ঢাকা ৭ বৈশাখ ১৪৩১, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

পঞ্চম শ্রেণির লেখাপড়া: বাংলা

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:২০ পিএম
পঞ্চম শ্রেণির লেখাপড়া: বাংলা

এই দেশ এই মানুষ

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১ ও ২ নম্বর ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ: 

বাংলাদেশের জনজীবন ভারি বৈচিত্র্যময়। এই দেশকে তাই ঘুরে ঘুরে দেখা দরকার। কোথাও পাহাড়, কোথাও নদী, কোথাও-বা এর সমুদ্রের বেলাভূমি! এজন্য দরকার দেশের নানা প্রান্তে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া। পরস্পর মেলামেশা করা। কাছাকাছি আসা। মানুষকে ভালোবাসা। দেশ মানে এর মানুষ, নদী, আকাশ, প্রান্তর, পাহাড়, সমুদ্র এইসব। দেশ হলো জননীর মতো। স্নেহ মমতা ভালোবাসা দিয়ে আমাদের আগলে রাখে। দেশও তেমনই তার আলো বাতাস সম্পদ দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে।  এ দেশকে আমরা ভালোবাসব। 

প্রশ্ন-১: সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখ:

১. আলোচ্য অনুচ্ছেদে কোন বিষয়ের কথা বলা হয়েছে?

ক. বাংলাদেশ ও মানুষ খ. ভিনদেশ  

গ. পর জনমের    ঘ. জাপানের

২. বাংলাদেশের গৌরব বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

ক. সকলের ধর্ম একই       খ. সকলের পেশা একই  

গ. সকলে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বসবাস করে  

ঘ. সংঘাতের মধ্যে বসবাস করে 

৩. এরা সকলে পরস্পরের-

ক. আত্মীয়    খ. আপনজন  

গ. বন্ধু    ঘ. শত্রু

৪. বাংলাদেশে প্রধানত কয় ধর্মের লোক বাস করে?

ক. এক  খ. দুই   

গ. তিন  ঘ. চার 

৫. একজন তার কাজ দিয়ে আরেকজনকে সাহায্য করে কী গড়ে তুলেছে?

ক. গ্রাম    খ. শহর   

গ. বিভাগ    ঘ. দেশ 

উত্তর: ১। ক. বাংলাদেশ ও মানুষ, ২। গ. সকলে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বসবাস করে, ৩। খ. আপনজন, ৪। ঘ. চার, ৫। ঘ. দেশ।

প্রশ্ন-২: নিচের পাঁচটি শব্দের অর্থ লেখ:                              

পাহাড়, পোশাক, ভাষা, জনপদ, ভালোবাসা

উত্তর: 

প্রদত্ত শব্দ                        অর্থ 

পাহাড়                    উঁচু মাটির ভূমি।

পোশাক                  বস্ত্র, কাপড়।

ভাষা                       মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম।

জনপদ                   লোকালয়। 

ভালোবাসা              স্নেহ, মমতা।

সহকারী শিক্ষক,ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা।

কলি

অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩০ পিএম
অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশে চলমান তাপপ্রবাহের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধের ঘোষণা করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, তীব্র তাপদাহের কারণে পরবর্তী তারিখ ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর ক্লাস বন্ধ থাকবে। 

কবির/সালমান/

শখের মৃৎশিল্প প্রবন্ধের প্রশ্নোত্তর -৫ম শ্রেণি

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:২৭ পিএম
শখের মৃৎশিল্প প্রবন্ধের প্রশ্নোত্তর -৫ম  শ্রেণি

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্ম কোনটি?
উত্তর: শিল্প বলতে আমরা বুঝি কোনো কিছু সুন্দর করে আঁকা, সুন্দর করে গাওয়া বা সুন্দর করে তৈরি করা। আর শিল্পের এই কাজ বা সৌন্দর্যকে বলা হয় শিল্পকলা। আমাদের দেশে নানা শিল্পকলা রয়েছে, রয়েছে নানা ধরনের শিল্পকর্ম। এসব শিল্পকর্মের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকলার পরিচয় পাওয়া যায় মাটির শিল্পে। এটা এ দেশের নিজস্ব শিল্প। বৈশাখী মেলায় ও নানা পার্বণে যেসব মাটির জিনিস বিক্রি হয়, সে সবকিছুই মাটির শিল্প। গ্রামের কুমাররা নিপুণভাবে এসব তৈরি করেন। প্রাচীনকাল থেকেই এ দেশে মৃৎশিল্প বা মাটির শিল্পের চর্চা হয়ে আসছে। ময়নামতির শালবন বিহার, বগুড়ার মহাস্থানগড় ও বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদে যেসব পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটার নিদর্শন রয়েছে, সেসব মাটি দিয়েই তৈরি। কাজেই বলা যায়, বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্ম হচ্ছে মাটির শিল্প বা মৃৎশিল্প।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্মের বিবরণ দাও।
উত্তর: বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্মের মধ্যে মৃৎশিল্প অন্যতম। এটা এ দেশের নিজস্ব শিল্প। নিচে প্রাচীন শিল্পকর্মের পরিচয় তুলে ধরা হলো-
টেপা পুতুল: প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যে টেপা পুতুল অন্যতম। বাংলার কুমাররা এঁটেল মাটি দিয়ে হাতের নৈপুণ্য ও কারিগরি জ্ঞানের মাধ্যমে টিপে টিপে নানা ধরনের পুতুল তৈরি করে। হাত দিয়ে টিপে এসব পুতুল তৈরি করে বলে এ পুতুলকে টেপা পুতুল বলে।

টেরাকোটা: বাংলার অনেক পুরোনো শিল্প এই টেরাকোটা। টেরাকোটা একটা লাতিন শব্দ। ‘টেরা’ শব্দের অর্থ মাটি আর ‘কোটা’ অর্থ পোড়ানো। পোড়ামাটির তৈরি মানুষের ব্যবহারের সব রকম জিনিসই টেরাকোটা হিসেবে পরিচিত।

শালবন বিহার: কুমিল্লা জেলার ময়নামতির লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে মাটি খুঁড়ে আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন শালবন বিহার। এখানে অষ্টাদশ শতকের পুরাকীর্তিসহ নানা ধরনের পোড়ামাটির ফলক পাওয়া গেছে।

কান্তজীর মন্দির: ১৭৫২ খ্রিষ্টাব্দে মহারাজা রমানাথ রায় দিনাজপুরে কান্তজীর মন্দির নির্মাণ করেন। এ মন্দিরের গায়ে স্থাপিত অপূর্ব সুন্দর টেরাকোটা বাংলার মাটির শিল্পের প্রাচীন নিদর্শন।

পাহাড়পুর: রাজশাহী জেলার পাহাড়পুরে আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন সোমপুর বিহার। এই সোমপুর বিহারের আশপাশের বড় বৌদ্ধ মন্দিরে পাওয়া গেছে অনেক সুন্দর টেরাকোটা, যা অষ্টম শতকের তৈরি।
মহাস্থানগড়: বগুড়া শহর থেকে ১২ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত মহাস্থানগড়। এখানে পাওয়া গেছে অনেক পোড়ামাটির ফলক, পাত্র, অলঙ্কার ও মূর্তি।

উয়ারী বটেশ্বর: নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বরে সম্প্রতি পাওয়া গেছে হাজার বছরের পুরোনো প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন। এখানে পাওয়া গেছে নানা ধরনের সুন্দর মাটির পাত্র আর ফলক। মৃৎশিল্প আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের গর্ব, মৃৎশিল্পকে সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

লেখক: সহকারী শিক্ষক,ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ,বসুন্ধরা শাখা, ঢাকা। 

 কলি 

 

 

এইচএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের Flow Chart এবং Summary

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১০ পিএম
এইচএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের Flow Chart এবং Summary

Unit 6, Lesson 4 Question No. 2 (Flow Chart)

  1. Read the following passage and make a flow chart mentioning the struggle and success of Shilpi and Rashid against early pregnancy. (No. 1 has been done for you.)

Shilpi’s mother-in-law and neighbours continued to pressurize the newlyweds. Deeply rooted cultural practices and traditions caused a rift between Shilpi and Rashid and their extended family, some of whose members insulted and criticized the couple. Unable to convince their close relatives of the risks, Shilpi and Rashid returned to the counselor. They took the help of a parent peer who had been trained to speak to other parents who about adolescent issues. Shilpi’s mother-in-law and neighbours eventually came to understand the harmful effects of early pregnancy on mother and child.
After that, the villagers no longer pressurized the couple; their parents and neighbours began to support them and speak out against early marriage and pregnancy.

Unit-7 Lesson-3 Question No. 3 Summary

Write a summary of the following text.

Junk foods are processed foods consisting of high calories, but that is considered only a broad umbrella. These foods are prepared in a way that they look appealing and are enjoyable so you are chemically programmed to ask for more. According to Dr. Sunali Sharma, a dietician and Nutritionist, “Commercial products including salted snack foods, chewing gum, candy, sugary desserts, fried fast food and sweetened carbonated beverages that have little or no nutritional value but are high in calories, salt and fats may be considered junk foods. Though not all fast foods are junk foods, a great number of them are. For instance, a salad may be fast food but is definitely not junk food. Some foods like burgers, pizzas and tacos may alternate between junk and healthy categories depending on the ingredients, calories and process of manufacturing.”

Ans: Junk foods consist high calories, and they are prepared in such a way that they look appealing. As they are highly enjoyable people are chemically programmed to ask for more. However, they have little or no nutritional value. They are high in calories, salt and fats. Anyway, all fast foods are not junk foods, but a great number of them are. They may be distinctly classified according to their ingredients, calories and process of manufacturing.

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা

কলি 

নবম শ্রেণির নতুন পাঠ্যক্রম ইসলাম শিক্ষার আকাইদের নমুনা প্রশ্নোত্তর

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০৩ পিএম
নবম শ্রেণির নতুন পাঠ্যক্রম ইসলাম শিক্ষার আকাইদের নমুনা প্রশ্নোত্তর

নমুনা প্রশ্ন: ‘মুনাফিকরা আমাদের সমাজের শান্তি স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।’ শিরোনামের আলোকে প্যানেলে বা দলগত আলোচনা করে উপস্থাপন করো।

নমুনা সমাধান: উপরিউক্ত বিষয় দলে/প্যানেলে আলোচনা শেষে নিচে উপস্থাপন করা হলো- 
নিফাক আরবি শব্দ। এর অর্থ কপটতা, ভণ্ডামি, প্রতারণা ও দ্বিমুখীভাব পোষণ করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, নিফাক বলতে অন্তরে কুফর ও ইসলাম বিরোধিতা গোপন রেখে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা লাভের জন্য মুখে ঈমানদার সুলভ কথা বলা এবং লোক দেখানো ইসলামি আচার-অনুষ্ঠান পালন করাকে বোঝায়। নিফাকে লিপ্ত ব্যক্তিকে মুনাফিক বলা হয়।

  • মুনাফিকরা সমাজে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি করে থাকে। অথচ তারা প্রচার-প্রকারান্তরে নিজেদের শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী বলে পরিচয় দেয়।
  •  মুনাফিক তাদের স্বভাব দ্বারা মনুষ্যত্ব ও চরিত্রকে ধ্বংস করে। মুনাফিক তার স্বার্থ হাসিলের জন্য নানা অন্যায় ও গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়। সমাজের মানুষের মাঝে বিবাদ, অনৈক্য ও অশান্তি সৃষ্টি করে।
  •  মুনাফিক আমাদের সমাজে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। কারণ তারা সর্বদা মিথ্যাচার করে, সত্যকে লুকিয়ে রাখে এতে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হয়।
  • মুনাফিকরা আমানতের খিয়ানত করে। এতে যে আমানত রেখেছে সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরস্পর শত্রুতার সৃষ্টি হয়। সমাজে মারামারি হয়, শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হয়।
  •  মুনাফিক অঙ্গীকার ভঙ্গ করে। যার সঙ্গে ভঙ্গ করেছে সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ঝগড়া, বিবাদ, মারামারি লেগেই থাকে।
  • এরা একের গোপন কথা, দুর্বলতা অন্যের কাছে প্রকাশ করে সমাজে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে বিপর্যয় সৃষ্টি করে।
  • এরা সমাজে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করে ভালো মানুষের সঙ্গে খারাপ মানুষের ঝগড়া-বিবাদ লাগিয়ে দেয়।
  •  সমাজে যত অপকর্ম, খারাপ কাজ, বিশৃঙ্খলা দেখা যায় এর মূলে মুনাফিকরা। এদের কাজই হচ্ছে সমাজে বিশৃঙ্খলা লাগিয়ে সামজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করা।
  • এরা মানুষ ও সমাজের সুখ ও শান্তি সহ্য করতে পারে না তাই যেকোনো বাহানায় সমাজে বিশৃঙ্খলা লাগিয়েই রাখে। এজন্য মানুষ এদের পছন্দ করে না।
  • মুনাফিকরা নিজেদের বুদ্ধিমান, ধূর্ত, চতুর ও চালাক মনে করে আর মুমিনদের নির্বোধ মনে করে। অথচ তারা নিজেরাই বোকা, নির্বোধ।

              প্রতিফলন ডায়েরি লিখন
‘নিফাক থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য ব্যক্তি, পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজ জীবনে আমি যেসব ভালো কাজ করব এবং যেসব মন্দ কাজ পরিহার করব’ উল্লিখিত শিরোনামের আলোকে পাঠ্যবইয়ের ২৪ নম্বর পৃষ্ঠার ছকটি পূরণ করো।

নমুনা উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা উল্লিখিত শিরোনামে বাড়িতে তোমরা তোমাদের প্রতিফলন ডায়েরিতে পাঠ্যবইয়ের মতো ছক একে তারপর লিখবে। তোমাদের জন্য নমুনা উত্তর নিচে দেয়া হলো-

লেখক: মাস্টার ট্রেইনার ও সিনিয়র শিক্ষক, শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কলি 

 

বিজ্ঞানের বায়ু অধ্যায়ের বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর ৫ম শ্রেণি

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৬ পিএম
বিজ্ঞানের বায়ু অধ্যায়ের বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর ৫ম শ্রেণি

বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ভেজা কাপড় যত দ্রুত সম্ভব শুকানো প্রয়োজন। কিন্তু বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। ঘরের ভেতর কীভাবে আমরা দ্রুত কাপড় শুকাতে পারি?
উত্তর: ভেজা কাপড় শুকানোর জন্য বাতাসের প্রয়োজন। বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি। তাই ঘরের মধ্যে ভেজা কাপড় শুকাতে হবে। এ জন্য ঘরের যে অংশে পর্যাপ্ত আলো বাতাস আছে কিংবা জানালার সামনে মেলে দিলে জামাকাপড় দ্রুত শুকায়। কারণ পর্যাপ্ত বাতাস ভেজা কাপড় থেকে পানির কণাগুলো বহন করে নিয়ে যায়।

প্রশ্ন: আমাদের প্রয়োজনে অক্সিজেনের পাঁচটি ব্যবহার লিখ।

উত্তর: আমাদের জীবনে অক্সিজেনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে আমাদের প্রয়োজনে অক্সিজেনের পাঁচটি ব্যবহার আলোচনা করা হলো-
১. মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তু শ্বাসকার্যের জন্য বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে থাকে।
২. শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন ব্যবহার করা হয়।
৩. মাটির অনেক নিচে খনিজসম্পদ আহরণের জন্য শ্রমিকরা অক্সিজেনযুক্ত সিলিন্ডার ব্যবহার করে থাকে।
৪. উঁচু পর্বতারোহীরা শ্বাসকার্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করে।
৫. পানির তলদেশে ডুবুরিরা শ্বাসকার্যে অক্সিজেন  সিলিন্ডার ব্যবহার করে।

প্রশ্ন: রিসাইকেল প্রক্রিয়া কীভাবে বায়ুদূষণ কমাতে পারে?

উত্তর: রিসাইকেল প্রক্রিয়ায় আমরা নিম্নোক্তভাবে বায়ুদূষণ কমাতে পারি-
ক. রিসাইকেল প্রক্রিয়া হলো ময়লা-আবর্জনা বা নষ্ট কোনো বস্তুকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা।
খ. গৃহস্থালি বিভিন্ন নষ্ট বস্তু বা হাসপাতালের বর্জ্যকে রিসাইকেল প্রক্রিয়ায় নতুন বস্তু বা অন্য বস্তুতে পরিণত করার ফলে এগুলো বায়ুদূষণ করতে পারে না।
গ. রিসাইকেল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেক বর্জ্য পদার্থকে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য পদার্থে পরিণত করা হয়।
ঘ. বিভিন্ন কারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়ায় বিদ্যমান কার্বনকে রিসাইকেল প্রক্রিয়ায় অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
অর্থাৎ রিসাইকেল প্রক্রিয়া বায়ুদূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন: কী কী কারণে বায়ু দূষিত হয়? মানুষ কীভাবে বায়ুদূষণ করছে?

উত্তর: যে যে কারণে বায়ু দূষিত হয় তা নিম্নরূপ-
১. বায়ুতে রাসায়নিক পদার্থ মিশে।
২. বায়ুতে পচে যাওয়া আবর্জনার দুর্গন্ধ মিশে।
৩. বায়ুতে কল-কারখানায় উৎপাদিত ধোঁয়া মিশে।
৪. বায়ুতে গ্যাস ও ধূলিকণা মিশে।
মানুষ বিভিন্নভাবে বায়ুদূষণ করছে। সেগুলো হলো-
১. জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে গ্যাস সৃষ্টির মাধ্যমে।
২. যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রেখে এবং মলমূত্র ত্যাগের মাধ্যমে বায়ুতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে।
৩. কল-কারখানা ও যানবাহন থেকে ধোঁয়া সৃষ্টির মাধ্যমে।
৪. গাছপালা ও আবর্জনা পুড়িয়ে ধোঁয়া সৃষ্টির মাধ্যমে।

লেখক: শিক্ষক, ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঢাকা

কলি