ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মর্গে পড়ে আছে পানছড়িতে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ ২০৩০ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলবে ছয় দেশ পাঠকের গল্প : ল্যান্ডফোনের ক্রসকানেকশন মাঠের বাইরের বিতর্কের জবাব বেলজিয়াম দিল মাঠেই শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ যেভাবে চাকরি খুঁজবেন যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কেপ ভার্দে ধাক্কার পর মিশরকে নিয়ে সতর্ক আর্জেন্টিনা ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসের শঙ্কা ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা বেরোবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকারীদের ফ্যান খুলে নেওয়ার অভিযোগ দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৬ সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে শিক্ষাসামগ্রী পেল দরিদ্র শিক্ষার্থীরা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. জুবাইদা রহমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের খবরে কৃষিজমিতে বহুতল ভবন ট্রিলিয়নিয়ার তকমা হারালেন প্রযুক্তি মোগল ইলন মাস্ক চকরিয়ায় পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ ঘিওরে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে চার বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ওমানের উপকূলে ট্যাংকারে আগুন মিশরকে ‘দলগতভাবে’ রুখতে চান স্কালোনি বরগুনায় জনসাধারণের সুবিধা উপেক্ষা করে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণের অভিযোগ দিনাজপুরে কোটি টাকার প্রত্নসম্পদ উদ্ধার ব্রাজিলের বিদায়ে অবাক হননি পারেদেস ফিলিস্তিনিদের জন্য যার অনুভুতি নেই সে ‘মানুষই নয়’: মিশরের কোচ আজকের মুদ্রার বাজার: ৭ জুলাই, ২০২৬ কোমে পৌঁছেছে খামেনির মরদেহ চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মতিনকে বদলি

বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য দমনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো অপরাধীদের গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৩:১১ পিএম
বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য দমনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো অপরাধীদের গ্রেপ্তার
ছবি : খবরের কাগজ

বাংলাদেশে বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য দমনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো বন্যপ্রাণী অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনায় জটিলতা। ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্যের প্রায় ৩০ শতাংশ ঘটনায় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশেরও কম ঘটনায় মামলা হয়েছে। 

বাংলাদেশের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আদালতে প্রায় ৪০০ মামলার এক-চতুর্থাংশের চূড়ান্ত রায় দিতে আদালতের গড়ে আট বছর সময় লেগেছে। বাকি মামলা এখনো ঝুলে আছে। এসব মামলায় শাস্তিও তুলনামূলকভাবে কম ছিল, যা গড়ে এক বছরের নিচে জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা। 

রবিবার (৩ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস উপলক্ষে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, সুন্দরবন রক্ষায় আমরা ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার আয়োজনে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। 

‘পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য প্রাণিকুল বাঁচাই’ স্লোগানে চালনা বন্দর মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস উপলক্ষে সুন্দরবনের মহাবিপন্ন, বিপন্ন ও সংকটাপন্ন বন্যপ্রাণী সুরক্ষা এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনের দাবিতে সমাবেশ, র‌্যালি, মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’-এর সমন্বয়কারী পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত র‌্যালি, সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চালনা বন্দর মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকন উদ্দিন, শিক্ষক নেতা শরিফুল ইসলাম, ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’-এর নেতা আব্দুর রশিদ হাওলাদার, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কমলা সরকার, পরিবেশকর্মী মো. আলম গাজী, হাছিব সরদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার শেখ রাসেল প্রমুখ। 

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের কর্মসূচিতে বক্তারা আরও বলেন, ‘সুন্দরবনের বাঘ, হরিণ, ভোদড়, হাঙ্গর, ইরাবতি ডলফিন, শুশুক, কচ্ছপ, শকুন, শাপলাপাতা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী আজ মহাবিপন্ন, বিপন্ন ও সংকটাপন্ন তালিকার অন্তর্ভুক্ত। জাতিসংঘের আইইউসিএন, ১৮৩টি দেশ স্বাক্ষরিত সাইটিশ চুক্তি ও বন্যপ্রাণী আইন সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৪৩টি স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৮৪টি পাখি, ৫০টি সরীসৃপ, ১৬টি বাদুড়/শাপলাপাতা মাছ, ১২টি হাঙ্গর/কামুট এবং দুটি উভচর প্রাণী মহাবিপন্ন, বিপন্ন এবং সংকটাপন্ন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 

সভাপতির বক্তব্যে সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ‘রাস্ট্র পরিবেশ রক্ষা ও উন্নতি বিধান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অক্ষুণ্ন রাখবে ও নিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট থাকবে। বন্যপ্রাণীর অবেধ বাণিজ্য দুর্নীতি বিস্তার করে, সেই সঙ্গে আইনের শাসন এবং বন্যপ্রাণী ও বন্য পরিবেশের পাশে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলে। চোরাকারবারি, মুনাফালোভী ব্যবসা-বাণিজ্য, বাঘ-হরিণসহ বন্যপ্রাণী হত্যা, বৃক্ষ নিধন ও বিষপ্রয়োগে মাছ নিধন বন্ধ করতে না পারলে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব টিকে থাকবে না। সমাবেশ-মানববন্ধন ও র‌্যালি শেষে রবিবার দুপুরে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুর রহমানের মাধ্যমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বরাবরে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।”

রিফাত আল মাহমুদ/জোবাইদা/অমিয়/

মর্গে পড়ে আছে পানছড়িতে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
মর্গে পড়ে আছে পানছড়িতে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার মধুমঙ্গলপাড়ায় গুলিতে নিহত তিন তরুণের মরদেহ ঘটনার একদিন পরও স্বজনেরা গ্রহণ করেননি। চব্বিশ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরদেহগুলো বর্তমানে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতদের কোনো স্বজন এখন পর্যন্ত মরদেহ নিতে থানায় বা হাসপাতালে আসেননি। মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত শেষে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রাখা আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা অপেক্ষা করছি, পরিবারের সদস্যরা আসলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় পাহাড়ের দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের গোলাগুলিতে পদ্ম চাকমা (১৮), ধনা চাকমা (১৮) ও রিয়েল চাকমা (১৮) নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পদ্ম চাকমা ও ধনা চাকমার বাড়ি রাঙামাটিতে এবং রিয়েল চাকমার বাড়ি পানছড়ি উপজেলায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি দুটি মিসফায়ার হওয়া গুলি, ১৪টি ব্যবহৃত গুলির খোসা এবং চারটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। 

এদিকে নিহত তিনজনই ইউপিডিএফের সদস্য বলে স্থানীয়রা জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেন, এটি জেএসএস সন্তু গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ। সোমবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জেএসএস সন্তু গ্রুপের মধ্যে সাধারণ কর্মীদের বিদ্রোহ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে।

দিদারুল আলম/রিফাত/

শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে  গাভী বিতরণ
ছবিঃখবরের কাগজ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে হতদরিদ্র ৬টি পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গাভী পালন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার বাঁশকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (ভিডিএস) উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গাভী বিতরণ অনুষ্ঠানে ফরিদা খাতুন, মো. কামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম ইদ্রিস, রিনা আক্তার, মিজান মিয়া ও লতা বেগমকে গাভী দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির পরিচালক এ বি এম মাহবুব হোসেন বাদলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. বেল্লাল হোসেন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান।

ইউএনও বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান ও টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণের আলোকে গাভীগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।

 এ বি এম মাহবুব হোসেন বাদল বলেন, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি দীর্ঘদিন ধরে শিবচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সংগঠনটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রফিকুল/হীরা/

গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় দুটি পরিবারের স্বেচ্ছাচারিতায় একটি রাস্তা নির্মাণকাজ আটকে যাওয়ায় রাস্তাটি উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর-পুরান বাউশিয়া সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আব্দুল্লাহপুর গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ বলেন, ‘এটি আমার শ্বশুরবাড়ির এলাকা। আমার শাশুড়ি এখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বর্তমানে আমরা বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করছি। রাস্তার সমস্যার কারণে আমরা আমাদের সেই বাড়িতে ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারি না। শুধু আমরা নই মাত্র দুটি পরিবারের কারণে ১০০ পরিবারের মানুষ আজ জিম্মি হয়ে রয়েছে। দুটি পরিবারের আপত্তিতে ৭০০ ফুট রাস্তার ১০০ ফুট বাদে বাকি ৬০০ ফুটের কাজ দীর্ঘদিন আগে শেষ হয়েছে। আমাদের অবস্থা এখন এমন যে, একজন মানুষ মারা গেলে তার খাটিয়া বের করা যায় না। কোনো লোক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রাস্তার অভাবে তাকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে আমরা আজকে মাঠে নেমেছি। বিষয়টি আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি, তিনি সমস্যাটি সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

​স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন বলেন, ’বাড়ি সামনে হওয়ায় দুজন লোক পেছনের প্রায় ১০০টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। রাস্তার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করছি। সরকারের প্রতি আবেদন দ্রুত রাস্তাটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করুন।’

ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউশিয়া বহুমুখী উন্নয়ন সমিতি মার্কেটের পেছনে যারা বসতি গড়ে তুলেছেন তারা মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ। শুরুতে বিক্ষিপ্তভাবে বসতি স্থাপন করলেও বর্তমানে এটি একটি সমৃদ্ধ গ্রাম যার নাম আব্দুল্লাহপুর।

গত কয়েক বছর আগে স্থানীয়দের সম্মতিতে গ্রামের ভেতর দিয়ে ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি বরাদ্দে সমিতি মার্কেটের পেছন থেকে কায়সার হামিদের শ্বশুরবাড়ি পারুল ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশের কাজ শেষ হলেও অলিউল্লাহ তাঁতি এবং মজিবুর তাঁতি নামের দুই পরিবারের বাধায় ১০০ ফুট অংশের কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এই অংশটি দখল করে তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে থাকলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

সুমন/খাদিজা রুমি/

ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসের শঙ্কা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসের শঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে শনিবার (৪ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা অতি ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানির প্রভাবে বন্দরনগরীর বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস  ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড  করেছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ৪৮ ঘন্টায় ৪০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 

আবহাওয়াবিদদের মতে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।​ বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। এছাড়া ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোতে মারাত্মক পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে মাইকিং ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

টানা বৃষ্টির সঙ্গে সাগরের জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় নগরীর আগ্রাবাদ, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, হালিশহর, বড়পোল, কমার্স কলেজ এলাকা এবং পতেঙ্গা ও কুয়াইশের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত কোথাও গোড়ালি, আবার কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। নিচু এলাকার বহু বাসাবাড়ি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় আসবাবপত্র ও মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।​

মঙ্গলবার সকালে জলাবদ্ধ পরিস্থিতি পরিদর্শনে নামেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ জানায়, নালা ও খালগুলো পরিষ্কার রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা চললেও বৃষ্টির তীব্রতা এবং জোয়ারের কারণে পানি নামতে কিছুটা সময় লাগছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চসিকের বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে।​

ভোগান্তিতে অফিসগামী ও সাধারণ মানুষ। সকাল থেকেই সড়কে গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী যাত্রী, পোশাকশ্রমিক ও সাধারণ মানুষ। অনেক এলাকায় রিকশা ও গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানুষকে পায়ে হেঁটে কিংবা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে নগরীর বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ও পাঠদান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।​

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড  করেছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার  সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ৪৮ ঘন্টায় ৪০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বহাল রয়েছে।​ 

প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আকবরশাহ ঝিল, বিজয়নগর, শান্তিনগর, মতিঝরনা এবং লালখান বাজার পোড়া কলোনিসহ ৯টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের অবিলম্বে আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার তত্ত্বাবধানে সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) নেতৃত্বে গঠিত ৬টি বিশেষ টিম সকাল থেকেই উদ্ধার ও মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের জন্য স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।​

রিফাত/

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত
মরদেহ/ ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মালবাহী পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মা-ছেলের।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের দিনাজপুর-পঞ্চগড় সড়কের পাঁচপীর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কাহারোল উপজেলার ৫নং সুন্দরপুর ইউনিয়নের মালগ্রাম এলাকার মো. নাজমুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২৮) ও ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩)। 

আহত মোটরসাইকেল চালক মো. নাজমুল ইসলাম (৩২) বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

দিনাজপুর দশমাইল হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিল্লুর রহমান জানায়, ফাহিমা আক্তার ও ছেলে মোটরসাইকেল নিয়ে ভোরে ঠাকুরগাঁও জেলার উত্তর গড়েয়া হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে পিছন থেকে পিকাপ ধাক্কা দিলে তারা সড়কে ছিটকে পড়েন। পিকআপটি মা ও ছেলের শরীরের উপর দিয়ে যায়।

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো সাইফুল ইসলাম জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মরদেহ হাইওয়ে থানা পুলিশরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুলতান মাহমুদ/তামান্না রুপা/