ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

ক্যারিয়ার গড়তে পারেন কৃষিতে

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০০ পিএম
আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০৩ পিএম
ক্যারিয়ার গড়তে পারেন কৃষিতে

কৃষিপ্রধান দেশ বাংলাদেশ। তাই একজন কৃষিবিদ হিসেবে ভবিষ্যতে দেশের এ গুরুত্বপূর্ণ খাতে অবদান রাখতে পারা গৌরব এবং আনন্দেরও। তা ছাড়া কৃষি নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। উচ্চশিক্ষিত অনেকেই এখন শখের বশে নিজের বাসার ছাদে ছাদকৃষি করছেন। কৃষি নিয়ে কাজ করতে তরুণ-তরুণীদের মধ্যেও দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিষয়ে পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশে ভালো মানের চাকরি করা যায়। ইদানীং ভেষজ ওষুধ উৎপাদনেও কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের সম্ভাবনাময় পদচারণা শুরু হয়েছে। এক কথায়, বাংলাদেশসহ সারা দেশে কৃষিবিদদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

পড়াশোনা 
নিত্যনতুন কোনো কিছু আবিষ্কার করতে ভালোবাসেন কিংবা কোনো জিনিসকে ভেঙে যারা উন্নত করতে চান তাদের জন্য কৃষিতে একটা বিষয় রয়েছে- যার নাম কৃষি প্রকৌশল। এ ছাড়া উদ্ভিদ রোগবিদ্যা পড়ে গাছের চিকিৎসক হতে পারেন। এই যেমন মানুষ কিন্তু নিজের রোগের ব্যাপারে বলতে পারে, গাছপালা পারে না। সেই না বলতে পারা গাছের অসুখটা বের করে নিমিষেই চিকিৎসা করে সুস্থ করাটা হবে আপনার কাজ। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদের অধীনে কৃষিতে গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি দেওয়া হয়। এ অনুষদে রয়েছে ১৬টি বিভাগ। এখানে কৃষিতত্ত্ব, মৃত্তিকাবিজ্ঞান, কীটতত্ত্ব, উদ্যানতত্ত্ব, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব, ফসল উদ্ভিদবিজ্ঞান, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন, কৃষি সম্প্রসারণ, কৃষিরসায়ন, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান, ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট, বায়োটেকনোলজি, পরিবেশ বিজ্ঞান, সিড সায়েন্স ও টেকনোলজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। তবে কৃষিবিদ হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা করতে হবে। পরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন অনুষদের ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) কোর্স বেছে নিতে হবে।

তা ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও কৃষিতে পড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। দেশে যেসব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কৃষি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে সেগুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিশারিজ কলেজ জামালপুর, বরিশাল ভেটেরিনারি কলেজ। এদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করা যাচ্ছে। দেশ ছাড়াও কৃষিবিদদের বিদেশে রয়েছে উচ্চশিক্ষার বিশাল সুযোগ।

ক্যারিয়ার 
প্রতি বিসিএসেই কৃষি ক্যাডারে পদ থাকে। উত্তীর্ণরা বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে ‘কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার’ পদে জয়েন করেন। কৃষিতে স্নাতক সম্পন্ন করার পর নিজস্ব বিষয়সহ যেকোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অনুষদেও চাকরির ক্ষেত্র বেড়েছে। ভালো ফল করলে সেখানে শিক্ষকতার সুযোগ রয়েছে। সরকারি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানেও চাকরি করা যায়। এ ছাড়া বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল, পল্লি উন্নয়ন একাডেমি, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), এসিআই, সিনজেনটা, কাজী ফার্মসসহ কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা হয়, যা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি খাদ্য প্রক্রিয়াজাত এবং খাদ্যের গুণগতমান নির্ধারণ করা প্রতিষ্ঠানে চাকরির পথ খুলে দেয়। বিভিন্ন বেসরকারি দুগ্ধ ও পোলট্রির খামার, ব্র্যাক, ফিড মিল, এনজিও এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায়ও চাকরির সুযোগ আছে। এসবের মধ্যে আড়ং ডেইরি, কাজী ফার্মস, আফতাব বহুমুখী ফার্ম, মিল্ক ভিটা, সিপি ফুড উল্লেখযোগ্য। আর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে ইউএসএইড, ডিএফআইডি, ড্যানিডা, সিডা, উইনরক, ইরি, আইএফডিসি ও অক্সফাম জিবির মতো প্রতিষ্ঠানেও কৃষিবিদদের অগ্রাধিকার রয়েছে। বর্তমানে এনজিও এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো কৃষিক্ষেত্রে কাজের পরিধি বাড়াচ্ছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও ভারতে প্রতিবছর উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য অনেক শিক্ষার্থী গমন করছেন।

আয়
বাংলাদেশে সাধারণত কৃষি সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিষ্ঠানে একজন কৃষিবিদদের বেতন সরকারি স্কেলেই ধার্য করা হয়। তা ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রথম অবস্থায় উচ্চ বেতন দিয়ে চাকরি শুরু হয়, দিন যত গড়ায় তত বেতন বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো অনেক উচ্চমানের বেতন দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে শুরুতেই লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কলি

বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক নিয়োগ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম
বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক নিয়োগ

বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কলেজ ও মাধ্যমিক শাখায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

কলেজ শাখায় নবম গ্রেডে প্রভাষক (পরিসংখ্যান) পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পরিসংখ্যান বিষয়ে ন্যূনতম ৩.৪০ সিজিপিএ থাকতে হবে। বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে।

মাধ্যমিক শাখায় ১০ ও ১১তম গ্রেডে আটজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে আইসিটিতে দুজন, ইংরেজিতে তিনজন, বাংলায় একজন, শিল্প ও সংস্কৃতিতে (নৃত্য) একজন এবং জীবন ও জীবিকায় (মার্কেটিং) একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে আবেদনের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম  সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। শিক্ষায় প্রশিক্ষণধারীরা দশম গ্রেড ও প্রশিক্ষণ না থাকলে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে।

যেভাবে আবেদন
ডাকযোগে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে। কেবল নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীরা পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতীয়তা, অভিজ্ঞতা, চারিত্রিক ও প্রশিক্ষণ সনদপত্র (যদি থাকে) এবং সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি সংযুক্ত করতে হবে। খামের ওপর আবেদনকৃত পদের নাম ও বেতন গ্রেড উল্লেখ করতে হবে।

আবেদন ফি
বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডিইপিজেড, সাভার, ঢাকার অনুকূলে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট (অফেরতযোগ্য) করে রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: ব্রিগে. জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান (অব.), অধ্যক্ষ, বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ডিইপিজেড, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯।

আবেদনের শেষ সময়: ১ জুলাই, ২০২৪।

কলি

বিদেশি সংস্থায় কাজের সুযোগ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৫২ পিএম
বিদেশি সংস্থায় কাজের সুযোগ

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ঢাকায় কমিউনিকেশন অ্যাডভাইজার পদে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: কমিউনিকেশন অ্যাডভাইজার

পদসংখ্যা:

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ, সাংবাদিকতা, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, নৃবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা এ ধরনের বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে কমিউনিকেশন বিভাগে অন্তত ১০ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়, সরকারের কাঠামোতে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবশ্যই জানাশোনা থাকতে হবে।

ওয়াস, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার রিসোর্স সেক্টরে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে। স্ট্র্যাটেজিক ও অ্যানালিটিক্যাল দক্ষতা থাকতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারের কাজ জানতে হবে। প্রকল্প এলাকা ভ্রমণের মানসিকতা থাকতে হবে।

চাকরির ধরন: দুই বছরের চুক্তিভিত্তিক (নবায়নযোগ্য)

কর্মস্থল: ঢাকা

কর্মঘণ্টা: সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা

বেতন: মাসিক বেতন ১,২৬,৯৪০ থেকে ১,৫৬,৭৬০ টাকা (দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে)।

সুযোগ-সুবিধা: গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, যোগাযোগ ভাতা, উৎসব বোনাস এবং কর্মীর পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ আছে।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের https://jobs.smartrecruiters.com/SNV/743999990592836-communication-advisor এই ওয়েবসাইটে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে I'm interested-এ ক্লিক করে মোটিভেশন লেটারসহ (এক পৃষ্ঠা) সিভি (তিন পৃষ্ঠার বেশি নয়) পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৩ জুন ২০২৪।

পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে চাকরি, পদ ৫০

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৪৮ পিএম
পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে চাকরি, পদ ৫০

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) একাধিক শূন্য পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ ক্যাটাগরির পদে দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (মেশিন ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশন)
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাসসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)

২. পদের নাম: বৈজ্ঞানিক সহকারী
পদসংখ্যা: ৪ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগে বিএসসি পাস/বয়ন প্রকৌশলীতে ডিপ্লোমা/ প্রকৌশলীতে ডিপ্লোমা/ দুই বছরের অভিজ্ঞতাসহ বয়ন কোর্সে সার্টিফিকেটধারী হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৩. পদের নাম: জুনিয়র মাঠ সহকারী
পদসংখ্যা: ১২ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৪. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ৩ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৫. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৬. পদের নাম: স্টোর কিপার
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৭. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: সাঁটলিপিতে ইংরেজি ও বাংলায় যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ শব্দের গতিসম্পন্ন এবং মুদ্রাক্ষরে ইংরেজি ও বাংলায় যথাক্রমে ৩০ ও ২৫ শব্দের গতিসহ এইচএসসি পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৮. পদের নাম: গুদাম রক্ষক
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: গ্র্যাজুয়েট পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৯. পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১০. পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ২ (অস্থায়ী)
যোগ্যতা: কৃষি ডিপ্লোমা/কৃষি সনদ/এইচএসসি (কৃষি) পাস। কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৯ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: এইচএসসি পাস। টাইপিংয়ের গতি প্রতি মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ৩০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১২. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ১ (অস্থায়ী)
যোগ্যতা: এইচএসসি পাস। টাইপিংয়ের গতি প্রতি মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ৩০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৩. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১১ (স্থায়ী)
যোগ্যতা: বাস্তব অভিজ্ঞতাসহ পঞ্চম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

বয়সসীমা
৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে আবেদনকারীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান/শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের http://bjri.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য https://bjri.portal.gov.bd/sites/default/files/files/bjri.portal.gov.bd/news/d1c3a94c_9dae_4df5_9559_05c2fc972bd8/2024-06-05-03-32-993d29a9968c8e79b5eb5116c421a438.pdf এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদন ফি
অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ১ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা ও টেলিটকের চার্জ ৫৮ টাকাসহ মোট ৫৫৮ টাকা; ২ থেকে ১২ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা এবং টেলিটকের চার্জ ২৩ টাকাসহ মোট ২২৩ টাকা এবং ১৩ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা এবং টেলিটকের কমিশন বাবদ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
আবেদনের সময়সীমা: ৯ জুন থেকে ৮ জুলাই ২০২৪, বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

কলি

 

টিম ম্যানেজমেন্টের কিছু টিপস

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
টিম ম্যানেজমেন্টের কিছু টিপস

আপনার টিমের সদস্য যদি ভালোমতো কাজ না করে, তাহলে তা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। টিমের একজন আক্রমণাত্মক সদস্য টিমের কার্যক্ষমতার জন্য হুমকি। হয়তো প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং আপনি জানেন যে আরও খারাপ কিছু হওয়ার আগে আপনাকে কিছু না কিছু করতেই হবে তাকে নিয়ে। এই কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন সে সম্পর্কে কিছু টিপস নিচে তুলে ধরা হলো।

আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন
আপনি যদি অবাধ্য কর্মীকে মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে আগে থেকেই সম্ভাব্য পরিস্থিতির বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। যদি পরিস্থিতি খারাপ হয় তা কতই-বা খারাপ হতে পারে এবং তখন কী কী করা উচিত– এই প্রশ্ন নিজেকে করুন আর দেখবেন আপনি নিজেই কয়েকটি উত্তর পেয়ে যাবেন। এই মোকাবিলার ফলে ওই কর্মী হয়তো নিজেকে গুটিয়ে নেবে বা আরও বেশি অবাধ্য হবে। আপনিও হয়তো আপনার মেজাজ ঠিক রাখতে পারবেন না। যেকোনো কিছুই হতে পারে। সব সম্ভাবনা লিখে রাখুন, তারপর সে অনুযায়ী নিজের প্রত্যাশা নির্ধারণ করে ভয় কাটিয়ে ওই কর্মীর সঙ্গে কথা বলুন।

সহানুভূতি নিয়ে এগিয়ে যান
হতে পারে ওই কর্মী অন্য কোনো কারণে চিন্তিত বা সমস্যার মধ্যে আছে। তার কাছে গিয়ে আন্তরিকভাবে তা জানতে চান, দেখবেন প্রয়োজনীয় আশ্বাস পাওয়ার পর ওই কর্মী তার সব কথাই অকপটে আপনার কাছে তুলে ধরবে। ধীরে ধীরে অবাধ্য কর্মী বাধ্যও হয়ে যেতে পারে।

হাঁটুন আর আলাপ করুন
হাঁটা যেমন শরীরের জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি এর অন্যান্য উপকারও আছে। আপনি আপনার অবাধ্য কর্মীর সঙ্গে হেঁটে হেঁটে আলাপ করুন, যেখানে অফিসের কোনো প্রভাব থাকবে না। অফিসের বাইরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হয়তো নতুন বোধোদয় হতে পারে। এ ছাড়া আলাপের গোপনীয়তাও রক্ষা হবে।

কর্মীর মতামত নিন
কমীর সঙ্গে আলোচনার সময় শুধু কর্মীর অক্ষমতার ওপর জোর দেওয়া সুফল বয়ে আনবে না। কর্মীর ত্রুটির কথা বলতে পারলে আপনাকে আপনার নিজের ম্যানেজমেন্ট স্টাইলের ত্রুটির কথাও বলা উচিত। আর আপনার কর্মীকেও সুযোগ দিন কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় সে বিষয়ে তার মতামত দেওয়ার। একটি সুন্দর ম্যানেজমেন্টই পারে যেকোনো কর্মক্ষেত্রের পরিবেশকে সুন্দর করতে। তাই কর্মী ও ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ভালো 
সম্পর্ক থাকা উচিত।

কলি 

ব্যবসায় সফলতা চাইলে  ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০১:২৮ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০১:২৮ পিএম
ব্যবসায় সফলতা চাইলে  ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন
প্রযুক্তি মূল্যবান সময়কে নষ্ট হয় তাহলে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।মডেল: রিমি , ছবি: শরিফ মাহমুদ

আপনি যদি সফল উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে আপনাকে পণ্যের উদ্ভাবন, উন্নয়ন এবং বাজারজাতকরণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। আপনার পণ্যকে উদ্ভাবনীমূলক হতে হবে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান দেবে। দামে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং অন্যান্য পণ্যের তুলনায় সহজে ব্যবহারযোগ্য হতে হবে। এতসব করার সময় আপনার লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে। অনেক সময় লক্ষ্য স্থির রাখতে গিয়ে অনেকেই হোঁচট খেয়ে থাকে। অনেকেই এমন কিছু করে বসেন যাতে করে সময় নষ্ট হয়ে ব্যবসার আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। ব্যবসায় সফলতা চাইলে নিচের ৯টি বিষয় এড়িয়ে চলুন।

অনলাইনে সময় নষ্ট করবেন না 
প্রযুক্তি মানুষকে স্বস্তি দেয়। কিন্তু তার কারণে যদি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হয় তাহলে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। ফেসবুকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া, মোবাইলে গেমস খেলা ও বিনা প্রয়োজনে চ্যাটিং করে আমরা সময় নষ্ট করি। এগুলো বাদ দিন, দেখবেন কাজ করার জন্য আপনার হাতে অনেক সময় থাকবে।

নিজেকে নয়, পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ দিন
অনেকেই নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে গিয়ে সময় নষ্ট করেন। নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে নয়, বরং পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে মনোযোগ দিন। পণ্যের গ্রাহকদের গুরুত্ব দিন। কারণ, গ্রাহকই আপনার পণ্য তথা ব্যবসাকে সফল করে তুলবে।

পুরো কাজ একসঙ্গে করুন
অর্ধেক কাজ করে তা ফেলে রাখবেন না। যারা একটু একটু কাজ করে তাদের তুলনায় যারা একবারেই একটি কাজ শেষ করতে পারে তারাই সফল হয়।

অপ্রয়োজনীয় কাউকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করবেন না
ব্যবসার সাফল্যের জন্য নেটওয়ার্কিং গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তা নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে অপ্রয়োজনীয় কাউকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করে লাভ নেই। মনে রাখবেন, একটি সত্যিকারের পরিচয় হাজারটা যথেচ্ছ পরিচয়ের চেয়ে উত্তম।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার খোঁজা বন্ধ করুন
আপনি যদি সেলিব্রেটি হয়ে থাকেন তাহলে ঠিক আছে, অন্যথায় এটি করে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। আপনি ভালো কাজ করলে আপনার ফলোয়ার এমনিতেই বেড়ে যাবে।

সঠিক পরিশ্রমই ভাগ্যবদল করতে পারে
লটারির টিকিট কিনে ভাগ্যবদল হওয়া শুধু সিনেমাতেই সম্ভব। বাস্তবে এটা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। আপনি যদি ভাবেন লটারির টিকিট কিনে রাতারাতি সবকিছু হয়ে যাবে তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

অন্যদের সাহায্য করুন
অন্যদের কাছে সাহায্য চেয়ে সময় নষ্ট করবেন না। এটি না করে বরং আপনি তাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটা ভাবুন। এর মাধ্যমেই নতুন সম্ভাবনা ধরা দেবে। শুধু নিজের কথা না ভেবে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসাই সফল মানুষের কাজ।

আইডিয়ার পেছনে অতিরিক্ত সময় দেবেন না
যদি আপনার আইডিয়া কাজে না আসে তাহলে এর পেছনে অতিরিক্ত সময় দেবেন না। বরং একটি সমস্যা বা চাহিদা নিয়ে কাজ শুরু করুন। শুরুতেই সমাধান বা উদ্ভাবন নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। আগে লক্ষ্য ঠিক করুন কী নিয়ে কাজ করতে চান, তারপর অন্য কিছু।

ইতিবাচক অনুপ্রেরণা সন্ধান করুন 
দিশা হারিয়ে ফেললে ইতিবাচক অনুপ্রেরণার সন্ধান করুন। আপনার কাজে আগ্রহ না থাকলে সময় নষ্ট না করে অন্য কাজে মন দিন। সমস্যা মোকাবিলা করুন। নিজের সমস্যা নিজে সমাধান করুন।

কলি