ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

এবার আর হোঁচট খায়নি পাকিস্তান

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৪, ১২:৩০ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৪, ১২:৩০ এএম
এবার আর হোঁচট খায়নি পাকিস্তান
ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। যদিও টি-টোয়েন্টি মানেই চার-ছক্কার খেলা, তবে নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়াম একেবারেই ব্যতিক্রম। এই মাঠে খেলা মানেই লো-স্কোরিং ম্যাচ, এ যেন চিয়ারত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) পাকিস্তান ও কানাডার মধ্যকার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচেও তাই হয়েছে। তবে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচের মতো এবার আর সমর্থকদের হতাশ করেননি বাবর আজমরা। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় স্বস্তির এক জয় তুলে নিয়েছে দলটি। যে জয়ে সুপার এইটে খেলার স্বপ্ন কিছুটা হলেও জিইয়ে থাকল তাদের।

কানাডার দেওয়া ১০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান। যদিও এ জন্য ১৭.৩ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয়েছে তাদের। বোলিং সহায়ক উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফিফটি দলটির কাজ সহজ করেছে। দলীয় ২০ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর অধিনায়ক বাবর আজমের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৩ রান যোগ করেন রিজওয়ান। ৩৩ বলে ১টি করে চার ও ছক্কায় ঠিক ৩৩ রানে বিদায় নেন বাবর। এরপর ফখর জামানের সঙ্গে ২১ রানের জুটিতে জয়ের কাজটা সহজ করেন। জয় থেকে ৩ রান দূরে থাকতে ফখর (৬ বলে ৪) ফিরে যান। তবে কানাডার ওই মূহূর্তে উইকেট উদযাপন ম্যাচে কোনো প্রভাব রাখতে পারেনি। ৫৩ রানে ২ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৫৩ রান করেন রিজওয়ান। কানাডার পক্ষে ডিলন হেইলিগার সর্বাধিক ২ উইকেট নেন।

এর আগে পাকিস্তানের জয়ের মঞ্চটা তৈরি দেন বোলাররা। দলটির পেসারদের তোপ সামলে উঠতে পারেননি কানাডার ব্যাটাররা। ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল অ্যারন জনসন। অন্যদের আসা যাওয়ার মিছিলে ৪৪ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। জনসন ছাড়া আর দুই অঙ্কের স্কোর করতে পেরেছেন কেবল অধিনায়ক সাদ বিন জাফর (১০) ও কালিম সানা ( অপরাজিত ১৩)। এতেই ৭ উইকেটে ১০৬ রানের পুঁজি পেয়েছিল কানাডা।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বাধিক ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির ও হারিস রউফ। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহ। ১৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আমির।

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সুপার ওভারে হেরে আসর শুরু করা পাকিস্তান নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে যায় ভারতের বিপক্ষে। তিন ম্যাচে প্রথম জয় পেল তারা। সমান ম্যাচে কানাডার এটি দ্বিতীয় হার। ২ ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট করে নিয়ে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই ম্যাচে জয়শূন্য আয়ারল্যান্ড আছে সবার তলানিতে।

এমন জটিল অবস্থায় আর পড়তে চান না মার্করাম

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:৩৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:৩৪ পিএম
এমন জটিল অবস্থায় আর পড়তে চান না মার্করাম
ছবি : সংগৃহীত

চলমান বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে পা দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ চারে পা দেওয়ার পথে সাত ম্যাচ অপরাজেয় ছিল দলটি। এবারের আসরে তাদের জেতা প্রায় সব ম্যাচই ছিল স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই। বরাবরই স্নায়ুর পরীক্ষায় দুর্বল আফ্রিকানরাই এবার স্নায়ুচাপ ধরে রেখে জিতেছে প্রতিটি ম্যাচ। যদিও এমন ম্যাচ আর খেলতে চান না প্রোটিয়াদের অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। এমনকি এমন জটিল অবস্থায়ও আর পড়তে চান না তিনি।

গ্রুপ পর্বে নিউইয়র্কে শ্রীলঙ্কাকে ৭৭ রানে অলআউট করে সেই ম্যাচ সহজেই জিতেছিল মার্করামরা ৬ উইকেটে। কিন্তু, এরপর প্রায় সব ম্যাচই তারা জিতেছে কষ্ট করে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪ ও নেপালের বিপক্ষে গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচ তারা জিতেছিল। এরপর সুপার এইটে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১৮ রানে জেতার পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টি ছিল ৭ রানে। ম্যাচ জিতলেও এমন ক্লোজ ম্যাচ খেলে নেট রানরেটে পিছিয়ে পড়েছিল দলটি। এমন অবস্থায় স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি রূপ নেয় নকআউটে। বৃষ্টইবিঘ্নিত সেই ম্যাচও তারা জিতেছে শেষ ওভারে ৩ উইকেট হাতে রেখে।

উইন্ডিজদের হারিয়ে শেষ চারে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করলেও এমন ম্যাচ আর খেলতে চান না বলে জানিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক মার্করাম, ‘সেমিফাইনালে যাওয়াটা অনেক স্বস্তির, তবে আমরা এটিকে মাথায় চড়তে দেব না। ব্যাট হাতে আমরা আরও দাপুটে হতে চাই। বৃষ্টি–বিরতির পর উইকেট ভালো আচরণ করছিল, সেখানেই ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার মতো জুটি পাইনি। ম্যাচ বেশি আগেভাগে শেষ করতে চেয়েছি।’

উইন্ডিজের স্পিনার রস্টন চেজকে মারতে গিয়ে আউট হন প্রোটিয়ার তিন ব্যাটার ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস ও কেশব মহারাজ। সে প্রসঙ্গে মার্করাম বলেন, ‘এই জয় আমাদের জন্য বিশাল, ড্রেসিংরুমের জন্যও দারুণ। তবে আশা করি আমরা এমন জটিল অবস্থায় পড়ব না। আমরা দারুণ বোলিং করেছি বলে মনে হয়, কন্ডিশন বুঝেছি, তাদের গড়পড়তার চেয়ে কম সংগ্রহে রাখতে পেরেছি। জুটি গড়ার ব্যাপারটি বুঝতে হবে। ম্যাচ আগেভাগে শেষ করার ভক্ত আমি, তবে আজ সেটি একটু বেশিই আগে করে ফেলতে চেয়েছি। এখানে শেখার ব্যাপার আছে। আশা করি (ভুলের) পুনরাবৃত্তি করব না।’

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ হারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিকদের বিপক্ষে নামার আগে ছয় ম্যাচ অপরাজেয় ছিলেন মার্করামরা। সবগুলো ম্যাচ অল্প ব্যবধানে জেতায় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল ছিটকে পড়ার। সেই শঙ্কাকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেটের জয়ে।

সেমিফাইনালে কাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা তা নিয়ে ভাবতে চান না তাদের অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। প্রতিপক্ষ যেই হোক নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার বার্তা দিয়ে রেখেছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক, ‘আমরা নিজেদের সেরা ক্রিকেট ম্যাচটি এখনো খেলিনি। সেমিফাইনালে সেটি করার চেষ্টা করব।’

ক্ষুধার্ত সাকিবই এখন তৃপ্ত!

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
ক্ষুধার্ত সাকিবই এখন তৃপ্ত!
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সেরা সাকিব আল হাসান। দূরদর্শী ক্রিকেটারও বটে। এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। নিজের দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা এবং ক্ষুধার্ত মনোভাব দেখিয়েই তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটে ‘পোস্টার বয়’। সময়ের স্রোতে এই সাকিবই যেন তৃপ্ত অল্পতে!

চলমান বিশ্বকাপে সুপার এইটে দুই ম্যাচ হেরেও আফগানিস্তানের জয়ে সমীকরণের মারপ্যাঁচে সুতোয় টিকে আছে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ভাগ্য। সেই সমীকরণ নিয়ে বাংলাদেশ কতটুকু ভাবছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ফর্মের সঙ্গে লড়াই করা সাকিব এবারের আসরকে উল্লেখ করলেন ‘খারাপ নয়’ বলে। তার কথায়, ‘আমরা ৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি। ৫০ শতাংশ সফল। সেদিক থেকে খুব একটা খারাপ নয়।’

সাকিবের এমন সন্তুষ্টি অবশ্য প্রথম নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স নিয়েও সাকিব জানিয়েছিলেন নিজের সন্তুষ্টির কথা। বেসরকারি এক চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটা (সুপার ফোর) জিততাম তাহলে আর কোনো অভিযোগ থাকত না কারো।’

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষেও ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। যাদের বিপক্ষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি সাকিবরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে হওয়া সেই গলদঘর্ম অবস্থাকে খুব একটা আমলে নেননি সাকিব। খুব সম্ভবত ফাইনালে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভারতের বিপক্ষে মূল্যহীন জয়ে।

দিন কয়েক আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাকিব কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়েও। যে বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। সেই বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকায় বড় স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপে পাড়ি দেওয়া সাকিবই সেই আসরকে আখ্যায়িত করেছেন এক হিসেবে ভালো আসর হিসেবে। বলেছিলেন, ‘একভাবে বললে ভালো বিশ্বকাপ, আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছি। ধারাবাহিক ছিলাম ব্যাটিং ও বোলিংয়ে। দুয়েকটা ম্যাচে ভালো করতে পারিনি। কিন্তু সবমিলিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছি।’

অথচ সেই বিশ্বকাপ খেলে এসে সেসময় অন্য আরেক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছিলেন, ‘আমি সব সময়ই বিশ্বাস করেছি যে এবার অনেক দূরে যাওয়া সম্ভব। হয়তো সবার সাহায্য পেলে আমরা সেমিফাইনালেও চলে যেতাম।’ ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে ২০২৪ সালে এসে সাকিবের মন্তব্যে কমে গেছে ধার। যেই ধারের ঘাটতি দেখা গেছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে করা মন্তব্যেও। ভুলেভরা আসর নিয়ে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি ‘খারাপ নয়’ বলে।

ধারণা করা হয় পেশাগত জীবনের পারফরম্যান্স প্রভাব ফেলে ব্যক্তির মানসিকতা থেকে ব্যক্তিগত জীবনেও। ২০২৩ বিশ্বকাপ থেকেই ব্যাটে-বলে হতশ্রী সাকিব যেন হারিয়ে খুঁজছেন নিজেকে। সবসময় মাঠের ক্রিকেটে দাপুটে দেশের ক্রিকেটের আকাশে ১৮ বছর ধরে সবচেয়ে জ্বলজ্বল করা তারাটার এমন অল্পতে তৃপ্ত হয়ে যাওয়াটা খুব সম্ভবত পারফরম্যান্সে পিছিয়ে থাকার প্রভাবেই। ব্যাপারটা খানিকটা ‘নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়’ চরণের মতোই।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১১:১৫ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১১:১৯ এএম
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা
ছবি : সংগৃহীত

বৃষ্টিবিঘ্নিত শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইটে তিন ম্যাচের তিনটিতে জিতে সেমিফাইনালে পা রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের এই জয়ে আসরজুড়ে দাপুটে ক্রিকেট খেলা স্বাগতিকদের বিদায় নিতে হয়েছে শূন্য হাতে। 

সোমবার (২৪ জুন) অ্যান্টিগার ব্যাটিং উইকেটে উইন্ডিজের দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ ওভারে ১৫ রান তুলে ২ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরই বাঁধা আসে বৃষ্টির। বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর খেলাম কমিয়ে আনা হয় ১৭ ওভারে এবং নতুন টার্গেট নির্ধারণ করা হয় ১২৩ রান। এই লক্ষ্য টপকাতেই অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে শেষ ওভারের প্রথম বলে মার্কো ইয়ানসেন ম্যাকয়কে ছয় হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি দশ বছর পর এই সংস্করণের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে নেয়।

এই ক্ষুদ্র লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। ৪২ রানেই রেজা হেনড্রিকস, কুইন্টন ডি কক ও এইডেন মার্করামের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আফ্রিকানরা। সেই চাপ সামাল দেন ১০ বলে ২২ করা হেনরিখ ক্লাসেন ও ২৭ বলে ২৯ রান করা ট্রিস্টান স্টাবস। শেষদিকে চাপের মধ্যেও মার্কো ইয়ানসেনের অপরাজিত ১২ রানে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় এইডেন মার্করামদের

উইন্ডিজের হয়ে রস্টন চেইজ ৩টি, আন্দ্রে রাসেল ও আলজারি জোসেফ নেন ২টি করে উইকেট।

এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার আমন্ত্রণে ব্যাটিং করতে নেমে ৫ রানেই দুই উইকেট হারানো উইন্ডিজ।,। সবশেষ ২০ ওভার শেষে রান করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান। সর্বোচ্চ ৪২ বলে ৫২ রান আসে রস্টন চেইজের বলে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন কাইল মায়ার্স। 

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তাব্রাইজ শামসি ৩টি উইকেট পান। আনরিখ নরকিয়া ছাড়া বাকি বোলাররা পান ১টি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হন শামসি।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১২ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১৫ এএম
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা
ছবি : সংগৃহীত

স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দলই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই দলই বেশ ভালো ফর্মে আছে। সুপার এইট থেকে সেমিফাইনালে ওঠার পথেও দুই দলের লড়াই মাঠে। এমন ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম।

সোমবার (২৪ জুন) অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হতে যাচ্ছে ম্যাচটি। সুপার এইটে গ্রুপ-২ যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা দুইয়ে অবস্থান করছে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় দুই ম্যাচ খেলে একটিতে।

বিশ্বকাপের আগেও এই আসরের প্রস্তুতিস্বরূপ দুই দল খেলেছিল তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যেখানে ৩-০ তে আফ্রিকাকে ধবলধোলাই করেছিল উইন্ডিজ। সেই সিরিজের আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই আজ মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

টস জিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট ম্যাচ খেলার আশা এইডেন মার্করামের। অন্যদিকে, স্বাগতিকরা নিজেদের মাঠের পরিচিত কন্ডিশনকে কাজে লাগিয়ে ভালো করতে চায়।

জুনিয়র এএইচএফ কাপ আবারও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৬ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৬ এএম
আবারও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল। ফাইনালেও লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের রুখা গেল না। মেহরাব হাসান, মোহাম্মদ জয়, আমিরুল ইসলামরা ধরে রাখলেন নিজেদের অপরাজেয় যাত্রা। সুবাদে জুনিয়র এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপের (এএইচএফ কাপ) সপ্তম আসরে শিরোপা ধরে রাখল বাংলাদেশ।

রবিবার (২৩ জুন) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে চীনকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ট্রফি ধরে রাখে আশিকুজ্জামানের শিষ্যরা। ফাইনালে জোড়া গোল করেন মোহাম্মদ হাসান। আমিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জয় করেন একটি করে গোল। গত বছর জানুয়ারিতে ওমানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায়ও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

ওমানে অনুষ্ঠিত ওই আসরে চীন ছিল না। এবার শক্তিশালী দলটি থাকায় বাংলাদেশের জন্য শিরোপা ধরে রাখা ছিল চ্যালেঞ্জের। তবে চীন বাধা জয় করেই বিজয় উল্লাস করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধরা।

ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে তিন গোল আদায় করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ২২-২৭, এই ৫ মিনিটে গোল তিনটি করে তারা। প্রথম ও তৃতীয় গোলটি করেন রকিবুল হাসান। দুটিই ছিল ফিল্ড গোল। পেনাল্টি কর্নার থেকে মাঝের গোলটি করেন আমিরুল ইসলাম। তৃতীয় কোয়ার্টারে জোড়া গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে চীন। ৩৩ মিনিটে জিয়ালং লুও এবং ৪১ মিনিটে চেন সিয়ানজেন চীনের পক্ষে গোল দুটি করেন। তাতে ৩-২ হয় ম্যাচের স্কোর লাইন। চতুর্থ ও শেষ কোয়ার্টারে একটি গোলই হয়েছে। ফিল্ড গোল থেকে সেটা করেছেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জয়।

এই প্রতিযোগিতা জুনিয়র এশিয়া কাপের বাছাই পর্বও। অংশ নেওয়া ১১টি দলের মধ্যে ৫টি দল জুনিয়র এশিয়া কাপের ছাড়পত্র পেয়েছে। বাংলাদেশ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই যা অর্জন করেছিল। ‘এ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ হারিয়ে। এরপর থাইল্যান্ডকে ৪-২ ও ইন্দোনেশিয়াকে ৭-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবে সেমিফাইনালে পা রাখে। শেষ চারের লড়াইয়ে চাইনিজ তাইপকে ৫-১ গোলে হারায় তারা।

ছেলেদের এই প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সিঙ্গাপুরেই একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে উইমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকি। লিগভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরকে ৭-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাতে ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করেছে তারা। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চাইনিজ তাইপে। ৭ দলের এই প্রতিযোগিতা থেকে ৫ দল উইমেন্স জুনিয়র এশিয়া কাপের টিকিট পেয়েছে। বাংলাদেশ যা নিশ্চিত করেছিল আগেই।