ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

বিটিআরসির সাবেক কমিশনারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:২৮ পিএম
বিটিআরসির সাবেক কমিশনারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৬৪ কোটি ৫২ লাখ ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধনের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক কমিশনারসহ ৮ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার ৮ আসামি হলেন- বিটিআরসি সাবেক কমিশনার আমিনুল হাসান, টেলিটকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) আজম আলী, বিটিসিএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজ উদ্দিন আহমদ, সাবেক পরিচালক (সংগ্রহ) মাকসুদুর রহমান আকন্দ, সাবেক জিএম অশোক কুমার মণ্ডল ও টিএনডি প্রকল্পের সাবেক কর্মকর্তা আতাউর রহমান।

এজাহারে বলা হয়, ২০১১ সালের ১৬ মে থেকে ২০১৫ সালের ৭ মে পর্যন্ত সময়ে আসামিরা নিজেদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য পরস্পরের যোগসাজশে জাইকা প্রদত্ত ঋণের ভিত্তিতে আহ্বান করা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করে এবং মূল্যায়ন কমিটি, পরামর্শক, জাইকাসহ সব কর্তৃপক্ষের কাছে অসৎ উদ্দেশ্যে এসব তথ্য গোপন করেছেন। 

আসামিরা সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অনিয়ম-জালিয়াতি ও কালক্ষেপণের কারণে ৮০৪ কোটি জাপানি ইয়েন বা ৫২১ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা সমমানের অতি সহজ শর্তের (০.০১% সুদে ১০ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ৪০ বছরে পরিশোধযোগ্য) লট-বি এর জন্য বরাদ্দ করা ২৫৩ কোটি ৫০ লাখ জাপানি ইয়েন বা ১৬৪ কোটি ৫২ লাখ ১৫ হাজার টাকা (তৎকালীন হিসাবে) দাতা সংস্থা জাইকা ২০১৫ সালের ৭ মে ফেরত নিয়ে যায়। এতে রাষ্ট্র একটি বড় ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় এবং রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি সাধন হয়। এই অপকর্মে আসামিরা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হন। এতে তারা দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ৫১১, ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে আদালত সূত্র জানায়। 

ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৫ এএম
ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান
ছবি: খবরের কাগজ

ত্রুটিপূর্ণ ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ৩৬ ঘন্টায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার এবং মোটরসাইকেলসহ ৪৮৮টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ ।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) থেকে এই অভিযান শুরু হয়। 

এই অভিযানের ফলে ফিটনেসবিহীন এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন রাস্তায় চলাচল করা লক্ষণীয়ভাবে কমে যাবে বলে আশা করা যায়। 

চলমান এই অভিযানে বিভিন্ন ব্যানারে চলাচলরত বাসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে রাইদা, শ্যামলী, রাজীব, শরীয়তপুর সুপার, বাহাদুর শাহ, পদ্মা, গাবতলী ৮নং, বলাকা, তুরাগ, হানিফ, আবাবিল, অনাবিল সুপার, বোরাক, বিহঙ্গ, পাহাড়িকা, মেঘনা ডিলাক্স, ট্রান্সসিলভা, বিকল্প, ইমরান, শিকড়, ইমাদ, গ্রিন এক্সসেস, হানিফ, জেদ্দা বাস, বিএমএফ বাস, রাজধানী, রমজান, আশিয়ান, মিয়ামি, সেবা, দিঘীরপাড়, সেবা সুপার, তিশা, অনন্যা সুপার, লাবিবা, শ্রাবণ, ইভান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবহন,  ইউরো পরিবহন, চৌধুরী পরিবহন, জয় পরিবহন, সুরমা সুপার, সাজ্জাদ বাস, সেভেন স্টার, আনন্দ, সাকুরা, সুন্দরবন ও চৌধুরী পরিবহন। 

তাছাড়া নিষিদ্ধ সময়ে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি যাতে মহানগরীতে প্রবেশ করে যানজট সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

এনাম আবেদিন/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

বিজিপির আরও ৫ সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৫৫ এএম
বিজিপির আরও ৫ সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে
ছবি : সংগৃহীত

মায়ানমার চলমান সংঘাতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে টিকতে না পেরে নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মায়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ৫ সদস্য। এ নিয়ে এখন ১৪ জন বিজিপি সদস্য বিজিবির হেফাজতে রয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে এই ৫ বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

এর আগে রবিবার ভোরে অস্ত্রসহ ৯ বিজিপি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে রবিবার সকাল ও রাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ঝিমংখালী ও খারাংখালী সীমান্ত দিয়ে মায়ানমার ১৪ জন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। 

এদিকে, গত ৩০ মার্চ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলার জামছড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে ১৭৭ জন বিজিপি সদস্য। এরপর মায়ানমার সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর আরও ৩ জন সদস্য তুমব্রু সীমান্ত এলাকা কোনাপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবির স্কুলে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

এ নিয়ে সর্বমোট ১৯৪ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশের আশ্রয়ে রয়েছে।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে চলমান অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমার সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে ১৫ দিন পর কক্সবাজারের ইনানী নৌবাহিনীর জেটি দিয়ে সাগরপথে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শাহীন/অমিয়/

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসনসহ গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হোক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৫ পিএম
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসনসহ গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হোক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে কথা বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যুদ্ধ নয়, শান্তির পক্ষে এবং আমরা চাই ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসনে যেসব রাষ্ট্রের ভূমিকা রাখার কথা, তারা কার্যকর ভূমিকা নিক এবং গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হোক।’

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিয়মের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে হামলার বদলা হিসেবে শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে তেল আবিব, পশ্চিম জেরুজালেমসহ ইসরায়েলজুড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মত জানতে চাওয়া হয়।

এ সময় ড. হাছান বলেন, ‘ইসরায়েল সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে হামলা করায় ইরান এ আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, অন্যথায় এটি হতো না। ইরান ‘রিটালিয়েট’ করেছে-ইরানের বক্তব্য তাই।’ 

তিনি বলেন, ‘যেসব রাষ্ট্রের ভূমিকা রাখার কথা, তারা ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসনে এবং গাজায় যে নির্বিচারে মানুষ হত্যা হচ্ছে, অবিলম্বে সেই হত্যাযজ্ঞ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।’

ড. হাছান বলেন, ‘আমরা কখনোই যুদ্ধ-বিগ্রহের পক্ষে নই, আমরা শান্তির পক্ষে।’

অপহৃত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহ উদ্ধার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সর্বাত্মক তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে জিম্মি নাবিক ও জাহাজ নিরাপদে উদ্ধার হয়েছে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ১০০ নটিক্যাল মাইল এগিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর সহযাত্রী হয়েছে।’

সক্রিয় ভূমিকার জন্য জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান কেএসআরঅএম গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দক্ষিণ সীমান্তে মায়ানমারের আরও ৯ বিজিপি সদস্যের দেশে প্রবেশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আগের ১৮০ জনসহ সবাইকে ফেরত পাঠানো নিয়ে কাজ চলছে।’

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র : ইউএনবি

সালমান/ 

 

মুক্তিপণ নিয়ে তীরে পৌঁছানোর পর ৮ জলদস্যু গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১৫ পিএম
মুক্তিপণ নিয়ে তীরে পৌঁছানোর পর ৮ জলদস্যু গ্রেপ্তার
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ৩২ দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিককে। মুক্তিপণ পেয়ে জাহাজ ও নাবিকদের ছেড়ে চলে যায় দস্যুরা। তবে তীরে পৌঁছানোর পর ৮ জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। 

রবিবার (১৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সোমালিয়ার স্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘গারোই অনলাইন’। 

সোমালিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করে রাখা ৮ জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করেছে পুন্টল্যান্ড পুলিশ। তবে তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের কোনো অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে কি-না বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

এদিকে দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি সোমালিয়া ও ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে জলদস্যুদের ৫০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। 

দুই দস্যু রয়টার্সকে জানিয়েছে, দুই দিন আগেই মুক্তিপণের অর্থ পেয়ে যায় তারা। পরে সেগুলো আসল নাকি নকল সেটি যাচাই করে তারা। এরপর মুক্তিপণের অর্থ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে পালিয়ে যায় তারা। 

গত ১২ মার্চ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জাহাজে থাকা ২৩ নাবিককে জিম্মি করে দস্যুরা। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। দীর্ঘ ৩২ দিন পর মুক্তি পেল জাহাজ ও নাবিকরা। সূত্র : গারোই অনলাইন

সালমান/

কত মুক্তিপণে ছাড়া পেলেন নাবিকরা, জানাল সোমালি গণমাধ্যম

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৪ পিএম
কত মুক্তিপণে ছাড়া পেলেন নাবিকরা, জানাল সোমালি গণমাধ্যম
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের নাবিকরা। ছবি : সংগৃহীত

মুক্তিপণ দিয়ে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ ও ২৩ নাবিককে মুক্ত করা হয়েছে। তবে জাহাজ ও নাবিকদের মুক্তি করতে কত টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে তা নিয়ে মুখ খুলেনি জাহাজটির মালিকপক্ষ। 

মুক্তিপণ নিয়ে আলোচনা না করতে কনফারেন্সিয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে বলে জাহাজটির মালিকপক্ষ কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম জানিয়েছেন।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের করপোরেট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা উদ্ধার প্রক্রিয়া হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধার করেছি। আমাদের সঙ্গে তাদের কনফারেন্সিয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে মুক্তিপণের বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। সেই অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে পারব না। কারণ এটা আমি সই করেছি।’ 

তবে সোমালি সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি সোমালিয়া ও ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে জলদস্যুদের ৫০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। 

দ্য ডেইলি সোমালিয়া জানিয়েছে, দস্যুরা মুক্তিপণ পেয়ে সোমালিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুটল্যান্ডের উপকূলে যায়। সোমালিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন তাদের ধরতে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশি জাহাজ ও নাবিকদের মুক্তি করতে জলদস্যুদের ৫০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে। দুই দস্যুর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছে তারা। 

এদিকে ওই দুই দস্যু রয়টার্সকে জানিয়েছে, দুই দিন আগেই মুক্তিপণের অর্থ পেয়ে যায় তারা। পরে সেগুলো আসল নাকি নকল সেটি যাচাই করে তারা। এরপর মুক্তিপণের অর্থ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে পালিয়ে যায় তারা। 

গত ১২ মার্চ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জাহাজে থাকা ২৩ নাবিককে জিম্মি করে দস্যুরা। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। দীর্ঘ ৩২ দিন পর মুক্তি পেল জাহাজ ও নাবিকরা। সূত্র : দ্য ডেইলি সোমালিয়া ও রয়টার্স

সালমান/