মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রদ্ধা । খবরের কাগজ
ঢাকা ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৬ পিএম
মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রদ্ধা
ছবি : খবরের কাগজ

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা।

রাজু/সালমান/

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়নের ১৭ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ১১:০৫ পিএম
শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়নের ১৭ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়নের ১৭ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। বহিষ্কার ছাত্রনেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি রাগীব-নাঈমও রয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২১ মে) চিঠি দিয়ে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। ১৭ ছাত্রনেতার সবাই ছাত্র ইউনিয়ন (রাগীব-রাকিব) অংশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। বহিষ্কৃত অন্যরা হলেন- তামজীদ হায়দার চঞ্চল, জয় রায়, শিমুল কুম্ভকার, বিল্লাল হোসেন, সাব্বির হোসেন রাজ, জাওয়াদুল ইসলাম, নাজিফা জান্নাত, লেনিক চাকমা, মাহমুদা দীপা, আসিফ জামান, রথীন্দ্রনাথ বাপ্পী, মেহেদী হাসান, মনীষা ওয়াহিদ, পার্থ প্রতীম সরকার, আবু বক্কর এবং নজির আমীন চৌধুরী জয়।

এই ছাত্রনেতাদের কাছে পাঠানো সিপিবির সভাপতি মো. শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আপনি বারবার ছাত্র গণসংগঠন সংক্রান্ত পার্টির সিদ্ধান্ত অমান্য করেছেন। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আপনাকে অবহিত করে পার্টির সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও আপনি পার্টির সিদ্ধান্ত অমান্য করে চলেছেন।’ 

ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি রাগীব-নাঈমকে গঠনতন্ত্রের ১২.৫ এবং অন্যদের ১২.১ ধারা অনুযায়ী দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

২০২১ সালে ছাত্র ইউনিয়নের ৪০তম জাতীয় সম্মেলনের পর থেকেই সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে পড়েন। পরে উভয় অংশ সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি করে আলাদাভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। বর্তমানে ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ রাগীব-রাকিব ও অন্য অংশ দীপক-মাহিরের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। সিপিবির বর্তমান নেতৃত্ব দীপক-মাহির নেতৃত্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দীপক-মাহির নেতৃত্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নের আসন্ন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাগীব-রাকিব নেতৃত্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নের পার্টি সদস্যদের অন্য অংশে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন সিপিবির নেতারা। নির্দেশনা অমান্য করায় গত ৮ এপ্রিল বহিষ্কৃত ছাত্রনেতাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় সিপিবি। 

 

রাজধানীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৯:১৭ পিএম
রাজধানীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি : সংগৃহীত

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা ও সাজা প্রত্যাহার করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। 

মঙ্গলবার (২১ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিল থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানের সাজা প্রত্যাহারসহ সংগঠনের বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাসিরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্লোগান দেন।

ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম এরশাদের নেতৃত্বে মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুরের ২৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সাব্বির আহমেদ, ৩১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম, শেরে বাংলা নগর থানা ছাত্রদল নেতা আরমান হোসেন, আদাবর থানা ছাত্রদল নেতা এমরান হোসেন ইমরান, মিরপুর মডেল থানা ছাত্রদল নেতা ওবাইদুল্লাহ, রূপনগর থানা ছাত্রদল নেতা ফয়সাল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদল নেতা জহিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল নেতা শামসুল হক, হৃদয় হোসেন, আবু হোরায়রা সাদি, ইকরামুল হাসান প্রমুখ।

শফিক/এমএ/

ঋণখেলাপি-অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রকাশের আলটিমেটাম গণসংহতি আন্দোলনের

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৮:৪৫ পিএম
ঋণখেলাপি-অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রকাশের আলটিমেটাম গণসংহতি আন্দোলনের
ছবি : সংগৃহীত

ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের নামের তালিকা প্রকাশের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। এর মধ্যে তালিকা প্রকাশ না করলে গণতান্ত্রিক দলগুলোকে নিয়ে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। 

মঙ্গলবার (২১ মে) ‘ব্যাংক লোপাট ও অর্থপাচার রুখে দাঁড়ান, ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারিদের তালিকা প্রকাশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন, জবাবদিহিতা দিতে হবে’ এই দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি থেকে এই হুশিয়ারি দেন জোনায়েদ সাকি। 

এর আগে জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও করতে যায়। নটর ডেম কলেজের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি শাপলা চত্বর ওভারব্রিজের কাছে আসলে থামিয়ে দেয় পুলিশ। এসময় পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। তারপর সেখানেই রাস্তায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে দলটি। 

সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সমস্ত অর্থ পাচারকারী ও ঋণখেলাপিদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। আর তা না করলে আমরা আবার আসব। আজকে আমরা যতজন আরও বেশি সংখ্যায় আসব। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে আসবে। শুধু আমরা আসব না, আমাদের আরও গণতান্ত্রিক বন্ধুরা আসবে। এই অফিসে (বাংলাদেশ ব্যাংক) থাকতে হলে আপনাদের এই ব্যবস্থা নিতে হবে। হয় আপনারা এই অফিসে থাকবেন, ব্যাংকের কর্মকর্তা থাকবেন আর না হয় ছেড়ে চলে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় বাংলাদেশের ব্যাংক ও ব্যাংকের সম্পদ সুরক্ষিত থাকুক। কিন্তু যারা ব্যাংকগুলোকে ভেতর থেকে ফোকলা বানিয়ে ফেলেছে। যখন একটা দেশে ‘সরকার বৈধ’ হয় তখন ‘আইন’ মানার প্রশ্ন আসে কিন্তু এই ‘সরকার অবৈধ’, এই সরকারের সমস্ত নির্দেশ অবৈধ, এই সরকারের কোনো নির্দশ মানতে জনগণ বাধ্য নয়। এই সরকার যত আইনই দেখাক,মানুষের ভোটেও তো এরা নির্বাচিত নয়।

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, জনগণের সঞ্চিত টাকাকে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে কতিপয় ‘চিহ্নিত’ লুটেরা। ব্যাংক লোপাটকারীদের নাম দেশের জনগণকে জানাতে হবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ বাধ্য হবে। জনগণের বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে। জনগণের সম্মিলিত জাগরণের মুখে ফ্যাসিবাদের পতন অবশ্যম্ভাবী।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হাসান মারুফ রুমী, তাসলিমা আখতার, মনির উদ্দীন পাপ্পু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, দীপক রায়, তরিকুল সুজন, কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান মোল্লা ও আরিফ দেওয়ান প্রমুখ।

ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে: কাদের

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম
ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে: কাদের
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ওপর ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

মঙ্গলবার (২১ মে) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেটা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মিশনকে জেনারেল আজিজের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। জেনারেল আজিজের বিষয়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটা ভিসানীতির প্রয়োগ নয়, এটি অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন আইনের প্রয়োগ। এটা নিয়ে আমি আর কিছু বলব না। এ নিয়ে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেছেন। আমরা এতটুকুই জানি, এটুকুই বললাম।’

আজ অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। যা ভোট পড়েছে, সেটাকে খুব বেশি ভালো বলা যাবে না। বলব মোটামুটি ভালো হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে টার্ন আউট (ভোটার উপস্থিতি) নিয়ে আমার মনে হয় বেশি কথার বলার প্রয়োজন নেই।’ 

ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপিসহ সমমনাদের অবিরাম মিথ্যাচার মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। টিআইবির অপপ্রচারও আছে। আরও কিছু নামিদামি বুদ্ধিজীবী আছেন, তারাও মিথ্যাচার-অপপ্রচার করে মানুষের আগ্রহ নষ্ট করেছেন ভোটের ব্যাপারে। তবে তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ এবং ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক।’ 

তিনি অতীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়, এটা বলা যাবে না। কিছু সংঘাত, প্রাণহানি ঘটে। এখানে আমাদের ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে ক্যাজুয়ালটি নেই।’ 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ। 

আ.লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: জামাল হায়দার

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৫:২৯ পিএম
আ.লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: জামাল হায়দার
ছবি : খবরের কাগজ

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এখন প্রতিবেশী দেশের নিয়ন্ত্রিত। তাদের সর্বময় সহযোগিতা করছে আওয়ামী লীগ সরকার। এখন প্রয়োজন সবাইকে আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলা। 

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

‘আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন ও আজকের বাংলাদেশ এবং মরহুম শফিউল আলম প্রধান এর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী’ উপলক্ষে স্মরণ সভায় আয়োজন করে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা। 

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি কৃতদাস সরকার। এই সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। এই সরকার আজ জুলুম নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে আছে। আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় করব, ইনশাআল্লাহ।’

শফিউল আলম প্রধানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমার রাজনৈতিক জীবনে দুইজন মানুষকে গর্জে উঠতে দেখেছি। একজন আমার নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, আরেকজন জাগপার প্রয়াত সভাপতি মরহুম শফিউল আলম প্রধান। এই দুইজন নেতা দেশের জন্য সত্য উচ্চারণে ছিলেন আপোষহীন। আমি তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ‘সুশাসন ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়ানক পথের দিকে এগুচ্ছে। এজন্য এই সরকারের আমলাতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র দায়ী। আজ দেশের প্রয়োজনে কোনো ভেদাভেদ নয়, ঐক্য প্রয়োজন। এই ঐক্যের মাধ্যমেই এই জুলুমবাজ আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায় ঘটবে।’

সভাপতির বক্তব্যে জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, আমার মরহুম পিতা শফিউল আলম প্রধান এবং মরহুমা মাতা অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। আমিও দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবো।

তিনি বলেন, ‘এদেশের মাটির পবিত্রতা রক্ষার জন্য সর্বপ্রথম আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ করতে হবে। তাহলে দেশের জনগণের মুক্তি সম্ভব। আগামী আন্দোলনের মাধ্যমে এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায় করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব, ইনশাআল্লাহ।’

যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু পরিচালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ১২ দলীয় মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মিয়া মসিউজ্জান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ মুসলীম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান প্রমুখ।

শফিকুল ইসলাম/অমিয়/