ঢাকা ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন? জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় জাতীয় সংসদ: স্পিকার চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত ৫ জুন পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২ আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু কুমিরের হামলায় নিহত শিশু ফাতেমার মা  ফিরলেন পরিবারের কাছে নিখোঁজের ৪ দিন পর বিলে মিলল যুবদলকর্মীর মরদেহ, আটক ৫ দুর্নীতি ঠেকাতে বন্দরকে ডিজিটালাইজড করা হবে: অর্থমন্ত্রী চাঁদপুরে গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত আদ্-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস রংপুরের জনজীবন থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল মোরেলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩, বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নজর চীনের আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘কোচিং সেন্টার’ বিতর্ক সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র ময়মনসিংহে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ২ জনের মৃত্যু পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে উখিয়ায় পারিবারিক কলহে গৃহবধূ নিহত, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেপ্তার প্রখর রোদে পথচলতি মানুষের হাতে শরবত ও পানি গাংনীতে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩ হাওর অঞ্চলের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকারে রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান
Nagad desktop

দাবদাহে পুড়ছে দিনাজপুর, ডাব-আখের রসের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
দাবদাহে পুড়ছে দিনাজপুর, ডাব-আখের রসের দোকানে উপচে পড়া ভিড়
একটু স্বস্তি পেতে দিনাজপুর শহরের একটি মোড়ে ফুটপাতের ভ্যানে আখ বা লেবুর শরবত পান করছেন তৃষ্ণার্ত পথচারীরা। ছবি খবরের কাগজ

দিনাজপুরে গত কয়েকদিন ধরে মাঝারি ধরনের দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালকরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেল ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সূর্যের তাপমাত্রা আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কউকে বাইরে বের হতে দেখা যায়নি।

শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত মানুষজন স্বস্তির খোঁজে ডাব ও আখের রসের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। কেউ ঠাণ্ডা পানি পান করছেন, কেউ আবার গাছের ছায়ায় বসে কিছুটা স্বস্তি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেক রিকশা ও ভ্যানচালককে রাস্তার পাশে গাছের নিচে বসে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ভ্যানগাড়ির ওপর বসে দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নিচ্ছেন।

শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক মো. আব্দুল জলিল বলেন, সকাল থেকেই গরমের তীব্রতা বেশি। দুপুরের দিকে চালানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। রোদে বের হলেই মাথা ঝিমঝিম করে। যাত্রীও কমে গেছে। আগে যেখানে দিনে হাজার টাকার মতো আয় হতো, এখন ৭০০-৮০০ টাকার বেশি হয় না।

আরেক রিকশাচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুর ১২টার পর রাস্তায় মানুষ কমে যায়। গরমে অনেক সময় রিকশা থামিয়ে ছায়ায় বসে থাকতে হয়। এতে আয় কমে যাচ্ছে। কিন্তু শরীরের কথা চিন্তা করেও তো চলতে হবে।

বাহাদুরবাজার এলাকায় রিকশাচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, 'গরমে প্যাডেল মারতে খুব কষ্ট হয়। ঘন ঘন পানি খেতে হচ্ছে। অনেক সময় যাত্রী নামিয়ে গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিতে হয়। এমন গরমে কাজ করা সত্যিই কঠিন।

রেলবাজার এলাকার ডাব বিক্রেতা মো. সাইদুর রহমান বলেন, কয়েকদিন ধরে বিক্রি অনেক বেড়েছে। আগে যেখানে দিনে ৮০ থেকে ১০০টি ডাব বিক্রি হতো, এখন ১৫০টিরও বেশি বিক্রি হচ্ছে। মানুষ গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে ডাব খাচ্ছেন।

ব্যাংকার সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অফিসের কাজে বাইরে বের হতে হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যাচ্ছে। তাই ডাবের পানি খেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছি।

কলেজছাত্রী তানজিলা আক্তার বলেন, ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার পথে গরমে খুব কষ্ট হয়। তাই মাঝে মাঝে ডাব বা আখের রস খেয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করি।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. আসিফ ফেরদৌস বলেন, এ ধরনের দাবদাহে শিশু, বয়স্ক এবং শ্রমজীবী মানুষদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার খাওয়া এবং প্রয়োজন ছাড়া দুপুরের তীব্র রোদে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সুলতান মাহমুদ/ আজহার/

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার আতাহার এলাকার রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৪), শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চক নরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রউফের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (১৯), একই ইউনিয়নের রানীবাগি বাজারপাড়ার কাশেম আলীর মেয়ে সাহিদা খাতুন (১৬)  ও মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলী ছেলে মো. মেসবাউল এবং নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লাহাপড়া গ্রামের আব্দুর রাকিবের স্ত্রী সুমি আরা (৪০)।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, বিকেলে বাড়ির পাশে গরু আনার জন্য মাঠে অবস্থান করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই একটি গরু মারা যায় এবং আব্দুল্লাহ গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সময় বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাহমুদা বেগম, সাহিদা খাতুন ও মেসবাউল।

নিহত তিনজনের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। 

অন্যদিকে নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের একটি মাঠ থেকে ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার সময় বজ্রপাতে সুমি আরা মারা যান। এ ঘটনায় তার স্বামী আব্দুর রাকিব আহত হন।

মো. আসাদুল্লাহ/সালমান/

গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাসন সড়ক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অনাবিল পরিবহনের একটি বাস বাসন সড়ক এলাকায় বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করছিল। এ সময় বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস গাড়িটিকে সাইড দিতে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা অটোরিকশাকে বেপরোয়া গতিতে চাপা দেয়। এতে চালকসহ দুইজন নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসচাপায় অটোরিকশাচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসের সামনের অংশ কেটে মরদেহ উদ্ধার করেন।

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশীদ বলেন, যাত্রীবাহী বাসচাপায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় শনাক্তসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পলাশ প্রধান/সালমান/

ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ফুসকা খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উচাখিলার চর-আলগী গ্রামে হামলা ভাংচুর লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শিপনের মৃত্যুর ৪ দিন পর তার বাবা রমজান আলী বাদী হয়ে উচাখিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে  আরও ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, ঈদের পরদিন উচাখিলার বটতলা বালুর ঘাটে ফুসকা খাওয়া নিয়ে মরিচারচর গ্রামের সায়েম ও রবিন, চর আলগী গ্রামের মোনায়েম ও খোকনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মরিচারচর গ্রামের লোকজন চর-আলগী গ্রামে হামলা,লুটপাট, ভাংচুর  চালায়। এসময় মরিচারচর গ্রামের শিপন (২০) আহত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।

এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত শিপন হত্যা মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

ওসি রবিউল আজম জানান, আসামীদের ধরতে জোর চেষ্টা চলছে।

ফয়সল আহমেদ/এসএন

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় একটি গরুও মারা যায়। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার আতাহার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ (১৫) ওই গ্রামের রাব্বিলের ছেলে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, বিকালে বাড়ির পাশে গরু আনার জন্য মাঠে অবস্থান করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই একটি গরু মারা যায় এবং আব্দুল্লাহ গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মো. আসাদুল্লাহ/সালমান/ 

কুমিরের হামলায় নিহত শিশু ফাতেমার মা  ফিরলেন পরিবারের কাছে

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
কুমিরের হামলায় নিহত শিশু ফাতেমার মা  ফিরলেন পরিবারের কাছে
ছবি: খবরের কাগজ

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের হামলায় নিহত শিশু ফাতেমার মা ভারসাম্যহীন ফজিলা বেগম (৩৫) দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর পরিবারের ফিরে পেয়েছেন স্বজনদের।

ফাতেমার মৃত্যুর সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ফজিলার পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করতে বাগেরহাটে ছুটে আসেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ফজিলার মা, ভাই ও সন্তানসহ পরিবারের ছয় সদস্য খানজাহান আলী (রহ.) মাজার এলাকায় উপস্থিত হন। 

পরে মাজার কর্তৃপক্ষ তাদের বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠান।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে  উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা বিভাগ, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং পরিচয় নিশ্চিত করার পর ভারসাম্যহীন ফজিলাকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফজিলা বেগম প্রায় তিন বছর আগে নিখোঁজ হন। তার সংসারে দুই ছেলে ও তিন মেয়েসহ মোট পাঁচ সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি কুমিরের হামলায় নিহত ফাতেমা ছিল তার সবচেয়ে ছোট সন্তান।

ফজিলার ছোট ভাই মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, প্রায় তিন বছর আগে আমার বোন হারিয়ে গিয়েছিল। আজ তাকে ফিরে পেয়ে আমরা আনন্দিত। তবে আমার ছোট ভাগ্নি ফাতেমার মৃত্যুর কষ্ট আমাদের বেদনার মধ্যে রেখেছে।

ফজিলার মা হাজরা খাতুন বলেন, আমার মেয়েকে ফিরে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। যদি আমার নাতনিসহ সবাইকে সুস্থভাবে পেতাম, তাহলে আরও বেশি খুশি হতাম।

এদিকে ফজিলা বেগম স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে না পারলেও বারবার একটি কথাই বলার চেষ্টা করেন আমি আমার মেয়েকে ছেড়ে যাব না।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, ফজিলার পরিবারের সদস্যরা সকালে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে সমাজসেবা কর্মকর্তা, বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিচয় নিশ্চিত করে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘিতে কুমিরের হামলায় শিশু ফাতেমার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোকের সৃষ্টি হয়।

রিফাত আল মাহামুদ/এসএন