ঢাকা ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

কৃতির কপাল কি খুলবে

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫৪ এএম
কৃতির কপাল কি খুলবে
কৃতি শ্যানন

কৃতির মন্দ কপাল। একের পর এক সিনেমা করছেন, কিন্তু সেসব হিট হচ্ছে না। বড় বাজেটের ছবি, বড় পরিচালক, বড় নায়ক, বিপরীতে কৃতির মন্দ কপাল! এ মাসে মুক্তি পেয়েছে শহিদ কাপুরের সঙ্গে কৃতির নতুন ছবি ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’। প্রথম দুদিনে ছবিটি আয় করেছে সাড়ে ৯ কোটি রুপি। এই অঙ্ক আশার আলো দেখাচ্ছে কৃতির ভক্ত ও বিনিয়োগকারীদের।

বলিউডের এক বিশেষজ্ঞ মাইক্রোব্লগ এক্স-এ লিখেছিলেন, ‘কৃতি বড় বড় তারকার সঙ্গে ছবি করছেন। কিন্তু তার কারণে হয় অধিকাংশ ছবি ফ্লপ করছে, নয়তো সমালোচনার মুখে পড়ছে।’ তার এমন মন্তব্যে কৃতির ভক্তরা ক্ষেপেছেন। কিন্তু গ্রাফ বলছে, বলিউডের উঠতি তারকা কৃতি শ্যানন ব্যর্থ। গত চার বছর কোনো সাফল্য নেই তার।

২০২২ সালে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘বচ্চন পাণ্ডে’, ‘হিরোপন্তি টু’ এবং বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে কৃতির ‘ভেড়িয়া’ ছবি। তিনটি ছবিই মুখ থুবড়ে পড়েছে। ২০২৩ সালে কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে ‘শেহজাদা’ ফ্লপ, প্রভাসের সঙ্গে ‘আদিপুরুষ’ ছিল কৃতির জীবনের অন্যতম বড় সিনেমা। এই ছবিটি ভালো করলেও, পড়েছে সমালোচনার মুখে। এবারে ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’-এর পালা।

শহিদ কাপুরের সঙ্গে ছবিটির গল্পটা অন্যরকম। বাড়ির ইলেকট্রনিক পণ্যগুলোর সঙ্গে কীভাবে মানুষের মন জড়িয়ে যায়, সে রকম এক কাহিনি দেখা যাবে পর্দায়। প্রিয় মানুষের শরীর খারাপ করলে যেভাবে মানুষের মন খারাপ হয়ে যায়, তেমনি বাড়ির রোবট বিকল হলে কী হয়, সেটাই দেখানো হয়েছে ছবিতে। রোবট সঙ্গী নিয়ে কমেডি গল্পের এ ছবি পরিচালনা করেছেন অমিত যোশী ও আরাধনা শাহ। সমালোচকরা বলছেন, ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ দেখতে বসলে রজনীকান্তের ‘ইনথিরান’, শাহরুখ খানের ‘রা ওয়ান’, কিংবা টেলিভিশনের সুপারহিট ধারাবাহিক ‘স্মল ওয়ান্ডার’, হালফিলের ‘হামারি রজনীকান্ত’-এর কথা মনে পড়বে। নির্মাতারা জানিয়েছেন, ছবিটা ওসব পুরোনো সিনোমা ও ধারাবাহিক থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই বানানো হয়েছে। তবে এটি শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে একটি প্রেমের গল্প।

এখন অপেক্ষার পালা, কৃতির ভাগ্য কতটা সুপ্রসন্ন হয় সেটা দেখার পালা।

জাহ্নবী

পপসম্রাট আজম খানের জন্মদিন আজ

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩৬ পিএম
পপসম্রাট আজম খানের জন্মদিন আজ

দেশের পপসংগীতের গুরু বলা হয় তাকে। ২০১১ সালের ৫ জুন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুর এত বছর পর জনপ্রিয়তা একটুও ভাটা পড়েনি তার। কর্মগুণে মৃত্যুকে জয় করে অমরত্ব লাভ করেছেন তিনি। বলছি পপসম্রাট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের কথা।  প্রয়াত এই কিংবদন্তির জন্মদিন আজ।

১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আজম খান। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান। বাবা আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও মা জোবেদা খাতুন। আজম খান ১৯৫৫ সালে প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সাল থেকে তিনি কমলাপুরে থাকতেন এবং আমৃত্যু সেখানেই ছিলেন।

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তিনি তখন ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ১৯৭০ সালে টিঅ্যান্ডটি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন।

১৯৭১ সালে সরাসরি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন আজম খান। কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন। দুই নম্বর সেক্টরে সেকশন ইনচার্জ ছিলেন। সেকশন কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা অভিযানেও অংশ নিয়েছিলেন খ্যাতিমান এই পপতারকা।

স্বাধীনতার পর তার ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’ আলোচনায় আসে। ১৯৭২ সালে ‘এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দুটি বিটিভিতে প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। ১৯৭৪ সালে বিটিভিতে ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে’ তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৮২ সালে ‘এক যুগ’ নামে তার প্রথম ক্যাসেট প্রকাশিত হয়। ডিস্কো রেকর্ডিংয়ের প্রযোজনায় তার গাওয়া গানের প্রথম সিডি বের হয় ১৯৯৯ সালের ৩ মে।

আজম খানের গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের তালিকায় রয়েছে : ‘আমি যারে চাইরে’, ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অ্যাকসিডেন্ট’, ‘অনামিকা’, ‘অভিমানী’, ‘আসি আসি বলে’, ‘হাইকোর্টের মাজারে’, ‘পাপড়ি’, ‘যে মেয়ে চোখে দেখে না’।

গানের পাশাপাশি অভিনয়েও দেখা গেছে এই তারকাকে। ১৯৮৬ সালে ‘কালা বাউল’ নামে হিরামন সিরিজের এক নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে শাহীন সুমন পরিচালিত ‘গডফাদার’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন আজম খান।

এছাড়া ২০০৩ সালে ক্রাউন এনার্জি ড্রিংকসের বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২০১০ সালে কোবরা ড্রিংকসের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ২০১১ সালের ৫ জুন মারা যান আজম খান।

কলি

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ফিল্ম গ্র্যান্ট জিতেছেন ইভান মনোয়ার

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৫৩ পিএম
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ফিল্ম গ্র্যান্ট জিতেছেন ইভান মনোয়ার

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ফিল্ম গ্র্যান্ট জিতেছেন নির্মাতা ইভান মনোয়ার। 'Born to Play' (বর্ন টু প্লে) ছবি বানানোর জন্য তিনি এ বাজেট পেয়েছেন। ছবির প্লট- কলসিন্দুর গ্রাম থেকে সানজিদা নামের একটি মেয়ের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুটবলার হয়ে ওঠবার গল্প। ফিল্ম প্রোডাকশন হাউজ 'মাইন্ড দ্য গ্যাপ' এই ফিল্মটি নির্মাণ করছে। 

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ফিল্ম গ্র্যান্ট প্রাপ্তি'তে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই নির্মাতাকে। ডক্টর বার্ন্ড স্প্যানিয়ার, বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধি দলের চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স এক বার্তায় নির্মাতাকে বলেন, 'তোমার এই প্রাপ্তিতে আমরা খুব খুশি – ফিল্মটি দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি! ' 

নির্মাতা ইভান মনোয়ার বলেন, 'দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো, দর্শকদের ভালো একটা গল্প দেখাতে পারবো এই ছবির মাধ্যমে।' 

নির্মাতা ইভান মনোয়ার'র ছবি 'প্যাসেঞ্জার' গত বছর ইউরোপিয়ান ফিল্ম ফেস্ট এ বেস্ট স্টোরি এওয়ার্ড জিতেছিলো। এ বছর তিনি শাওমির গ্লোবাল ফিল্মমেকার নির্বাচিত হয়েছেন। বিটিভি'র ছোট ছবি বড় স্বপ্ন প্রজেক্ট এর জন্য তিনি 'গ্রীন পাসপোর্ট' নামে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অ্যানিমেশন সিনেমা

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৫০ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অ্যানিমেশন সিনেমা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে এবার তৈরি হচ্ছে একটি অ্যানিমেশন সিনেমা। এর নাম ‘হাসিনা : দি আনটোল্ড স্টোরি’।

এটি তৈরি করছেন রাতুল বিশ্বাস। আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে নাল স্টেশন স্টুডিও থেকে এটি নির্মিত হবে। এ জন্য রাতুল ইতোমধ্যেই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে দেখাও করেছেন। রাতুল গণমাধ্যমকে জানান, সিনেমার পরিকল্পনা পছন্দ করেছেন মন্ত্রী। আশ্বাস দিয়েছেন সিনেমাটি নির্মাণে সর্বোচ্চ সহায়তা করবে আইসিটি বিভাগ।

সম্প্রতি সিনেমাটির টিজারও প্রকাশ হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, বিমানে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টিজারটির জন্য সর্বমহল থেকে প্রশংসা পাচ্ছেন নির্মাতা।

এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘সিনেমাটি নির্মিত হবে উন্নত মানের টেকনোলজি দিয়ে। যেমনটা হয় হলিউডে। সিনেমা দেখে যেন মনে হয় এটা রিয়েল শুট করা হয়েছে। এখানে থাকবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার। আমরা এমন একটি প্রজেক্ট নির্মাণ করতে চাই, যা দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে লড়তে পারি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য সিনেমাটি দিয়ে অস্কারে ফাইট দেওয়া।’

এ সিনেমাটি হবে থ্রিডি অ্যানিমেশনে। সিনেমার গল্প হবে মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে।

দেখা যাবে প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের পরিকল্পনা পর্যন্ত।

নির্মাতা রাতুল আরও বলেছেন, ‘এ সিনেমার গল্প আমরা হয়তো সবাই জানি। কিন্তু ভিজুয়ালটা দেখেনি অনেকেই। ১৯৭৫ সালে যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করা হলো, সে সময়টা শেখ হাসিনার কীভাবে কেটেছে। শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার দেশে ফিরে আসা, অনেক সংগ্রাম করে পুনরায় দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, দেশ সামনে এগিয়ে নিতে তার ত্যাগ আর সংগ্রামের অনেক জানা-অজানা গল্প সিনেম্যাটিকভাবে তুলে আনার চেষ্টা করছি।’

নির্মাতা আরও বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা নানা বই থেকে আমরা চিত্রনাট্য তৈরির চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করব। কারণ তিনিই সবচেয়ে ভালো জানেন, সে সময় কী ঘটেছিল, কীভাবে ঘটেছিল, কেমন ছিল তার মানসিক অবস্থা। সে বিষয়গুলো সিনেমায় নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে চাই।’

সিনেমাটির ব্যাপ্তি হবে প্রায় ৩ ঘণ্টা। ডাবিং করা হবে হিন্দি ও ইংরেজিতে। ২০২৫ সালে প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি দিতে চান নির্মাতা।

জাহ্নবী

 

জুরি হয়েও ভিসা পেলেন না বাঁধন

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৮ এএম
জুরি হয়েও ভিসা পেলেন না বাঁধন
আজমেরী হক বাঁধন

ভারতের এক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি হয়েছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের উদ্দেশে রওনা দিতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে তার এ ভূমিকার কারণে সবাই যখন সাধুবাদ জানাচ্ছিলেন, তখনই জানা গেল দুঃসংবাদ। ভারতের ভিসা দেওয়া হয়নি বাঁধনকে।

ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্ণাটক চলচ্চিত্র একাডেমি আয়োজিত ১৫তম বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অফিশিয়াল জুরি হওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাঁধন। উৎসবের এশিয়া সিনেমা কমপিটিশন বিভাগের পাঁচ জুরির তিনি একজন। ওই বিভাগের চেয়ারপারসন রুশ শিক্ষাবিদ নিনা কোচলেইভা। অন্য জুরিরা হলেন ভারতীয় সাংবাদিক, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক এন এস শংকর, স্পেনের চলচ্চিত্র সমালোচক রোশানা জি আলোনসো, যুক্তরাজ্যের নির্মাতা ক্যারি রাজন্দর সাহনি। উৎসবের ওয়েব সাইটে বাঁধনকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশের টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ’ হিসেবে। ভারতীয় নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজের ‘খুফিয়া’ ছবিতে তিনি কাজ করেছেন সে কথাও জানানো হয়েছে ওই পাতায়। এমনকি কান চলচ্চিত্র উৎসবে অফিসিয়াল সিলেকশন পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম ছবির প্রধান শিল্পী হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে তাকে।

গতকাল মঙ্গলবার বাঁধন খবরের কাগজকে বলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক ছিল, আগাম টিকিটও করা ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট তুলতে গিয়ে দেখলাম আমাকে ভিসা দেওয়া হয়নি।’ কেন এমন হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমন্ত্রণপত্রে লেখা আছে টুরিস্ট ভিসায়ও ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়া যাবে। এ কারণে আমি টুরিস্ট ভিসার আবেদন করেছি। ভারতে আমি কোনো সিনেমার শুটিংয়ে যাচ্ছি না। অ্যাপ্লাই করার সময় ভিসা ক্যাটাগরি নির্বাচনেও কোনো ভুল করিনি। তারপরও কেন ভিসা পেলাম না, জানি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যাওয়ার কথা ছিল ২৪ তারিখে। শুটিং ছিল বলে ২৬ তারিখে গিয়েছি। দেখি ভিসা পাইনি। আবারও আবেদন করেছি। সবকিছু অনিশ্চিত। দেখি কী হয়।’

বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হবে ২৯ ফেব্রুয়ারি, চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। এ উৎসবে আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘এ উৎসবে জুরি হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের ব্যাপার। যে ঘটনাটি ঘটল, সেজন্য খুব খারাপ লাগছে। যেহেতু আবার আবেদন করেছি, আশা করছি দূতাবাস আমাকে ভিসা দেবে।’

এই উৎসবের ১৫টি বিভাগে দেখানো হবে ৫০টিরও বেশি দেশের ২ শতাধিক সিনেমা। এশিয়ান সিনেমা কমপিটিশন বিভাগের সিনেমাগুলো দেখে সেসবের মধ্য থেকে সেরা ছবি বাছাইয়ে মতামত দেবেন বাঁধন। এই বিভাগ ছাড়াও উৎসবে রয়েছে ভারতীয় ও কর্ণাটকি চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগ। অফিশিয়াল জুরিদের পাশাপাশি উৎসবের চলচ্চিত্র সমালোচকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিপ্রেসি ও এশিয়াভিত্তিক সংগঠন নেটপ্যাক জুরিরাও থাকবেন। এর আগে গত বছর ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত আই এম টুমোরো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও জুরির দায়িত্ব পালন করেন বাঁধন।

বাঁধনের ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। বিশাল ভরদ্বাজের ‘খুফিয়া’ ছবির কাজ করে আসার পর, গত দেড় বছরে এ নিয়ে দুবার ভিসার আবেদন করেও ভারতের ভিসা পাননি বলে জানান বাঁধন। দুবারই তিনি ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করেছিলেন। প্রথমবার ‘খুফিয়া’ ছবির প্রচারের জন্য যেতে চেয়েছিলেন। সেবারও তার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।

ভারত ও বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের বহু শিল্পী ও কলাকুশলী নিয়মিত দুই দেশে যাতায়াত করেন। শিল্পীদের ভিসার ক্ষেত্রে দুই দেশই যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিচ্ছিন্ন দুই একটি ঘটনা শিল্পীদের মন ভেঙে দেয়। বাঁধনের ক্ষেত্রে আবারও সে রকম একটি ঘটনা ঘটল।

জাহ্নবী

অস্ট্রেলিয়ায় সোলস

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৪২ এএম
অস্ট্রেলিয়ায় সোলস

দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্যান্ডদল সোলস। গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরের মধ্য দিয়ে ব্যান্ডটি সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে। এদিকে নতুন বছরে প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছে সোলসের পুরো টিম।

এবার নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনির বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটির আমন্ত্রণে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পারফর্ম করে সোলস। দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রায় বিশটি গান পরিবেশন করে ব্যান্ডটি। পুরোনো গানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানটি প্রসঙ্গে সোলস ব্যান্ডের প্রধান পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘সিডনিতে এর আগে বহুবার গান করেছি। এখানকার শ্রোতারা বাংলা গানকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। এবার এসেছি বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটির আমন্ত্রণে। সত্যি বলতে গেলে আমাদের দেশের চিকিৎসকরা সিডনিতে অনেক সম্মানিত। তাদের জন্য গাইতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

সোলস ছাড়াও অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন প্রিয়াংকা বিশ্বাস, অভিজিৎ , রাজিব, খালিদ, রানা ও সোহেল খান।

আগামী ২ মার্চ মেলবোর্নে মিউজিক্যাল ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করবে সোলস। অস্ট্রেলিয়া সফরে সোলস টিমে রয়েছেন নাসিম আলী খান, পার্থ বড়ুয়া, মীর মাসুম, শেখ আহসানুর রহমান আশিক, মারুফ হাসান রিয়েল, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার শামীম আহমেদ ও লাইটিংয়ে ইভান। আগামী ১২ মার্চ সোলস টিম দেশে ফিরবে বলে জানান ব্যান্ডটির সদস্যরা।

উল্লেখ্য, ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতিমধ্যে বেশ ক’টি গান প্রকাশ করেছে সোলস। গানগুলো হলো- ‘সাগরের প্রান্তরে’, ‘কিতা ভাইসাব’, ‘রিকশা’, ‘যদি দেখো’,  ‘হাওয়াই মিঠাই’ ও ‘বাহানা’।

জাহ্নবী