ঢাকা ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩, রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বাজার মূলধন কমল সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা শহর ছাড়িয়ে গ্রামেও ডেঙ্গু রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন কি না, স্পষ্ট করলেন ককরোচ নেতারা সেতুতে গর্ত-ফাটল, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার বিএটিবিসির আয় ও মুনাফা বেড়েছে সপ্তাহজুড়ে মিউচুয়াল ফান্ডের দাপট প্রতিবন্ধী নারীর অনাগত সন্তানের বাবা নিয়ে ধোঁয়াশা ট্রাম্প প্রশাসনের পরের পদক্ষেপে বদলে যেতে পারে বিশ্ববাণিজ্য সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স রথযাত্রার পথে পাতা হয়েছিল শক্তিশালী ‘আইইডি’ বোমা বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব ঘোচার আভাস গাভির ব্রুসেলোসিস রোগ কমছে দুধ উৎপাদন আবারও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, প্রশাসনে হতাশা-অসন্তুষ্টি রূপসা উপজেলা: সংস্কারের অভাবে সড়ক বেহাল অতিরিক্ত গরমে কাজ করতে পারছে না মরুর বাহন উট কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: ৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ ঠাকুরগাঁওয়ের মোজারেলা চিজ যাচ্ছে ইউরোপ-মধ্যপ্রাচ্যে ভালো নেই দেশের অর্থনীতি সারা দিন গ্যাস নেই, ভোরে মেলে সামান্য যানজটে নাকাল ময়মনসিংহ বিভাগীয়শহরের বাসিন্দারা আজ-কালের মধ্যে বঙ্গভবন ছেড়ে নিজ বাসায় উঠবেন সাহাবুদ্দিন ২৬ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২৬ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল খোকসায় বন্ধুজন এর বর্ষাবরণ ও ফল উৎসব আইসিইউতে নতুন আতঙ্ক: ওষুধ প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ায় বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু পতিত সরকার জনমিতিক বোঝা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে: উপদেষ্টা তিতুমীর ঢাকার বাস ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ, ৩২ রুটে সমঝোতা ইউরেনিয়ামকে নিরাপদ রাসায়নিক যৌগে রূপান্তর ব্যাকটেরিয়ার মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্বে আব্দুল হাই ও সুলতান মাহমুদ

আজ-কালের মধ্যে বঙ্গভবন ছেড়ে নিজ বাসায় উঠবেন সাহাবুদ্দিন

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ এএম
আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
আজ-কালের মধ্যে বঙ্গভবন ছেড়ে নিজ বাসায় উঠবেন সাহাবুদ্দিন
রাজধানীর গুলশান ১ এর ১২৩ নম্বর রোডের গ্রিন ভিলার নিজ বাসায় উঠবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। খবরের কাগজ

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছেড়ে দু-এক দিনের মধ্যে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় উঠবেন বলে আভাস মিলেছে। গুলশান-১-এর ১২৩ নম্বর সড়কের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় তার নিজস্ব ফ্ল্যাট এখন ধোয়ামোছা এবং দেয়াল রং করার কাজ চলছে। 

মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন– এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে গুলশানের এই ফ্ল্যাট নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু করেন কর্মীরা। গত শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন, সেদিনই জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

শুক্রবার দুপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’ নামের সেই ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে টেলিফোন সংযোগের কাজ শুরু করেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কর্মচারীরা।

শুক্রবার বিকেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য সেখানে অবস্থান নিলেও গতকাল শনিবার সকালে তাদের আর দেখা যায়নি। ভবনের অন্য বাসিন্দাদের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছিল। 

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মো. সাহাবুদ্দিন ঠিক কখন এই বাসায় আসবেন, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সবকিছু যেন ধুয়েমুছে ঠিক রাখা হয়। ইতোমধ্যে তার পরিবারের নানা আসবাবপত্র এই ভবনে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গতকাল সকালে গুলশানের সেই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে বেশ কিছু আসবাবপত্র ভবনের নিচে জড়ো করে রাখা হয়েছে। ভবনেও নতুন করে রং করা হচ্ছে। 

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। সে হিসাবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে। তবে ২১ মাস আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।

রথযাত্রার পথে পাতা হয়েছিল শক্তিশালী ‘আইইডি’ বোমা

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০২ এএম
রথযাত্রার পথে পাতা হয়েছিল শক্তিশালী ‘আইইডি’ বোমা
রাজধানীর মেট্রোরেলে নিরাপত্তা জোরদার কর আ হয়েছে। গতকাল সচিবালয় ষ্টেশনে। ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে গত শুক্রবার একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, বোমাটি শক্তিশালী ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ছিল, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টো রথযাত্রার পথে পাতা হয়েছিল।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা করেছেন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বোমাটি ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি)। এর ভেতরে সালফার, প্রচুর তারকাঁটা ও ধারালো লোহার টুকরো ও  জিআই পাইপের টুকরো ছিল। ব্যাটারি ও সার্কিটের সমন্বয়ে ডিভাইসটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যে কেউ ছাতা খোলার চেষ্টা করলেই বোমাটি বিস্ফোরিত হতো। এতে অনেক মানুষ হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারত।’

শনিবার (২৫ জুলাই) মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ডিএমপির বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা বোমা নিষ্ক্রিয় করার পর জানায়, বোমাটি শক্তিশালী আইইডি ছিল। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তিনি বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর বোমার স্থলটি ঘিরে রাখা হয়েছিল। ওই পথেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টো রথযাত্রা এসেছিল। তখন তাদের ওই অংশটুকু এড়িয়ে যেতে বলা হয়েছিল। রথযাত্রা চলে যাওয়ার পর বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এদিকে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারণা করছি, উল্টো রথযাত্রাকে লক্ষ্য করে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টায় সেখানে কেউ আইইডি পেতে রেখেছিল। তবে আগেই সেটি শনাক্ত হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, উল্টো রথযাত্রার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছিলেন বাদী নিজেও। শোভাযাত্রাটির রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম পর্যন্ত। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ট্রাফিক বিভাগ থেকে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে মতিঝিলে বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর জানানো হয়।

একটি ছাতার মধ্যে রাখা ওই বোমায় মিটমিট করে লাল আলো জ্বলছিল বলে জানানো হয়। ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে এসআই মুক্তা ও তার সহকর্মীরা সন্ধ্যায় মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে রাস্তায় বোমা পাওয়ার জায়গাটি ঘিরে রাখেন। সেখানে রথযাত্রার মিছিল উপস্থিত হলে পুলিশ সদস্যরা তাদের ‘শর্টসার্কিট’ হয়েছে বলে জায়গাটি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে মিছিলটি শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে চলে যায়। এরপর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। 

এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বোমার আলামত হিসেবে জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি, বিয়ারিংয়ের বল পাওয়ার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়। পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করে ওই বোমাটি পাতা হয়েছিল। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে বোমা সেখানে পাতা হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বোমাটি সেখানে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সারা দিন গ্যাস নেই, ভোরে মেলে সামান্য

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ এএম
সারা দিন গ্যাস নেই, ভোরে মেলে সামান্য
তীব্র গ্যাসসংকটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গ্যাসসংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন লাখো গ্রাহক। গত চার দিন ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও বাসাবাড়িতে গ্যাসসংকট চলমান রয়েছে। একদিকে গাড়িচালকদের কর্মজীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়, অন্যদিকে বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও ভোররাতে ঘণ্টাখানেকের জন্য গ্যাস মিললেও চাপ এতই কম যে রান্না শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ)-এ কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আবাসিক গ্রাহক, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ অনেক কমে গেছে।

রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, ধানমন্ডি, উত্তরা, বাড্ডা, পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায় চুলায় গ্যাস থাকে না বললেই চলে। অনেক এলাকায় পানি ফুটাতেও দীর্ঘ সময় লাগছে, আবার কোথাও সারা দিন গ্যাসের কোনো অস্তিত্বই নেই। রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে অল্প সময়ের জন্য গ্যাস এলেও সেই সময় পুরো রান্না শেষ করা সম্ভব হয় না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে গভীর রাতে কিংবা ভোরে উঠে রান্না করছেন। আবার কিছু এলাকায় একেবারেই গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবারকে মাটির চুলায় রান্না করতে দেখা গেছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, অফিসগামী সদস্য ও স্কুল-কলেজপড়ুয়া সন্তানদের জন্য প্রতিদিন খাবার প্রস্তুত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভর করছে। কেউ কেউ আবার অতিরিক্ত খরচ করে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। এতে সংসারের মাসিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। কাঁঠালবাগানের এক গৃহিণী বলেন, প্রতিদিন ভোর ৩-৪টার দিকে উঠে রান্না করতে হচ্ছে। কখন গ্যাস আসবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এভাবে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

রাজধানীর গ্রিনরোডের ক্রিসেন্ট রোডের বাসিন্দা রোকসানা আক্তার রুমা খবরের কাগজকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসসংকটে ভুগছি। বাসায় ঠিকমতো রান্না করতেও পারি না। ভোররাতে মিটমিট করা একটু গ্যাস এলেও ফজরের আজানের সঙ্গে সঙ্গেই আবার চলে যায়। লাইনে গ্যাস না থাকায় বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনে রান্নার কাজ সারছি অথচ প্রতি মাসেই বাধ্যতামূলক গ্যাস বিল দিতে হচ্ছে। এভাবেই বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে। 

অন্যদিকে দুপুরে কাঁঠালবাগান ঢাল এলাকার একটি বস্তিবাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, রান্নার জন্য লাইনের ছয়টি গ্যাসের চুলা আছে অথচ একটিতেও গ্যাস নেই। বাধ্য হয়ে বাসিন্দারা মাটির চুলায় রান্না সারছেন। বর্তমানে এমন চিত্র রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু রাজধানী নয়, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরেও একই চিত্র। কোথাও গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে আধা ঘণ্টা চুলা জ্বালিয়েও এক রান্না শেষ করা যাচ্ছে না। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি ও মানসিক চাপ।

গ্যাসসংকটের প্রভাব পড়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসাতেও। পর্যাপ্ত গ্যাসের অভাবে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করতে হয়, এমন অনেক খাবার সাময়িকভাবে মেনু থেকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর ধানমন্ডির ক্যাফে আল বারাকার কর্মচারীরা খবরের কাগজকে জানান, গ্যাসসংকটের কারণে কয়েকটি জনপ্রিয় খাবার আপাতত পরিবেশন করা যাচ্ছে না।

রাজধানীর গ্যাস পাম্পগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজি, প্রাইভেট কার, রাইড শেয়ারিং ও রেন্ট-এ-কার চালকরা। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস। কোথাও সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ, আবার কোথাও চাপ এতই কম যে একটি গাড়িতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস ভর্তি করা যাচ্ছে না।

রামপুরা ও মেরুল বাড্ডার সিএনজি স্টেশনগুলোতে দেখা গেছে, শত শত চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে আশপাশের সড়কেও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বাড্ডার জামান স্টেশনের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষারত চালক সোলেমান জানান, সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আয় হচ্ছে না, কিন্তু মালিকের নির্ধারিত জমার টাকা ঠিকই পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরশীলতা বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আবাসিক গ্রাহকদের ওপর।

এদিকে গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কারিগরি ত্রুটি দ্রুত মেরামতের জন্য সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা যৌথভাবে মেরামত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং জ্বালানি বিভাগ সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। 

তবে কবে বা কখন গ্যাসসংকটের সমাধান হবে সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি। জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলেছে, ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মেরামতকাজ ঠিক কবে শেষ হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় কাজ চললেও পুরোপুরি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।

আজ-কালের মধ্যে বঙ্গভবন ছেড়ে নিজ বাসায় উঠবেন সাহাবুদ্দিন

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ এএম
আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
আজ-কালের মধ্যে বঙ্গভবন ছেড়ে নিজ বাসায় উঠবেন সাহাবুদ্দিন
রাজধানীর গুলশান ১ এর ১২৩ নম্বর রোডের গ্রিন ভিলার নিজ বাসায় উঠবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। খবরের কাগজ

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছেড়ে দু-এক দিনের মধ্যে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় উঠবেন বলে আভাস মিলেছে। গুলশান-১-এর ১২৩ নম্বর সড়কের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় তার নিজস্ব ফ্ল্যাট এখন ধোয়ামোছা এবং দেয়াল রং করার কাজ চলছে। 

মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন– এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে গুলশানের এই ফ্ল্যাট নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু করেন কর্মীরা। গত শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন, সেদিনই জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

শুক্রবার দুপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’ নামের সেই ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে টেলিফোন সংযোগের কাজ শুরু করেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কর্মচারীরা।

শুক্রবার বিকেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য সেখানে অবস্থান নিলেও গতকাল শনিবার সকালে তাদের আর দেখা যায়নি। ভবনের অন্য বাসিন্দাদের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছিল। 

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মো. সাহাবুদ্দিন ঠিক কখন এই বাসায় আসবেন, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সবকিছু যেন ধুয়েমুছে ঠিক রাখা হয়। ইতোমধ্যে তার পরিবারের নানা আসবাবপত্র এই ভবনে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গতকাল সকালে গুলশানের সেই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে বেশ কিছু আসবাবপত্র ভবনের নিচে জড়ো করে রাখা হয়েছে। ভবনেও নতুন করে রং করা হচ্ছে। 

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। সে হিসাবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে। তবে ২১ মাস আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৩৯

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৩৯
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে ৪৩৯ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। 

শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ৭৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪১ জন, খুলনা বিভাগে ৪১ জন, রংপুর বিভাগে ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন ও সিলেট বিভাগে ১ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে শুধু চলতি জুলাই মাসেই ভর্তি হয়েছেন ৬ হাজার ৫৭০ জন, যা মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪০ জন। এর মধ্যে শুধু জুলাই মাসেই মারা গেছেন ২২ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১ ও জুন মাসে ১৩ জন মারা গেছেন।

বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম
বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন । ছবি : পিএমও

তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্ভাবনাময় পরবর্তী প্রধান এই চালিকাশক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার ইতোমধ্যে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিসহ সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।’

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর নভোথিয়েটারে দেশকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এই যুগে সেমিকন্ডাক্টরকে আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, ডেটা সেন্টার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে মোবাইল ফোন ও মহাকাশের স্যাটেলাইট- প্রতিটি ক্ষেত্রেই চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর অপরিহার্য।’

বিশ্ববাজারে সেমিকন্ডাক্টরের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যেই গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে যাচ্ছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সুযোগ বিদ্যমান এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে আমরা একটি জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত হিসেবে বিবেচনা করছি। তবে এই খাতের উন্নয়ন একক কোনো মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়; এটি একটি সম্মিলিত জাতীয় মিশন।

এ খাতকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যেগের কথা তুলে ধরেন তিনি ‘চলতি বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ টানতে শুল্কমুক্ত (বন্ডেড) সুবিধা প্রদান এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। বিদ্যমান হাই-টেক পার্কগুলোকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি নতুন বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।’

আন্তর্জাতিক বাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা রয়েছে। আমাদের মেধা, দক্ষ তারুণ্য এবং উদ্ভাবনী শক্তির ওপর ভর করেই আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করব। সরকার আপনাদের স্বপ্ন ও অদম্য ইচ্ছাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাধ্যের সবটুকু দিয়ে পাশে থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন অংশীদারিত্ব, গবেষণা উদ্যোগ এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে তিনি সামিটে যোগ দিতে আসা দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

এএফ/