ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ তারুণ্য-অভিজ্ঞ মিশ্রণে বলিয়ান স্কটল্যান্ড

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৪, ১০:৩৩ এএম
আপডেট: ২০ মে ২০২৪, ১০:৩৩ এএম
তারুণ্য-অভিজ্ঞ মিশ্রণে বলিয়ান স্কটল্যান্ড
ছবি- সংগ্রহীত

দলে যেমন আছেন ৩৭ বছর বয়সী ক্রিকেটার। তেমনি আছেন ১৯ বছর বয়সী তরুণও। সব মিলিয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের স্কোয়াড তারুণ্য-অভিজ্ঞদের মিশ্রণে দারুণ এক প্যাকেজ। এমন দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ভালো করতে মরিয়া স্কটিশ শিবির।

১৯৯৪ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় স্কটল্যান্ড। এরপর তারা প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে ১৯৯৯ সালে। তিনটা বিশ্বকাপ খেলে ফেলা স্কটল্যান্ড প্রথম টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরেরও সাক্ষী (২০০৭ সালে)। সব মিলিয়ে এই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে স্কটিশদের অংশগ্রহণ চারবার। ক্রিকেটের সঙ্গে স্কটল্যান্ডের সখ্যতার ইতিহাস সুদীর্ঘ হলেও আসেনি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

ভারসাম্যপূর্ণ দল

স্কটল্যান্ডের এবারের বিশ্বকাপ স্কোয়াড অনেকটা তারুণ্যে ভরপুর। ১৫ সদস্যের দলে ৩০-এর ওপরের বয়স সাতজনের। বাকি আটজনের বয়স ১৯ থেকে ৩০ এর মধ্যে। বিশ্বকাপ মিশনে স্কটল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন রিচি বেরিংটন। যার বয়স সবচেয়ে বেশি, ৩৭। টপ অর্ডার ব্যাটার হিসেবে খেলেছেন ৮৭ ম্যাচ। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি তার আছে ১০টি ফিফটিও।

তারুণ্য সমৃদ্ধ দল নিয়ে স্কটল্যান্ডের কোচ ডগ ওয়াটসনের যুক্তি, ‘মাইকেল জোন্স এবং ব্র্যাড হুইলকে দলে নেওয়ার প্রধান কারণ তারা গত বিশ্বকাপে খেলেছে। আসন্ন বিশ্বকাপে দলে তাদের অভিজ্ঞতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমি তাদের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। ২৬ বছর বয়সী মাইকেল জোন্স খেলেছে মাত্র চারটি ম্যাচ। সেখানে ২৭ বছর বয়সী পেসার ব্র্যাড হুইল খেলেছেন ১৭ ম্যাচ।

তবে দল থেকে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার জশ ডেভি। যিনি স্কটল্যান্ডের জার্সিতে তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। ২০১৬, ২০২১ ও ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার ছিল সরব উপস্থিতি। তবে স্কটিশদের জার্সিতে চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি। ২০২১ সালের বিশ্বকাপে ১৩.৬৬ গড়ে ৯ উইকেট নেওয়া ডেভিকে ছাড়া বিশ্বকাপে মাঠে নামবে স্কটল্যান্ড।

তরুণদের ওপর আস্থা

স্কটল্যান্ডের স্কোয়াডে তরুণদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাড কুরি। উদীয়মান এই পেসার খেলেছেন মাত্র ৮ ম্যাচ। তবে কিপার ব্যাটার ম্যাথু ক্রস খেলেছেন ৬৭ ম্যাচ। সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও তার রয়েছে পাঁচটি ফিফটি। দলের ওপেনার অলিভার হ্যারিসের বয়স ৩১। ২২ টি-টোয়েন্টিতে তার রয়েছে একটি সেঞ্চুরি। ফিফটিও একটি। তবে পেসারদের মধ্যে ব্রাড কুরি, জ্যাক জারভিস, কিপার ব্যাটার চার্লি টিয়ারদের ম্যাচ খেলার সংখ্যা খুবই কম। এদের প্রথম বিশ্বকাপই এটি।

স্কটিশ শিবিরে আছে স্পিনার মার্ক ওয়াট। ২৭ বছর বয়সী এই অর্থোডক্স স্পিনার খেলেছেন ৬০ ম্যাচ। উইকেট পেয়েছেন ৭২টি। অন্যদিকে ৩২ বছর বয়সী সাফিয়ান শরিফ ৬৫ ম্যাচে নিয়েছেন ৭২ উইকেটে। এই বোলারের ওপর দারুণ আস্থা স্কটিশ কোচের। ওপেনার হ্যারিসের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে থাকবেন জর্জ মুন্সি। ৩১ বছর বয়সী এই ওপেনার খেলেছেন ৬৫ ম্যাচ। এক সেঞ্চুরির সঙ্গে তার রয়েছে ১২টি ফিফটি।

সেরা সাফল্যে চোখ

টুয়েলভে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হয় ২০০৭ সাল থেকে। প্রথম আসরেই স্কটল্যান্ড পড়েছিল ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপে। জয় আসেনি একটিতেও। পরের আসরেও (২০০৯ সালে) জয়শূন্য। এরপর টানা তিন বিশ্বকাপের বাছাই পর্বই পার হতে পারেনি তারা। ২০১৬ বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পায়  স্কটল্যান্ড। বি গ্রুপে থাকা হংকংয়ের বিরুদ্ধে জয় আসে ৮ উইকেটে, তাও বৃষ্টি আইনে। ২০২১ বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য স্কটল্যান্ডের। বাংলাদেশকে টপকে বি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা। জিতেছিল গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ। সুপার টুয়েলভে পা রাখলেও সেখানে কুলিয়ে উঠতে পারেনি দলটি। হেরে যায় পাঁচটি ম্যাচেই। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলকে হারিয়ে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। কিন্তু এই ধারা ধরে রাখতে পারেনি তারা। বি গ্রুপে বাকি দুই প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে বি গ্রুপে স্কটল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নামিবিয়া ও ওমান। এই গ্রুপ থেকে দুটি দল যাবে সুপার এইটে। সেই হিসেবে সম্ভাব্য দুটি দলের নাম বলাই যায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। সে ক্ষেত্রে স্কটল্যান্ডের লড়াইটা হবে মূলত বাকি তিন দলের সঙ্গে। আগামী ৪ জুন বার্বাডোজে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে স্কটল্যান্ড। 

রিচি বেরিংটন, অধিনায়ক 
অভিজ্ঞদের সঙ্গে তারুণ্যের মিশেলে আমাদের দলটি এবার বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। বিশ্বকাপে আমাদের লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব। এখানে ভালো করাটাই মুখ্য। ম্যাচ বাই ম্যাচে থাকবে আমাদের চোখ। যেকোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই করার দুর্বার মানসিকতা রয়েছে। 

বিশ্বকাপ স্কোয়াড
রিচি বেরিংটন (অধিনায়ক), ম্যাথু ক্রস, ব্র্যাড কুরি, ক্রিস গ্রিভস, ওলি হেয়ার্স, জ্যাক জার্ভিস, মাইকেল জোন্স, ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলেন, জর্জ মানসি, সাফিয়ান শরিফ, ক্রিস সোল, চার্লি টিয়ার, মার্ক ওয়াট, ব্র্যাড হুইল, মাইকেল লিস্ক।

পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে যাকে চান ইউনিস খান

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১৪ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১৪ পিএম
পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে যাকে চান ইউনিস খান
ছবি : সংগৃহীত

২০২১ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলেও শিরোপা জেতা হয়নি পাকিস্তানের। এবারের আসরে তো বিদায় নিতে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর অধিনায়কত্ব ছাড়া বাবর আজমকে আবারও নেতৃত্বে ফিরিয়েছিল পাকিস্তান শাহিন শাহ আফ্রিদিকে হটিয়ে। তাতেও লাভ হয়নি, মিটেনি পাকিস্তানের কাঙ্ক্ষিত শিরোপা খরা। ভারতের পর হারতে হয়েছে নবাগত যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও।

এমন হতাশার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আবারও চাউর হয়েছে বাবর আজমের নেতৃত্ব ও পাকিস্তানের পুরো দলের সমালোচনা। বাবরকে অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান না পাকিস্তানের ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইউনিস খান। তিনি পাকিস্তানের নেতৃত্বে দেখতে চান দলের বাঁ-হাতি মারকুটে ব্যাটার ফখর জামানকে।

পিটিভি স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘ফখর জামান কেন পাকিস্তানের অধিনায়ক হতে পারবে না? সে কি পারফর্মার নয়? সে কি গত ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভালো করেনি? কে সেই বিশ্বকাপে আমাদের আশা দেখিয়েছিল? ফখরের (২০২৩ ওয়ানডে) বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি, তবে দ্বিতীয় ভাগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলেই পাকিস্তান সাফল্য পেয়েছিল।’

ফখর জামান একজন ওপেনার হলেও দলের প্রয়োজ়নে তিনি বেশ কয়েকবার নিজের ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করেছেন। দলের জন্য তার এই ত্যাগের ‘প্রশংসা করে  ইউনিস বলেন, ‘কে দলের জন্য নিজের ওপেনিং স্লট ছেড়ে দিয়েছে, চার-পাঁচ-ছয় নম্বরে ব্যাটিং করছে? কে নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছে? ফখর জামান। সে কেন অধিনায়ক হতে পারবে না?’

আবারও অধিনায়কত্ব ফিরে পাওয়া বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান আরেকটি হতাশাজনক আইসিসি আসর শেষ করার পর প্রশ্ন উঠেছে তার অধিনায়কত্ব নিয়ে। এমন ভরাডুবির পর অধিনায়ক হিসেবে তিনি থাকবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত পিসিবির ওপর ছেড়ে দিয়েছেন বাবর।

নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছেন না উইলিয়ামসন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৫৯ পিএম
নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছেন না উইলিয়ামসন
ছবি : সংগৃহীত

সবশেষ কয়েকটি বিশ্বকাপে ফেবারিট হয়ে মাঠে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা ঘরে তুললেও বাকিগুলোতে খেলেছিল অন্তত সেমিফাইনাল। কিন্তু, এবার বাদ পড়তে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। এমন ব্যর্থ আসর শেষে কেইন উইলিয়ামসনের সামনে প্রশ্ন এসেছিল তিনি আর কতদিন খেলতে চান এই সংস্করণে, উত্তরে অবশ্য কিছুই খোলাসা না করলেও তিনি জানিয়েছিলেন নিজের টি-টোয়েন্টির ভবিষ্যত তিনি অনিশ্চিত।

এমন কথার ঠিকঠাক দুদিন না পেরোতেই অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সময়ের এই সেরা ব্যাটার। এমনকি ২০২৪-২৫ মৌসুমের জন্য নিজের নামও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে। তবে জাতীয় দলে খেলা চালিয়ে যেতে চান তিনি। নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য বিরতিও চেয়েছেন তিনি। সেই সময়টায় খেলতে চান বিদেশি লিগগুলোতে।

কেইন উইলিয়ামসন বলেন, ‘সব ফরম্যাটে দলকে সামনে এগিয়ে নিতে সাহায্য করা এমন একটা ব্যাপার, যার জন্য আমি খুবই আগ্রহী। আমি দলে অবদান রেখে যেতে চাই। তবে বিদেশি লিগের সুযোগগুলো নিতে নিউজিল্যান্ডে গ্রীষ্মে আমাকে পাওয়া যাবে না। এজন্যই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জন্য বড় সম্পদ। দলকে কিছু দিতে চাওয়ায় কোনো কমতি নেই। ক্রিকেটের বাইরে আমার জীবনও বদলে গেছে। পরিবারকে সময় দেওয়া ও তাদের সঙ্গে দেশে এবং দেশের বাইরে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা এখন আমার জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এছাড়া চলমান বিশ্বকাপ এই সংস্করনে পেস বোলারের শেষ, এটি জানিয়ে রেখেছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। গুঞ্জন রয়েছে ন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকতে আগ্রহী নন আরেক পেসার লাকি ফার্গুসনও।

জয় দিয়ে শুরু পর্তুগালের ইউরো মিশন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৩৩ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৩৩ এএম
জয় দিয়ে শুরু পর্তুগালের ইউরো মিশন
ছবি- সংগ্রহীত

বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে ইউরোতে আসা পর্তুগাল নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেতে বসেছিল। চেকপ্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে পিছিয়ে পরে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। তবে জয়সূচক গোলটি পেতে তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয়েছে লম্বা সময়।

চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকা পর্তুগালই ছিল ফেবারিট। তবে শুরু থেকে দারুণ খেলা চেকদের জালে গোল জড়াতে পারছিল না পর্তুগিজরা। উল্টো ম্যাচের ৬২ মিনিটে গোল হজম করে বসে। ৬২ মিনিটের মাথায় লুকাস প্রোভডের দারুণ এক শটে হওয়া গোলে এগিয়ে যায় চেক রিপাবলিক।

তবে এই উচ্ছ্বাস খুব একটা বেশি সময় স্থায়ী ছিল না। মিনিট সাতেক পর নুনো মেন্ডেস গোল করে সমতায় ফেরান পর্তুগালকে। ওই গোলের পর মনে হচ্ছিল হয়তো পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হতে পারে দলটিকে। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় উপহার দিতে পারতেন দিয়েগো জোতা। তার গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলে সমর্থকরা ধরেই নেয় ড্র করে মাঠ ছাড়বে পর্তুগিজরা।

তবে ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে দলের জয় নিশ্চিত করে পর্তুগিজ তারকা ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও। তার নাটকীয় গোলে শেষ পর্যন্ত জয় পায় পর্তুগাল।

পেপে-রোনালদোর নতুন রেকর্ড

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:১২ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:১৩ এএম
পেপে-রোনালদোর নতুন রেকর্ড
ছবি- সংগ্রহীত

চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইউরো মিশন শুরু করেছে পর্তুগাল। এই ম্যাচে পর্তুগিজ একাদশে ছিল ডিফেন্ডার পেপে ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নাম। ম্যাচ শুরুর বাশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়েন তারা দুজন। সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসেবে ইউরোতে খেলার রেকর্ড গড়েন পেপে। অন্যদিকে ছয় ইউরো খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেন রোনালদো।

জার্মানির লাইপজিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে মাঠে নামে পর্তুগাল। এই ম্যাচ শুরুর সময় পেপের বয়স ছিল ৪১ বছর ১১৩ দিন। মাঠের সময় সময় ভাঙেন হাঙ্গেরির গ্যাবর কিরাইয়ের রেকর্ড। ২০১৬ সালে ইউরোতে ৪০ বছর ৮৬ দিন বয়সে মাঠে নামেন এই ফুটবলার।

অন্যদিকে ২০০৪ সালে ইউরোতে অভিষেক হয় পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এরপর প্রতিটি আসরে পর্তুগিজ দলে ছিল তার নাম। চেক রিপাবলিক বিপক্ষে মাঠে নেমে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ইউরো খেলার রেকর্ড গড়েন সিআর সেভেন খ্যাত এই ফুটবলার।

শাস্তি পেলেন তানজিম সাকিব

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১২ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০২:১২ এএম
শাস্তি পেলেন তানজিম সাকিব
ছবি- সংগ্রহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে ২১ রানে হারায় বাংলাদেশ। লাল-সবুজের জয়ের নায়ক তানজিম হাসান সাকিব ৭ রানে নেন ৩ উইকেট। নিজের কোটার ৪ ওভার বল করে ডট দেন ২১ টি। এমন দারুণ বোলিং করা তানজিম সাকিব ম্যাচ চলাকালে বিবাদে জড়ান নেপাল অধিনায়ক রোহিত পাওডেলের সঙ্গে। এই ঘটনায় আচরণ বিধি ভঙ্গ হওয়ায় তানজিমকে পেতে হলো শাস্তি। 

গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে নেপালের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে রোহিতের সঙ্গে বিবাদে জড়ান তানজিম। নেপালি অধিনায়কের দিকে আগ্রাসীভাবে এগিয়ে যান। পাশাপাশি তার শরীরে অযাচিত স্পর্শ করেন। যা আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের ২.১ ধারাট লেভেল ১ পর্যায়ের অপরাধ। এই ঘটনায় তানজিমকে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তার নামের পাশ যুক্ত হয়েছে ১ ডিমেরিট পয়েন্ট। 

ম্যাচ শেষে তানজিম সাকিবের বিপক্ষে অভিযোগ আনেন দুই অনফিল্ড আম্পায়ার আহসান রাজা ও স্যাম নোগাজস্কি। যার ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন করে শুনানির জন্য তানজিম সাকিবকে ডাকেন ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন। তবে অভিযোগ মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক কোনো শুনানির প্রয়োজন হয়নি। এরপরেই এই শাস্তি ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি রিচার্ডসন।