীয় নথিপত্র জমা দিতে বলেন। 

এরপর গত ১৬ জানুয়ারি মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়িসংক্রান্ত মূল নথি ও এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন এফিডেভিট করে এক সপ্তাহের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরের দিন ১৭ জানুয়ারি দুদককে ওই বাড়ি নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। 

সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে গত বছর রিট করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এতে দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১ নভেম্বর সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সম্পত্তি-সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে জমা করতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), গণপূর্ত বিভাগ এবং সালাম মুর্শেদীকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে অভিযোগ অনুসন্ধানে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনও আদালতে জমা করতে বলা হয়। অনুসন্ধান শেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি সালাম মুর্শেদীকে বাদ দিয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. ইয়াছির আরাফাত। ৮ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান প্রতিবেদন ও মামলার কাগজপত্র আদালতে জমা করে দুদক।

পরীমনির মাদক মামলা চলবে

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৯ পিএম
পরীমনির মাদক মামলা চলবে
ছবি : সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদক মামলার বিচার চলবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অ্যালকোহল সেবনের লাইসেন্স থাকায় তার বিরুদ্ধে শুধু অ্যালকোহল রাখার অভিযোগটি বাদ দেওয়া হয়। তবে আইস ও এলএসডির বিষয়ে নতুন করে অভিযোগ গঠন করতে বলা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রায় দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আতাবুল্লার বেঞ্চ। 

শুনানিতে পরীমনির পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও শাহ মনজুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পি।

২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে আইস, এলএসডি, অ্যালকোহলসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। এ বিষয়ে করা মামলায় পরীমনির ওই বছরের ৫ আগস্ট চার দিন ও ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছর ১৯ আগস্ট আরও এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট তৎকালীন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ জামিন মঞ্জুর করলে তিনি কারামুক্ত হন।

সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৪ অক্টোবর পরীমনিসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক নজরুল ইসলাম ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। অপর দুই অভিযুক্ত হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবীর হাওলাদার। 

এরপর মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনি। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১ মার্চ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। আজ সেই রুলের নিষ্পত্তি করে রায় দেওয়া হলো।