ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে ডিউটিরত ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর ওয়ার্ড বয়দের হামলা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় বাগ্‌দান, পরে গ্রেপ্তার দম্পতি রপ্তানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে ঘাটাইল উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশুর মৃত্যু পেটের আলসারের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা বরিশালে নারী ব্যবসায়ীদের মারধর, ছাত্রদল নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন এ মাসেই ‘শিকার’ শুরু করছেন অপু বিশ্বাস বিশ্বকাপের গানে ‘টুডে শো’র মঞ্চ মাতালেন সানজয় ও নোরা আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ফিরছেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ১০টি ফুটবল মাঠের সমান এক জাহাজ! এলপিজির দাম ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমল ৩৫৭ টাকা ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড চীনে এবার রোবটের ব্যান্ডদল বিশ্বকাপের উন্মাদনার গল্প বলবে ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’ অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির জয়জয়কার বরিশালে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড, ভুক্তভোগী মা-শিশুর দায়িত্ব রাষ্ট্রের কুমিল্লায় মানহানির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেপ্তার এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে ঝরে পড়েছে ২৭৩৪৩ শিক্ষার্থী এমবাপ্পেকে ঘিরে গুঞ্জনের কেন্দ্রে স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার ভোলায় কলেজছাত্রকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ জামালপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু বেসরকারি শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ, রাইফেল ও গুলি জব্দ গোপালগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী কৃষি-প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন জামালপুরে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চাঁদপুরে আষাঢ়েও ইলিশের সরবরাহ কম

মৌলিক মানবিক চাহিদা অধ্যায়ের ২৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৮ এএম
আপডেট: ০৬ নভেম্বর ২০২৪, ০৫:২৮ পিএম
মৌলিক মানবিক চাহিদা অধ্যায়ের ২৫টি  বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র
শিক্ষার্থীরা ক্লাসে পড়াশোনা করছে। ছবি- খবরের কাগজ
প্রথম অধ্যায় : মৌলিক মানবিক চাহিদা
 
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর
 
৪৮. বাংলাদেশে বস্ত্রের চাহিদা কীভাবে পূরণ করা হয়?
ক. তুলা আমদানি করে খ. পুরোনো কাপড় আমদানি করে
গ. নতুন কাপড় আমদানি করে
ঘ. টেক্সটাইল মিল প্রতিষ্ঠা করে
 
৪৯. মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় কেন?
ক. আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতার কারণে
খ. সাংস্কৃতিক অবস্থার ভিন্নতার কারণে
গ. মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে
ঘ. পারিপার্শ্বিক ভিন্নতার কারণে
 
৫০. বাংলাদেশে কীসের প্রভাবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ন্যূনতম খাদ্যগ্রহণে সক্ষম হচ্ছে না?
ক. খাদ্য ঘাটতির
খ. বাজেট ঘাটতির
গ. অর্থের ঘাটতির
ঘ. সম্পদের ঘাটতির
 
৫১. বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য আমদানি করার যথার্থ কারণ কী?
ক. ঘাটতি অনুধাবন
খ. খাদ্য ঘাটতি পূরণ
গ. গুদামজাতকরণ
ঘ. ব্যবসায়করণ
 
৫২. বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন দিন দিন হ্রাস পাওয়ার যথার্থ কারণ কী?
ক. জনসংখ্যা হ্রাস
খ. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
গ. কৃষিভূমি হ্রাস
ঘ. কৃষক হ্রাস
 
৫৩. বর্তমানে বস্ত্র খাত কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে?
ক. ব্যক্তি মালিকানায়
খ. সরকারি মালিকানায়
গ. অংশীদারি মালিকানায়
ঘ. যৌথ মালিকানায়
 
৫৪. বাংলাদেশে নারীদের সাক্ষরতার হার কত?
ক. ৭০.৯%    খ. ৭১.৯%
গ. ৭২.৯%    ঘ. ৭৩.৯%
 
৫৫. বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি?
ক. ১,৩২,০০২টি
খ. ১,৩৩,০০২টি
গ. ১,৩৪,০০২টি
ঘ. ১,১৩,০০২টি
 
৫৬. কত সাল থেকে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে শতভাগ নতুন বই দেওয়া হচ্ছে?
ক. ২০০৫ সাল
খ. ২০০৭ সাল
গ. ২০১০ সাল
ঘ. ২০১২ সাল
 
৫৭. বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে প্রতি ১০০ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা কত?
ক. ৫০ জন
খ. ৪৯ জন
গ. ৫১ জন
ঘ. ৫২ জন
 
৫৮. বাংলাদেশে অজ্ঞ ও অদক্ষ বেকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার যথার্থ কারণ কী?
ক. নিরক্ষরতার হার বৃদ্ধি
খ. নিরক্ষরতার হার হ্রাস
গ. শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি
ঘ. শিক্ষিতের হার হ্রাস
 
৫৯. দেশে সরকারি নার্সিং কলেজ কয়টি?
ক. ১২টি     খ. ১৩টি
গ. ১৪টি      ঘ. ১৫টি
 
৬০. বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা বেশির ভাগ কোথায় দেওয়া হয়ে থাকে?
ক. গ্রামে             খ. মহল্লায়
গ. উপজেলায়     ঘ. শহরে
 
৬১. আকাশ সংস্কৃতি উন্মুক্ত করা হয় কখন?
ক. ১৯১৯ সাল
খ. ১৯৯২ সাল
গ. ১৯৯৩ সাল
ঘ. ১৯৯৪ সাল
 
৬২. চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারের অনুদান প্রদান জনগণের কোন চাহিদা পূরণে সহায়ক?
ক. শিক্ষার চাহিদা
খ. চিত্তবিনোদন চাহিদা
গ. জৈবিক চাহিদা
ঘ. বাসস্থানের চাহিদা
 
৬৩. বাংলাদেশে চিত্তবিনোদনের চাহিদা পূরণ কীরূপ?
ক. সন্তোষজনক
খ. ক্রমশ প্রসারমান
গ. আশাব্যঞ্জক
ঘ. হতাশাজনক
 
৬৪. বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতির যৌক্তিক কারণ হলো-
i. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
ii. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
iii. ভূমির খণ্ড-বিখণ্ডতা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. ii ও iii
গ. i ও iii ঘ. i, ii ও iii
 
৬৫. আমাদের প্রতি বছরই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়-
i. পাট  
ii. সুতা 
iii. কাঁচা তুলা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii
গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
 
৬৬. গলগণ্ড রোগ হয় কীসের মাধ্যমে?
ক. ভিটামিন এ
খ. ভিটামিন বি
গ. ভিটামিন সি
ঘ. আয়োডিন
 
৬৭. খাদ্যের অপূরণজনিত প্রধান সমস্যা কোনটি?
ক. পুষ্টিহীনতা          খ. শিক্ষার সমস্যা
গ. অপরাধপ্রবণতা    ঘ. নিরক্ষরতা
 
৬৮. সমাজে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ার যৌক্তিক কারণ কোনটি?
ক. খাদ্যদানে ব্যর্থতা
খ. ব্যক্তিগত ব্যর্থতা
গ. রাষ্ট্রের ব্যর্থতা
ঘ. চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা
 
৬৯. অপুষ্টির ক্ষেত্রে শিশুদের পরেই কাদের স্থান?
ক. কিশোরদের
খ. যুবকদের
গ. বৃদ্ধদের
ঘ. মহিলাদের
 
৭০. নিরক্ষরতা ও অজ্ঞতার মধ্যে সম্পর্ক কীরূপ?
ক. অগভীর
খ. গভীর
গ. নেতিবাচক
ঘ. হতাশাজনক
 
৭১. বাংলাদেশের বুকে চেপে বসেছে কী?
ক. সামাজিক বিশৃঙ্খলা
খ. রাজনৈতিক অস্থিরতা
গ. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র
ঘ. দুর্নীতি
 
৭২. মৌল মানবিক চাহিদার অপূরণজনিত সমস্যা হলো-
i. পুষ্টিহীনতা  
ii. নিরক্ষরতা
iii. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. ii ও iii
গ. i ও iii ঘ. i, ii ও iii
 
উত্তর: ৪৮. খ, ৪৯. ক, ৫০. ক, ৫১. খ, ৫২. গ, ৫৩. ক, ৫৪. গ, ৫৫. খ, ৫৬. গ, ৫৭. গ, ৫৮. ক, ৫৯. খ, ৬০. খ, ৬১. গ, ৬২. খ, ৬৩. খ, ৬৪. ঘ, ৬৫. গ, ৬৬. ঘ, ৬৭. ক, ৬৮. ঘ, ৬৯. খ, ৭০. খ, ৭১. গ, ৭২. ক।
 
লেখক: প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
 
কবীর

এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ছবি: মাসুদ মিলন, খবরের কাগজ

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা হয়েছে বেলা ১টা পর্যন্ত।

রাজধানীর আজিমপুর গভঃ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। ছবি: মাসুদ মিলন

এখন দ্বিতীয় শিফটে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ২টা থেকে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হওয়া এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকদের দেখা যায় পরীক্ষার্থীর জন্য অপেক্ষা করছে এই কাঠফাঁটা রোদে। 

প্রথম দিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছেন।

রাজধানীর আজিমপুর গভঃ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হয়। ছবি: মাসুদ মিলন

এবার পরীক্ষার কেন্দ্রে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব পরীক্ষাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ও ডিজিটাল নজরদারির ব্যবস্থা। সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বডি–ওর্ন ক্যামেরা। 

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ইউএনডিপির কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ইউএনডিপি তার কার্যক্রম পরিচালনায় যেখানে যে ধরনের প্রয়োজন সেখানে সে ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকরা অসংগঠিত ও বিচ্ছিন্ন হওয়ায় তারা নানাভাবে নির্যাতিত, বঞ্চিত ও শোষিত হচ্ছে। কাজেই ইউএনডিপি কৃষি কার্যক্রমের আওতায় কৃষকদের নিয়ে দল গঠন করে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি ও সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের চেষ্টা করে থাকে। দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রেও ইউএনডিপি সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। আবার ইউএনডিপির স্বাস্থ্য কার্যক্রমে ব্যক্তি সমাজকর্মের অনুশীলন লক্ষ করা যায়।

প্রশ্ন: ইউএনডিপির একটি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ইউএনডিপির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হলো- নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে নারীর অংশীদারত্ব বাড়ানো। দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই সংস্থাটির উদ্দেশ্য।

প্রশ্ন: ইউএনডিপি কেন গঠন করা হয়?

উত্তর: উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন হিসেবে ইউএনডিপি গঠন করা হয়। বিভিন্ন রাষ্ট্রে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, বিভিন্ন সংকট প্রতিরোধে সহায়তা করা এ সংগঠনটির উদ্দেশ্য। এ জন্য ইউএনডিপি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে একটি জাতিকে উন্নত করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রশ্ন: দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়? 

উত্তর: কোনো দেশে কম উৎপাদনের ফলে আয় কম  হয়। আয় কম হলে সঞ্চয় কম হয়, সঞ্চয় কম হওয়ায় বিনিয়োগ কম হয়। ফলে মূলধন কম যায়, যার ফলে উৎপাদনে প্রভাব পড়ে। উৎপাদন, আয়, সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও মূলধনের এই চক্রাকার প্রবাহকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলে। সাধারণত অনুন্নত দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি বেশি দেখা যায়।

প্রশ্ন: সংক্ষেপে ইউএনডিপির পরিচিতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: UNDP-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে United Nations Development Programme। এটি জাতিসংঘের সর্ববৃহৎ উন্নয়নমূলক সংস্থা। স্বল্পোন্নত দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাতিসংঘের মাধ্যমে সাহায্য  করার লক্ষ্যে ১৯৬৫ সালের ১ নভেম্বর এ সংস্থাটি গঠিত হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর সদর দপ্তর আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থিত। মোট ৪৮ জন সদস্য নিয়ে এর পরিচালনা পর্ষদ গঠিত।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে ইউএনডিপির ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: বাংলাদেশ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ দেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার মূলে রয়েছে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য শুধু সমস্যাই নয় বরং আরও অন্যান্য সমস্যার কারণ বটে। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ প্রকল্পেই ইউএনডিপির ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ PRSP প্রকল্পে ইউএনডিপির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তাই দারিদ্র্য বিমোচনে ইউএনডিপির গুরুত্বকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা বাসায় পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১৯। সন্ধ্যার অন্ধকারে নদীর ধারের পথ দিয়ে কে বাড়ি ফিরছিল? 
(ক) লেখক আর বিধু    
(খ) লেখক আর বাদল
(গ) বিধু আর সিধু    
(ঘ) বিধু আর বাদল

২০। বাক্সটিতে নগদ টাকা কত ছিল? 
(ক) ৪০ টাকা      (খ) ৫০ টাকা    
(গ) ৬০ টাকা      (ঘ) ৭০ টাকা

২১। নোটিশ দেওয়ার কতদিন পর একজন কালো লোক চণ্ডীমণ্ডপের সামনে এসে দাঁড়াল?    
(ক) দুই দিন    (খ) তিন দিন    
(গ) চার দিন    (ঘ) পাঁচ দিন

২২। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাহিনির সময়টা কখনকার? 
(ক) কালবৈশাখীর    (খ) বর্ষাকালের
(গ) ঝড়-বাদলের     (ঘ) শিলাবৃষ্টির

আরো পড়ুন : পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

২৩। কিশোরদের দলের সর্দার কে ছিল? 
(ক) সিধু          (খ) নিধু  
(গ) তিনু          (ঘ) বিধু

২৪। ‘পড়ে পাওয়া’ বাক্সটি কোন রঙের টিনের ছিল? 
(ক) হলুদ টিনের     (খ) সবুজ টিনের
(গ) খয়েরি টিনের    (ঘ) কালো টিনের

২৫। বন্যায় কোন চরের কাপালিরা নিরাশ্রয় হয়ে গেল? 
(ক) মুরাতিপুর    (খ) বারাকপুর
(গ) অম্বরপুর      (ঘ) নির্বিষখোলা

২৬। ‘যাবার সময় সে শাসিয়ে গেল’ কে শাসিয়ে গেল? 
(ক) প্রথম লোকটি      (খ) দ্বিতীয় লোকটি
(গ) কাপালি                (ঘ) নরহরি বোষ্টম

উত্তর: ১৯. ক, ২০. খ, ২১. গ, ২২. ক, ২৩. ঘ, ২৪. খ, ২৫. গ, ২৬. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা আজ, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১০ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা আজ, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার
ছবি: মাসুদ মিলন, খবরের কাগজ

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ বৃহস্পতিবার শুরু। পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রই এবার রাজধানীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য থাকবে বডি-ওর্ন ক্যামেরা।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল থেকে দেশের যেকোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এতে অনিয়ম ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এবার মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যেসব দিনে পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।

পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, পরীক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত খাতার চাপ কমানো হয়েছে এবং আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজন হলে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের (রি-এক্সামিন) সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে র‌্যান্ডম স্যাম্পলিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষকরা সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন করছেন কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।

কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে কোচিংয়ের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যাবে। এ লক্ষ্যেই পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ও ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় কোচিংনির্ভর না হয়ে পড়ে। তিনি আরও জানান, কোচিং সেন্টার পরিচালনায় সরকারি অনুমোদন ও তদারকি জোরদার করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে সতর্ক করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ করা উচিত নয়। এ ছাড়া কোনো কেন্দ্রে ভুল প্রশ্ন বিতরণ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায় নিতে হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কোনো এলাকায় পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম
Golden Touch বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
রাজা মাইডাস সোনার অত্যন্ত অনুরাগী ও প্রচুর সোনার মালিক ছিলেন। কিন্তু তিনি আরও সোনা চাইতেন। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

Golden Touch

Once upon a time there was a king called Midas. He was extremely fond of gold. Already he was the owner of a lot of gold but he wanted more gold. He thought that if he had the golden touch, he would be the happiest man in the world. One day a wise god granted his wish promptly. 
That afternoon Midas was sitting near an apple tree in the palace orchard. A ripe apple fell from the tree in his front. He picked it up. It became gold. Midas realised he had been gifted with the golden touch. He was overwhelmed with joy. He entered the palace with an ecstasy of joy. His little daughter Marigold came running to her father. Midas took her lip in his arms with an intensity of glee. But alas! There was a statue of gold in his lap. The princess became all gold.

আরো পড়ুন : A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

The king was at his wit’s end. A terrible shock rent his heart. The princess was no more that Marigold. Now he needed Marigold and not gold. He was shedding bitter tears. Suddenly his face beamed up. He remembered the wish god. He prayed to him to take away the golden touch. The wish god heard the prayer and lifted from him the golden touch. Midas felt profoundly grateful. He took the princess again into his lap. She became Marigold. Midas’s joys now knew no bounds. He grew wiser and gave up his greed.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর