ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব পার হওয়া

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪, ১১:৪০ এএম
আপডেট: ১৬ মে ২০২৪, ১১:৪০ এএম
লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব পার হওয়া
ছবি : সংগৃহীত

আইসিসির যে কোনো আসর মানেই বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা। কিন্তু ২২ গজের সেনানিরা খুব কম সময়ই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছেন। দুই/একবার বাদ দিলে প্রত্যাশার ধারের কাছেও যেতে পারেননি। যে কারণে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দেশবাসীকে কোনো রকম প্রত্যাশা না করার আহ্বান জানালেও পরোক্ষণেই তিনি জানান তারা প্রত্যাশা রাখবেন। তাদের সেই প্রত্যাশা ভালো খেললে পূরণ করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়কের বলা কথার উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হলো খবরের কাগজের পাঠকদের জন্য।


দল নির্বাচনে কী ইনপুট ছিল?

দল নির্বাচনের বিষয়টা নিয়ে আমরা অনেক আগে থেকেই আলোচনা করছিলাম। তিন নির্বাচক এবং কোচ। শুধু জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে যে শুরু হয়েছে তা না। এর আগে থেকেই আমাদের মধ্যে কথাবার্তা চলত। আমরা কোন কম্বিনেশনে যাব। ইনপুট যদি বলেন আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং প্রত্যেকটা মিটিংয়ে আমি ছিলাম, কোচ ছিলেন পাশাপাশি তিন নির্বাচক তো ছিলেন। আমাদের সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত এটা।

সাইফউদ্দিন নেই কিন্তু তানজিম সাকিব আছেন?

সাইফউদ্দিন এবং সাকিবের ক্ষেত্রে আসলে সাকিবের বলের পেসটা সাইফউদ্দিনের চেয়ে একটু বেশি। সাইফউদ্দিনের কাছ থেকে আমরা যা আশা করছিলাম সেখানে মনে হয় একটু কমবেশি ছিল। বিস্তারিত বলতে চাই না। দুজনই খুব ক্লোজ ছিল। সাকিবের ওপর আমাদের আত্মবিশ্বাসটা কিছুটা বেশি ছিল। ওভারল এবং কন্ডিশন বিবেচনা করে আমাদের মনে হয়েছে সাকিব বেটার অপশন হবে।

কেন লিটন দলে?

লিটন আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। যদিও কয়েকটা সিরিজ ভালো যায়নি। এটা আমি বিশ্বাস করি এটা হতে পারে। শেষ মুহূর্তে আমরা কেউই চাইনি নতুন একজন দলে চলে আসুক। এ রকম বড় টুর্নামেন্টের আগে তার জন্য হয়তো কঠিন হবে। এ জন্য আমরা অভিজ্ঞতাকে মূল্য দিয়েছি। আমি আশা করি লিটন ভালো করবে ইনশাআল্লাহ।

প্রত্যাশা না রাখার আহ্বান জানানোর পর এখনকার প্রত্যাশা কী?

আমি যে কথাটা বলেছিলাম তারপরেও বাংলাদেশের সবাই প্রত্যাশা করবেই। আমি নিজেও প্রত্যাশা করি এবং প্রত্যেকটা প্লেয়ার প্রত্যাশা করবে আমরা অনেক ভালো ক্রিকেট খেলব। যদি ছোট ছোট পরিকল্পনা নিয়ে আগাই, কীভাবে গ্রুপ পর্বটা পার করব তাহলে পরিকল্পনা করা সহজ হয়। আমাদের গ্রুপ খুব একটা দুর্বল তা বলব না। যদি এটা পার করতে পারি তখন আবার আলাদাভাবে পরিকল্পনা করতে পারব। টি-টোয়েন্টিতে আমি বিশ্বাস করি ছোট দল বড় দল বলে কিছু নেই। নির্দিষ্ট দিনে যদি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি তাহলে যেকোনো দলকে হারানো সম্ভব।

তাসকিন নিয়ে কী আশা?

এমন আশা করছি না তাসকিন থাকবে না। আশা করছি তাসকিন সুস্থ হয়ে যাবে। প্রথম ম্যাচ থেকেই পাওয়া যাবে। দলের অন্যতম সেরা বোলার এবং মূল বোলার বলব। না থাকতে পারলে যে ব্যাকআপ অপশন আছে তা নিয়ে এগুতে হবে। আমার মনে হয় সে প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

অনেক দিন পর দলে লেগ স্পিনার...

আলহামদুলিল্লাহ্ আমাদের খুব ভালো একজন লেগ স্পিনার আছে। সে প্রায় সব ম্যাচেই পারফর্ম করছে বোলিং এবং ব্যাটিংয়ে। সে অন্যতম সেরা ফিল্ডার আমার মনে হয়। সেরাটা দিতে পারলে দল অনেক এগুবে। বাড়তি কোনো চাপ দিতে চাচ্ছি না। সে যা করতে পারে, তা করতে পারলে দলের জন্য ভালো কিছু হবে।

শান্ত ও লিটনের খারাপ পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে

লিটন এবং আমার কথা যা বললেন আমার মনে হয় না এটা খুব ভালো উইকেটে আমরা খেলেছি ইভেন চট্টগ্রামেও। অবশ্যই রানে থাকলে দলের জন্য ভালো। আমরা শেষ মুহূর্তে চাইনি নতুন কেউ চলে আসুক। আমরা চেয়েছি যে দলটা আমাদের থাকবে তা নিয়ে বিশ্বকাপে যাব।

রিয়াদের খেলার ধরন কী হবে?

রিয়াদ ভাই যেভাবে ফিরেছে ওনার যে কাজটা আছে এর ফলে দল অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। ফিনিশিং রোলে এটা আমাদের জন্য বাড়তি সুযোগ যে আমরা ভালো একটা স্কোর দাঁড় করাব। তরুণদের জন্য অবশ্যই অনুপ্রেরণা যে কীভাবে এ রকম পরিস্থিতি থেকে কামব্যাক করা যায়।

সাকিব-রিয়াদের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ নিয়ে দলের পরিকল্পনা কী?

শেষ বিশ্বকাপ কিনা জানি না। আমরা অবশ্যই চাইব এটা তাদের ভালো একটা মেমোরি দেওয়া। অবশ্যই এটা আমাদের দায়িত্ব। উনাদের যে রোলটা আছে, উনারা যদি তা করতে পারে অবশ্যই দল উপকৃত হবে। উনাদের অভিজ্ঞতা যা আছে তা যদি প্রত্যেকটা প্লেয়ারের মধ্যে ছড়িয়ে দেন তাহলে আমরা অনেক ভালো অবস্থানে থাকব।

এবার ভালো কোনো ফল হবে কি?

আশা তো করছি। নির্দিষ্ট দিনে সবার দায়িত্ব পালন করাটা জরুরি। আমি আশা করি সবাই সবার জায়গা থেকে তা করবে। আমার যেসব জায়গায় কাজ করার দরকার সেগুলো আমি করছি। আশা করি আমি ভালোভাবেই কামব্যাক করব বিশ্বকাপে।

বোলিং ইউনিটের ওপর প্রত্যাশা কেমন?

আমাদের বোলিং ডিপার্টমেন্ট আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। বোলাররা ভালো করলে জেতার সম্ভাবনা থাকে বেশি। টি-টোয়েন্টিতে বোলাররা বেশি ম্যাচ জেতায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আশা করি স্পিন সহায়ক হবে। স্পিনে আমাদের ভালো ভ্যারিয়েশন আছে।

টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডারদের শীর্ষে স্টয়নিস, তিনে সাকিব

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৪৯ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৪৯ পিএম
টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডারদের শীর্ষে স্টয়নিস, তিনে সাকিব
ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান পা রেখেছিলেন অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থেকেই। প্রথম দুই ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্সের পর পাঁচে নেমে গিয়েছিলেন তিনি র‌্যাঙ্কিংয়ে। নেদারল্যান্ডস ও নেপালের বিপক্ষে পারফর্ম করে দুই ধাপ এগিয়ে সাকিব এখন তিনে। তবে সবার ওপরে এখন অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার মার্কাস স্টয়নিস।

গত সপ্তাহে শীর্ষে ছিলেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। তিনি এ সপ্তাহে নেমে গেছেন চারে। তাকে হটিয়ে শীর্ষে ওঠা স্টয়নিস গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে ২ উইকেট শিকার করতে খরচ করেছিলেন মাত্র ৯ রান। এরপর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ৫৯ রানের এক অনবদ্য ইনিংস।

উইন্ডিজের বাঁ-হাতি স্পিনার দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন বল হাতে। এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে তিনি শিকার করেছেন ৯ উইকেট। এই পারফরম্যান্সে ৬ ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে দুইয়ে উঠে এসেছেন আকিল। দারুণ বোলিং করছেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনও। চলমান বিশ্বকাপে তার শিকার ৭ উইকেট। এই পারফরম্যান্সে ক্যারিয়ার সেরা ৫৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিন ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৭ নম্বর অবস্থানে আছেন তিনি।

নেপালের বিপক্ষে ভালো বোলিং করেও এক ধাপ পিছিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার বর্তমান অবস্থান ১৪। তাকে পেছনে ফেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার গুদাকেশ মোতি। বোলারদের মধ্যে শীর্ষে যথারীতি ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ।

টি-টোয়েন্টির ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে বহাল তবিয়তে আছেন সূর্যকুমার যাদব। কোনো রদ-বদল হয়নি শীর্ষ চার স্থানে।

তাওহিদ হৃদয় বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে ভালো পারফর্ম করে এই ফরম্যাটের র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন ৩২ ধাপ। তার অবস্থান ৩০ নম্বরে।

চলে গেলেন বিসিবির পরিচালক আলমগীর খান

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
চলে গেলেন বিসিবির পরিচালক আলমগীর খান
ছবি : সংগৃহীত

বেশ কিছু দিন অসুস্থ থাকার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর খান আলো মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অসুস্থতা থেকে সেরে উঠতে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রেও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সুস্থ হতে পারলেন না এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে বনানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক।

আলমগীর আলোর বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে পদচারণা দীর্ঘদিনের। বরিশাল জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার দায়িত্ব পালন ছাড়াও সম্পৃক্ত ছিলেন দেশের দুই শীর্ষ ক্রীড়া ফেডারেশন ফুটবল ও ক্রিকেটে।

কয়েক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাহী সদস্য হিসেবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে যাকে চান ইউনিস খান

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১৪ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১৪ পিএম
পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে যাকে চান ইউনিস খান
ছবি : সংগৃহীত

২০২১ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলেও শিরোপা জেতা হয়নি পাকিস্তানের। এবারের আসরে তো বিদায় নিতে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর অধিনায়কত্ব ছাড়া বাবর আজমকে আবারও নেতৃত্বে ফিরিয়েছিল পাকিস্তান শাহিন শাহ আফ্রিদিকে হটিয়ে। তাতেও লাভ হয়নি, মিটেনি পাকিস্তানের কাঙ্ক্ষিত শিরোপা খরা। ভারতের পর হারতে হয়েছে নবাগত যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও।

এমন হতাশার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আবারও চাউর হয়েছে বাবর আজমের নেতৃত্ব ও পাকিস্তানের পুরো দলের সমালোচনা। বাবরকে অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান না পাকিস্তানের ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইউনিস খান। তিনি পাকিস্তানের নেতৃত্বে দেখতে চান দলের বাঁ-হাতি মারকুটে ব্যাটার ফখর জামানকে।

পিটিভি স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘ফখর জামান কেন পাকিস্তানের অধিনায়ক হতে পারবে না? সে কি পারফর্মার নয়? সে কি গত ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভালো করেনি? কে সেই বিশ্বকাপে আমাদের আশা দেখিয়েছিল? ফখরের (২০২৩ ওয়ানডে) বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি, তবে দ্বিতীয় ভাগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলেই পাকিস্তান সাফল্য পেয়েছিল।’

ফখর জামান একজন ওপেনার হলেও দলের প্রয়োজ়নে তিনি বেশ কয়েকবার নিজের ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করেছেন। দলের জন্য তার এই ত্যাগের ‘প্রশংসা করে  ইউনিস বলেন, ‘কে দলের জন্য নিজের ওপেনিং স্লট ছেড়ে দিয়েছে, চার-পাঁচ-ছয় নম্বরে ব্যাটিং করছে? কে নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছে? ফখর জামান। সে কেন অধিনায়ক হতে পারবে না?’

আবারও অধিনায়কত্ব ফিরে পাওয়া বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান আরেকটি হতাশাজনক আইসিসি আসর শেষ করার পর প্রশ্ন উঠেছে তার অধিনায়কত্ব নিয়ে। এমন ভরাডুবির পর অধিনায়ক হিসেবে তিনি থাকবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত পিসিবির ওপর ছেড়ে দিয়েছেন বাবর।

নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছেন না উইলিয়ামসন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৫৯ পিএম
নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছেন না উইলিয়ামসন
ছবি : সংগৃহীত

সবশেষ কয়েকটি বিশ্বকাপে ফেবারিট হয়ে মাঠে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা ঘরে তুললেও বাকিগুলোতে খেলেছিল অন্তত সেমিফাইনাল। কিন্তু, এবার বাদ পড়তে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। এমন ব্যর্থ আসর শেষে কেইন উইলিয়ামসনের সামনে প্রশ্ন এসেছিল তিনি আর কতদিন খেলতে চান এই সংস্করণে, উত্তরে অবশ্য কিছুই খোলাসা না করলেও তিনি জানিয়েছিলেন নিজের টি-টোয়েন্টির ভবিষ্যত তিনি অনিশ্চিত।

এমন কথার ঠিকঠাক দুদিন না পেরোতেই অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সময়ের এই সেরা ব্যাটার। এমনকি ২০২৪-২৫ মৌসুমের জন্য নিজের নামও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে। তবে জাতীয় দলে খেলা চালিয়ে যেতে চান তিনি। নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য বিরতিও চেয়েছেন তিনি। সেই সময়টায় খেলতে চান বিদেশি লিগগুলোতে।

কেইন উইলিয়ামসন বলেন, ‘সব ফরম্যাটে দলকে সামনে এগিয়ে নিতে সাহায্য করা এমন একটা ব্যাপার, যার জন্য আমি খুবই আগ্রহী। আমি দলে অবদান রেখে যেতে চাই। তবে বিদেশি লিগের সুযোগগুলো নিতে নিউজিল্যান্ডে গ্রীষ্মে আমাকে পাওয়া যাবে না। এজন্যই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জন্য বড় সম্পদ। দলকে কিছু দিতে চাওয়ায় কোনো কমতি নেই। ক্রিকেটের বাইরে আমার জীবনও বদলে গেছে। পরিবারকে সময় দেওয়া ও তাদের সঙ্গে দেশে এবং দেশের বাইরে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা এখন আমার জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এছাড়া চলমান বিশ্বকাপ এই সংস্করনে পেস বোলারের শেষ, এটি জানিয়ে রেখেছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। গুঞ্জন রয়েছে ন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকতে আগ্রহী নন আরেক পেসার লাকি ফার্গুসনও।

জয় দিয়ে শুরু পর্তুগালের ইউরো মিশন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৩৩ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৩৩ এএম
জয় দিয়ে শুরু পর্তুগালের ইউরো মিশন
ছবি- সংগ্রহীত

বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে ইউরোতে আসা পর্তুগাল নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেতে বসেছিল। চেকপ্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে পিছিয়ে পরে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। তবে জয়সূচক গোলটি পেতে তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয়েছে লম্বা সময়।

চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকা পর্তুগালই ছিল ফেবারিট। তবে শুরু থেকে দারুণ খেলা চেকদের জালে গোল জড়াতে পারছিল না পর্তুগিজরা। উল্টো ম্যাচের ৬২ মিনিটে গোল হজম করে বসে। ৬২ মিনিটের মাথায় লুকাস প্রোভডের দারুণ এক শটে হওয়া গোলে এগিয়ে যায় চেক রিপাবলিক।

তবে এই উচ্ছ্বাস খুব একটা বেশি সময় স্থায়ী ছিল না। মিনিট সাতেক পর নুনো মেন্ডেস গোল করে সমতায় ফেরান পর্তুগালকে। ওই গোলের পর মনে হচ্ছিল হয়তো পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হতে পারে দলটিকে। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় উপহার দিতে পারতেন দিয়েগো জোতা। তার গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলে সমর্থকরা ধরেই নেয় ড্র করে মাঠ ছাড়বে পর্তুগিজরা।

তবে ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে দলের জয় নিশ্চিত করে পর্তুগিজ তারকা ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও। তার নাটকীয় গোলে শেষ পর্যন্ত জয় পায় পর্তুগাল।