ঢাকা ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

রাষ্ট্রপতির নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৮ পিএম
রাষ্ট্রপতির নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১
রাষ্ট্রপতির পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. সিরাজ। ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের মোবাইলে রাষ্ট্রপতির পরিচয় দিয়ে একটি নম্বর থেকে একজন নার্সকে বদলির সুপারিশের জন্য দুটি এসএমএস করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মেসেজ দুটি ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে পাঠান। ডিবি বিষয়টি তদন্ত করে দেখেন রাষ্ট্রপতির মোবাইল থেকে অথবা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মোবাইলে কোনো মেসেজ দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ নার্সকে বদলির সুপারিশের মেসেজটি ভুয়া। তদন্তের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নাম মো. সিরাজ। 

বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। 

তিনি বলেন, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মোসা. নবীনা খাতুন ও মোসা. পারভীন আক্তারের নাম দিয়ে গ্রেপ্তার সিরাজ রাষ্ট্রপতি পরিচয় দিয়ে তাদের অন্যত্র বদলির জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের মোবাইলে মেসেজ পাঠান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মেসেজ দুটি আমার কাছে পাঠান। ডিবি বিষয়টি তদন্ত করে দেখে রাষ্ট্রপতির মোবাইল থেকে অথবা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মোবাইলে কোনো মেসেজ দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ নার্সের বদলির সুপারিশের মেসেজটি ভুয়া। তদন্তের একপর্যায়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রপতি পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নাম মো. সিরাজ। তাকে পাবনার সুজানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
 
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পরিচয় দিয়ে সিরাজ একাধিক এমপির ভুয়া ডিও লেটার দিয়েছেন। ডিও লেটার দিয়ে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বদলির জন্য তদবির করেছেন। সিরাজ অষ্টম শ্রেণি পাস। তিনি বিয়ে করেছেন তিনটি। এর মধ্যে একজন নার্স, একজন শিক্ষক ও আট মাস আগে তিনি আরেকটি বিয়ে করেছেন।

ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৭:২৯ পিএম
ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৩
ছবি : খবরের কাগজ

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে রাজধানীতে ডাকাতি করে আসছিল একটি চক্র। ব্যবসায়ীরা নগদ টাকা বহন করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার পথে ধাক্কা দিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ত চক্রটি। এ সময় আশপাশে ওত পেতে থাকা চক্রটির অন্য সদস্যরা ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রচণ্ড মারধর করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ব্যাগভর্তি টাকা ছিনিয়ে নিত।

এ চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলেন- মূল পরিকল্পনাকারী খোকন দাস ওরুফে বাইল্যা খোকন, মূল অপারেশনাল সংগঠক রেজাউল করিম এবং চক্রের সদস্য কামাল হোসেন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম এবং খুলনায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। 

বুধবার (২৯ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, “মা বুলিয়ান অ্যান্ড সিলভার জুয়েলার্সের ম্যানেজারের নির্দেশে কর্মচারী মহিউদ্দিন গত ২৬ এপ্রিল পুরান ঢাকার কদমতলী খেজুরের গলিতে অবস্থিত মসলা এন্টারপ্রাইজের কাছাকাছি আড়ত থেকে ৭০ লাখ টাকা একটি নীল রংয়ের স্কুল ব্যাগে ঢুকিয়ে তাঁতি বাজারের উদ্দেশে পায়ে হেঁটে রওনা দেন। বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে ইসলামপুরের নবনারায়ণ লেনের প্রবেশমুখে পৌঁছামাত্র একজন দুষ্কৃতকারী তাকে ধাক্কা দিয়ে পাল্টা ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ করে। এ সময় টাকা বহনকারী মহিউদ্দিন ‘দুঃখিত’ বলে ক্ষমা চেয়ে চলে যেতে চাইলে আশপাশে ওত পেতে থাকা আরও ৭/৮ জন দুষ্কৃতকারী তাকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রচণ্ড কিল-ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে তার চোখে আঙুল দিয়ে গুল লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং টাকাভর্তি ব্যাগটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।”

এ ঘটনায় ২৭ এপ্রিল জুয়েলার্সের মালিক আকিদুল ইসলাম থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন। এ মামলার সূত্র ধরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে থানা পুলিশ এবং ডিবি পুলিশের তদন্তে এই ডাকাতি মামলার পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের নাম, পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, ‘পুরান ঢাকার এই এলাকাগুলোতে প্রতিদিন শত কোটি টাকার বৈধ লেনদেনের পাশাপাশি অনেকেই হুন্ডির টাকা লেনদেন করে থাকেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের সদস্যরা ওত পেতে থাকে এই হুন্ডি ব্যবসায়ীদের টাকা ডাকাতির জন্য। হুন্ডিতে টাকা লেনদেন করা আইনসিদ্ধ না। তাই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অধিকাংশ সময় বিষয়টি পুলিশ বা আদালতকে অবগত করেন না। হুন্ডি ব্যবসায়ীদের এই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ডাকাত বা ছিনতাইকারীরা অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। ডাকাতদের এই অপতৎপরতায় অনেকসময় বৈধ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির সম্মুখীন হন।’ 

আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১২:২৬ পিএম
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত
নিহত রনি সরদার

খুলনা নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে রনি সরদার (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় দক্ষিণ টুটপাড়া জনকল্যাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে তাকে গুলি করা হয়। 

নিহত রনি সরদার নগরীর পূর্ব রূপসার গরুর হাট গণকবরস্থান এলাকার মৃত আব্দুর রব সরদারের ছেলে।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল হোসেন খবরের কাগজকে জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা তার গলার ডান পাশে গুলি করে। গুলির শব্দে টুটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় টহলরত এএসআই কামরুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুবৃর্ত্তরা পালিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরে রাত সোয়া ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

মাকসুদ রহমান/ইসরাত চৈতী/অমিয়/ 

স্ত্রী ও মেয়েসহ বেনজীরের বিও হিসাব ফ্রিজ

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ০৭:৫৭ পিএম
স্ত্রী ও মেয়েসহ বেনজীরের বিও হিসাব ফ্রিজ
বেনজীর আহমেদ

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, স্ত্রী জিশান মির্জা ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের পুঁজিবাজারের সব হিসাব ও শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) রাখার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

গতকাল সোমবার (২৭ মে) পুঁজিবাজারের শেয়ার সংরক্ষণ কেন্দ্র সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) তাদের নামে সব বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় বিএসইসি। এর ফলে ওই হিসাবগুলোতে কোনো অর্থ জমা করা যাবে না বা কোনো অবস্থাতেই অর্থ তোলা যাবে না।

এ ছাড়া সোমবার এ-সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশ বিএসইসি থেকে সিডিবিএলে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের তিনজনের মোট ছয়টি হিসাব রয়েছে পুঁজিবাজারে।

জানা গেছে, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ড্রাগন সিকিউরিটিজ লিমিটেডে বেনজীর আহমেদের বিও হিসাব রয়েছে। এ ছাড়া সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড ও ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে তার স্ত্রী জিশান মির্জা, ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে তার বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর এবং ডাইনেস্টি সিকিউরিটিজ লিমিটেডে ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিও হিসাব রয়েছে।

বিও হিসাব অবরুদ্ধকরণ প্রসঙ্গে বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কোর্টের সংশ্লিষ্ট আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ৫টি ব্রোকারেজ হাউসে ৬টি বিও হিসাব পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। ওই হিসাবগুলোর ওপর অবরুদ্ধকরণ আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় সেগুলো থেকে কোনো অবস্থাতেই অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৪, ০৮:০০ পিএম
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

গতকাল রবিবার (২৬ মে) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (২৭ মে) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭২০ পিস ইয়াবা, ৪৭৮ গ্রাম হেরোইন, ৮৭ কেজি গাঁজা, ৫৯ বোতল ফেনসিডিল, ২৮ বোতল দেশি মদ ও ২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৬টি মামলা করা হয়েছে।

র‌্যাবের হাতে ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৪, ০৭:৪৫ পিএম
র‌্যাবের হাতে ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার

রাজধানীর উত্তরার আশকোনা থেকে পুলিশের ইউনিফর্ম, জ্যাকেট, ওয়াকিটকি, খেলনা পিস্তল ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ এক ভুয়া পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল রবিবার (২৬ মে) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

সোমবার (২৭ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১-এর সহকারী পরিচালক (অপস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) মো. মাহফুজুর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মাহমুদুল হাসান মুন্না ওরফে মনসুর (৪৫)। তিনি পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

র‌্যাবের সহকারী পরিচালক মাহফুজুর বলেন, তার নামে প্রতারণার মামলা রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় উত্তরার দক্ষিণখান থানাধীন নন্দাপাড়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয় র‍্যাব। পরে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মুন্না বাসা হতে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১-এর একটি দল।

এ সময় মুন্নার কাছ থেকে দুটি ওয়াকিটকি সেট, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি পুলিশ স্টিক, ১৬টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, একটি কালো হাতলের ছুরি, একটি কালো রঙের রাবার হাতুড়ি, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ কভার, দুই সেট পুলিশের পোশাক, দুটি কালো হাতা কাটা জ্যাকেট, একটি নীল রঙের পুলিশ ক্যাপ, তিনটি পিস্তল কভার, একটি পুলিশ বেল্ট, দুটি চামড়ার মানিব্যাগ, একটি পুলিশ মনোগ্রামযুক্ত হেলমেট, একটি ইলেকট্রিক শক মেশিন, একটি পেনড্রাইভ এবং একটি স্মার্ট ওয়াচ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার মুন্নাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে র‍্যাব জানায়, তিনি পুলিশ সদস্য না হয়েও পুলিশের পোশাক পরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।