ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

দ্যাখ কেমন লাগে

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:৫৭ পিএম
দ্যাখ কেমন লাগে

রতন রাত ১২ টায় পাঁচুকে ফোন করেছে...

রতন: পাঁচু, একটু আমার বাড়িতে আয় না, জরুরি কাজ আছে।

পাঁচু: আমি এখন আসতে পারব না, ঘুম পাচ্ছে।

রতন: প্লিজ আয় না, জরুরি কাজ আছে।

পাঁচু: বললাম তো আসতে পারব না, ঘুমাব। গুড নাইট। (ফোন অফ)

কিছুক্ষণ পর পাঁচু ভাবল, খুব জরুরি কাজ হবে হয়তো। না গেলে বিপদে পড়তে পারে। এইসব ভাবতে ভাবতে পাঁচু রতনের বাড়ি গেল। গিয়ে দেখে রতন কম্বলের নীচে শুয়ে টিভি দেখছে।

পাঁচু: কিরে, কী জরুরী কাজ তোর এত রাতে?

রতন: বোস, চা-কফি কিছু খাবি? (ওদিকে পাঁচু মনে মনে বলল, যদি তুই কিছু খেতে চাস তাহলে তোকেই বানাতে হবে। এই শীতে আমি আর কম্বলের নিচ থেকে বের হচ্ছি না।)

পাঁচু: না, এত রাতে অত ফর্ম্যালিটি করতে হবে না। কী কাজ করতে হবে তাড়াতাড়ি বল। আমাকে বাড়ি ফিরতে  হবে।

রতন: টিভি আর লাইটের সুইচটা একটু অফ করে দিয়ে যা। খুব শীত লাগছে, কম্বল ছেড়ে উঠতে পারছি না। তাই তোকে ফোন করে ডাকলাম।

পাঁচু টিভি আর লাইটের সুইচটা অফ করে ফ্যানের সুইচটা অন করে দিয়ে চলে গেল।

জাহ্নবী

উচিত শিক্ষা

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৯ পিএম
উচিত শিক্ষা

এক বৃদ্ধ ট্রেনে উঠেছেন। সেই বগিতে বৃদ্ধ একাই ছিলেন। হঠাৎ ১২ জন যুবক চলন্ত ট্রেনের ওই বগিতে উঠেই চিৎকার করে গান গাইতে শুরু করল। ছুরি দিয়ে আম কেটে খাচ্ছিল তারা। হঠাৎ একটি যুবক বলে উঠল, চল আমরা ট্রেনের চেইনটা টেনে ট্রেনটাকে থামিয়ে দিই।

দ্বিতীয় যুবক: না দোস্ত, লেখা আছে ৫০০ টাকা জরিমানা অন্যথায় এক মাস জেল।

প্রথম যুবক: আমরা ১০০ টাকা করে চাঁদা তুলি। ১২০০ টাকা হবে। জরিমানা দেওয়ার পর বাকি ৭০০ টাকা দিয়ে লাঞ্চ করব। 
ওকে, তাই হবে বলেই ১২০০ টাকা তুলে প্রথম যুবকের পকেটে রাখল।

তৃতীয় যুবক: আমরা চেইন টেনে ওই বুইড়াটাকে দেখিয়ে দিলে ৫০০ টাকাও বাঁচল আবার মজাও করা হলো। আমরা ১২ জনে সাক্ষী দিলে টিটি মেনে যাবে।

বৃদ্ধ ভয় পেয়ে হাত জোড় করে বললেন: বাবারা, তোমরা আমার ছেলের বয়সী। কেন আমাকে বিপদে ফেলবে?

যুবকগুলো বৃদ্ধের অনুরোধ অবজ্ঞা করে চেইনটা টান দিতেই টিটি চলে এসে জিজ্ঞাসা করল, কে চেইন টেনেছে?

যুবকগুলো বৃদ্ধকে দেখিয়ে বলল, ওই চাচা মিয়া টেনেছে।

টিটি বৃদ্ধকে বলল, অকারণে চেইন টানলে ৫০০ টাকা জরিমানা অথবা এক মাস জেল।

যুবকগুলো চিৎকার করে বলল, স্যার, বুইড়া অকারণেই টেনেছে।

এরপর তারা হো হো হো হো হা হা করে হাসতে লাগল।

বৃদ্ধ একটু দাঁড়িয়ে বলল, টিটি সাহেব, আমি বিপদে পড়েই চেইন টেনেছি।

টিটি বলল: কী বিপদ?

বৃদ্ধ বলল: ওই যুবকগুলো আমার গলায় ছুরি ধরে আমার ১২০০ টাকা ছিনতাই করেছে।

টিটি বলল: সর্বনাশ।

বৃদ্ধ প্রথম যুবকটিকে দেখিয়ে দিয়ে বলল, দেখুন ওই যুবকের পকেটে টাকা আর ওই ব্যাগে ছুরি।

টিটি পুলিশকে কল করল। পুলিশ এসে টাকা এবং ছুরি উদ্ধার করল। তারপর গ্রেপ্তার করল ওদের।

যখন ওদের নিয়ে যাচ্ছিল, তখন বৃদ্ধ তার পাকা চুল দেখিয়ে বললেন, এগুলো বাতাসে পাকেনি।

কলি

কথাগুলো সত্য

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৫ পিএম
কথাগুলো সত্য

এক চালাক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে- সে মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল, ‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও তাহলে এক্ষুণি নৌকা ছেড়ে চলে যাও।’

একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক একটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।

স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।

একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭ নম্বরে, ‘হ্যালো, এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’

দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব বলুন।’

তিনি এত কৃপণ যে, চিনির কৌটায় কাঁটাচামচ ব্যবহার করেন।

পেটে প্যাঁচওয়ালা এক লোক ভুলে পেরেক খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।

 ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদের কোনো অধিকার অর্জিত হয় না।

ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন? 

মা: না, সব সময় না। মাঝে মধ্যে, ‘অফিসের কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটু রাত হবে’ দিয়েও শুরু হয়।

রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে, কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে, পোড়া গন্ধ।

এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথরোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নাম্বারটা যদি দয়া করে দিতেন...।

রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।

বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন পালন করেন। তার অনশন শুরু হয়েছিল সকালে নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন মধ্যাহ্নভোজের আগে।

আপনার একটি ফোন থাকলে সেটি প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি বিলাসিতা আর কোনো ফোনই যদি না থাকে তাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।

নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি চমৎকার উদার দিক, যেখানে সবাই মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।

কলি

ডায়ালগ উইথ কিশোর গ্যাং

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১১ পিএম
ডায়ালগ উইথ কিশোর গ্যাং

-তোমরা কারা?
-কিশোর গ্যাং।
উল্টাসিধা হইলে কিছু
ভাইঙ্গা দিমু হাড্ডি ঠ্যাং।
-ডর ভয় নাই? এত্ত সাহস?
-থোড়াই কেয়ার। এইটা কী কস?
মাডার ফাডার ডাইল ভাত রে
পাইক্যা গেছে এই হাত রে!
আছেন লিডার, বস আড়ালে
পথের বাধা কেউ দাঁড়ালে,
আমরা ফিনিশ কইরা ফালাই
রাখি না কুছ বিপদ বালাই।

-পড়লে ধরা, ছুটাইব কে?
তার নাম ধাম অ্যাডরেস দে।
-নাহ, দিমু না, নিয়ম তো নাই
জলদি ফোটেন কইতাছি ভাই।
নাম দিলেও ধরব কেডা?
ফালতু কথা কস রে বেডা!

কলি

কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে কী কী কাজ করানো যায়

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৮ পিএম
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে কী কী কাজ করানো যায়

নামকরণ: কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্রুপের ইউনিক নাম দিতে চায়, যা কেউ আগে কখনো দেয়নি। তাই আপনার ফেসবুক-মেসেঞ্জার গ্রুপের নাম, কালচারাল প্রোগ্রামের নাম কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে আপনার নবজাতক শিশুর নাম নিয়ে যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে তাদের দ্বারস্থ হতে পারেন।

পেইন্টিং: শহর কিংবা শহরতলি; সব জায়গায় দেয়ালে দেয়ালে নিজেদের গ্যাংয়ের নাম বা লোগো এঁকে নিজেদের জানান দিতে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ভীষণ উৎসাহী। আপনার স্কুল-কলেজ কিংবা বাড়িঘরে সস্তায় পেইন্টিং করাতে চাইলে এদের ডাকতে পারেন, পরমানন্দে তারা এই কাজ করবে বলে আশা করা যায়।

মাছ কাটা: আপনার বাড়িতে হুট করে কোনো অনুষ্ঠান? খাবারের মেন্যুতে মাছের ব্যবস্থা আছে কিন্তু মাছ কাটাকুটির লোক এই শেষ মুহূর্তে খোঁজে পাচ্ছেন না? আপনার জন্য এক নিমিষেই হাজির হবে একঝাঁক কিশোর গ্যাং। ছুরি, চাকু ব্যবহার করে কাটাকুটিতে তারা সিদ্ধহস্ত। তবে তার আগে তাদের ফেসবুক গ্রুপে ইনবক্সে জানাতে হবে আপনার লোকেশন এবং অনুষ্ঠানের সময়। পারিশ্রমিকের ব্যাপারটাও সেরে ফেলতে পারেন তখন।

ফুটবল মাঠের রেফারি: অনেক দিন পর বন্ধুরা এলাকায় ঈদের ছুটিতে একত্রিত হয়েছেন। ভাবছেন ফুটবল খেলবেন। সবাই খেলতে আগ্রহী তাই রেফারি খুঁজে পাচ্ছেন না? সমস্যা নেই। কিশোর গ্যাংয়ের কোনো একজনকে ডাকুন, হুইসেল ছাড়াই বেশ জোড়ে শিস বাজাতে পারবে সে। স্কুল-কলেজের সামনে মেয়েদের দিকে তাক করে শিস বাজানোতে পটু এরা।

অভিনেতা এবং অন্যান্য কলাকুশলী: অনেক দিন ধরে ভাবছেন একটা শর্টফিল্ম বানাবেন কিন্তু আপনার বাজেট কম বলে পর্যাপ্ত কলাকুশলী খুঁজে পাচ্ছেন না? ডেকে আনুন একটা কিশোর গ্যাং, হাতে স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিন। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, নিজের সর্বোচ্চটা ঢেলে দেবে তারা। হিরোইজম দেখাতে গিয়ে অনেক ভিডিও আপলোড করে তাদের ফেসবুক পেজে। সেই ভিডিওগুলোর অভিনয় দেখে বেছে নিতে পারেন কম দরের অ্যাকশন হিরো, জোকার এবং অন্যান্য চরিত্র।

শোডাউন: আজ আপনার জন্মদিন অথচ এলাকার কেউই আপনাকে শুভেচ্ছা জানায়নি? এক কাজ করুন, স্বল্প টাকায় একটা কিশোর গ্যাং ভাড়া করে আনুন। টাকার জন্য করতে পারে না এমন কোনো কাজ নেই। আপনার ছবি এবং নামাঙ্কিত ফেস্টুন ছাড়াই এরা মোটরবাইকে করে গলা ফাটিয়ে আপনার নাম উচ্চারণ করে করে শোডাউন দেবে।

কলি

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার শাস্তি

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৪, ০৪:০৫ পিএম
ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার শাস্তি

অনেকেই জ্যাম দেখলে তার মোটরসাইকেলটি ফুটপাতে তুলে দেন। তাদের কী ধরনের শাস্তি দেওয়া যায়, চলুন দেখে নিই। লিখেছেন মেহেদী

১. মহাভোজ

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে উপাদেয় সব খানা খেতে দিতে হবে। তবে একজনকে দিতে হবে চারজনের জন্য প্রযোজ্য খানা। সেখানে থাকতে পারে চিকেন রোস্ট, কাচ্চি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, সাসলিক কাবাব ইত্যাদি। এত খানা খেয়ে যখন পেটের বারোটা বাজবে তখন ভুলেও আর উল্টোপথে গাড়ি চালাবে না।

২. মশারির ছিদ্র গণনা

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে মশারির ছিদ্র গণনা করতে দিতে হবে। একবার ফুটপাতে মোটরসাইকেল তুললে একটি মশারির ছিদ্র গুনতে হবে। দুইবার তুললে দুটো মশারি। এভাবে বাড়তেই থাকবে। আশা করা যায়, এই শাস্তির পর ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলার ঝুঁকি কোনো ড্রাইভার নেবে না।

৩. নেট কানেকশন বন্ধ

ফুটপাতে মোটরসাইকেল তোলা চালকদের শাস্তি হিসেবে এক মাসের জন্য নেট কানেকশন বন্ধ করে দিতে হবে। তেমন হলে ড্রাইভারের ফেসবুক, টুইটার,হোয়াটসঅ্যাপসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ হয়ে যাবে। দেখতে পারবে না টিকটক। এমন শাস্তি দিলে জোর করেও কেউ ড্রাইভারদের ফুটপাতে নিতে পারবে না।

৪. চাল ডাল বাছাই

ফুটপাতে গাড়ি তোলার শাস্তি হিসেবে চাল ডাল বাছাই করানো যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে এক কেজি চাল এবং এক কেজি মসুরের ডাল একটি পাতিলে ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

এবার অপরাধী চালককে বলতে হবে চাল থেকে ডাল বাছাই করতে। এভাবে একবার করালে ভবিষ্যতে আর ফুটপাতে মোটরসাইকেল ওঠাবে না।

৫. পানি পাচার

অপরাধী মোটরসাইকেল চালককে দিয়ে পানি পাচার করাতে হবে। প্রথমে বালতি ভর্তি পানি নিতে হবে।

এবার চা চামচ দিয়ে সেই বালতির পানি আরেক বালতিতে পাচার করতে হবে। এভাবে এক দিন পুরোটা সময় পানি পাচার করালে চালক ভাই আর ফুটপাতে মোটরসাইকেল ওঠাবে না।

কলি