ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

গাড়ির সিট রাখুন পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৪, ১১:১০ এএম
গাড়ির সিট রাখুন পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে

দৈনন্দিন জীবনে গাড়ি অপরিহার্য একটি উপাদান হয়ে উঠেছে। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে গাড়ির সিট নোংরা, দাগযুক্ত ও ঝাপসা হয়ে যায়। নোংরা সিট গাড়ির সৌন্দর্য নষ্ট করে। পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। গাড়ির সিট পরিষ্কার ও ঝকঝকে রাখার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি।

নিয়মিত ব্রাশ
গাড়িতে ও সিটে ধুলোবালি জমবে এটাই সাধারণ বিষয়। ব্রাশ দিয়ে সিট ও সিটের আশপাশের চাপা জায়গাগুলোর ধুলোবালি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। এ ছাড়া প্রতিবার গাড়ির দরজা খুললে সিটে যে পরিমাণ ধুলা পড়ে, সেগুলো জমতে জমতে সিট কভারের বসে যাবে। এতে গাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠবে অস্বাস্থ্যকর। সপ্তাহে অন্তত একবার সিটের ওপরে ব্রাশ করে ধুলোবালি ও ময়লা পরিষ্কার করুন।

ভ্যাকুয়াম করা
নিয়মিত ভ্যাকুয়ামিং সিটের ফাঁকে আটকে থাকা ধুলোবালি, ময়লা এবং খাবারের টুকরো পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। দুই সপ্তাহ পরপর সাধারণত গাড়ির সিটসহ ভেতরের অংশ ভ্যাকুয়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটা যদি সম্ভব না হয়, মাসে একবার গাড়ির সিট ভ্যাকুয়াম করা জরুরি। এক্ষেত্রে সিট ভালোভাবে ভ্যাকুয়াম করুন। এতে উপরিভাগের সব ময়লা দূর হয়ে যাবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত দাগের সমাধান
সিটে লেগে থাকা দাগ দ্রুত পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ। পায়ের সঙ্গে লেগে থাকা কাদা, খাবার কিংবা তেলের দাগ হুট করে পছন্দের সিট কভারে অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ তৈরি করতে পারে। দাগ একবার লেগে গেলে যত দেরি করবেন, ততই সিটে বসে যাবে। এজন্য কোনো দাগ লাগলে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করতে সঙ্গে রাখুন ক্লিনারের ছোট বোতল। ঝটপট দাগ গায়েব করে ফেলে এমন বিভিন্ন কোম্পানির লিকুইড ক্লিনার বা স্প্রে বোতল পাওয়া যায় বাজারে। তবে ভিন্ন ফ্যাব্রিকের জন্য রয়েছে ক্লিনারের উপাদানেরও ভিন্নতা। কেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে বিষয়টা। যেন কাপড়ের দাগ পরিষ্কার করার ক্লিনার লেদারে বা লেদার ক্লিনার কাপড়ে ব্যবহার না করে ফেলেন। নতুন কোনো ক্লিনার ব্যবহারের আগে অবশ্যই অল্প করে ব্যবহার করে পরীক্ষা করে নিতে হবে।

ঘরোয়া উপায়ে সিটের দাগ দূর
বাজার থেকে কেনা ক্লিনার ছাড়াও ঘরে থাকা কিছু উপাদান দিয়েও গাড়ির সিট পরিষ্কার করা যায়। অবশ্য সিট কভারের ফ্যাব্রিকের ভিন্নতায় ঘরোয়া উপাদানেও থাকবে ভিন্নতা। লবণ, বেকিং সোডা, ভিনেগার, লেবুর রস ইত্যাদি ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে কিছু দাগ পরিষ্কার করা সম্ভব।

কোনো কিছুই বেশি ব্যবহার নয়
পরিষ্কার করার সময় অতিরিক্ত পানি, সাবান বা রাসায়নিক ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে সিটের ক্ষতি হতে পারে।

কাপড়ের সিট কভার
এক কাপ কুসুম গরম পানিতে চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ বেকিং সোডা মিশিয়ে সলিউশন বানিয়ে নিতে পারেন। এটি পাতলা করে সিটের দাগের ওপর লাগিয়ে, কিছুক্ষণ রেখে, নরম ব্রাশ দিয়ে আলত করে ঘষে দাগ তুলতে পারেন।

লেদারের সিট কভার
তুলায় নেইল পলিশ রিমুভার কিংবা রাবিং অ্যালকোহল লাগিয়ে লেদারের সিটে লাগা দাগে আলতো করে ঘষতে হবে। দাগ উঠে আসলে নরম তোয়ালে বা কাপড়ে অল্প গরম পানি ও ডিশওয়াশারের মিশ্রণ লাগিয়ে অ্যালকোহল মুছে ফেলতে হবে।

কাপড় ও লেদারের সিট দুটোই পরিষ্কার হবে ভিনেগারে
দুই কাপ পরিমাণ পানিতে এক কাপ ভিনেগার ও কয়েক ফোঁটা ডিশওয়াশার মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে স্প্রে বোতলে ভরে রাখতে পারেন। কাপড় ও লেদার দুটোর ক্ষেত্রেই দাগ পরিষ্কারে বেশ কার্যকরী এই মিশ্রণটি।

পেশাদারদের দিয়ে পরিষ্কার
বছরে অন্তত একবার পেশাদারদের দ্বারা গাড়ির সিট পরিষ্কার করা উচিত। নিয়মিত পরিষ্কারের মাধ্যমে গাড়ির সিট দীর্ঘস্থায়ী এবং ঝকঝকে রাখা সম্ভব। এতে গাড়ির সৌন্দর্য বেড়ে যায় ও যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।

টিপস:
গাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করা থেকে বিরত থাকুন
ধূমপান করবেন না
পোষা প্রাণীকে গাড়িতে বহন করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন
সিটে কভার ব্যবহার করুন

জাহ্নবী

সহজেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫১ এএম
সহজেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স কেবল গাড়ি চালানোর অনুমতিপত্র নয়, এটি ব্যক্তি পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। দেশের যেকোনো স্থানে গাড়ি চালানোর জন্য বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স অপরিহার্য। এটি কেবল চালকের কারিগরি দক্ষতা প্রমাণ করে না বরং পথচারী ও চালকের নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ মোটরযান অধ্যাদেশ-১৯৮৩-এর ৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া সর্বসাধারণের ব্যবহৃত গাড়ি রাস্তায় চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই দেশের যেকোনো স্থানে গাড়ি চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পূর্বশর্ত
এখন কেউ চাইলেই ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিআরটিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bsp.brta.gov.bd-তে ঢুকে মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে, লগইন করতে হবে। তারপর লার্নার লাইসেন্সের জন্য একটি ফরম আছে, সেটি পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। যেকোনো ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হলে প্রথমেই লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। অপেশাদারের জন্য বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮ বছর। আর পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ২১ বছর। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে।

অনলাইন সিস্টেম থেকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু হবে ও গ্রাহক সঙ্গে সঙ্গেই সিস্টেম থেকেই তার শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এরপর তাকে দুই থেকে তিন মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। এ সময় প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র, লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হয়। এখানে বেশ কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে। 

আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোবাইট)। 
রেজিস্টার্ড ডাক্তারের মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।
জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।
ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট, আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয়, তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত 
করতে হবে)।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।

তবে মনে রাখতে হবে, অনলাইনে আবেদন দাখিলের সময় ভুয়া তথ্য দিলে তার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিআরটিএ।

লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি দিয়ে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ নিয়ে স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
রেজিস্টার্ড ডাক্তারের কাছ থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট।
জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
নির্ধারিত ফি বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দেওয়ার রসিদ।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।
সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট 
সাইজ ছবি

প্রয়োজনীয় ফি
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। ক্যাটাগরি ১ এবং ২-এর জন্য ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এ ছাড়া দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য ১০ বছর মেয়াদি অপেশাদার লাইসেন্স ও ৫ বছর মেয়াদি পেশাদার লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরণ করা হয়, 
তাই ফির সঙ্গে অতিরিক্ত ৬০ টাকা দিতে হবে।

তথ্য সূত্র: বিআরটিএ

জাহ্নবী

 

স্মার্ট নাগরিকদের হাতে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৩ এএম
স্মার্ট নাগরিকদের হাতে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে দেশের নাগরিকদের জন্য আধুনিক সুবিধার তালিকা দিন দিন বড় হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় যোগ হয়েছে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স সুবিধা। 

আগে রাস্তায় গাড়ি চালাতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কাগজপত্র চালকের সঙ্গে রাখতে হতো। তবে এখন থেকে আর তা করতে হবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে না রেখেও স্মার্টফোনে সংগৃহীত ই-লাইসেন্স দেখিয়ে গাড়ি চালাতে পারবেন চালকরা। ইতোমধ্যে এর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

গত ২৪ মার্চ বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব মো. মনিরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করে ভিসা প্রসেসিং, বিদেশে ব্যবহার, চাকরিতে নিয়োগ ইত্যাদি প্রয়োজনে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড ও ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স উভয়ই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হবে। এতে থাকা কিউআর কোড দ্বারা সরাসরি ডাটাবেইজ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য যাচাই করা যাবে।

এ বিষয়ে বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপপরিচালক সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরী বলেন, দেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে মোটরযান চালানো যায়। তবে এখন থেকে ই-লাইসেন্সের মাধ্যমে তা করা যাবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে না রেখেও স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করা ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়েও চালকরা গাড়ি চালাতে পারবেন। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি অন্যান্য কাজেও স্মার্টফোনের ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন।

এ.জে/জাহ্নবী

দেশের বাজারে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ মোটরসাইকেল

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩২ এএম
দেশের বাজারে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ মোটরসাইকেল

জাপানি শীর্ষস্থানীয় মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হোন্ডা দেশের বাজারে ১০০ সিসির নতুন মডেলের বাইক এনেছে। মডেলটিকে ‘হোন্ডা শাইন ১০০’ নামে পরিচয় করিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এটি একটি জ্বালানি সাশ্রয়ী কমিউটার বাইক।

গত মার্চ মাসের ৩১ তারিখে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মোটরবাইকটি প্রদর্শনের পাশাপাশি বাজারে আনার ঘোষণা দেন বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা শিগেরো মাতসুজাকি। এই মডেল ভারতের বাজারে আসার ঠিক এক বছর পর বাংলাদেশের বাজারে আনল কোম্পানিটি। কোম্পানির দাবি, মোটরসাইকেলটিতে প্রতি লিটার তেলে ৬৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে। এটি কোম্পানির সবচেয়ে উচ্চ মাইলেজ সম্পন্ন বাইক, আবার দামের দিক থেকেও সবচেয়ে কম। দেশের বাজারে এটি ১ লাখ ৭ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে।

হোন্ডা শাইন ১০০ বাইকে রয়েছে ৯৮ সিসি সিঙ্গেল সিলিন্ডার এয়ার কুলড ইঞ্জিন। যা সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ২৮ হর্সপাওয়ার ও ৮ দশমিক শূন্য ৫ নিউট টর্ক তৈরি করতে পারে। এটির সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার। বাইকটিতে রয়েছে ৪ স্পিডের ম্যানুয়াল গিয়ার ট্রান্সমিশন। এর মাঝারি আকারের তেল ট্যাংকে ৯ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি ভরা যায়। একবার সম্পূর্ণ ট্যাংকে জ্বালানি ভরলে ৫৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া যাবে।

বাইকের সামনে রয়েছে টেলিস্কপিক ফর্ক ও পেছনে ডুয়াল শক অ্যাবজর্বার। দুই চাকাতেই পাওয়া যাবে ড্রাম ব্রেক। এতে নেই ডিস্ক ব্রেক। বাইকটির কার্ব ওজন ৯৯ কেজি ও মাটি থেকে বাইকটির উচ্চতা ১৬৮ মিলিমিটার। মাটি থেকে আসনের উচ্চতা ৭৮৬ মিলিমিটার। আসনের উচ্চতা কম হওয়ার কারণে চালক সহজে মোটরবাইকটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। খুবই সাদামাটা ফিচার্সে পাওয়া যাবে অ্যানালগ ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল, অ্যানালগ ওডোমিটার, অ্যানালগ স্পিডোমিটার, হ্যাজার্ড ওয়ার্নিং ইন্ডিকেটর, লো ফুয়েল ইন্ডিকেটর, অটোমেটিক হেডলাইট অন ও হ্যালোজেন লাইটিং।

নতুন শাইন ১০০ এ বসার দীর্ঘ ও আরামদায়ক আসন রয়েছে, যা বাইকের চালক ছাড়াও সহযাত্রীকে ভ্রমণের সময় স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। মোটরসাইকেলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাযক্রমে ১৯৯৫, ৭৫৪ ও ১০৫০ মিলিমিটার। লং স্ট্রোকসহ বিশেষভাবে তৈরি সাসপেনশন ইউনিট থাকায় যেকোনো ধরনের রাস্তায় সহজে চলাচল করতে পারে মোটরবাইকটি। মজবুত অ্যালুমিনিয়াম গ্র্যাব রেইল, কালো অ্যালয় হুইল, উন্নত সাইলেন্সার, উজ্জ্বল গাঢ় টেইল ল্যাম্প– সুবিধাযুক্ত মোটরবাইকটি চলতি পথে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ঘন ঘন পরিষ্কার ছাড়াই এর এয়ার ফিল্টার দীর্ঘ সময় কার্যকর থাকে, এমনকি ব্যাটারিও ঘন ঘন রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হবে না।

শাইন ১০০ মডেলটি হালকা ফ্রেমের হওয়ায় এর সামগ্রিক ওজন কম। এর নরম স্টিয়ারিং মোটরসাইকেল চমৎকারভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যেকোনো রাস্তায় চলাচলে ভীষণ কার্যকরী। দেশের বাজারে লাল, নীল ও ধূসর রঙে পাওয়া যাচ্ছে হোন্ডা শাইন ১০০ সিসি। বাইকটিতে দুই বছর অথবা ২০ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।

জাহ্নবী

নকশায় অভিনবত্ব আসছে বিএমডব্লিউর নতুন গাড়ি

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪, ১২:০১ পিএম
আসছে বিএমডব্লিউর নতুন গাড়ি

বিশ্ব বিখ্যাত জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ নতুন একটি ধারণাগত গাড়ি বা কনসেপ্ট কার প্রদর্শন করেছে। এটিকে তারা ‘ভিশন নয়া ক্লাসে-এক্স’ নামে পরিচয় করিয়েছে। এই গাড়ির নকশা ও প্রযুক্তি অনুসরণ করেই বিএমডব্লিউ ভবিষ্যতের বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বাজারে আনবে।

গত বছর জার্মানির বার্লিনে ‘আইএএ শো’তে প্রতিষ্ঠানটি ‘নয়া ক্লাসে’ নামে নতুন ধারার সেডান তুলে ধরে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, এটি শুধু তাদের ভবিষ্যতের বৈদ্যুতিক গাড়ির নয়, এটি হবে আরও বেশি দক্ষতা ও গতিশীল ড্রাইভিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সেই ধারণায় নতুনত্ব যোগ করে আবার সামনে এনেছে। নামকরণের ক্ষেত্রেও আগের নামের সঙ্গে মিল রেখে নয়া ক্লাসে এক্স রাখা হয়েছে। এসইউভি ধাঁচের এই কনসেপ্ট কারের সামনের অংশে রয়েছে বিএমডব্লিউর চিরায়ত ‘কিডনি গ্রিল’ নকশা। এ ছাড়া গাড়িতে আরও অভিনব ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফিচার রয়েছে।

বিএমডব্লিউ গত কয়েক বছর ধরেই বিদ্যুৎচালিত গাড়ির নকশা ও ফিচারে পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। ভিশন নয়া ক্লাসে-এক্স গাড়িটি এই পরিকল্পনারই অংশ। এ ধরনের গাড়ি আগামী বছর থেকে বাজারে পাওয়া যেতে পারে। এর আগে ফোর, ফাইভ, সেভেন সিরিজ ও আইএক্স নামের বিদ্যুৎচালিত এসইউভি গাড়ি বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভিশন নয়া ক্লাসে-এক্স গাড়িকে বলা হচ্ছে এসএভি গাড়ি। অর্থাৎ এটি হবে স্পোর্টস অ্যাক্টিভিটি ভেহিকেল। বিএমডব্লিউর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অলিভার জিপসি বলেন, ‘নয়া ক্লাসে শুধু একটি গাড়ি বা ধারণার চেয়ে বেশি কিছু। এর মাধ্যমে আমাদের ব্র্যান্ডকে নতুন করে হাজির করা হবে। তবে এতে বিএমডব্লিউর আগের নকশার ছাপও থাকবে।’

বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে ইঞ্জিন শীতল রাখতে গ্রিলের প্রয়োজন হয় না। তবে নকশায় নতুনত্ব আনতে এই মডেলে বিএমডব্লিউর কিডনি গ্রিল নকশা রাখা হয়েছে। এই নকশায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা দেখতে ত্রিমাত্রিক গ্রিল নকশার মতো। পরিবর্তন আনা হয়েছে এ গাড়ির ব্যাটারির আকারেও। এতে ব্যবহার করা হয়েছে গোলাকৃতির ব্যাটারি। বিএমডব্লিউ দাবি করছে, এই আকারের কারণে ব্যাটারি থেকে ২০ শতাংশ বেশি চার্জিং ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। এমনকি গাড়ির ব্যাটারি অন্য গাড়ির ব্যাটারির তুলনায় ৩০ শতাংশ দ্রুতগতিতে চার্জ হবে। ১০ মিনিট চার্জ করে গাড়িটি ৩০০ কিলোমিটার বা ১৮৬ মাইল পর্যন্ত চালানো যাবে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে, এই গাড়িতে শক্তিশালী কম্পিউটারসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে। কনসেপ্ট কারটিতে যুক্ত কম্পিউটারগুলোকে বলা হচ্ছে সুপার ব্রেনস। এসব কম্পিউটার ও প্রযুক্তির মাধ্যমে গাড়ি চালানোর উন্নত অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। গাড়ির অভ্যন্তরে পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। ভিশন নয়া ক্লাসে-এক্স গাড়িটির আকার বিএমডব্লিউ এক্স থ্রির মতোই হবে। সূত্র: দ্য ভার্জ

জাহ্নবী

 

সহজে গাড়ি পার্ক করার কৌশল

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪, ১১:৫৯ এএম
সহজে গাড়ি পার্ক করার কৌশল
পার্কিংয়ের কৌশল

গাড়ি চালাতে সবারই ভালো লাগে। তবে গাড়ি পার্কিং অনেকের কাছে জটিল বিষয় মনে হয়। গাড়ি চালানো শেখা সহজ হলেও, অনেকের গাড়ি পার্কিংয়ের হাত পাকাতে সময় লাগে। বিশেষ করে নতুন চালকদের অনেক এটি অনেক বেশি ঝামেলা মনে হতে পারে।

গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদে পার্কিং করাও গুরুত্বপূর্ণ। সোজা পথে গাড়ি চালানো যতটা সহজ মনে হতে হয়, তেমনি কৌশলে পেছনে বা সমান্তরালভাবে পার্কিং করা যায়। পার্কিংয়ের এই কৌশল ব্যবহার করে নিরাপদে ও দ্রুত গাড়ি পার্ক করা যায়।

সমান্তরাল পার্কিং
যখন কোনো পার্কিং স্থানের সামনে ও পেছনে গাড়ি থাকে এবং মাঝখানের জায়গায় আরেকটি গাড়ি পার্ক করার জায়গা থাকে, তখন এই পার্কিংকে সমান্তরাল বা প্যারালাল পার্কিং বলে। প্রথমে পার্কিংয়ের জায়গাটি গাড়ির দৈর্ঘ্যের চেয়ে কমপক্ষে দেড় গুণ বড় কি না, তা নিশ্চিত করুন। পার্কিংয়ের জন্য পেছনের গাড়ির সঙ্গে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখুন। সামনের গাড়ির রিয়ারভিউ মিররে সমান্তরালে নিজের গাড়ির মিরর আসার পর থামুন। স্টিয়ারিং হুইল পুরোপুরি ডান দিকে ঘোরান। ধীরে ধীরে পেছনে যান। বাঁ পাশের আয়নায় পেছনের গাড়ির ডান পাশের হেডলাইট পুরোপুরি দেখা না যাওয়া পর্যন্ত পেছনে যান। এবার ব্রেকে পা রেখে স্টিয়ারিং যতটা ডানে ঘোরানো হয়েছিল, তার বিপরীতে ততটা বাঁয়ে ঘোরাতে হবে। এবার গাড়িকে ধীরে ধীরে পেছনের নিয়ে যান। ডান পাশের রিয়ারভিউ মিররে চালকের দিকের দরজার হাতল যখন রাস্তার ফুটপাতের সমান্তরাল হবে তখন স্টিয়ারিং হুইল সোজা অবস্থানে আনতে হবে। এবার পিছিয়ে নিলেই গাড়ি সোজাভাবে খালি স্থানে পার্ক হয়ে যাবে। বাঁ পাশে গাড়ি রাখার ক্ষেত্রে এই কৌশল বিপরীতভাবে প্রযোজ্য।

গাড়ির পেছনে গাড়ি রাখার ক্ষেত্রে
গাড়ি চালানোর সময় চালকের আসন থেকে সামনের দিকের দূরত্ব অনুমান করা কঠিন হতে পারে। ইঞ্জিন বে বা হুড দৃষ্টির বাইরে থাকায় সঠিক দূরত্ব বোঝার জন্য অনুমানের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে অন্য গাড়ির পেছনে থাকার সময় সামনের গাড়ির বাম্পার দেখে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। যখন চালকের আসন থেকে সামনের গাড়ির বাম্পারের নিচ পর্যন্ত দেখা যায়, তখন বুঝতে হবে গাড়িটি এক মিটার দূরত্বে রয়েছে। এই দূরত্বের সামনে গাড়ি থাকলেও নিজের গাড়ি সহজে বের করা সম্ভব। যখন ট্রাংক ওপেনার বা বুট স্পেস খোলার পাটাতনের সমান্তরাল দেখা যায়, তখন বুঝতে হবে গাড়ির সামনে মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার জায়গা আছে। এ অবস্থায় সামনে না যাওয়ায় নিরাপদ।

সোজাসুজি পার্কিং
গাড়ি সোজা পার্ক করার ক্ষেত্রেও গাড়ির আকার সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো রাস্তায় ফুটপাতের সামনে গাড়ি পার্ক করা হয়, তবে রিয়ারভিউ মিররের নিচের অংশ ও রাস্তার মাপ যদি সমান্তরাল মনে হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক ধরে থামতে হবে। এ অবস্থায় ফুটপাত বা রাস্তা থেকে গাড়ির দূরত্ব হবে মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার। যদি সামনাসামনি গাড়ি ঘোরাতে হয়, তবে গাড়ির হুড এবং ফুটপাতের সামনের অংশ সমান হলে গাড়ি ও ফুটপাতের দূরত্ব হবে তিন মিটার। এ অবস্থায় ডানে বা বাঁয়ে যেকোনোভাবেই গাড়ি নিরাপদে ঘোরানো যাবে।

আড়াআড়িভাবে গাড়ি ঘোরাতে হলে
যদি সামনের গাড়ি আড়াআড়ি অবস্থায় থাকে, গাড়ির হুড এবং সামনের গাড়ির চাকার অ্যালয়ের মাঝখানটা সমান্তরাল হয়, তখন বুঝতে হবে গাড়ি ঘোরানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে। এই অবস্থায় স্টিয়ারিং পুরোপুরি ডান বা বাঁদিকে ঘুরিয়ে যেকোনো পাশেই নিরাপদে গাড়ি ঘুরাতে পারবেন।

গ্যারেজে গাড়ি পার্ক করার ক্ষেত্রে
গ্যারেজে গাড়ি রাখার জায়গা অনেক বেশি সংকীর্ণ হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে গাড়ি পার্ক করার জন্য বিশেষ সতর্কতা হতে হয়। গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের ডান পাশে যতটুকু জায়গা রয়েছে, সেই জায়গার পরিমাপ স্টিয়ারিং হুইলের ডান পাশের সমান্তরাল। একটি সমান্তরাল রেখায় চিন্তা করলে ডান পাশের স্টিয়ারিং হুইলের প্রান্তভাগে গাড়ির চাকা ও গাড়ির শেষ প্রান্ত অবস্থিত। বাঁ পাশের মাপের ক্ষেত্রে গাড়ির ডান পাশের ওয়াইপারের শেষ প্রান্তের সমান্তরাল হলো গাড়ির ডান পাশের চাকা ও বডির শেষ প্রান্ত। পার্ক করার ক্ষেত্রে এ দুটি মাপ সম্পর্কে ধারণা থাকলেই গাড়ি সহজে পার্ক করা যায়। গাড়ি পেছনে নেওয়ার ক্ষেত্রে দুই পাশের লুকিং গ্লাসগুলো এমনভাবে সেটিং করা উচিত, যাতে চালকের আসন থেকে পেছনের দুটি চাকা সহজে দেখা যায়। তাহলে গাড়ি আশপাশে ঘষা খাওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে।

পার্কিং থেকে ব্যাক গিয়ারে গাড়ি বের করার ক্ষেত্রে
সোজাসুজিভাবে পার্কিংয়ে গাড়ি রাখার পর দুই পাশে যদি দুটি গাড়ি থাকে, সে অবস্থায় গাড়ি বের করার জন্য প্রথমে সোজাসুজিভাবে গাড়িকে পেছনে নিয়ে আসতে হবে। যখন গাড়ির লুকিং গ্লাসগুলো দুই গাড়ির সীমানা অতিক্রম করবে, তখন স্টিয়ারিং ডানে বা বাঁয়ে ঘুরিয়ে যেদিকে বের হওয়া দরকার, সেদিকেই অন্য গাড়ির সঙ্গে দূরত্ব রেখে গাড়ি বের করা যাবে। আধুনিক গাড়িগুলোয় ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাক ক্যামেরা ও পার্কিং সেন্সর রয়েছে, যেগুলোর সাহায্যে গাড়িতে থাকা মনিটর দেখে সহজে গাড়ি পার্ক করা যায়।

এ.জে/জাহ্নবী