ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আজকে যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে নির্দ্বিধায় বলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী যে জগৎ মানুষের অপেক্ষায় আছে চট্টগ্রামে এইডস ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম যুগোপযোগী পাঠদান শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে: গ্লেনরিচে বক্তারা ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু বৈশ্বিক শিল্প ইতিহাসের ভূ-রাজনীতিতে নারী শিল্পী নগরায়ণ, পরিবেশ বিপর্যয় ও বরেন্দ্র জনপদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ জাতীয় সংসদসহ সব খাতে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে: স্পিকার হাম উপসর্গে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৭৭ ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন সিলেটে ভারতীয় সিগারেটসহ অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’ সিলেটে কম্পিউটার সমিতির চেয়ারম্যান এনামুল কুদ্দুছ, সেক্রেটারি আবু সাঈদ আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাজেটে ওয়াশ বরাদ্দে ইতিবাচক পুনরুদ্ধার, তবে রয়ে গেছে চরম সমতার ঘাটতি বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহনন, বিয়ের প্রলোভনে সর্বস্ব লুটের অভিযোগ শরীয়তপুরে আ. লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির মিছিল বাজেট: উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সম্ভাবনা ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান ১ বছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব: প্রধানমন্ত্রী ৫৪ বছর পর ধামরাই কলেজে বাস সার্ভিস উদ্বোধন অফিসে ঝামেলা সামলানোর ৭টি টিপস রাজবাড়ী হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডায়ালাইসিস সেন্টার নিয়ে বড় ঘোষণা
Nagad desktop

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:৫২ এএম
আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:৪৪ এএম
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশ্ন
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় একটি ইংরেজি দৈনিকের উদ্দেশ্যমূলক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দুবাইয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের গোপন সম্পদ নিয়ে কয়েক মাস ধরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে পত্রিকাটি। চলতি মাসের শুরুতেও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিসের (সিফোরএডিএস) তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। 

ডেইলি স্টারের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৬১ জন বাংলাদেশি নাগরিকের নামে দুবাইয়ে ৯০০টিরও বেশি সম্পত্তি কেনা হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। তবে তাদের ওই অনুসন্ধানের বিশ্বাসযোগ্যতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন ইন্টারন্যাশনাল পলিসি ডেইজেস্ট-এর সাংবাদিক থমাস ইব্রাহিম। 

এ ধরনের প্রশ্ন ওঠার কারণও আছে। পত্রিকাটি (ডেইলি স্টার) তাদের প্রতিবেদনকে শক্তিশালী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বলে জাহির করেছে। প্রতিবেদনে ইনফোগ্রাফিকস ও প্রোফাইল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি দেখলে মনে হতে পারে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রতিষ্ঠিত কোনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, সিফোরএডিএসের ২০২০ ও ২০২২ সালের প্রকাশিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। পুরোনো এই তথ্য দিয়ে পত্রিকাটি ২০২৫ সালে অনুসন্ধানের নামে কেন প্রতিবেদনটি প্রকাশ করল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সম্পদের ক্রেতা বাংলাদেশির সংখ্যার কথা বলা হয়েছে ৪৬১ জন। কিন্তু পত্রিকাটি মাত্র ১২ জনের তথ্য-উপাত্তকে সবিস্তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এবং মাত্র ১২ জনের তথ্যপ্রমাণ কেন ফলাও করে প্রকাশ করা হলো- প্রশ্ন সেখানেই। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার এবং তাদের সহযোগীদের টার্গেট করে প্রচার চালাচ্ছে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পত্রিকাটিও অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ন্যারেটিভ’ হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘নেইমস অ্যান্ড শেমস’। প্রতিবেদনে সাবেক ভূমিমন্ত্রী, একজন সাবেক পুলিশ ইন্সপেক্টরের স্ত্রী, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাবেক নেতা এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। তবে তালিকায় থাকলেও জারিফ আয়াত হোসেনের নাম প্রতিবেদন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। জারিফ আয়াত হোসেন হচ্ছেন সিমিন রহমানের ছেলে। দুবাইয়ের এক্সক্লুসিভ জুমেরা পামে তার নামে ১৫ লাখ ডলারের গোপন সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। সিমিন রহমান হলেন ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর মালিক। তার নামে বিভিন্ন ধরনের বিতর্ক রয়েছে। ছোট ভাইবোনের স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই আত্মসাতের ঘটনা নিয়ে শুনানির মাত্র ১০ দিন আগে তার ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে। এই নিয়েও বিতর্ক রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ছোট বোন তার বিরুদ্ধে ভাই হত্যার মামলা করেছেন। আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থ আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও সিমিন রহমান বা তার ছেলে- কারও নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এ ধরনের ইচ্ছাকৃত ভুল বা ভ্রান্তির অর্থ হলো বাংলাদেশের আর্থিক দুর্নীতি বন্ধে চলমান অভিযানকে খাটো করে দেখা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অর্থের পাচার বা মানিলন্ডারিংকে শক্ত হাতে দমনের ঘোষণা দিয়েছেন। ডেইলি স্টারের এই বেছে বেছে রিপোর্ট করা আহসান মনসুরের অর্থ পাচার প্রতিরোধ চেষ্টার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এ ধরনের অবস্থান অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি করবে।  

আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) চলমান উদ্যোগকেও সমালোচনার মুখে ফেলবে এই প্রতিবেদন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বিএফআইইউ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাংবাদিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক হিসাবের তথ্যাদি চেয়েছে। পত্রিকাটির এ ধরনের ‘তথাকথিত অনুসন্ধানী’ সাংবাদিকতা যখন প্রশংসা পায়, তখন সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়ে সাংবাদিকদের চুপ করিয়ে রাখেন। তাই এ ধরনের কার্যক্রম গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থি। একটি দেশের স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রতি এ ধরনের পদক্ষেপ হুমকি তৈরি করে বৈকি।

ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত

ভার্সাই প্রাসাদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের মাধ্যমে জি-৭ সম্মেলনের সমাপ্তি টানছেন আয়োজক দেশ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে বুধবার আলোচনা করবেন জি-৭ নেতারা। সম্মেলনের শেষ দিনে এ বিষয়টিই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সবশেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেবেন ইমানুয়েল মাখোঁ।

বুধবারের (১৭ জুন) আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। জি-৭-এর কয়েকটি ইউরোপীয় সদস্য দেশ অনলাইন নিরাপত্তা জোরদারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের কারণ হয়েছে।

কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের তিন দিনের এ সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ইরান যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের চুক্তি ও ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ।

এদিন নেতাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান অপেন এআই’র প্রধান  স্যাম অল্টম্যান, অ্যানথ্রোপিক-এর প্রধান ড্যারিও অমোদেই ও ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান মিস্ট্রাল এআই এসএএস-এর আর্থার মেনশ।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। ফ্রান্সও একই ধরণের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।

সম্মেলন শুরুর আগে, ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মাখোঁ বলেন, জি-৭ আলোচনায় কীভাবে ‘সাইবার নিরাপত্তা উন্নত করা যায় এবং আমাদের শিশু ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা যায়’ এ বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

বুধবার বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে। সাতটি দেশই মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন বিষয়ে যৌথ চূড়ান্ত বিবৃতিতে একমত হওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর গ্রিনিচ সময় দুপুর ১টা থেকে নেতারা পৃথক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন।

হ্রদ তীরবর্তী অবকাশকেন্দ্র এভিয়ানে অনুষ্ঠিত পুরো সম্মেলন জুড়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ট্রাম্প। ফরাসি কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট যে তিনি পুরো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, তিনি কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন মাঝপথে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে মাখোঁ সম্মেলন শেষে বুধবার বিকেলে প্যারিসের বাইরে অবস্থিত ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্পকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মঙ্গলবার ট্রাম্প জানান, তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। 

তার ভাষায়, ফ্রান্সের ‘সূর্য রাজা’ চতুর্দশ লুইয়ের প্রাসাদ ভার্সাই ‘সোনার প্রলেপ নয়’, বরং ‘আসল জিনিস।’ অন্যদিকে, ট্রাম্পকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন এমন সমালোচনা এড়াতে মাখোঁ আগেই বলেছেন, ভার্সাইয়ের এ আয়োজন কোনো ‘গালা ডিনার’ নয়।

ইরান ও ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনা
সম্মেলনে ইরান অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের যে চুক্তি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সই হওয়ার কথা, সে বিষয়ে তাকে নানা প্রশ্ন করতে আগ্রহী মিত্র দেশগুলো।

ট্রাম্প বলেন, চুক্তির পর ইরানে বিনিয়োগ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কোনো বাধ্যবাধকতা’ নেই। মূল লক্ষ্য হলো ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। আর যদি তা করে, তাহলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসবে’। ইউক্রেন প্রসঙ্গে ট্রাম্প মস্কোর প্রতি আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। 

তিনি বলেন, রাশিয়ার উচিত ‘একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।’ একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, স্থগিত রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো আবারও কার্যকর করতে পারে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতিও তুলনামূলক সমালোচনামুখর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, লেবাননের বিষয়ে নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তার মতে, সেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক অভিযান ‘অতিরিক্ত দীর্ঘ হয়ে গেছে’। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’
প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়নি। চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকছে, ইরানকে কতটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তির নথিতে কী কী উল্লেখ থাকছে, তা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, দুপক্ষের মধ্যে গোপন আলোচনা এবং প্রতিশ্রুতিগুলির তাতে উল্লেখ নেই।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ইতোমধ্যে একটি খসরা চুক্তি ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে আগামী শুক্রবার।

এরই মধ্যে মার্কিন রক্ষণশীল রাজনীতিকরা দাবি তুলেছেন, চুক্তিতে কী কী রয়েছে, সেই রূপরেখা তাদের দেখাতে হবে। তারা সন্দেহ করছেন, যুদ্ধ শেষ করার নামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন ইরানকে অনেক বেশি ছাড় দিয়ে দিচ্ছে। 

যদিও মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তিতে যা লেখা থাকছে, তা খুবই অস্পষ্ট। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো, পরবর্তী সময়ে আরও সুনির্দিষ্ট মুখোমুখি বৈঠকের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। সেই কারণে চুক্তিটির ভাষ্য এমন রাখা হচ্ছে, যাতে ইরানি প্রশাসন নিজেদের দেশে সেটিকে ‘রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য’ বলে তুলে ধরতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যে খসরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তার দাবি, ওটি একটি খুবই সাধারণ নথি। 

সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ইরান বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। ওই প্রতিশ্রুতিগুলোর কারণেই যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষরে আরও বেশি আগ্রহী হয়েছে। তবে ওই গোপন প্রতিশ্রুতিগুলোর কথা নথিতে উল্লেখ নেই।

ঘটনার পরম্পরা সম্পর্কে জানেন, এমন কর্মকর্তারা এই চুক্তিকে একটি ‘রাজনৈতিক দলিল’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তাদের কথায়, ‘খসরা চুক্তিতে কী লেখা থাকছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের বেশি বিশ্লেষণ করা ঠিক হবে না। এই নথির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া।’ 

মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নথিতে মূলত বলা হয়েছে- আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেব, পারমাণবিক বিষয় নিয়ে একটি চুক্তি করব এবং লেনদেন বন্ধ থাকা তহবিলগুলি ছেড়ে দেব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে, যখন আমাদের আলোচনার অগ্রগতি হবে। জব্দ থাকা তহবিল কী পদ্ধতিতে ছাড়া হবে, তা নিয়ে ঐকমত্য হওয়ার পরেই তা ছাড়া হবে।’ 

ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, চুক্তিপত্রকে এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি সুবিধাজনক জায়গায় থাকার সুযোগ পায়।

চুক্তিপত্রে কী কী থাকছে, তা দেখেছেন এমন এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, মজুত থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে ইরান কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা চুক্তির খসড়ায় নির্দিষ্টভাবে লেখা নেই। 

যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই ইউরেনিয়াম ধ্বংসের কাজে তদারকি করবে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তিতে লেখা আছে, ইরান কোনো দিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।

তবে ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে হওয়া চুক্তিতেও এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইরান।

এ ক্ষেত্রে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, তেহরান ওয়াশিংটনকে ‘গোপনে’ জানিয়েছে, ট্রাম্প পারমাণবিক বিষয়ে যা চাইছেন, তা তারা করবে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহযোগিতায় ইরানে মজুত ইউরেনিয়াম ধ্বংস করা হবে। এবং সেই কাজে যুক্ত থাকবে যুক্তরাষ্ট্রও।

কর্মকর্তাদের দাবি, এই গোপন আলোচনার বিষয়গুলো চুক্তির নথিতে উল্লেখ নেই। আবার ইরানের বন্ধ হওয়া তহবিল ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও, তা কখন এবং কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। এ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার কথাও বলা হয়নি। -আনন্দবাজার থেকে

‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি
ছবি: এনডিটিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথন সবার নজর কেড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবির জন্য লাইনে দাঁড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মেলোনি একে অপরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন ও করমর্দন করছেন।

ভিডিওর অডিও খুব একটা পরিষ্কার না হলেও, মনে হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মেলোনির কাছে উল্লেখ করছিলেন।

এর জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।’

এই ঘটনাটি ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী মোদির রোম সফরের প্রায় এক মাস পর, যেখানে তিনি মেলোনিকে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া ‘মেলোডি’ শব্দের সূত্র ধরে এক প্যাকেট পার্লে-এর ‘মেলোডি’ টফি উপহার দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ‘মিষ্টি’ উপহারের ভিডিওটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে মেলোনি লিখেছিলেন, ‘উপহারের জন্য ধন্যবাদ’।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং চকোলেটে ভরপুর এই ক্যান্ডির প্যাকেটটি হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও মেলোনি দুজনেই হাসছেন এবং ইন্টারনেট ট্রেন্ডটি উপভোগ করছেন। ভিডিও ক্লিপটিতে ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি উপহার হিসেবে খুব চমৎকার একটি টফি নিয়ে এসেছেন’। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: রয়টার্স

ইরানের কৌশল ব্যবহার করেই এবার উপসাগর থেকে তেল বের করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্যাটেলাইট চিত্র ও আন্তর্জাতিক শিপিং ডেটা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত মে মাসের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালীর কাছে অত্যন্ত গোপনে মার্কিন তত্ত্বাবধানে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের কাজ চলছে।

এই অপারেশনে এ পর্যন্ত অন্তত ৯২টি তেলবাহী জাহাজ অংশ নিয়েছে এবং প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমানের 'সোহার' বন্দর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'ফুজিরাহ' উপকূলের কাছে এই গোপন তেল স্থানান্তর করা হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করছে।

হামলা এড়াতে এবং নিজেদের আড়াল করতে মার্কিন ড্রোন ও হেলিকপ্টারের পাহারায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের আগেই একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে জড়ো হয়। এরপর জাহাজের ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ করে এবং বাতি নিভিয়ে রাতের অন্ধকারে একে একে প্রণালী পার হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই গোপন অপারেশনের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা সম্ভব হলেও অন্ধকার রাতে ট্র্যাকিং সিস্টেম ছাড়া জাহাজ চলাচলের কারণে পারস্য উপসাগরে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তবে সম্প্রতি মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি ও হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমঝোতা চলায় এই গোপন অপারেশন শিগগিরই বন্ধ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:০৮ এএম
ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক নতুন এক আর্থিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি যিনি এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন।

গত ১২ জুন মাস্কের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাত্রা সেবা প্রদানকারী কোম্পানি স্পেসএক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় প্রতি শেয়ার ১৫০ ডলারে, যা নির্ধারিত তালিকামূল্যের (১৩৫ ডলার) চেয়েও বেশি। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে এ প্রক্রিয়ায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে স্পেসএক্স। এর ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

স্পেসএক্স ও টেসলায় থাকা নিজের শেয়ারের মূল্য মিলিয়ে বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার।

এই বিপুল সম্পদের পরিমাণ বোঝাতে বিশ্লেষকরা একটি উদাহরণ দিয়েছেন। যদি কেউ প্রতি ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার করে, দিনে ২৪ ঘণ্টা ও বছরে ৩৬৫ দিন খরচ করেন, তাহলেও ১ ট্রিলিয়ন ডলার শেষ করতে ১১৪ বছরের বেশি সময় লাগবে। অর্থাৎ মাস্কের সম্পদ এতটাই বিশাল যে তিনি এখন থেকে টানা ওই হারে অর্থ ব্যয় করলেও প্রায় ২১৪০ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে।

তবে এই সম্পদের বেশিরভাগই কাগুজে সম্পদ (পেপার ওয়েলথ)। অর্থাৎ এটি ব্যাংকে জমা থাকা নগদ অর্থ নয়, বরং টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের মূল্যায়নের পরিবর্তনের সঙ্গে এ সম্পদের পরিমাণও ওঠানামা করতে পারে।

মাস্কের সম্পদের ব্যাপ্তি বোঝার আরেকটি উপায় হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সঙ্গে এর তুলনা করা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ২০টি দেশের অর্থনীতির আকার ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। অর্থাৎ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের পুরো অর্থনীতির চেয়েও বেশি সম্পদের মালিক এখন ইলন মাস্ক।

এদিকে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, মাস্কের সম্পদের পরিমাণ গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি। এমনকি তার সম্পদ বিনিয়োগ গুরু ওয়ারেন বাফেটের সম্পদের প্রায় সাত গুণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/অমিয়/