ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ পিএম
শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরে বাংলাদেশের মেয়েদের লক্ষ্য এবার এই সিরিজে ধবল ধোলাই এড়ানো।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানো তথা সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সফরকারীদের অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১২৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করানোর পরও বাংলাদেশের মেয়েরা হারতে হয়েছিল ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে। এরপর সিরিজে ফেরার প্রত্যয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা পরাজিত হয় ৫৮ রানে।

বাংলাদেশ নারী একাদশ

নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার, দিলারা আক্তার, মুর্শিদা খাতুন, রিতু মনি, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, শরিফা খাতুন, ফারিহা তৃষ্ণা।

অস্ট্রেলিয়া নারী একাদশ

অ্যালিসা হিলি, বেথ মুনি, অ্যালিসা পেরি, তাহলিয়া ম্যাকগ্রা, অ্যাশলে গার্ডনার, জর্জিয়া বারেহাম, গ্রেস হ্যারিস, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, সোফিয়া মলিনেক্স, মেগান স্কট, তায়লা ভ্লামেনিক।

বায়ার্ন থেকে বায়ার!

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৭ এএম
বায়ার্ন থেকে বায়ার!
ছবি: সৃংগৃহীত

বায়ার্ন থেকে বায়ার। অদ্ভূত! খুব সুন্দরও বটে! হয়তো এটাই ফুটবল সৌন্দর্য।

বুন্দেসলিগা ছিল বায়ার্ন মিউনিখের রাজত্ব। ৬১ বছরের পুরনো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৩২ বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন। আগের ১১ আসরের চ্যাম্পিয়ন। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে এমন স্বপ্নযাত্রার রেকর্ড নেই কোনো দলের। তাই বুন্দেসলিগার মৌসুম শুরুর আগেই চ্যাম্পিয়নের পাশে অনায়াসে লিখে দেওয়া যেত বায়ার্নের নাম। ২০১৩ সাল থেকে তারা ছাড়া অন্য কেউ জার্মানির টপ-ফ্লাইটে পড়েনি শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।

বুন্দেসলিগার চলতি মৌসুমেও একই গল্পের অপেক্ষায় থাকা সবাইকে বিশেষ চমক উপহার দিল বায়ার লেভারকুসেন। বিশ্বকে জানিয়ে দিল যে বায়ার্ন নয়, ২০২৩-২৪ মৌসুমে বুন্দেসলিগা শিরোপা বায়ার লেভারকুসেনের। জার্মানির টপ-ফ্লাইটে তাদের প্রথম শিরোপা জয়ে ফুটবল বিশ্ব থেমেছে বায়ার্ন থেকে বায়ারে।

জিতলেই শিরোপা নিশ্চিত হবে- এমনটা জেনে আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাতে ঘরের মাঠে নামে লেভারকুসেন। হোম ম্যাচে ওয়েডার ব্রিমেনকে বিধ্বস্ত করে ৫-০ ব্যবধানে। এই বড় জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে ওঠেছে তাদের শিরোপা জয়ের গল্প। স্বপ্নযাত্রায় ২৯তম রাউন্ডেই শিরোপার নিষ্পত্তি করে ফেলেছে তারা। সেটাও অপরাজেয় থেকে।

২৯ ম্যাচের একটিও হারেনি লেভারকুসেন। ২৫ জয় এবং ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৭৯। দুইয়ে থাকা বায়ার্নের পয়েন্ট ৬৩। অবশিষ্ট পাঁচ ম্যাচে জয় পেলেও লেভারকুসেনকে ধরার সুযোগ নেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। তাই তো ব্রিমেনের বিপক্ষে গোলোৎসবের পর ভক্তদের নিয়ে প্রথম দফার শিরোপা উল্লাস সেরে নিয়েছেন লেভারকুসেন।

মুম্বাইয়ে জিতল মোস্তাফিজের চেন্নাই

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৬ এএম
মুম্বাইয়ে জিতল মোস্তাফিজের চেন্নাই
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের শেষ ওভারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রোহিত শর্মা। তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছেও কোনো উচ্ছ্বাস ছিল না ভারতীয় অধিনায়কের চোখে-মুখে। একবারের জন্যও উঁচিয়ে ধরেননি ব্যাট। কারণ ততক্ষণে হার লেখা হয়ে গেছে তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের মাঠে মোস্তাফিজুর রহমানের দল চেন্নাই সুপার কিংস জিতেছে ২০ রান ব্যবধানে।

রানপ্রসবা ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পেয়েছিল চেন্নাই। স্বাগতিক বোলারদের শাসন করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৬ রানের বিশাল পুঁজি পায় মোস্তাফিজের দল। জবাবে ৬ উইকেট ১৮৬ রানে থামে মুম্বাই। তাতে বৃথা যায় রোহিতের ১০৫ রানের ঝলমলে ইনিংসটি। দলের জয়ের দিনে বেশ খরুচে ছিলেন মোস্তাফিজ। ১ উইকেট শিকার করতে ৪ ওভারে ৫৫ রান দিয়েছেন টাইগার কাটার মাস্টার।

চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক মাথিশা পাথিরানা। লঙ্কান পেসারের গতিতে জয়ের নাগাল পায়নি মুম্বাই। পাথিরানা ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হয়েছেন। ইনিংসের অষ্টম ওভারে স্বাগতিকদের ৭০ রানের উদ্বোধনী জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন পাথিরানা। ওই ওভারের তৃতীয় বলে সূর্যকুমার যাদবকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান তিনি।

বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে সূর্যের আলো নিভিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। এদিন তারা রোহিতকে দুবার জীবন দেন। সেই সুযোগেই সেঞ্চুরি হাতিয়ে নেন এই ওপেনার। কিন্তু অন্যদের ব্যর্থতায় কাজে আসেনি রোহিতের সেঞ্চুরি। এর আগে, প্রথম ইনিংসে ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি। মাত্র ৪ বল ৩ ছক্কায় ২০ রান করেন সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক।

চেন্নাইয়ের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি হাঁকান অধিনায়ক রুতুরাজ এবং শিভম দুবে। রুতুরাজ ৬৯ রানে আউট হন। তার ৪০ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি করে চার-ছক্কার মার। দুবে অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে। ৩৮ বল খেলে তিনি চার মারেন ১০টি এবং ছক্কা ২টি। তাদের গড়ে দেওয়া শক্ত প্লাটফর্মে দাড়িয়ে ইনিংসের শেষ ওভারে ঝড় তুলেছিলেন ধোনি।

এই জয়ের পর টেবিলের তৃতীয় স্থানেই রয়ে গেছে চেন্নাই। ৬ ম্যাচে মোস্তাফিজদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ৫ ম্যাচ খেলা কলকাতা নাইট রাইডার্স। শীর্ষে রাজস্থান রয়্যালস। ৬ ম্যাচে তাদের অর্জন ১০ পয়েন্ট।

‘জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত’

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩১ পিএম
‘জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত’
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই ফরম্যাটে দুটো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। প্রথমটি ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ। বলার অপেক্ষা রাখে না, সিরিজ দুটো বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ দলের জন্য। আর এজন্যই খালেদ মাহমুদ সুজন বললেন, জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকেই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত।

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে আগামী ৩ মে। প্রথম তিন ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। শেষ দুটো গড়াবে মিরপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। ১২ মে শেষ হবে দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি। এরপরই বিশ্বকাপ যাত্রা বাংলাদেশ দলের। মূল টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

হাউস্টনে ম্যাচ তিনটি হবে যথাক্রমে ২০, ২২ এবং ২৪ মে। প্রস্তুতি পর্ব শেষে ৭ জুন শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে যে দলটা খেলবে, সেই দলটাকেই জিম্বাবুয়ে সিরিজে দেখতে চান সুজন। আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘যারা বিশ্বকাপে খেলবে, তাদের আসলে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে শুরু করা উচিত।’

সুজন আরও বলেন, ‘হাতে তো বেশি সময় নেই, এরকম না যে দুইটা ম্যাচ এ খেললো, দুইটা ম্যাচ ও খেললো, আবার দুজনেই ফেইল করলো। তখন পাঁচ নাম্বার ম্যাচে কাকে নিয়ে খেলবেন আসলে। আপনি কনফিডেন্স নষ্ট করলেন দুইটা ছেলের। ওরকম না করে, একটা ছেলেকেই চারটা ম্যাচেই খেলান। যদি দুই ম্যাচে ফেইলও করে, তারপরও সুযোগ থাকবে তৃতীয়-চতুর্থ ম্যাচের রান করে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর।’

কলকাতার পাঁচে চার

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১১ পিএম
কলকাতার পাঁচে চার
ছবি: সংগৃহীত

উড়তে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মাটিয়ে নামিয়েছিল চেন্নাই কিংস। হ্যাটট্রিক জয়ে আইপিএলের ১৭তম আসর শুরু করা শাহরুখ খানের দলকে প্রথম হারের স্বাদ দিয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানের দল। সেই ধাক্কা সামলে ফের জয়ের ধারায় ফিরেছে কলকাতা। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়েছে ৮ উইকেট ব্যবধানে। টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে এটা চতুর্থ জয় তাদের।

আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দিনের প্রথম ম্যাচে ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লক্ষ্ণৌ। কিন্তু বোলিংয়ে তাদের লড়াইয়ের সুযোগ দেননি ফিলিপ সল্ট এবং শ্রেয়াস আইয়ার। দুজনের ১২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে হেসেখেলে জয়ের বন্দরে নোঙর করে কলকাতা। সেটাও ২৬ বল হাতে রেখে।

লক্ষ্য তাড়ায় দ্রুত রান তোলার নেশায় প্রথম পাওয়াপ্লেতেই জোড়া উইকেট হারায় কলকাতা। বিধ্বংসী ওপেনার সুনীল নারিনকে (৬) অল্পতেই থামান মহসিন খান। তার বলেই পতন হয় রাঘুবংশীর উইকেট। তিনি আউট হন ৭ রানে। এরপর সল্ট এবং শ্রেয়াসের ব্যাটিং তাণ্ডবে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে লক্ষ্ণৌর বোলারদের জীবন। ৪৭ বলে ১৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন সল্ট।

কলকাতা অধিনায়ক আইয়ার অপরাজিত ছিলেন ৩৮ রানে। তার ৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে সল্টের হাতে। এই জয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই রয়ে গেছে কলকাতা। ৫ ম্যাচে তাদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। ১০ দলের টেবিলে লক্ষ্ণৌর অবস্থান পঞ্চম স্থানে। ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট তাদের।

সবুজের হ্যাটট্রিকে মোহামেডানকে হারাল মেরিনার্স

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৫০ পিএম
সবুজের হ্যাটট্রিকে মোহামেডানকে হারাল মেরিনার্স
ছবি: সংগৃহীত

দারুণ ছুটছিল মোহামেডান। তাদের স্বপ্নযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়ালেন সোহানুর রহমান সবুজ। তার দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে মোহামেডানকে হারের স্বাদ দিয়েছে ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাব।

আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি লিগে মুখোমুখি হয় মোহামেডান-মেরিনার্স। মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় মোহামেডানকে ৩-২ গোলে হারায় মেরিনার্স। সোহানুর রহমান সবুজের হ্যাটট্রিকে এ জয় তুলে নেয় দলটি। মোহামেডানের হয়ে কোরিয়ান ঝ্যাং ঝং ও রাসেল মাহমুদ জিমি একটি করে গোল করেন।

এই জয়ে লিগ জমিয়ে তুলল মেরিনার্স। মোহামেডানের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধানও কমিয়ে আনল তারা। ১৩ খেলায় মোহামেডানের সংগ্রহ ৩২ পয়েন্ট। সমান সংখ্যক ম্যাচে মেরিনার্সের সংগ্রহ ৩১ পয়েন্ট।